খেলাধুলা

বিপিএলে নতুন ‘রাজা’ শরিফুল

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0
উইকেট লাভের পর শরিফুলের উদযাপন। ছবি : সংগৃহীত
উইকেট লাভের পর শরিফুলের উদযাপন। ছবি : সংগৃহীত


বিপিএলের চলতি মৌসুমটা দুর্দান্ত কাটল শরিফুল ইসলামের। আজ ফাইনালেও আলাদাভাবে নিজের জাত ছিনিয়েছেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই পেসার। রাজশাহীর কেন উইলিয়ামসন এবং নাজমুল হাসান শান্তর উইকেট দুটি দখল করেন তিনি। আর তাতেই বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড নতুন করে লিখলেন শরিফুল ইসলাম।

তাসকিন আহমেদকে হটিয়ে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়লেন তিনি। দুর্দান্ত এক বিপিএল কাটানো শরিফুল এই আসরে নিয়েছেন মোট ২৬ উইকেট। এবারের আসরে নিজের শেষ বলে এই কীর্তি গড়েন শরিফুল ইসলাম।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে এখন দুর্দান্ত সময় কাটছে শরিফুলের। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন এবারের বিপিএলেও। পুরো আসরেই দুর্দান্ত বোলিং করেন চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই তারকা পেসার। ফাইফারও নিয়েছেন তিনি। জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কারও। ফাইনালের আগে তার উইকেটের সংখ্যা ছিল ২৪। এক উইকেট বেশি নিয়ে তার আগে ছিলেন তাসকিন আহমেদ। যে কারণে দুই উইকেট পেলেই জাতীয় দলের সতীর্থকে ছাড়িয়ে যাওয়ার হাতছানি নিয়েই ফাইনালের মিশন শুরু করেন শরিফুল।

ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে শরিফুলের প্রথম উইকেটটি কেন উইলিয়ামসনের। ডিপ মিড উইকেটে ছক্কা মারার পরের বলেই অফ সাইডে আবারও বল উড়িয়ে দেন উইলিয়ামসন। তাতেই নাঈম শেখের তালুবন্দি হয়ে যান এই কিউই ক্রিকেটার। শরিফুল পেয়ে যান আসরের ব্যক্তিগত ২৫তম উইকেট। সেসঙ্গে ছুঁয়ে ফেলেন তাসকিন আহমেদকে।

তবে দ্বিতীয় উইকেটের জন্য অপেক্ষা করতে হয় রাজশাহীর ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত। ইনিংসের শেষ বলে শরিফুলকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক মেলাতে পারেননি রাজশাহীর অধিনায়ক শান্ত। ফলে ৩০ গজের মধ্যেই উঠে যায় ক্যাচ। শরিফুল নিজেই তা তালুবন্দি করেন এবং পেয়ে যান আসরে নিজের ২৬তম উইকেটটি। সেইসঙ্গে এক আসরে বিপিএলে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির তালিকায় শীর্ষে থাকা তাসকিনকে ছাড়িয়ে নতুন রাজা বনে যান শরিফুল ইসলাম।

২৩ উইকেট নিয়ে এই তালিকার তিনে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। ২২ উইকেট নিয়ে পরের জায়গাটি দখল করে রেখেছেন কেভন কুপার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ফাইল ছবি
আইসিসি থেকে বিশাল সুখবর পেল বাংলাদেশ

পাকিস্তানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জেতার ঠিক পর আইসিসি থেকে বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ। আইসিসি র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে নয় নম্বরে উঠে এসেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। এতে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। আগামী বছরের ৩১ মার্চের র‌্যাংকিংয়ের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত হবে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা দলগুলোর নাম। স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে ছাড়া র‌্যাংকিংয়ের অন্য শীর্ষ আট দল সরাসরি খেলবে বিশ্বকাপে। এই মুহূর্তে ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা পাঁচে ও জিম্বাবুয়ে রয়েছে ১১ নম্বরে। অর্থাৎ, নবম স্থান ধরে রাখতে পারলে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পরও ৭৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে র‌্যাংকিংয়ে ১০ নম্বরে ছিল বাংলাদেশ। ৭৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল নয়ে। র‌্যাংকিংয়ের চার নম্বর দল পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জেতায় বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে তিন। এতে ৭৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ এখন নয় নম্বরে। বিপরীতে র‌্যাংকিংয়ে পতন না হলেও তিন রেটিং পয়েন্ট হারিয়েছে পাকিস্তান (১০২)। আটে থাকা ইংল্যান্ডের (৮৮) চেয়ে এখনো নয় রেটিং পয়েন্টে পিছিয়ে বাংলাদেশ। আপাতত র‌্যাংকিংয়ে আরও উন্নতি কঠিন হলেও রেটিং পয়েন্ট বাড়ানোর সুযোগ আছে বাংলাদেশের। তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে আগামী মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছে নিউজিল্যান্ড। ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের দুই নম্বরে কিউইরা তাদের হারাতে পারলে পুরস্কার মিলবে আরও বেশি। ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ তিনটি ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল। আইপিএল ও পিএসএলে ব্যস্ত থাকায় শীর্ষ ক্রিকেটারদের এই সিরিজে পাবে না নিউজিল্যান্ড। র‌্যাংকিংয়ে অবস্থান মজবুত করার দারুণ সুযোগ তাই বাংলাদেশের সামনে।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

ব্রাজিল দলে জায়গা হলোই না নেইমারের

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচের দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফরের চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ

ব্রুনো ফার্নান্দেজ

বেকহামের ২৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ব্রুনো

বিসিবি লোগো। ছবি : সংগৃহীত
বিসিবির মিডিয়া স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু, কোন শর্তে কারা আবেদন করতে পারবে

২০২৬ সালে বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় দলের দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সিরিজগুলোর বৈশ্বিক মিডিয়া স্বত্ব বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ লক্ষ্যে টেলিভিশন সম্প্রচারক, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং মার্কেটিং এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে এক্সপ্রেশন অব ইন্টারেস্ট (ইওআই) আহ্বান করা হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক প্রস্তাবসহ আবেদন করতে পারবে, যার মাধ্যমে তারা ২০২৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক হোম সিরিজের ওয়ার্ল্ডওয়াইড মিডিয়া রাইটস অর্জনের সুযোগ পাবে। সংবাদমাধ্যমে দেয়া ইওআই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ২০২৬ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তিনটি আন্তর্জাতিক সিরিজ এই প্রক্রিয়ার আওতায় থাকবে। সিরিজগুলো হলো–নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলের বাংলাদেশ সফর (এপ্রিল-মে), পাকিস্তান জাতীয় দলের সফর (শুধুই টেস্ট সিরিজ) এবং অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের সফর। মিডিয়া স্বত্বের ধরন : বিসিবি দুটি ক্যাটাগরিতে মিডিয়া স্বত্ব দেবে বলে জানিয়েছে–বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের জন্য স্যাটেলাইট টিভি (লিনিয়ার) রাইটস এবং বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল ওটিটি রাইটস। আবেদন সংক্রান্ত তথ্য : বিসিবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট tigercricket.com.bd থেকে ইওআই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা সংগ্রহ করা যাবে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৪ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ইওআই ডকুমেন্ট পাওয়া যাবে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের আর্থিক প্রস্তাবসহ আবেদন জমা দিতে হবে ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখের মধ্যে। আবেদন জমা দিতে হবে মিরপুরের শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির ম্যানেজমেন্ট অফিসে। যোগ্যতার শর্ত : বিসিবি জানিয়েছে, তামাক, অ্যালকোহল বা বেটিং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবে না। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্প্রচারক বা টিভি চ্যানেলকে কমপক্ষে তিন বছর ধরে সম্প্রচার কার্যক্রমে সক্রিয় থাকতে হবে। বিসিবি বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানায়, সংস্থাটি প্রয়োজনে যেকোনো প্রস্তাব গ্রহণ বা বাতিল করার পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বড় আন্তর্জাতিক সিরিজগুলোর সম্প্রচার ও ডিজিটাল কভারেজের নতুন বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানকে হারিয়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে উইন্ডিজকে ছাড়িয়ে গেল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিকে সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করল বার্সা

ছবি: সংগৃহীত

লিভারপুলের মাঠে রিশার্লিসনের গোলে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট পেল টটেনহ্যাম

মেসির আর্জেন্টিনা ও ইয়ামালের স্পেনের লড়াই দেখা যাবে না। ছবি: ফেসবুক
যুদ্ধের দামামায় বাতিল আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফিনালিসিমা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমা মাঠে গড়ানো নিয়ে আলোচনা চলছিল কয়েক দিন ধরে। তবে শেষ পর্যন্ত জানা গেল, ম্যাচটা আর হচ্ছে না। ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা আজ এক বিবৃতিতে ফিনালিসিমা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে। আগের সূচি অনুযায়ী ২৭ মার্চ কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল আর্জেন্টিনা-স্পেন ফিনালিসিমা।কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা হামলা চালিয়ে যাওয়া মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।  উয়েফা ভেন্যু পরিবর্তনের প্রস্তাবও দিয়েছিল। পরিবর্তিত ভেন্যু হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর নাম শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) সেই প্রস্তাবে রাজি হয়নি।এএফএ সাফ জানিয়ে দেয়, তারা স্পেনের মাটিতে স্পেনের বিপক্ষে খেলব না; নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই খেলতে চায়।   উয়েফা আজ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘কাতারের আয়োজক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অনেক আলাপ-আলোচনা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ফিনালিসিমা ম্যাচটি কাতারে আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। উয়েফা অন্যান্য সম্ভাব্য বিকল্পগুলোও খতিয়ে দেখেছিল।তবে শেষ পর্যন্ত কোনো প্রস্তাবই এএফএর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।’ গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর উয়েফা ঘোষণা দিয়েছিল, এ বছরের ২৭ মার্চ লুসাইল স্টেডিয়ামে হবে ফিনালিসিমা। এই লুসাইলেই ২০২২ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছিলেন লিওনেল মেসি।  লামিনে ইয়ামাল ও মেসির লড়াই দেখতে ফুটবলপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে ভক্ত-সমর্থকদের চাওয়া পূরণ হচ্ছে না।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৫, ২০২৬ 0

পাকিস্তানের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

গুলারের অসাধারণ গোলে এলচেকে উড়িয়ে দিল রিয়াল মাদ্রিদ

ছবি : সংগৃহীত

সহজ জয়ে বার্সার সঙ্গে পয়েন্ট ব্যবধান কমাল রিয়াল

0 Comments