আন্তর্জাতিক

ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্পের নজরে আরও পাঁচ দেশ

Unknown জানুয়ারী ০৬, ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় সাম্প্রতিক কড়া পদক্ষেপের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। হোয়াইট হাউস সূত্র ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের বরাতে জানা গেছে, ভেনেজুয়েলার পর ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলগত ও রাজনৈতিক নজরে রয়েছে আরও পাঁচটি দেশ। এসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ভূরাজনৈতিক স্বার্থকে সামনে রেখেই পরবর্তী পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে ওয়াশিংটন।


তালিকার প্রথম দিকেই রয়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া। মাদক চোরাচালান ও সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুতে কলম্বিয়া সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, দেশটি থেকে পরিচালিত মাদক নেটওয়ার্ক সরাসরি মার্কিন নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। এ কারণে কলম্বিয়ার ওপর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


কিউবাও রয়েছে এই তালিকায়। দীর্ঘদিন ধরেই সমাজতান্ত্রিক এই দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ। ভেনেজুয়েলার সঙ্গে কিউবার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং অঞ্চলটিতে বামপন্থী প্রভাব বিস্তারের অভিযোগকে সামনে রেখে ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বা কড়া অবস্থান নিতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
এছাড়া ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডও ট্রাম্পের কৌশলগত বিবেচনায় রয়েছে। আর্কটিক অঞ্চলে সামরিক ও খনিজ সম্পদের গুরুত্ব তুলে ধরে গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াশিংটন। এর আগেও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।


প্রতিবেশী দেশ মেক্সিকোও ট্রাম্পের নজরের বাইরে নয়। অবৈধ অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ড্রাগ কার্টেল দমনে মেক্সিকোর ভূমিকা নিয়ে বারবার কঠোর বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব ইস্যুতে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে মেক্সিকোর ওপর চাপ আরও বাড়ানো হতে পারে।
সবশেষে তালিকায় রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান। যদিও এটি ভৌগোলিকভাবে লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাইরে, তবুও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কড়া অবস্থান বহাল রয়েছে। ভেনেজুয়েলার ঘটনার পর ইরানের প্রতিও যুক্তরাষ্ট্রের ভাষা আরও কঠোর হয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অবস্থান মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি কৌশল। তবে এ ধরনের নীতির ফলে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
সংগৃহীত ছবি
হামলা-পাল্টা হামলার উত্তেজনায় টিকবে কি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি উদ্যোগ?

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাত শান্তি আলোচনাকে নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তি সমঝোতাকে কার্যত শেষ বলে মন্তব্য করলেও মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দোহার কারিগরি আলোচনা অব্যাহত রাখতে এখনও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ওয়াশিংটন। এদিকে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন বিস্ফোরণের খবর এবং দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।   গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ৬০ দিনের আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ার পর মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের ওপর ধারাবাহিক হামলা চালায়।   আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দফায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ৮৫টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এর জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালায় ইরান। এরপর আবারও ইরানের ৯০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।   শুক্রবার ভোরে ইরানের বুশেহর, কোনারক, চোগাদক এবং বন্দর আব্বাস এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। তবে এসব হামলায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।   ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা কার্যত শেষ। তিনি ইরানের নেতৃত্বকে ‘আবর্জনা’ বলে উল্লেখ করেন এবং আলোচনাকে সময়ের অপচয় বলেও মন্তব্য করেন। তবে পরদিন এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ তাদের লক্ষ্য নয় এবং তেহরান এখনও সমঝোতা করতে চায়।   এদিকে মার্কিন এক কর্মকর্তা আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, দোহায় দুই পক্ষের কারিগরি আলোচনা চালিয়ে যেতে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক দল এখনও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   অন্যদিকে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও মহাসচিবের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে। পার্লামেন্ট স্পিকার মুহাম্মদ গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং দাদাগিরির মূল্য দিতে হবে। তাদের ভাষ্য, হামলা চলতে থাকলে আলোচনা এগোনো সম্ভব নয়।   বিশ্লেষকদের মতে, সমঝোতা স্মারকের ভাষা অস্পষ্ট হওয়ায় দুই পক্ষই নিজেদের সুবিধামতো ব্যাখ্যা দিচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের রুট এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন নিয়ে সবচেয়ে বেশি মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।   সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ৬০ দিন নিরাপদ ও বিনা খরচে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের কথা বলা হলেও কোন রুট ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। একইভাবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির বিষয়টি চুক্তিতে থাকলেও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ ওই সমঝোতার অংশ না হওয়ায় বাস্তবায়ন নিয়েও জটিলতা তৈরি হয়েছে।   কূটনৈতিক মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক হামলা এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। সূত্র: আল জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬
ফাইল ছবি

ইরানে হামলা হলে ইসরায়েলকে ‘কোনো রেহাই’ নয় : তেহরান

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর লন্ডনে মরক্কো সমর্থকদের তাণ্ডব, আহত পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল, আড়ালে ভিন্ন এক বাস্তবতা

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
মেসি নন, আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’ কাকে বললেন নেতানিয়াহু?

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, আর্জেন্টিনার ফুটবল কিংবদন্তি লিওনেল মেসি নন, দেশটির প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই এখন আর্জেন্টিনার ‘আসল সুপারস্টার’। সম্প্রতি এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।    সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, হাভিয়ের মিলেই আর্জেন্টিনার পক্ষ থেকে ইসরাইলের প্রতি শক্তিশালী সমর্থনের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তিনি মিলেইকে ‘ইসরাইলের সবচেয়ে বড় বন্ধু’ বলেও উল্লেখ করেন।   মিলেই ক্ষমতায় আসার পর থেকে ইসরাইল ও আর্জেন্টিনার সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। সম্প্রতি দুই দেশ ‘আইজ্যাক অ্যাকর্ডস’ নামে একটি নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। এর লক্ষ্য কৌশলগত, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।   নেতানিয়াহু এর আগেও একাধিকবার মিলেইর ইসরাইলপন্থি অবস্থানের প্রশংসা করেছেন। তার মতে, মিলেইর নেতৃত্বে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।   নেতানিয়াহুর বক্তব্য মূলত মিলেইর রাজনৈতিক সমর্থনকে কেন্দ্র করে হলেও, এটি এমন এক সময়ে এসেছে যখন আর্জেন্টিনা একদিকে ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্ক, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিতর্ক—দুই কারণেই আলোচনায় রয়েছে।   তথ্যসূত্র: সামা টিভি

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

খামেনির দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ

ছবি : সংগৃহীত

নিজ জন্মভূমির মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

ছবি : সংগৃহীত

কয়েক দিনের মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে সেনা প্রত্যাহার করবে ইসরায়েল

ছবি : সংগৃহীত
নতুন পরিচয়ে নেতানিয়াহুর ছেলে, প্রকাশ্যে কর নথির তথ্য

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বড় ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহু নিজের নাম পরিবর্তন করেছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ। পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি সরকারি নথিতে ‘ইয়োনাতান হান’ নামে নিবন্ধিত রয়েছেন।   হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের কর কর্তৃপক্ষের নথি পর্যালোচনা করে বিষয়টি জানা গেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করসংক্রান্ত নথিতে তার নাম ছিল ‘ইয়াইর নেতানিয়াহু’। তবে চলতি বছরের নথিতে একই পরিচয় নম্বরের বিপরীতে ‘ইয়োনাতান হান’ নাম দেখা গেছে। সেখানে ঠিকানা হিসেবে ‘বালফোর ০’ উল্লেখ করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের সমালোচনা এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বাড়তে থাকা রাজনৈতিক, আইনি ও কূটনৈতিক চাপের মধ্যেই এই নাম পরিবর্তনের তথ্য সামনে এসেছে। তবে ইয়াইর কেন নাম পরিবর্তন করেছেন, সে বিষয়ে তিনি বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।   এর আগে ইয়াইর নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন বিতর্কের কারণে আলোচনায় আসেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দুর্নীতির একাধিক মামলার পাশাপাশি গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখি রয়েছেন।   প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি নেতানিয়াহু পরিবারের প্রথম নাম পরিবর্তনের ঘটনা নয়। ইয়াইরের ভাই অ্যাভনারও কয়েক বছর আগে নিজের নাম পরিবর্তন করেছিলেন। এছাড়া বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সময় ‘বেন নিতাই’ নামে পরিচিত ছিলেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের পর রাতারাতি ১ কোটি ব্যারেল তেল সরাল ইরান

ছবি: সংগৃহীত

আবারও যুদ্ধ শুরু করে নিজেকেই সংকটে ফেললেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি বন্ধের চেষ্টা হলে ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি ভ্যান্সের

0 Comments