বিশ্ব

আফ্রিকার তিন দেশে এইচআইভি প্রতিরোধে টিকাদান শুরু

খবর৭১ ডেস্ক, ডিসেম্বর ০২, ২০২৫

প্রাণঘাতী এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধে যুগান্তকারী একটি নতুন ইনজেকশন প্রয়োগ শুরু করেছে আফ্রিকার তিন দেশ ইসওয়াতিনি, দক্ষিণ আফ্রিকা ও জাম্বিয়া।

আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো জনসাধারণের মধ্যে চালু হচ্ছে এই টিকাদান কর্মসূচি। আফ্রিকা মহাদেশেই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত মানুষ রয়েছে।

লেনাকাপাভির নামের এই ইনজেকশন বছরে দু’বার নিতে হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি সংক্রমণের ঝুঁকি ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশেরও বেশি কমাতে পারে, যা কার্যত একটি শক্তিশালী টিকার মতো কাজ করবে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় যেখানে প্রতি পাঁচ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এইচআইভি আক্রান্ত সেখানে উইটস ইউনিভার্সিটির এক গবেষণা ইউনিট এই কর্মসূচি তদারকি করছে।

এটি জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থা ইউনিটেইড এর অর্থায়নে পরিচালিত একটি উদ্যোগের অংশ বলে জানানো হয়েছে এনডিটিভি’র খবরে।

ইউনিটেইড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষরা প্রথম এইচআইভি প্রতিরোধে লেনাকাপাভির ব্যবহার শুরু করেছেন... যা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে ছয় মাস অন্তর এই ইনজেকশনের বাস্তব প্রয়োগের অন্যতম প্রথম দৃষ্টান্ত।’

তবে কতজন টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন তা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে একজনের জন্য এই ওষুধের বার্ষিক খরচ ২৮ হাজার ডলার। আগামী বছর দেশব্যাপী এই টিকা বিস্তৃতভাবে চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

জাম্বিয়া ও ইসওয়াতিনি গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ হাজার ডোজ টিকা পেয়েছে এবং সোমবার বিশ্ব এইডস দিবসে ওষুধটি চালু করার কথা রয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিলিয়াড সায়েন্সেস তিনবছরে বেশিমাত্রায় এইচআইভি আক্রান্ত দেশগুলোর ২০ লাখ মানুষকে বিনা লাভে লেনাকাপাভির সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র যে পরিমাণ ডোজ দিচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম এবং এর দামও মানুষের নাগালের বাইরে- বলছেন সমালোচকরা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

নরেন্দ্র মোদি ও আয়াতুল্লাহ খামেনি। ছবি : সংগৃহীত
খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।   বুধবার (২৪ জুন) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরান সরকারের এই আমন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।   আগামী ৪ জুলাই থেকে কয়েক দিনব্যাপী জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ৭ জুলাই তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোমে বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শহর এবং খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে তার চূড়ান্ত দাফন সম্পন্ন হবে।   আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজার সময়সূচি নিয়ে ফেব্রুয়ারি থেকেই নানা জল্পনা চলছিল। প্রাথমিক কিছু প্রতিবেদনে জুনের শেষ দিকে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা বলা হলেও পরে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনুষ্ঠানিকভাবে জুলাইয়ের তারিখ ঘোষণা করে।   রাষ্ট্রীয় জানাজা উপলক্ষ্যে তেহরান, মাশহাদ ও কোমে প্রায় দুই কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।   প্রত্যাশিত সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হলে ১৯৮৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজায় অংশ নেওয়া এক কোটিরও বেশি মানুষের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ২৪, ২০২৬
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

পারমাণবিক শক্তির ভারসাম্যই শান্তি বজায় রেখেছে : রাশিয়া

ছবি : সংগৃহীত

নিজের ৩ পরকীয়ার কথা জানালেন স্বয়ং বিল গেটস

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন, যা জানা জরুরি

ছবি: সংগৃহীত
পাকিস্তানের আকাশে ঐতিহাসিক মুহূর্ত: যুদ্ধবিমানের কড়া পাহারায় নামলেন ইরানি প্রেসিডেন্ট

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরাইলি বিমান হামলার পর এটিই প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রথম বিদেশ সফর। এই সফরটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যার ঠিক একদিন আগেই পাকিস্তান ও কাতার ঘোষণা করেছে যে সুইজারল্যান্ডের বার্গেনস্টকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চ-পর্যায়ের প্রথম দফার বৈঠক থেকে একটি চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে ৬০ দিনের একটি রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে।   ইরানি প্রেসিডেন্টের বিমানটি পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করার সাথে সাথেই পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ এসকর্ট স্কোয়াড্রন সেটিকে স্বাগত জানায়। এরপর জেএফ-১৭ থান্ডার এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমান নিয়ে গঠিত ছয়টি ফাইটার জেটের একটি ফর্মেশন রাষ্ট্রপতির বিমানটিকে নিরাপদে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং তাকে সম্মান জানিয়ে আকাশেই একটি আনুষ্ঠানিক স্যালুট প্রদর্শন করে।    আকাশপথের এই বিশেষ স্কোয়াড্রনের দলনেতা এ সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং দেশের জনগণের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা বার্তা পৌঁছে দেন।   পাকিস্তান বিমান বাহিনী কর্তৃক আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী বিমান এসকর্ট অন্য দেশ থেকে আসা রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের আতিথেয়তা ও গভীর শ্রদ্ধাবোধেরই প্রতিফলন ঘটায়। একই সাথে এই আড়ম্বরপূর্ণ অভ্যর্থনায় জেএফ-১৭ থান্ডার এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের অংশগ্রহণ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর আধুনিক কর্মক্ষমতা, পেশাদারিত্ব এবং সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছে।   সূত্র: জিও নিউজ।

মারিয়া রহমান জুন ২৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের ছত্তিশগড়ে খনিজ অনুসন্ধানে বড় সাফল্য, মিললো ৫টি হীরা

ছবি : সংগৃহীত

ইরান-শিয়া শক্তি নয়, সুন্নি মুসলিম রাষ্ট্রগুলোই ইসরায়েলের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ: দাবি শীর্ষ জায়নবাদী নেতার

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চিপ ছাড়াই বিশ্বজয়: বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার বানালো চীন

রহস্যে ঘেরা ২ হাজার বছরের পুরনো লোহাগড় দুর্গ

ভারতের লোনাভালার কাছে অবস্থিত ঐতিহাসিক লোহাগড় দুর্গে সম্প্রতি এক দর্শনার্থীর মৃত্যুর ঘটনা দুর্গটিকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়ে মৃত্যু বলে ধরে নেওয়া হলেও পরে পুলিশ অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করে। এই ঘটনার সঙ্গে অলৌকিক কোনও বিষয়ের যোগসূত্র না থাকলেও, এর ফলে লোহাগড় দুর্গকে ঘিরে থাকা বহু পুরোনো রহস্যময় গল্পগুলো নতুন করে সামনে এসেছে।   সাহিয়াদ্রি পর্বতমালায় অবস্থিত লোহাগড় বা লোহার দুর্গ মূলত ট্রেকিংয়ের জন্য বেশ জনপ্রিয়। তবে এর অপরূপ বর্ষাকালীন সৌন্দর্য আর মারাঠা ইতিহাসের আড়ালে লুকিয়ে আছে শতাব্দী প্রাচীন কিছু উপাখ্যান ও ভুতুড়ে গল্প, যা যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে।   দুর্গের ২ হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত গল্পটি জড়িয়ে আছে এর প্রথম প্রধান ফটক ‘গণেশ দরজা’র সঙ্গে। লোককথা অনুযায়ী, মারাঠা আমলের এক দুর্গ প্রশাসক স্বপ্নে দেখেন যে এই ফটকের ভিত্তিটি অভিশপ্ত ও নড়বড়ে। কাঠামোটি শক্তিশালী করতে সেখানে এক পুরুষ ও এক নারীকে জীবন্ত সমাহিত করে নরবলি দেওয়া হয়েছিল। এই দাবির পক্ষে কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ না থাকলেও, ট্রাভেল ইনফ্লুয়েন্সার লিয়াম রিচার্ডসসহ অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্থানীয় গাইডের বদৌলতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গল্পটি এখনও বেশ জনপ্রিয়। ইতিহাসবিদেরা অবশ্য মনে করেন, এটি কেবলই লোককথা, কোনও নথিবদ্ধ ইতিহাস নয়।     ফটকের লোকগাথা ছাড়াও দুর্গের দেয়ালে শেষ রাতে রহস্যময় ছায়ামূর্তি হাঁটাচলা করতে দেখার দাবি করেন অনেক ট্রেকার। সবচেয়ে প্রচলিত গল্পটি হলো এক অদৃশ্য প্রহরীর। একা থাকা পর্যটকদের সামনে দূর থেকে ইশারা করে পরক্ষণেই সে হাওয়া হয়ে যায় বলে অনলাইনে অনেকে দাবি করেন। এর পাশাপাশি সূর্যাস্তের পর দুর্গের নির্জন অংশে শিস দেওয়া, পায়ের আওয়াজ বা অদ্ভুত সব শব্দ শোনার কথাও বলেন অনেকে। বিশেষ করে বর্ষাকালে যখন কুয়াশা আর তীব্র বাতাস দুর্গটিকে ঘিরে ধরে, তখন এই শব্দগুলো বেশি শোনা যায়। তবে সংশয়বাদীদের মতে, দুর্গের স্থাপত্যশৈলী আর পাহাড়ি বাতাসের মিথস্ক্রিয়াতেই এমন শব্দের সৃষ্টি হয়।   সাতবাহন আমলে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হওয়া এই লোহাগড় দুর্গটি একসময় ছত্রপতি শিবাজীর শাসনামলে মারাঠাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ঘাঁটি, কোষাগার ও প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। পরবর্তীতে এটি ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। দুর্গের ভেতরে এখনও বিশালাকার পাথরের তোরণ, প্রাচীন পানির চৌবাচ্চা এবং বিচ্ছুর লেজের মতো দেখতে দীর্ঘ শৈলশিরা বিঞ্চু কাটা টিকে রয়েছে। ভারতের অন্যান্য প্রাচীন দুর্গের মতো লোহাগড়কে নিয়েও গুপ্ত সুড়ঙ্গ ও লুকানো গুপ্তধনের গুঞ্জন রয়েছে। কোনও প্রমাণ না থাকলেও, প্রাচীন এই ধ্বংসাবশেষের ইতিহাস আর অলৌকিক আবহ পর্যটকদের কৌতূহলকে প্রতিনিয়ত বাড়িয়ে চলেছে।   সূত্র: এনডিটিভি

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ২৪, ২০২৬

বিজয়কে ছেড়ে যাননি তৃষা!

ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি অধিকারকর্মী

১০ হাজার টনের যুদ্ধজাহাজ তৈরির ঘোষণা কিমের

0 Comments