বৈশ্বিক বন্যপ্রাণী সুরক্ষা সম্মেলন আজ (সোমবার) শুরু হয়েছে। আলোচনায় রয়েছে হাঙর সুরক্ষা জোরদার, সীমিত আকারে গণ্ডারের শিং বিক্রি অনুমোদন এবং ইল মাছের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের মত সংবেদনশীল বিষয়।
ব্যাংকক থেকে এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
উজবেকিস্তানের সামারকন্দে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের ১৮০টিরও বেশি দেশ এবং সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞগণ অংশ নিচ্ছেন। আলোচনা হবে বন্যপ্রাণীর বাণিজ্য ও সুরক্ষা সংক্রান্ত নানা ধরণের প্রস্তাব নিয়ে।
বৈঠকের মূল ভিত্তি হল সাইটস। এটি বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে গঠিত প্রায় অর্ধ শতাব্দির পুরনো বৈশ্বিক চুক্তি। এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩৬ হাজার প্রজাতির বাণিজ্য নিয়মের মধ্যে আনা হয়েছে। বিপন্ন প্রজাতি রক্ষায় সাইটস এখন বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো হিসেবে বিবেচিত।
সম্মেলনে আলোচনার টেবিলে থাকা প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে হাঙরের বিপন্ন কয়েকটি প্রজাতির সুরক্ষায় আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, জিরাফ সম্পর্কিত বাণিজ্যের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং সীমিত আকারে গণ্ডারের শিং ও হাতির দাঁত বিক্রির পথ উন্মুক্ত করার উদ্যোগ।
তবে সবচেয়ে বিরোধিতার মুখে পড়েছে ইল মাছের সুরক্ষা জোরদারের আহব্বান। কারণ, এশিয়ার কিছু অঞ্চলে জনপ্রিয় খাবার হওয়ায় বিষয়টি বিশেষভোবে আলোচনায় এসেছে।
সাইটস বিভিন্ন অ্যাপেনডিক্সের মাধ্যমে বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে। অ্যাপেনডিক্স-১ এর তালিকাভুক্ত প্রজাতিগুলোর বাণিজ্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। অ্যাপেনডিক্স-২-এ প্রজাতির বাণিজ্যে বাড়তি যাচাইবাছাই ও সনদ প্রয়োজন।
ইউরোপিয়ান ইল বা অ্যাঙ্গুইলা অ্যাঙ্গুইলা সঙ্কটাপন্ন প্রাণী হিসেবে ২০০৯ সালে অ্যাপেনডিক্স-২ এ যুক্ত হয়। এখন কয়েকটি দেশ আরও কিছু ইল প্রজাতিকে একই তালিকায় যুক্ত করতে চায়।
সমর্থকদের দাবি, কম বয়সী সব ইলই প্রায় একই রকম। সে সময়েই এই মাছের বেশি বাণিজ্য হয়। ফলে বিপন্ন ইউরোপিয়ান ইলকে অন্য প্রজাতি হিসেবে দেখিয়ে বেচাকেনা করা হচ্ছে।
তবে জাপান এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করছে। দেশটি ইলের বড় ভোক্তা এবং প্রস্তাবটির অনুমোদন আটকে দিতে তারা ইতোমধ্যেই ব্যাপক লবিং শুরু করেছে।
১০০ পৃষ্ঠারও বেশি রিপোর্টে জাপান জানিয়েছে, সব ইল প্রজাতিকে সাইটস-এর তালিকায় নিলে ‘এই চুক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হবে।’ তারা সতর্ক করেছেন, এতে ইলের দাম বাড়তে পারে এবং ‘অবৈধ শিকার ও চোরাচালান আরও বেড়ে যেতে পারে।’
‘বিপর্যয়কর’ পরিস্থিতি:
আরেকটি বিতর্কিত প্রস্তাব হলো, সরকার যে হাতির দাঁত ও গণ্ডারের শিং মজুত করেছে তা বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া।
প্রস্তাবের সমর্থকদের মতে, এসব বিক্রি করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তহবিল জোগাড় করা সম্ভব। কিন্তু প্রাণী সুরক্ষা সংস্থাগুলোর আশঙ্কা, এগুলোর জন্য বৈধ বাণিজ্য প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করে দিলে অবৈধ বাজারও সক্রিয় হবে।
ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ারের নীতিপরিচালক ম্যাট কলিস বলেন, ‘একবার বৈধ বাণিজ্যের দরজা খুললেই অবৈধ হাতির দাঁত ও গণ্ডারের শিং এশিয়ার বাজারে ঢোকার পথ তৈরি হবে। ওই অঞ্চলে ইতোমধ্যে এটি বড় সমস্যা তৈরি করেছে।
তিনি আরও বলেন, সাইটস এর আগে দু’বার এই পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেছে। শেষবারেরটি ব্যাপক বিপর্যয়কর ছিল; আমরা আবার সেই ভুলে করতে চাই না।
অন্যদিকে প্রস্তাবের পক্ষে থাকা নামিবিয়ার দাবি, তহবিল ছাড়া রাইনোর আবাস ক্রমেই সঙ্কুচিত হচ্ছে এবং জনসংখ্যাও ঝুঁকিতে পড়ছে। ২০২২ সালেও এই প্রস্তাবটি একবার বাতিল হয়েছিল।
সম্মেলনে সাতটি হাঙর প্রজাতির সুরক্ষা বাড়ানোর বিষয়ও আলোচনা হবে। এর মধ্যে মারাত্মকভাবে বিপন্ন ওসিয়ানিক হোয়াইটটিপ হাঙরকে অ্যাপেনডিক্স-১ এ তুলে বাণিজ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এ বিষয়ে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পাওয়া সম্ভব।
তবে হোয়েল শার্ক এবং লিভার অয়েলের জন্য শিকার হওয়া গালপার শার্কের বাণিজ্য সীমিত করার প্রস্তাব কিছুটা কড়া পর্যালোচনার মুখে পড়ার শংকা রয়েছে।
২০২২ সালের সম্মেলনে ডজনখানেক হাঙর প্রজাতিকে অ্যাপেনডিক্স-২ সুরক্ষায় আনা হয়েছিল। তখনও জাপানসহ কয়েকটি দেশ এর বিরোধিতা করেছিল।
সামারকন্দে শুরু হওয়া এ সম্মেলন আগামী ৫ ডিসেম্বর শেষ হবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান সমঝোতায় না এলে আগামী সপ্তাহে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোতে আরও বড় হামলা চালানো হবে। মঙ্গলবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহে ইরানের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হবে। প্রথমে বিদ্যুৎকেন্দ্র, এরপর সেতুগুলো আমাদের হামলার লক্ষ্য হবে। তিনি আরও বলেন, তারা আলোচনার টেবিলে না আসা পর্যন্ত আমরা তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলো ধ্বংস করতে থাকব। এদিকে টানা চতুর্থ দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আবারও নৌ অবরোধ আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। গত ১৭ জুন কার্যকর হওয়া দুই দেশের যুদ্ধবিরতিও এখন কার্যত ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। হামলা কতদিন চলবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইরান যতদিন পর্যন্ত এ পরিস্থিতির অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত না নেবে, ততদিন হামলা চলবে।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। টানা ১৭ দিন ধরে অনশন করায় তার শারীরিক অবস্থার চরম অবক্ষয় ঘটেছে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। তরুণদের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টিকারী দল 'ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা সোমবার রাতে সোনমের স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অনশন শুরুর পর থেকে সোনম ওয়াংচুকের ওজন আট কেজিরও বেশি কমে গেছে। ভারতে দেশব্যাপী মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রতিবাদে তিনি এই অনশন করছেন। এই প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় প্রায় ২২ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ হুমকির মুখে পড়েছে। হতাশায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যাও করেছেন। শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন সোনম ওয়াংচুক। আন্দোলনস্থল থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দূরে শিক্ষামন্ত্রীর কার্যালয়। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সোনম ওয়াংচুকের রক্তে শর্করার মাত্রা বারবার বিপজ্জনক স্তরে নেমে যাচ্ছে। তিনি ক্রমাগত মাথা ঘোরা এবং পেশি ক্ষয়ের সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা উদ্বেগ প্রকাশ করলেও তিনি অনশন ভাঙতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সরকার সিজেপির সঙ্গে সংলাপে না বসা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওয়াংচুক। গতকাল মঙ্গলবার সকালে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ নিপকের দেওয়া এক উদ্ধৃতিতে ওয়াংচুক বলেন, 'আমাকে অনশন ভাঙতে বলবেন না। সরকারকে জিজ্ঞেস করুন, কেন তারা সংলাপে বসছে না। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপক সরকারের এমন আচরণে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি কেমন সরকার? সোনম ওয়াংচুক এই দেশেরই সন্তান। তিনি নিজের কাজের মাধ্যমে ভারতের জন্য বিশ্ব জুড়ে সম্মান এনেছেন। আজ তিনি দেশের শিক্ষার্থীদের অধিকারের জন্য লড়াই করছেন। অথচ সরকার তার সঙ্গে কথা বলার জন্য কোনো মন্ত্রী বা প্রতিনিধি দল পাঠায়নি। সরকারের এই চরম উদাসীনতা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সোনম ওয়াংচুকের এই আন্দোলনকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। সিজেপির মুখপাত্ররা ভারতের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ নাগরিকদের এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইয়েমেনের রাজধানী সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার। একটি ইরানি উড়োজাহাজকে অবতরণ করতে না দেওয়ার জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। সানা বর্তমানে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেন থেকে কার্যক্রম চালাচ্ছে। সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, হুথি মিলিশিয়ারা ইয়েমেনের নিজস্ব একটি বিমানকে সানা বিমানবন্দরে নামতে বাধা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা একটি ইরানি বিমানকে জোর করে সেখানে অবতরণের চেষ্টা করছিল। এ কারণেই রানওয়ে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সাধারণ নাগরিক, বিমানবন্দর কর্মী, কূটনৈতিক কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার লোকজনকে বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে সতর্কবার্তা জারি করে। হুথি বিদ্রোহীরা এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছে এবং উপযুক্ত জবাব দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। হুথি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, এই আগ্রাসনের যথাযথ জবাব দেওয়া হবে। কোনোভাবেই এটা শাস্তিহীন থাকবে না। হুথিরা প্রমাণ ছাড়াই এই হামলার জন্য সরাসরি সৌদি আরবকে দায়ী করেছে। সূত্র: আল জাজিরা