খেলাধুলা

২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ২০১৮ সালেই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ম্যারাডোনা

আক্তারুজ্জামান জুন ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব যখন জমে উঠেছে, ঠিক তখনই নতুন করে আলোচনায় এসেছে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার আট বছর আগের একটি সাক্ষাৎকার।

 

২০১৮ সালে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনা ২০২৬ বিশ্বকাপের আয়োজক দেশগুলো নিয়ে বেশ কড়া মন্তব্য করেছিলেন। বিশেষ করে মেক্সিকোকে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।

 

১৯৮৬ সালে মেক্সিকোর মাটিতেই আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানো ম্যারাডোনা সে সময় বলেছিলেন, মেক্সিকো এই আয়োজনের যোগ্য নয়। তার দাবি ছিল, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হলেই মেক্সিকোর বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায়।

 

কানাডা সম্পর্কেও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেন তিনি। ম্যারাডোনার ভাষ্য ছিল, দেশটিতে ফুটবলের প্রতি ঐতিহ্যগত আবেগ তেমন নেই; বরং কানাডিয়ানরা শীতকালীন খেলাধুলা, বিশেষ করে স্কিইংয়ের প্রতিই বেশি আগ্রহী।

 

যুক্তরাষ্ট্র প্রসঙ্গে তিনি ফুটবলের বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ম্যারাডোনার দাবি ছিল, ১৯৯৪ বিশ্বকাপের আগে যুক্তরাষ্ট্র নাকি ম্যাচকে ২৫ মিনিটের চারটি ভাগে বিভক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল, যাতে বিজ্ঞাপন প্রচারের সুযোগ বাড়ে। যদিও এমন কোনো পরিবর্তন বাস্তবে কার্যকর হয়নি।

 

তবে চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে গরম আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক রাখা হয়েছে। এতে খেলা মাঝেমধ্যে বিরতিতে থামায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই ম্যারাডোনার সেই পুরোনো মন্তব্যের সঙ্গে বর্তমান বাস্তবতার মিল খুঁজে আলোচনা করছেন।

 

উল্লেখ্য, ম্যারাডোনা ২০২০ সালে মারা গেলেও বিশ্ব ফুটবল নিয়ে তার বিভিন্ন মন্তব্য ও ভবিষ্যদ্বাণী এখনও প্রায়ই আলোচনায় ফিরে আসে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
হারারের বড় হার নিয়ে হতাশ শান্ত, দোষ দিলেন ব্যাটিং ব্যর্থতাকে

হারারে টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর দলের পারফরম্যান্সে হতাশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার মতে, প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং ব্যর্থতাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।   ম্যাচ শেষে শান্ত বলেন, প্রথম ইনিংসে দল প্রত্যাশিত ব্যাটিং করতে পারেনি। বোলিং ও ব্যাটিং—দুই বিভাগেই বাংলাদেশ নিজেদের সেরাটা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলেই এমন বড় পরাজয় এসেছে।   তিনি আরও বলেন, হারারের কন্ডিশন ভিন্ন হলেও সেটির সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াই ছিল দলের দায়িত্ব। কিন্তু পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ায় দল সুবিধা নিতে পারেনি। শান্তের ভাষায়, প্রতিপক্ষের পেসাররা ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিং করেছে এবং বাংলাদেশের ব্যাটাররা প্রয়োজনীয় ক্রিকেটীয় শট খেলতে পারেননি।   মূল পেসারদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে অধিনায়ক জানান, এটি দলের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনার অংশ ছিল। তবে সেই পরিকল্পনা মাঠে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।   দুই ইনিংসেই বাংলাদেশ ২০০ রানের নিচে অলআউট হয়। পুরো ম্যাচে মুমিনুল হকের ৬০ রানই ছিল দলের একমাত্র অর্ধশতক।   তবে টেস্টের হতাশা পেছনে ফেলে আসন্ন সীমিত ওভারের সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শান্ত। তিনি বলেন, সাদা বলের ক্রিকেটে সাম্প্রতিক কয়েকটি সিরিজে বাংলাদেশ ভালো খেলেছে এবং জয়ও পেয়েছে। দলের ক্রিকেটাররা আত্মবিশ্বাসী, তাই আগামী সিরিজে ভালো ফলের প্রত্যাশা করছেন তিনি।

আক্তারুজ্জামান জুন ৩০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ২০১৮ সালেই বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন ম্যারাডোনা

ছবি : সংগৃহীত

কঙ্গো ম্যাচে ফেবারিট ইংল্যান্ড, তবু টাইব্রেকার নিয়ে ঝুঁকি নিতে নারাজ

খেলোয়াড়দের ডেকে কৌশল ঠিক করছেন কোচ আনচেলত্তি। ছবি: সংগৃহীত

আনচেলত্তির বার্তায় বিরতির পর বদলে গেল ব্রাজিলের খেলা

ছবি : সংগৃহীত
রেফারির বিতর্কিত সিদ্ধান্তে কি বাদ পড়ল জার্মানি?

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নাটকীয় হারের পর রেফারির একটি সিদ্ধান্তকে ঘিরে তুমুল বিতর্কে জড়িয়েছে জার্মানি। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ সমতায় শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে ম্যাচের ফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে অতিরিক্ত সময়ে জোনাথান তাহের করা একটি গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত। জার্মান শিবিরের দাবি, সেই গোল বহাল থাকলে ম্যাচের ভাগ্যই বদলে যেতে পারত।   ম্যাচের শুরুতেই হুলিও এনসিসোর গোলে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে কাই হাভার্টজ সমতা ফেরালে ১-১ ব্যবধানে শেষ হয় নির্ধারিত সময়। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। দুই দলই যখন একটি গোলের অপেক্ষায়, তখনই আসে ম্যাচের সবচেয়ে বিতর্কিত মুহূর্ত।   অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের শেষ দিকে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে কোনো ডিফেন্ডারের বাধা ছাড়াই দারুণ এক হেডে বল জালে পাঠান জোনাথান তাহ। গোল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠে জার্মানির খেলোয়াড় ও সমর্থকরা। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে জার্মানি। কিন্তু কয়েক সেকেন্ড পরই ভিএআর কক্ষ থেকে রেফারিকে গোলটি পুনরায় পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।   রিপ্লেতে দেখা যায়, কর্নার নেওয়ার ঠিক আগে জার্মান ডিফেন্ডার ভালডেমার আন্তনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মাটিতে পড়ে যান প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল। যদিও তিনি পরে উঠে দাঁড়িয়ে বল ধরার চেষ্টা করেছিলেন, তবু ভিএআরের পর্যবেক্ষণে সেটিকে গোলরক্ষকের ওপর ফাউল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মরক্কোর রেফারি জালাল জায়েদ মাঠের পাশের মনিটরে রিপ্লে দেখার পর গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখেন। ফলে জার্মানির সম্ভাব্য লিড আর বাস্তবে রূপ নেয়নি।   রেফারির এই সিদ্ধান্তের পরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে জার্মান শিবির। খেলোয়াড়রা রেফারিকে ঘিরে প্রতিবাদ জানান। সাইডলাইনে দাঁড়িয়ে জার্মানির প্রধান কোচ ইউলিয়ান নাগেলসম্যানও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান। প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি হলুদ কার্ডও দেখেন। ম্যাচ শেষে নাগেলসম্যান বলেন, তার মতে ঘটনাটি কোনোভাবেই ফাউল ছিল না। এমন একটি গোল বাতিল করাকে তিনি ‘রসিকতা’ বলেই অভিহিত করেন।   বিতর্কিত এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়ারারও। বিবিসিকে তিনি বলেন, ফুটবল শারীরিক সংস্পর্শের খেলা। এত সামান্য ধাক্কায় গোলরক্ষকের পড়ে যাওয়া এবং সেটিকে ফাউল হিসেবে বিবেচনা করা তার কাছে অত্যন্ত নরম সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে। শিয়ারারের দাবি, গোলরক্ষক নিজের আচরণ দিয়ে রেফারি ও ভিএআর কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয়েছেন।   প্রিমিয়ার লিগের সাবেক সহকারী রেফারি ড্যারেন ক্যানও একই ধরনের মত দিয়েছেন। তার মতে, চলতি বিশ্বকাপে ছোটখাটো সংস্পর্শের কারণেও কয়েকটি গোল বাতিল হতে দেখা গেছে। তবে এই ঘটনায় গোলরক্ষকের ওপর যে প্রভাব পড়েছিল, তা গোল বাতিলের মতো গুরুতর সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল না।   গোলটি বহাল রাখা উচিত ছিল বলে মনে করেন ক্যান। তার মতে, ‘খুবই ছোটখাটো ফাউলের কারণে এর আগেও আমরা দুই থেকে তিনটি গোল বাতিল হতে দেখেছি। এটিও তেমন বড় কিছু ছিল না। গোলরক্ষককে সামান্য একটু ব্লক করা হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু গোল বাতিলের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। আমার অনুমান সত্যি হলো, ওরা গোলটা বাতিলই করল।’   স্কটল্যান্ডের সাবেক উইঙ্গার ও বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভের বিশ্লেষক প্যাট নেভিনও মনে করেন, ঘটনাটি ছিল ব্যাখ্যানির্ভর। তার ভাষায়, বক্সের ভেতরে কিছুটা ব্লক অবশ্যই হয়েছিল, কিন্তু সেটি গোলরক্ষককে কতটা বাধাগ্রস্ত করেছে, সেটি স্পষ্ট নয়। তাই গোল বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন থাকাই স্বাভাবিক।   নেভিন বলেন, ‘বক্সের ভেতর তখন হট্টগোল চলছিল। সেখানে একটা ব্লক অবশ্যই ছিল, কিন্তু সেটা কি গোলরক্ষককে বাধাগ্রস্ত করেছে? দেখে তেমনই মনে হচ্ছে। তবে এটি সম্পূর্ণ রেফারির ব্যক্তিগত বিবেচনার বিষয়। সিদ্ধান্তটি মোটেও পরিষ্কার নয়।’   বিশ্বকাপ চলাকালে জার্মান টেলিভিশনে বিশ্লেষকের দায়িত্ব পালন করা লিভারপুলের সাবেক কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল পুরো মৌসুমজুড়ে কর্নার ও সেট-পিস থেকে একই ধরনের পরিস্থিতিতে অসংখ্য গোল করেছে। যদি এই গোলকে অবৈধ ধরা হয়, তাহলে আর্সেনালের অনেক গোলও বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তার মতে, বল জালে জড়ানোর মুহূর্তেই জার্মানি কার্যত ম্যাচটি জিতে গিয়েছিল, তাই এমন সিদ্ধান্ত অত্যন্ত নির্মম।   শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়েও আর কোনো গোল হয়নি। টাইব্রেকারে জার্মানির হয়ে কাই হাভার্টজ, নিক ভোল্টেমাডে ও জোনাথান তাহ পেনাল্টি মিস করলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় প্যারাগুয়ে। এই জয়ে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে, আর বিতর্কিত ভিএআর সিদ্ধান্তকে ঘিরে হতাশা নিয়েই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় জার্মানিকে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বসেরা ব্রাজিলের সঙ্গে আমাদের ব্যবধান কমছে—জাপান কোচ

ছবি : সংগৃহীত

আর্সেনালের উদাহরণ টেনে জার্মানির গোল বাতিলের সমালোচনায় ক্লপ

ছবি : সংগৃহীত

ম্যানচেস্টার সিটির নতুন কোচ এন্টসো মারেস্কা, চুক্তি তিন বছরের

ছবি : সংগৃহীত
জার্মানির বিশ্বকাপ বিপর্যয়: আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নয়্যার

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন জার্মানির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার। ২০২৬ বিশ্বকাপে জার্মানির হতাশাজনক বিদায়ের মধ্য দিয়েই জাতীয় দলের জার্সিতে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটল।   বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ের বিপক্ষে টাইব্রেকারে গড়ানো ম্যাচে জার্মানিকে লড়াইয়ে ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন নয়্যার। ম্যাচজুড়ে একাধিক দুর্দান্ত সেভ করলেও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।   ম্যাচ শেষে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৪০ বছর বয়সি এই গোলরক্ষক।   জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে জার্মানির সবচেয়ে বড় সাফল্যের অন্যতম নায়ক ছিলেন নয়্যার।   ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে দলকে শিরোপা জেতাতে অসাধারণ অবদান রাখেন তিনি। দুর্দান্ত শট ঠেকানো, নিখুঁত নেতৃত্ব এবং ‘সুইপার-কিপার’ হিসেবে নতুন ধারার সূচনা করে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই জার্মান কিংবদন্তি।   আন্তর্জাতিক ফুটবলে নয়্যারের বিদায়ের মধ্য দিয়ে জার্মান ফুটবলের এক গৌরবময় অধ্যায়েরও সমাপ্তি হলো।

মারিয়া রহমান জুন ৩০, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বিরতিতে কৌশল বদলেই বাজিমাত, জয়ের রহস্য জানালেন আনচেলত্তি

ছবি : সংগৃহীত

টাইব্রেকার নাটকে ডাচদের বিদায়, আরও একটি মরক্কো-রূপকথা!

ছবি- এএফপি

শেষ মুহূর্তের নাটকে মরক্কোর সমতা, নেদারল্যান্ডস ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে

0 Comments