জাতীয়

বিরোধীদলের গঠনমূলক সমালোচনা আমরা স্বাগত জানাবো: স্পিকার

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, সরকারি দল বাজেট দেবে, বিরোধীদল সামালোচনা করবে। বিরোধীদলের এই গঠনমূলক সমালোচনা অমরা স্বাগত জানাবো। 

তিনি বলেন, আমি দেখব, সংসদে বিরোধীদল যাতে তাদের দায়িত্ব পালন করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়। সরকারি দল এবং বিরোধী দলের মধ্যে সহযোগিতার মনোভাব আমি আগের সংসদ অধিবেশনে লক্ষ্য করেছি। এখনও আশা করি তাদের মধ্যে কো-অপারেশন থাকবে। সরকারি দল ও বিরোধীদল মিলেই একটি স্বাচ্ছন্দ্যময় বাজেট উপহার দেবে। যাতে করে জনজীবনে স্বস্তি নেমে আসে। 

আজ মঙ্গলবার ভোলা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। 

স্পিকার আশা প্রকাশ করে আরও বলেন, সহযোগিতার মনোভাব প্রথম অধিবেশনে দেখতে পেয়েছি। সামনের বাজেট অধিবেশনেও আশা করি সেটি দেখতে পাবো। আমার ধারণা, এখন পর্যন্ত এই জাতীয় সংসদ জনগণের আশা পূরণে সক্ষম হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে তারা আরও ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। দেশবাসীর এই সংসদে নিয়ে যে আশা আকাক্সক্ষা, সেটি বাস্তবায়নের জন্য প্রত্যেক সংসদ সদস্য উদ্যোগী হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ঈদ উপলক্ষ্যে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ চারদিনের সফরে মঙ্গলবার দুপুরে নিজ জেলা ভোলায় আসেন। তার নির্বাচনী এলাকা লালমোহন যাওয়ার আগে ভোলা সার্টিক হাউজে তিনি যাত্রা বিরতি করেন। 

এসময় ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্যাহ কাওছারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি : সংগৃহীত
রামিসা হত্যাকাণ্ডে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস আইনমন্ত্রীর

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।   তিনি বলেন, বিচারক ও আইনজীবী সংকটের কারণে দেশে অনেক মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘ হয়, তবে আলোচিত এ মামলার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।   মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।   আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও মর্মান্তিক ঘটনা। এ মামলার বিচার দ্রুত শেষ করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে।’   এ সময় এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর ‘আইন মন্ত্রণালয় থেকে আদালত নিয়ন্ত্রণ করা হয়’— এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ‘এ ধরনের মন্তব্য আদালত অবমাননার শামিল। বিচারকরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।’   তিনি আরও বলেন, ‘বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করছে বলেই তাদের নেতারা গ্রেপ্তারের পরদিনই জামিন পেয়েছেন।’   বাংলাদেশের বিচার বিভাগ অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে দাবি করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে মামলা জট রয়েছে। কারণ বিচারকের সংখ্যা কম। একই সঙ্গে ট্রায়ালে অংশ নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত আইনজীবীও নেই। ফলে বিচার কার্যক্রম দীর্ঘ হয়।’   সম্প্রতি ঝিনাইদহে এনসিপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে করা মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পুলিশ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করেছে এবং বিচারকরাও স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভ্রান্তি ছড়াতে এসব বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।’

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৬, ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে আরও দুই শিশুর প্রাণহানি, ভর্তি ৬২

ছবি : সংগৃহীত

বিরোধীদলের গঠনমূলক সমালোচনা আমরা স্বাগত জানাবো: স্পিকার

ছবি : সংগৃহীত

ঈদে সিএনজি স্টেশনগুলো ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে

র‌্যাব মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ। ফাইল ছবি
ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই: র‌্যাব মহাপরিচালক

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, ঈদে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকি নেই। তিনি আরও বলেন, ঈদকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গন পরিদর্শন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে এ বছরও র‌্যাব ফোর্সেস অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করেছে।  আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। র‌্যাবের সব সদস্য ঈদের দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত রয়েছে এবং সব ব্যাটালিয়ন তাদের নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় রোবাস্ট পেট্রোলিং পরিচালনা করছে। তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে প্রধান প্রধান ঈদের জামাতের নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশব্যাপী বিভিন্ন জায়গায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কালোবাজারি, অসাধু ব্যবসায়ীরা অবৈধ মজুদদারী, দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, খাদ্যে ভেজালসহ নকল দ্রব্যসামগ্রী বাজারজাত করে বাজার পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে, সেজন্য র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারীও বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও র‌্যাবের অনলাইন মনিটরিং কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলকভাবে কমে যাওয়ায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকল মেট্রোপলিটন শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রাত্রীকালীন নিরাপত্তা চৌকি এবং টহল সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও আনন্দঘন পরিবেশে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যেকোন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রম দমনে র‌্যাব নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফাইল ছবি

হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৫৫৫

প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকার পশুর হাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ নেই : প্রশাসক

ছবি: সংগৃহীত
সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদুল আজহার জামাত

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে ঈদের জামাতে সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন।   মঙ্গলবার (২৬ মে) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে জামাতে শরিক হওয়ার জন্য সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। পবিত্র ঈদের জামাতে অংশগ্রহণকারী সব মুসল্লিকে ওজুসহ নামাজের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে নামাজের জায়নামাজ, মোবাইল ফোন এবং প্রয়োজনে ছাতা ছাড়া অন্য কোনো ব্যাগ বা বস্তু সঙ্গে না আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান প্রত্যাখ্যান পাকিস্তানের

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের দীর্ঘ চাপ। ছবি : সংগৃহীত

সদরঘাটে লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ

0 Comments