খেলাধুলা

আর্সেনাল-লিভারপুল ম্যাচ ঘিরে শৈশবের সতীর্থ আর্তেতা ও ইরাওলার লড়াই

মারিয়া রহমান নভেম্বর ০১, ২০২৬
আর্তেতা ও ইরাওলা। ছবি: সংগৃহীত
আর্তেতা ও ইরাওলা। ছবি: সংগৃহীত

শৈশবে একই ক্লাবে খেলেছেন, একসঙ্গে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন। তখন কে জানত, একদিন দুজন দাঁড়াবেন ইংলিশ ফুটবলের দুই পরাশক্তিধর ক্লাবের ডাগআউটে, হয়ে উঠবেন একে-অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী! মিকেল আর্তেতা ও আন্দোনি ইরাওলার গল্পটা ঠিক এমনই।

 


স্পেনের সান সেবাস্তিয়ানের অপেশাদার ফুটবল ক্লাব আন্তিগুয়োকোতে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে কাটিয়েছেন আর্তেতা ও ইরাওলা। ২৯ বছর আগের সেই সতীর্থরা এখন ফুটবল জগতের পরিচিত দুই কোচ। একজন আর্সেনালের, অন্যজন লিভারপুলের দায়িত্বে।

 

 

শৈশবের সেই পথচলা অবশ্য দুজনকে একই পথে রাখেনি।

 

 

খেলোয়াড়ি জীবনে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন দুজনই। পরে কোচিংয়ে এসে গড়েছেন আলাদা পরিচয়। আর্তেতা এখন আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জয়ী কোচ। ইরাওলাও নিজের কোচিং দক্ষতায় জায়গা করে নিয়েছেন ইংলিশ ফুটবলে।

 

 

সময় কতটা বদলে দিয়েছে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ! একসময় যারা একই দলের হয়ে মাঠে নামতেন, এখন তাদের লড়াই ডাগআউটে দাঁড়ানো কৌশলে। শৈশবের বন্ধুত্বের স্মৃতি পেছনে রেখে দুজনের লক্ষ্য এখন নিজ নিজ দলকে জেতানো।

 

 

অ্যানফিল্ডে কিছুক্ষণ আগে খেলতে নেমেছে লিভারপুল-আর্সেনাল। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৬ মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে গেছে আর্তেতার আর্সেনাল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
আর্তেতা ও ইরাওলা। ছবি: সংগৃহীত
আর্সেনাল-লিভারপুল ম্যাচ ঘিরে শৈশবের সতীর্থ আর্তেতা ও ইরাওলার লড়াই

শৈশবে একই ক্লাবে খেলেছেন, একসঙ্গে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন। তখন কে জানত, একদিন দুজন দাঁড়াবেন ইংলিশ ফুটবলের দুই পরাশক্তিধর ক্লাবের ডাগআউটে, হয়ে উঠবেন একে-অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী! মিকেল আর্তেতা ও আন্দোনি ইরাওলার গল্পটা ঠিক এমনই।   স্পেনের সান সেবাস্তিয়ানের অপেশাদার ফুটবল ক্লাব আন্তিগুয়োকোতে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে কাটিয়েছেন আর্তেতা ও ইরাওলা। ২৯ বছর আগের সেই সতীর্থরা এখন ফুটবল জগতের পরিচিত দুই কোচ। একজন আর্সেনালের, অন্যজন লিভারপুলের দায়িত্বে।     শৈশবের সেই পথচলা অবশ্য দুজনকে একই পথে রাখেনি।     খেলোয়াড়ি জীবনে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন দুজনই। পরে কোচিংয়ে এসে গড়েছেন আলাদা পরিচয়। আর্তেতা এখন আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জয়ী কোচ। ইরাওলাও নিজের কোচিং দক্ষতায় জায়গা করে নিয়েছেন ইংলিশ ফুটবলে।     সময় কতটা বদলে দিয়েছে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ! একসময় যারা একই দলের হয়ে মাঠে নামতেন, এখন তাদের লড়াই ডাগআউটে দাঁড়ানো কৌশলে। শৈশবের বন্ধুত্বের স্মৃতি পেছনে রেখে দুজনের লক্ষ্য এখন নিজ নিজ দলকে জেতানো।     অ্যানফিল্ডে কিছুক্ষণ আগে খেলতে নেমেছে লিভারপুল-আর্সেনাল। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৬ মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে গেছে আর্তেতার আর্সেনাল।

মারিয়া রহমান নভেম্বর ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

সমালোচনায় ক্ষুব্ধ ক্রিকেটারের ‘প্রেমিকা’

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে এশিয়ান গেমসের তিক্ত স্মৃতিই ফিরল পাঞ্জাবে

সংগৃহীত ছবি
অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং নিয়ে ওয়ার্নারের বিস্ফোরক সমালোচনা

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটে দল পুনর্গঠনের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে দলের ব্যাটিং ব্যর্থতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাবেক ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটারদের এমন পারফরম্যান্সকে তিনি অত্যন্ত হতাশাজনক ও লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন।   কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে সিরিজের তৃতীয় টেস্টের পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সামনে লক্ষ্য ছিল ২৮৮ রান। কিন্তু রান তাড়ায় নেমে মাত্র ১১১ রানেই অলআউট হয়ে যায় দলটি। এর ফলে ম্যাচে ১৭৬ রানের পরাজয়ের পাশাপাশি ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে।   এই জয়ের সুবাদে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে এগিয়ে গেছে। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার দল নির্বাচন, ব্যাটিং সামর্থ্য এবং অভিজ্ঞ পেসারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।   সিরিজ শুরুর আগে থেকেই অস্ট্রেলিয়ার তুলনামূলক বয়স্ক দল এবং পেস আক্রমণের চার অভিজ্ঞ সদস্য প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড, মিচেল স্টার্ক ও নাথান লায়নকে নিয়ে আলোচনা চলছিল। এর আগে আগস্টে ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে নয় উইকেটে হারের ঘটনাও দলটির দুর্বলতা প্রকাশ করেছিল।   তবে নিউল্যান্ডসে শেষ দিনের ব্যাটিং ধস সমালোচনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ব্যাটারদের দায়িত্বজ্ঞানহীন শট নির্বাচন, ভুল সিদ্ধান্ত এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারার বিষয়গুলো নিয়ে সাবেক ক্রিকেটাররা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।   টেলিভিশনে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় ডেভিড ওয়ার্নার নিজের হতাশা প্রকাশ করে বলেন, অস্ট্রেলিয়ার এমন ব্যাটিং দেশের ক্রিকেটীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে কোনোভাবেই মানানসই নয়। তার মতে, ব্যাটারদের মধ্যে লড়াই করার মানসিকতার অভাব ছিল, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ২৮৮ রান তাড়া করে ম্যাচ ও সিরিজ জয়ের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এমন পারফরম্যান্সকে ক্ষমার অযোগ্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পুরো সিরিজে ব্যাটাররা বোলারদের যথাযথ সহযোগিতা করতে পারেননি বলে মনে করেন সাবেক এই ওপেনার।   একই ধরনের সমালোচনা করেছেন সাবেক অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মার্ক ওয়াহ। ২০০২ সালে নিউল্যান্ডসে বড় লক্ষ্য তাড়া করে জয় পাওয়া অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন তিনি। মার্ক ওয়াহর মতে, শেষ দিনের ব্যাটিং ছিল অপরিণত ও হতাশাজনক। শট নির্বাচন থেকে শুরু করে টেকনিক এবং শট বাস্তবায়ন—কোনো ক্ষেত্রেই ব্যাটাররা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারেননি।   অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং বিভাগেও দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা চলছে। ২০২৪ সালে ডেভিড ওয়ার্নার অবসর নেওয়ার পর উসমান খাজার সঙ্গে স্থিতিশীল জুটি গড়ে তুলতে পারেনি দলটি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সুযোগ পাওয়া নিক ম্যাডিনসনও প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে ব্যর্থ হয়েছেন। পাশাপাশি তিন নম্বরে মার্নাস লাবুশেনের ধারাবাহিক ব্যর্থতা তার দলে জায়গা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।   তবে হতাশার মধ্যেও কয়েকজন ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স অস্ট্রেলিয়ার জন্য আশার কারণ হয়ে উঠেছে। প্রথম টেস্টে দলে ফিরে পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ১৯০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন ম্যাট রেনশ। তৃতীয় টেস্টে ওপেনিংয়ে নেমেও ট্রাভিস হেডের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ৭৪ রানের জুটি গড়েন তিনি।   এদিকে কেপটাউন টেস্টে ঘাড়ের চোটে স্টিভ স্মিথ ছিটকে যাওয়ায় সুযোগ পান জশ ইংলিস। সুযোগটি দারুণভাবে কাজে লাগিয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। নিজের ব্যাটিং সামর্থ্য প্রমাণ করে নির্বাচকদের জন্য নতুন সম্ভাবনাও তৈরি করেছেন এই ব্যাটার।   সিরিজ হারের পর অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও দলে পরিবর্তনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক এবং নিজেদের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা প্রয়োজন।   কামিন্স আরও জানান, অস্ট্রেলিয়াকে আবারও শীর্ষ অবস্থানে ফিরতে হলে বর্তমান পারফরম্যান্সের উন্নতি করতে হবে। প্রয়োজনে খেলার কৌশলে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি কয়েকজন ক্রিকেটারকেও পরিবর্তন করা হতে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ০১, ২০২৬

ব্যালন ডি’অরের আদলে আইসিসি অ্যাওয়ার্ড

ছবি: সংগৃহীত

কেইনের পেনাল্টি মিস, ঘুরে দাঁড়িয়ে বায়ার্নকে রুখে দিল ডর্টমুন্ড

ছবি: সংগৃহীত

ম্যান সিটির মাঠে ব্রাইটনের দুর্দান্ত জয়

সংগৃহীত ছবি
ফাইনালে শ্রীলংকার স্বপ্নভঙ্গ, ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা পাকিস্তানের

শ্রীলংকাকে ৩ উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান ক্রিকেট দল। শিরোপা জয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ওপেনার ফখর জামান (১২৭) ও দুই মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান সাদ বেগ (৭৪) এবং আরাফাত মিনহাজ (৬১)।   শনিবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে কামিন্দু মেন্ডিসের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৮ উইকেটে ৩২৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে শ্রীলংকা। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৯ বল হাতে রেখেই ৩ উইকেটের দাপুটে জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে স্বাগতিক পাকিস্তান।   এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে শ্রীলংকা। উদ্বোধনী জুটিতে ৮৭ রান করে ফেরেন আভিস্কা ফার্নান্দো। তিনি ৪৯ বলে তিন চার আর এক ছক্কায় ৩৮ রান করে ফেরেন। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ২২ রানের জুটি গড়ে ফেরেন কুশাল মেন্ডিস।   তবে তৃতীয় উইকেটে পবন রত্নায়েককে সঙ্গে নিয়ে ১১৯ বলে ১৪৬ রানের জুটি গড়েন ওপেনার কামিন্দু মেন্ডিস। এই জুটিতেই ক্যারিয়ারের ৩৭তম ওয়ানডেতে মেইডেন সেঞ্চুরি হাঁকান তিনি। ইনিংস ওপেন করতে নেমে ৪১.১ ওভারে দলীয় ২৫৫ রানে ফেরেন কামিন্দু। সাজঘরে ফেরার আগে ১২৮ বলে ১২টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ১৩১ রান করে ফেরেন।   এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নেন লংকান ব্যাটসম্যান। পবন রত্নায়েকের ৬৫ বলে ৮ ছক্কায় গড়া ৭৭ রানের ইনিংসের সুবাদে ৮ উইকেটে ৩২৫ রান করে শ্রীলংকা।   পাকিস্তানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তিন পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও নাসিম শাহ। অফ স্পিনার আগা সালমান নেন ২ উইকেট। 

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চেলসির কাছে হেরে ৩৮ বছরের দুঃস্মৃতি ফেরাল ম্যানইউ

সংবাদ সম্মেলনে শান্ত

হারের পর বোলারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন শান্ত

ছবি: সংগৃহীত

যুব এশিয়া কাপের দল ঘোষণা, নেতৃত্বে ফরিদ ফয়সাল

0 Comments