জাতীয়

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামে স্বর্ণ

Unknown জানুয়ারী ১২, ২০২৬

দেশের স্বর্ণবাজারে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি দুই লাখ ৩২ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক ধাপে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এই মূল্যহার আগামী মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর স্বর্ণের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব, ডলার বিনিময় হার এবং স্থানীয় চাহিদার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৯৯ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৮৯০ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৮১ টাকা।


স্বর্ণ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে সরকার আরোপিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকায়। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা।
স্বর্ণ ও রুপার এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশের গহনা বাজারে নতুন করে প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিয়ের মৌসুম ও সামাজিক অনুষ্ঠানের সময়ে ক্রেতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
বাজেট উচ্চাকাঙ্ক্ষী ও জনমুখী, তবে বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে উচ্চাকাঙ্ক্ষী, জনমুখী এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রতিফলন হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।     তিনি বলেন, বাজেটটি সার্বিকভাবে জনমুখী এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো বাস্তবায়ন। ঘোষিত কর্মসূচি ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবে রূপ না পেলে মানুষের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হতে পারে। বাজেটের সাফল্য নির্ভর করবে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর।     আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবার প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট। এটি বিএনপি সরকারের ১৭তম এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।     আহমেদ আরো বলেন, এটি একটি বড় ও উচ্চাভিলাষী বাজেট। নির্বাচনী অঙ্গীকার ও সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিফলন এতে রয়েছে। বাজেটে বেশ কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক উদ্যোগ।     সাবেক এই অর্থ উপদেষ্টা বাসসকে জানান, বাজেট বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত সম্পদ সংগ্রহ, সঠিক বরাদ্দ, কার্যকর তদারকি এবং সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন। সরকারের উচিত অগ্রাধিকারভিত্তিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত চিহ্নিত করে দ্রুত কাজ শুরু করা।     তার ভাষায়, আমাদের দেশে প্রায়ই প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব দেখা যায়। অনেক উদ্যোগ সময়মতো বাস্তবায়িত না হওয়ায় সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয় না। তাই দ্রুত ও কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।     বাজেটের আকার প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বড় বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এর সব লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা সহজ হবে না।     তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জন্য নির্ধারিত রাজস্ব আহরণের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা, ব্যাংকিং খাত থেকে বিপুল ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা এবং প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।     তিনি আরো বলেন, প্রশ্ন হলো এত বড় উন্নয়ন কর্মসূচির অর্থায়ন কোন উৎস থেকে আসবে এবং প্রকল্পগুলো কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যাবে। শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না, প্রকল্পগুলোতে ‘ভ্যালু ফর মানি’ নিশ্চিত করতে হবে।     দুর্নীতি, দক্ষ জনবলের ঘাটতি, প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। এসব কারণে সময়মতো ও গুণগত মান বজায় রেখে প্রকল্প বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেন।     ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, বাজেটের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে কোয়ালিটি, সময়ানুবর্তিতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করে বাস্তবায়নের ওপর। এটাই আগামী অর্থবছরের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

থানায় রক্ষা পেলেও ডিসি অফিসে মার খেলেন বৈষম্যবিরোধী নেতা মাহাদী

ছবি: সংগৃহীত

শপথ নিতে পারবেন আসলাম? ২ অ্যামিকাস কিউরির মত নেবে আদালত

ছবি: সংগৃহীত

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির মধ্য-বামপন্থী বাজেট কি অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে পারবে?

নতুন সরকারের প্রথম বাজেটকে মধ্য-বামপন্থী ও কল্যাণমুখী বাজেট হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামাজিক নিরাপত্তা, ভর্তুকি, কৃষক ও নিম্নআয়ের মানুষের সহায়তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হচ্ছে।   প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির জন্য প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা, ভর্তুকি ও প্রণোদনায় ১ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা এবং সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের মতো নতুন কর্মসূচিও চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ হবে অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন। কারণ সরকার আগামী অর্থবছরে প্রায় ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করলেও অতীতের কোনো অর্থবছরেই রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। ফলে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘাটতি ঋণের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে।   বর্তমানে দেশের অর্থনীতি উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কম বিনিয়োগ, রপ্তানি আয় হ্রাস, শিল্প উৎপাদনে ধীরগতি এবং কর্মসংস্থান সংকটের মতো নানা চাপে রয়েছে। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, অন্যদিকে সরকারি ঋণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।   অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, সামাজিক কল্যাণমূলক ব্যয় বাড়ানো জনগণের জন্য স্বস্তিদায়ক হলেও রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, কর সংস্কার, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যয়ের দক্ষতা নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের সম্প্রসারণমূলক বাজেট দীর্ঘমেয়াদে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে অতিরিক্ত ঋণনির্ভরতা সুদ ব্যয় বাড়াবে এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমিয়ে দিতে পারে।   অন্যদিকে সরকারের দাবি, এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পুনর্গঠন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং একটি কল্যাণরাষ্ট্রের ভিত্তি গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে। কর ফাঁকি কমানো, শিল্পায়ন, কৃষি সংস্কার ও উন্নয়ন ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমে রাজস্ব আয় বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।   সার্বিকভাবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাজেটের লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার যথাযথ হলেও এর সফলতা নির্ভর করবে রাজস্ব সংগ্রহ, সুশাসন, বাস্তবায়ন সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর। তাই এই বাজেট অর্থনৈতিক সংকট থেকে উত্তরণের পথ তৈরি করতে পারে, তবে তা কতটা সফল হবে, সেটি বাস্তবায়নের দক্ষতার ওপরই নির্ভর করবে।

আক্তারুজ্জামান জুন ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাজেটে অগ্রাধিকার পেল দুই পাতাল মেট্রোরেল, বরাদ্দ প্রস্তাব ১১ হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ছবি : সংগৃহীত

৫০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল জিডিপি, মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার

ছবি: সংগৃহীত

মন্ত্রিসভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ ফুটবল-২০২৬ উপলক্ষ্যে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে ৫০ টাকা মূল্যমানের খাম-সম্বলিত স্যুভেনির শিট এবং ৫ টাকা মূল্যমানের ডাটা কার্ডও প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয়। অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সেক্রেটারি আতিকুর রহমান রুমন এবং ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এস. এম. হারুনর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

মারিয়া রহমান জুন ১১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বাজেটে স্বস্তির বার্তা, কমছে ৬০ পণ্যের দাম

ছবি : সংগৃহীত

১৯ বছর পর বিএনপির বাজেট, বড় স্বপ্নের মুখে সীমিত সক্ষমতা

ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল সিটি নির্বাচন ঘিরে সরব রাজনৈতিক অঙ্গন, মেয়র প্রার্থী চূড়ান্তের পথে দলগুলো

0 Comments