জাতীয়

২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনগুলোকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ওঠা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগের তদন্ত শেষে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে একটি তদন্ত কমিটি। অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত এই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে রাতের বেলায়। শুধু তাই নয়, এই তিনটি নির্বাচনকে একটি সুদূরপ্রসারী ‘মাস্টারপ্ল্যানের’ অংশ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।


সোমবার (১২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন তদন্ত কমিটির প্রধান, হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইন। রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি প্রতিবেদনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধান তুলে ধরেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কাগজে-কলমে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দেখাতে একটি সুপরিকল্পিত কৌশল গ্রহণ করা হয়। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে, আওয়ামী লীগ একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা করে এবং বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো সেই পরিকল্পনার গভীরতা বুঝতে না পেরেই নির্বাচনে অংশ নেয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে ব্যাপকভাবে ব্যালট পেপারে আগেভাগে সিল মারা হয়, যার ফলে বহু কেন্দ্রে ভোট প্রদানের হার শতভাগেরও বেশি দেখানো হয়।
শামীম হাসনাইন ব্রিফিংয়ে জানান, নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পুলিশ প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন এবং গোয়েন্দা সংস্থার একটি অংশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়। প্রশাসনের ভেতরে আওয়ামী লীগকে জেতানোর জন্য এক ধরনের অসৎ প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ধীরে ধীরে নির্বাচন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নির্বাচন কমিশনের হাত থেকে সরে গিয়ে প্রশাসনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়।


২০২৪ সালের নির্বাচন প্রসঙ্গে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিএনপিসহ বড় রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ায় ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়। ডামি প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নির্বাচনী পরিবেশকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দেখানোর চেষ্টা করা হয়। এমনকি ক্ষমতাসীন দলের ভেতর থেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড় করানো হয়, যাতে ভোটের মাঠে দৃশ্যত প্রতিযোগিতা বজায় থাকে।
তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তিনটি নির্বাচনই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কিছু নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে নিয়ে বিশেষ ‘নির্বাচন সেল’ গঠন করা হয়, যা মূলত প্রশাসনের ভেতর থেকেই নির্বাচন নিয়ন্ত্রণে কাজ করত। ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়কালে নির্বাচন কমিশন কার্যত প্রান্তিক ভূমিকায় চলে যায় এবং প্রশাসন হয়ে ওঠে নির্বাচন পরিচালনার মূল শক্তি।


সাবেক বিচারপতি শামীম হাসনাইন জানান, এই মাস্টারপ্ল্যানের সূচনা ঘটে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পরপরই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বাতিল করার পেছনে ছিল দীর্ঘমেয়াদি কৌশল, যাতে ক্ষমতাসীন দল যেকোনো উপায়ে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হওয়ার পর যেসব নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে, সেগুলো অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় গড়া এবং ক্ষমতাসীন দলের অনুগত ব্যক্তিদের দিয়ে সাজানো হয়েছিল।
২০১৪ সালের নির্বাচনকে প্রতিবেদনে ‘নন-পার্টিসিপেটরি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই নির্বাচনে বড় একটি অংশ অংশগ্রহণ না করায় নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। পরবর্তী নির্বাচনে সহিংসতা, প্রচারণায় বাধা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ভোট গণনায় অনিয়ম এবং বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপক মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। এতে করে নির্বাচন আরও অনির্বাচনযোগ্য পরিবেশে রূপ নেয়।


প্রতিবেদনে বিচার বিভাগ নিয়েও গুরুতর পর্যবেক্ষণ রয়েছে। শামীম হাসনাইন জানান, ওই সময় বিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় জামিন পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে, যা বিচার বিভাগকেও কার্যত নির্বাচনী প্রক্রিয়ার এক ধরনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে তুলে ধরে।
তদন্ত কমিটির মতে, তিনটি নির্বাচন পদ্ধতিগতভাবে ভিন্ন হলেও মূল লক্ষ্য ছিল এক—ক্ষমতাসীন দলকে যে কোনো মূল্যে ক্ষমতায় রাখা। এই প্রতিবেদনের প্রকাশ দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
পুলিশে বড় রদবদল, ২১ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের ১৫ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ছয়জন সহকারী পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছে।   সোমবার (১৬ মার্চ) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত ৩টি পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি করা হয়। এদিকে সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ এর উপসচিব তৌছিফ আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) সরদার নুরুল আমিনকে বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে সিআইডি প্রধান করা হয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

‘মিড ডে মিল’ পর্যায়ক্রমে সব স্কুলে চালু হবে

হিউমান রাইটস ওয়াচ, অ্যামিনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফর্টিফাই রাইটস, আর্টিকেল নাইনটিন, সিপেজি, সিভিকাসসহ ৯টি সংগঠন এ চিঠি লিখেছে।

র‍্যাব বিলুপ্তির আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ৯ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের চিঠি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। ফাইল ছবি

সুন্দর ভোট হলে আপত্তি ওঠে ভোট হওয়ার পরে: সিইসি

সংগৃহীত ছবি
মধ্যপ্রাচ্য সংকট : শাহজালাল থেকে বাতিল ৫২৮ ফ্লাইট

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আকাশপথে যাতায়াতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ১৭ দিনে ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ৫২৮টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি ফ্লাইট। ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এ ছাড়া ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল হয়। ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি এবং ১০ মার্চ ৩২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এরপর ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি, ১৩ মার্চ ২৫টি, ১৪ মার্চ ২৬টি এবং ১৫ মার্চ ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।   গত রবিবার (১৫ মার্চ) রাত ১২টার পরও ফ্লাইট বাতিলের ধারা অব্যাহত রয়েছে। এদিন কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৮টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সব মিলিয়ে এদিন বাতিল হয়েছে ২৮টি ফ্লাইট। টানা ফ্লাইট বাতিলের কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মীরা।অনেক যাত্রী অনিশ্চয়তায় পড়েছেন এবং কেউ কেউ ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনা পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া কঠিন হবে।

মারিয়া রহমান মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় সাহাপাড়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২ বছরে জনগণের আয় দ্বিগুণ করা বিএনপি সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় ভিসা নিয়ে যা বললেন হাইকমিশনার

খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নবনিযুক্ত র‌্যাব প্রধান আহসান হাবীব, এসবি প্রধান নুরুল আমিন ও সিআইডি প্রধান মোসলেহ উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
র‍্যাব, এসবি ও সিআইডির শীর্ষ পদে রদবদল

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব), পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান পদে পরিবর্তন এনেছে সরকার।   সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-১ এর উপসচিব তৌছিফ আহমদ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।   প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশকে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) সরদার নুরুল আমিনকে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।   একইসঙ্গে অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ উদ্দিন আহমেদকে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-এর প্রধান করা হয়েছে।   এছাড়া অতিরিক্ত আইজিপি (সিআইডি) মো. ছিবগাত উল্লাহকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি পদমর্যাদা) মো. শওকত আলীকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার এবং এসবির ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে রুশ রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সংগৃহীত ছবি

তথ্য মন্ত্রণালয় ঢেলে সাজানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে : তথ্যমন্ত্রী

সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি : আইএসপিআর

সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

0 Comments