খেলাধুলা

অস্ট্রিয়া ম্যাচের আগে ‘মধুর সমস্যায়’ স্কালোনি, একাদশ নিয়ে বাড়ছে কৌতূহল

আক্তারুজ্জামান জুন ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে দারুণ জয় দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। তবে আগামী ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে কোচ লিওনেল স্কালোনি পড়েছেন এক ‘মধুর সমস্যায়’—শুরুর একাদশে কাকে রাখবেন, লাওতারো মার্টিনেজ নাকি হুলিয়ান আলভারেজ।

 

প্রথম ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন ইন্টার মিলানের স্ট্রাইকার লাওতারো মার্টিনেজ। তিনি গোল না পেলেও তার পরিশ্রম ও শারীরিক উপস্থিতির প্রশংসা করেছেন কোচ স্কালোনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে তাকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো হয় আলভারেজকে, যিনি আবারও ম্যাচে প্রভাব ফেলেন।

 

এই দুই ফরোয়ার্ডের প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়। আগের বিশ্বকাপেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল, যেখানে শেষ দিকে আলভারেজ জায়গা করে নিয়েছিলেন শুরুর একাদশে। এবারও ফিটনেস ও কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোচকে।

 

ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, লাওতারো মূলত বক্সের ভেতরে সুযোগ কাজে লাগানো ফিনিশার, আর আলভারেজ চাপ তৈরি করা, প্রেসিং ও ড্রপ-ব্যাক খেলায় বেশি কার্যকর। ফলে স্কালোনির জন্য সঠিক কম্বিনেশন বেছে নেওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

রক্ষণভাগেও কিছু পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে রাইট-ব্যাকে শুরু করেছিলেন গনজালো মন্তিয়েল, তবে দ্বিতীয়ার্ধে নাহুয়েল মলিনাকে নামানো হয়। অস্ট্রিয়ার দ্রুতগতির উইঙ্গারদের মোকাবিলায় মলিনা শুরুর একাদশে ফিরতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

অন্যদিকে ইনজুরির কারণে প্রথম ম্যাচে খেলতে না পারা নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ফলে রক্ষণেও স্কালোনির হাতে বিকল্প বেড়েছে।

 

স্কালোনি জানিয়েছেন, প্রতিটি ম্যাচে সেরা কম্বিনেশন খুঁজে বের করাই তার লক্ষ্য। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জয় পেলে আগেভাগেই শেষ ষোলো নিশ্চিত করার সুযোগ থাকবে আর্জেন্টিনার সামনে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে দারুণ আলো ছড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী জায়ান

ইসা ফয়সাল বাদ পড়ে যাওয়ায় লেফট-ব্যাক পজিশনে মূলত লড়াইটা এখন অভিজ্ঞ রহমত মিয়া ও তরুণ জায়ান আহমেদের মধ্যে চলছে। এই লড়াই দারুণ উপভোগ করছেন জায়ান। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই লেফট-ব্যাক বললেন, এক পজিশনে একাধিক খেলোয়াড়ের উপস্থিতি দলের জন্য ভালো।   ঢাকায় এসে গরমের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জও সামলাতে হচ্ছে জায়ানকে। তবে, সব প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে ২২ বছর বয়সী এই তরুণ আসছে আসিয়ান কাপে খেলতে মুখিয়ে আছেন।   আসিয়ান কাপ শুরু হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। দলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে খুব বেশি সময় পাচ্ছেন না জায়ান। গত অক্টোবরে হংকংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষেক হওয়া এই ফুটবলারের মনে হচ্ছে, ক্লাবের হয়ে প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতি নেওয়ার ফলে তার সমস্যা হবে না।   “আমি প্রি-সিজন শেষ করেছি, অনেকগুলো প্রীতি ম্যাচ এবং ইতিমধ্যে দুটি লিগ ম্যাচও খেলেছি। তাই প্রি-সিজন থেকে সরাসরি এখানে আসাটা আমার জন্য খুবই সহায়ক হয়েছে। আমার মনে হয় এটা আমার জন্য বড় একটা বাড়তি সুবিধা।   “ফিরে আসতে পেরে ভালো লাগছে। সবার সঙ্গে দেখা হওয়াটা আনন্দের। এখন পর্যন্ত অনুশীলন ভালোই চলছে। আবহাওয়া বেশ গরম, সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হচ্ছে। আর জানেনই তো, আমি একটু আগেই চলে এসেছি। ক্লাবকে বলেছিলাম আমি আগেভাগে আসব, কারণ আসিয়ান গেমস অনেক বড় একটা টুর্নামেন্ট। তাই আমি আগেই আসতে চেয়েছিলাম এবং ভালো কিছু করতে চাই। ইনশাআল্লাহ, আমার বিশ্বাস আমরা ভালো করব।”   দলের মধ্যে জায়গা পাওয়ার লড়াইকে জায়ান দেখছেন ইতিবাচক দৃষ্টিতে।   আমি মনে করি এটা (যে কোন পজিশনে একাধিক খেলোয়াড় থাকা) ভালো একটা বিষয়। আমার মতে, আমরা যদি উন্নতি করতে চাই, তবে একটি পজিশনে একাধিক খেলোয়াড় থাকাটা খুবই ইতিবাচক। আমি মনে করি, এটি দলের জন্য দারুণ একটি বিষয়।   “একজন লেফট-ব্যাক হিসেবে, লেফট-উইং পজিশনে ভালো বিকল্প থাকাটা আমার কাজ অনেক সহজ করে দেয়। লেফট-ব্যাক এবং লেফট-উইংয়ের মধ্যকার বোঝাপড়াটা অত্যন্ত জরুরি। তাই, আমাদের হাতে অনেক বিকল্প থাকাটা আমাকে যেমন সাহায্য করে, তেমনি দলের জন্যও তা ভালো।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

নেইমারের দলে যোগ দিলেন কৌতিনিয়ো

ছবি: সংগৃহীত

জেসুসের চোখেও ইয়ামালের ব্যালন দ’র প্রাপ্য

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপে যায়নি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি

শচীনের রেকর্ড ভেঙে ওডিআইতে দীর্ঘতম ক্যারিয়ারের মালিক ব্রেন্ডন টেলর
শচীনের রেকর্ড ভেঙে ওডিআইতে দীর্ঘতম ক্যারিয়ারের মালিক ব্রেন্ডন টেলর

ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘতম ক্যারিয়ারের বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ব্রেন্ডন টেলর । মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) হারারে স্পোর্টস ক্লাবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি এই রেকর্ড গড়েন।     এতে ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারের এতদিনের রেকর্ডটি ভেঙে দেন। ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া টেলরের ওডিআই ক্যারিয়ারের স্থায়িত্ব এখন ২২ বছর ৪ মাস, যা শচীনের ২২ বছর ৩ মাসের ওডিআই ক্যারিয়ারকে ছাড়িয়ে গেছে। ৪০ বছর বয়সী এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল খেলোয়াড়।     অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ২০৭টি ওয়ানডে তার নামের পাশে ছিল ৬৭০৪ রান।       এর মধ্যে রয়েছে ১১টি সেঞ্চুরি এবং ৩৯টি হাফ সেঞ্চুরি। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫০ ওভারের ফরম্যাটের ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিকও টেলর।     ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন টেলর। কিন্তু ২০২২ সালে আইসিসি দুর্নীতি দমন এবং ডোপিং বিরোধী নিয়ম ভাঙার কারণে তাকে সাড়ে তিন বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলো।   নির্বাসনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে ২০২৫ সালে ফের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসেন টেলর। ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ার সঙ্গে সহ-আয়োজক হিসেবে থাকবে জিম্বাবুয়েও। তাই ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ খেলাই এখন লক্ষ্য টেলরের।       তবে রানের বিচারে শচিনের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে টেলর। ৪৬৩টি ওডিআই ম্যাচে শচিনের সংগ্রহ ১৮৪২৬ রান।     অন্যদিকে ব্রেন্ডন টেলর ২০৭ ম্যাচে করেছেন ৬৭০৪ রান।

মারিয়া রহমান সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

রিয়াল মাদ্রিদের রিজার্ভ বেঞ্চের বাজারমূল্য ৫৩৭ মিলিয়ন ইউরো

কার্লো আনচেলত্তি ও নেইমার জুনিয়র। ফাইল ছবি

নেইমার অধ্যায়ের অবসান: তরুণদের নিয়ে নতুন দল গড়ছেন আনচেলত্তি

ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশের পর আইসিসির জোড়া শাস্তিতে বাবর আজমরা

ছবি: সংগৃহীত
আর্জেন্টাইন ক্লাবের বিশ্ব রেকর্ড এখন রোনালদোর দলের

হোসে ম্যানুয়েল মোরেনো ফার্নান্দেজ। লোকে ডাকত ‘এল চারো’ বা ‘কাউবয়’। প্রথম ফুটবলার হিসেবে চারটি দেশে জিতেছিলেন প্রথম বিভাগের লিগের শিরোপা। কারও কারও চোখে পেলে, ডিয়েগো ম্যারাডোনা, আলফ্রেডো ডি স্টেফানোদের চেয়েও এগিয়ে। ফুটবলের একটু বয়স্ক সমর্থকদের মনে পড়তে পারে, চল্লিশের দশকে রিভার প্লেটের সেই কিংবদন্তিতুল্য ‘লা মাকিনা’ দলের সদস্য তিনি। সোজা কথায়, আর্জেন্টাইন ফুটবলের কিংবদন্তি।   আর্জেন্টিনার হয়ে দুইবার কোপাজয়ী সাবেক এই ইনসাইড ফরোয়ার্ডকে লোকে অন্য কারণেও মনে রেখেছে। কিংবদন্তি আছে, তাঁকে গোলবঞ্চিত রাখতে পারলে গোলরক্ষককে স্বর্ণপদক দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল স্থানীয় পত্রিকা। আরও গুঞ্জন ছিল, শটে জোর বাড়াতে বুটে লোহা ব্যবহার করতেন। তবে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের বছর প্রয়াত হওয়া মোরেনোকে এখন টেনে তোলার কারণটা হুট করে নয়। আল নাসর ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর তাতে ভূমিকা আছে।   সৌদি প্রো লিগে গত পরশু আল খালিজের মাঠে ১–১ গোলে ড্র করে আল নাসর। এর মধ্য দিয়ে ভেঙেছে ৮৭ বছরের পুরোনো বিশ্ব রেকর্ড। সেটা ঘরোয়া শীর্ষ লিগে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচে গোলের। ত্রিশের দশকের শেষ দিক থেকে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেটের দখলে ছিল রেকর্ডটি।   আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘এল গ্রাফিকো’ জানিয়েছে, ১৯৩৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৯৩৯ সালের ৪ জুন পর্যন্ত স্থানীয় লিগে টানা ৯৩ ম্যাচে গোল করেছিল রিভার প্লেট। গোলসংখ্যা ৩০১। মোরেনো ১৯৩৫ থেকে ১৯৪৪ পর্যন্ত খেলেন রিভার প্লেটে। জুটি বাঁধেন চল্লিশের দশকের আরেক কিংবদন্তি ইনসাইড ফরোয়ার্ড অ্যাডলফো পেদেরনেরার সঙ্গে, লোকে যাঁকে ডাকত ‘এল মায়েস্ত্রো’ নামে। সে যাহোক, ২০১৭ সালে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’ তাদের প্রতিবেদনে জানায়, রিভার প্লেটের লিগে টানা সর্বোচ্চ ম্যাচে গোলের বিশ্ব রেকর্ড গড়ায় সর্বোচ্চ ৭৭ গোল ছিল মোরেনোর।   আর্জেন্টাইন ক্লাবের সেই বিশ্ব রেকর্ড আল নাসরের ছোঁয়ায় অবদান রোনালদোর। ৯ সেপ্টেম্বর প্রো লিগে আবহার বিপক্ষে আল নাসরের ২–১ গোলের জয়ে প্রথম গোলটি ছিল পর্তুগিজ কিংবদন্তির। এর মধ্য দিয়ে রিভার প্লেটের বিশ্ব রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলে আল নাসর। তারপর গত শনিবার আল খালিজের বিপক্ষে সৌদি ফরোয়ার্ড আবদুল্লাহ আল-হামদানের গোলে রেকর্ডটির একক দখল নেয় ক্লাবটি। ২০২৩ সালের ৮ ডিসেম্বর আল-রিয়াদকে ৪–১ গোলে হারিয়ে শুরু হয়েছিল আল নাসরের লিগে টানা ম্যাচে গোলের অভিযাত্রা।   ‘এল গ্রাফিকো’ জানিয়েছে, লিগসহ অন্য সব অফিশিয়াল ম্যাচ হিসাবে নিলে রিভার প্লেটের একটি রেকর্ড এখনো টিকে আছে। সেই সময় স্থানীয় টুর্নামেন্ট ও কাপ মিলিয়ে টানা ৯৬টি ম্যাচে গোল করেছিল রিভার প্লেট। এটি টানা সর্বোচ্চ অফিশিয়াল ম্যাচে গোলের বিশ্ব রেকর্ড। এই সময়ে ৯৩টি লিগ ম্যাচ, পেনিয়ারোলের বিপক্ষে এএফএ ও এইউএফের দ্বিপক্ষীয় প্রতিযোগিতায় দুটি ম্যাচ এবং রোজারিও সেন্ট্রালের বিপক্ষে একটি জাতীয় কাপ ম্যাচে গোল করেছে রিভার প্লেট।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

উইকেটের পর ‘সেন্ড-অফ’, ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা ভারতীয় ক্রিকেটারের

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ জয়ী গোলদাতার গোলে পিএসজির প্রথম জয়

উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ

0 Comments