বিনোদন

ভিন্ন রূপে পর্দায় আসছেন রাশমিকা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ১৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা এবার ফিরছেন ভিন্নরূপে। তার আসন্ন সিনেমা ‘মাইশা’ ঘিরে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল। সম্প্রতি শুটিং সেট থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি, যা দর্শকদের প্রত্যাশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শুটিং সেটের একটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই পোস্টে রাশমিকা মান্দানা লিখেছেন— থিংস আর গেটিং সুপার ব্লাডি অন সেটস অফ মাইশা! অর্থাৎ সেটে এখন খুবই রক্তাক্ত পরিবেশ চলছে! 

এই একটি বাক্যই যথেষ্ট হয়েছে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়াতে। অনেকেই ধারণা করছেন, এটি হয়তো একটি অন্ধকার, তীব্র অ্যাকশনভিত্তিক গল্প হতে যাচ্ছে, যেখানে আবেগের পাশাপাশি থাকবে সংঘর্ষ আর সহিংসতার তীব্র উপস্থিতি।

যদিও সিনেমার গল্প নিয়ে নির্মাতারা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেননি। তবে রাশমিকা মান্দানাকে ঘিরে এ ধরনের ইঙ্গিত থেকেই বোঝা যাচ্ছে— তিনি এবার একেবারেই ভিন্ন ধরনের চরিত্রে হাজির হতে চলেছেন। তার আগের অনেক সিনেমায় রোমান্স, কমেডি ও হালকা আবেগঘন চরিত্রে দেখা গেলেও এবার পরিস্থিতি অনেক বেশি কঠিন ও বাস্তবধর্মী হতে পারে।

ইন্ডাস্ট্রির ভেতরের আলোচনা অনুযায়ী, এ চরিত্রের জন্য রাশমিকা মান্দানা নাকি মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণও নিচ্ছেন। যদিও নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো এ খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবু এ প্রস্তুতির খবর সত্যি হলে বোঝা যায়, সিনেমাটিতে থাকবে শারীরিকভাবে চ্যালেঞ্জিং অ্যাকশন দৃশ্য এবং হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট সিকোয়েন্স।

রাশমিকা মান্দানা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভাষার সিনেমায় নিজের বহুমুখী অভিনয় দিয়ে দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। রোমান্টিক থেকে শুরু করে কমার্শিয়াল ব্লকবাস্টার, সব ধরনের সিনেমাতেই তিনি কাজ করেছেন। এবার ‘মাইশা’ তার ক্যারিয়ারে আরও একটি নতুন অধ্যায় যোগ করতে পারে, যেখানে তাকে দেখা যেতে পারে একেবারে শক্তিশালী ও লড়াকু চরিত্রে।

বর্তমানে তিনি একাধিক বড় প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তার আসন্ন তালিকায় রয়েছে ‘পুষ্পা-৩’ ‘ককটেল’ ও ‘রানাবালি’সহ আরও কিছু সিনেমা। এই বৈচিত্র্যময় লাইনআপ ইঙ্গিত দিচ্ছে— তিনি এখন বেছে নিচ্ছেন এমন সব চরিত্র, যা তার অভিনয় দক্ষতার নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে।

তবে সব কিছুর মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা ‘মাইশা’ নিয়েই। কারণ এর গল্প, চরিত্র ও রাশমিকা মান্দানার নতুন অ্যাকশন অবতার_ সব মিলিয়ে এটি হতে পারে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজগুলোর একটি। এখনো সিনেমার কোনো ট্রেলার বা বিস্তারিত কাহিনি প্রকাশ করা হয়নি। তবে শুটিং সেট থেকে আসা এ ধরনের ইঙ্গিত এবং রাশমিকার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
আরিয়ান খানের সঙ্গে যোগাযোগের কারণ জানালেন রিয়া চক্রবর্তী

বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী প্রথমবারের মতো আরিয়ান খানের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে মুখ খুলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে নানা আলোচনা চললেও এবার তিনি নিজেই এর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।   সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রিয়া জানান, মাদক-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার ও কারাবাসের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, এমন পরিস্থিতিতে একজন মানুষের মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে। সেই কারণেই তিনি আরিয়ান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।   রিয়া বলেন, “হ্যাঁ, আমি আরিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। কারণ আমি জানি, এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেলে একজন মানুষের মানসিক অবস্থা কেমন হয়। আরিয়ানের ঘটনার সঙ্গে আমার ভাই শৌভিকের অভিজ্ঞতারও অনেক মিল ছিল।”   উল্লেখ্য, পৃথক সময়ে মাদক-সংক্রান্ত মামলায় আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন রিয়া চক্রবর্তী ও বলিউড তারকা শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান। দুজনকেই কিছু সময় কারাগারে থাকতে হয়েছিল। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তারা মুক্তি পান।   রিয়া আরও জানান, জীবনের সেই কঠিন সময়ে কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মী সবসময় তার পাশে ছিলেন। তাদের মধ্যে অভিনেত্রী হুমা কুরেশি, অভিনেতা শাকিব সালিম, শিবানী দণ্ডেকর এবং অনুষা দণ্ডেকরের নাম উল্লেখ করেন তিনি।   তার ভাষায়, “আমার বন্ধুরা জানত যে আমাদের পাশে দাঁড়ালে তাদেরও সমালোচনার মুখে পড়তে হতে পারে। তারপরও তারা আমার এবং আমার পরিবারের পাশে থেকেছে। এমনকি আমার বাবা-মায়ের খোঁজখবরও নিয়েছে।”   রিয়ার এই বক্তব্যের পর আরিয়ান খানের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তবে অভিনেত্রীর দাবি, এটি কোনো বিশেষ সম্পর্কের কারণে নয়; বরং একই ধরনের কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া একজন মানুষের প্রতি সহমর্মিতা থেকেই তিনি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।

আক্তারুজ্জামান জুন ০৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

পোশাক নিয়ে হেনস্তার অভিযোগে নায়লা নাঈমের ক্ষোভ

ছবি : সংগৃহীত

শাকিব খানকে নিয়ে ভাইরাল হওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমার নেই : মিষ্টি জান্নাত

ছবি: সংগৃহীত

ডিপফেক ও পরিচয় অপব্যবহার ঠেকাতে আদালতের শরণাপন্ন বরুণ ধাওয়ান

অপু বিশ্বাস
আমার লেহেঙ্গাটা শাকিব খানের খাটের নিচে ছিল : অপু বিশ্বাস

ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এখনও শেষ হয়নি। দুজন এখন দুই ছাদের বাসিন্দা। তবুও তাদের প্রেমে পড়া, গোপন বিয়ে, অপু সন্তানের ঘোষণা, অবশেষে বিচ্ছেদ ঘোষণা বহুল আলোচিত হয়েছে।     সম্প্রতি শাকিব খানকে নিয়ে সুখস্মৃতি সামনে এনেছেন অপু বিশ্বাস।বিয়ের গোপনীয়তা রক্ষা করতে গিয়ে অপু নিজের বিয়ের পোশাক কোথায় লুকিয়ে রেখেছিলেন, সেই গল্পই শোনালেন অকপটে।    অপু বিশ্বাস জানান, বিয়ের দিন তিনি মূলত পার্লারে যাওয়ার কথা বলে গুলশানে শাকিব খানের পাঁচতলার বাসায় গিয়েছিলেন। সেদিন শাকিবের ফুপাতো ভাইয়ের মেয়ের জন্মদিন থাকায় পরিবারের প্রায় সব সদস্যই দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন। ফলে বিকেলে পুরো বাসাটি ফাঁকা ছিল। আর এই সুযোগেই কাজী ডেকে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।    শাকিব খানের বাসায় সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, আমার বিয়ের লেহেঙ্গাটা খাটের নিচে লুকানো ছিল। আর আমার যে অর্নামেন্টস বা গহনা ছিল, সেগুলো শাকিবের পোশাক রাখার একটা ব্যাগের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।   চিত্রনায়িকা আরও জানান, বিয়ে শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যার দিকেই তিনি নিজের বাসায় ফেরেন। কারণ তার সঙ্গে মেজো বোন ছিলেন এবং পার্লারের কথা বলে আসায় মাকে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়ি ফেরার তাড়া ছিল। বিয়ের পরদিন থেকেই যথারীতি তাদের আউটডোর শুটিং শুরু হয়। তবে বিয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ গোপন থাকায় তারা যে যার মতো নিজেদের বাসায় থাকতেন।    নায়িকা আরও জানান, শুটিংয়ের আউটডোরগুলোতে একসঙ্গে থাকা বা বিবাহিত জীবনের স্বাভাবিক আচরণের কারণে অপুর মায়ের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। মা প্রায়ই বলতেন, এটা কেমন দেখায়, খুব অভদ্রতা! এরপর নানা ঝগড়া ও মায়ের বকাঝকার মধ্য দিয়ে অবশেষে বিয়ের দীর্ঘ ছয় মাস পর তার মা জানতে পারেন যে তারা আসলে আগেই বিয়ে করে ফেলেছেন।তাদের ঘর আলো করে আসে ছেলে আব্রাম খান জয়।

মোঃ ইমরান হোসেন মে ৩০, ২০২৬
জয়া আহসান । ফাইল ছবি

ছোটবেলার ঈদ ভাবনা নিয়ে মুখ খুললেন জয়া

ছবি : সংগৃহীত

রহস্য ঘেরা কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত

বিতর্কের মুখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শো স্থগিত

শবনম ফারিয়া । ছবি : সংগৃহীত
১২ বছরের অনলাইন হয়রানির অভিযোগ, মুখ খুললেন ফারিয়া

জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভয়ংকর অনলাইন হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেছেন তিনি। দিনের পর দিন সহ্য করতে করতে তিনি এখন রীতিমতো ক্লান্ত।   ফারিয়া তার পোস্টে শরীফ আজাদ (অনলাইনে ডাক্তার আইজুদ্দিন নামে পরিচিত) নামের এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেছেন। তিনি জানান, গত ১২ থেকে ১৩ বছর ধরে ওই ব্যক্তি তাকে অনলাইনে ভয়ংকরভাবে হয়রানি করে আসছেন। ফারিয়া বলেন, ‘আমি আগে পাত্তা দিইনি, ব্লক করে রেখেছি। কিন্তু সে অবসেসিভলি প্রতিদিন আমার ছবি এআই দিয়ে এডিট করে বিকৃত করে, কখনো মনগড়া গল্প লিখে, কখনো আমার ছবিগুলোকে যতটা সম্ভব সেক্সুয়ালাইজ করে পোস্ট করে।’   বডি শেমিংয়ের মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে এভাবে আমাকে অনলাইনে ইমোশনালি ও মেন্টালি অ্যাবিউজ করে আসছে। এত বছর তো ছিলই, কিন্তু গত দেড় বছরে সেই মাত্রাটা সহ্যের সীমার বাইরে চলে গেছে।’   এই হয়রানির প্রতিকার চেয়ে ফারিয়া অভিযুক্তের স্ত্রী রেহনুমা সারমিনকেও বার্তা পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেখান থেকেও কোনো সাড়া পাননি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারিয়া বলেন, ‘কোনো নারী কীভাবে তার স্বামীর এসব অপকর্ম বন্ধ করার ন্যূনতম চেষ্টাও না করে থাকতে পারেন, সেটা আমার বোধগম্য না। একটা মেয়ে হয়ে, একটা মেয়ের মা হয়ে, আরেকটা মেয়েকে তার স্বামী এভাবে অ্যাবিউজ করছে, এটা উনি কীভাবে এলাউ করেন?’   অভিযুক্ত ব্যক্তির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ফারিয়া জানান, নিজেকে আওয়ামী অ্যাক্টিভিস্ট দাবি করলেও তিনি আসলে সব দলেরই সমালোচনা করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা কোর্টে হয়রানির মামলা রয়েছে এবং তিনি সেখানে জেলও খেটেছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেছেন এই অভিনেত্রী।   এতদিন চুপ থাকার কারণ হিসেবে ফারিয়া জানান, কুকুরের পায়ে কামড় দেওয়া উচিত নয় ভেবে তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। কিন্তু এখন তার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙেছে। পোস্টের শেষে আক্ষেপ ও ক্লান্তি নিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘আমি জানি এই পোস্টের পর তার অনলাইন হয়রানি আরও বেড়ে যাবে। কিন্তু আমি খুব টায়ার্ড। এতদিন চুপ থাকতে থাকতে টায়ার্ড, সবকিছু এড়িয়ে যেতে যেতে টায়ার্ড, বছরের পর বছর ধরে এই হয়রানি সহ্য করে কিছু হয়নি এমন ভাব দেখাতেও টায়ার্ড।’

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৯, ২০২৬
নাজিফা তুষি ও মেজবাউর রহমান সুমন । ছবি : সংগৃহীত

সুমনের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা জানালেন নাজিফা তুষি

সংগৃহীত ছবি

অ্যাজিলিটাস স্পোর্টস-এ আনুশকা শর্মার বিনিয়োগ

সংগৃহীত ছবি

টেইলর সুইফটের কনসার্টে হামলার পরিকল্পনা, তরুণের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

0 Comments