বিশ্বকাপে রেকর্ড রান করেও জয় পেল না বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯ উইকেটে ১৯৮ রান করেও ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায় নিগার সুলতানার দল।
ম্যাচের সারসংক্ষেপ:
🇧🇩 বাংলাদেশ: ৯ উইকেটে ১৯৮ রান
সোবহানা মোস্তারি: ৬২ (৮০ বলে, ৯ চার)
রুবাইয়া হায়দার: ৪৪ (৫৯ বলে, ৮ চার)
🇦🇺 অস্ট্রেলিয়া: ২৪.৫ ওভারে ২০২/০
অ্যালিসা হিলি: ১১৩* (৭৭ বলে, ২০ চার)
ফোবি লিচফিল্ড: ৮৪* (৭২ বলে, ১২ চার, ১ ছক্কা)
সোবহানা মোস্তারির অনবদ্য ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ নারী দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের ওয়ানডে ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৮৯ রানের রেকর্ড গড়ে। এর আগে ২০২২ সালে সর্বোচ্চ ১৩৫ রান করেছিল তারা।
তবে জবাবে অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার হিলি ও লিচফিল্ড অপরাজিত থেকে মাত্র ২৪.৫ ওভারে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলেন, জয় পান ১৫১ বল হাতে রেখে।
টুর্নামেন্টে এটি ছিল বাংলাদেশের পঞ্চম ম্যাচ। আগের চার ম্যাচে তিনটিতে হারায় সেমিফাইনালের আশা টিকে রাখতে হলে এখন অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলংকা (২০ অক্টোবর) ও ভারত (২৬ অক্টোবর)-এর বিপক্ষে জয় প্রয়োজন হবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না। একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন। গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে। জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে। কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে। প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’ সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।
মাদ্রিদে বিমান ধরার কথা ছিল অনেক আগেই। মেডিক্যাল টেস্ট, জার্সি নম্বর, সংবাদ সম্মেলন—সবই হয়তো হয়ে যেত। কিন্তু ইয়ান দিয়োমান্দের রিয়াল মাদ্রিদ-অধ্যায় এখনো শুরুই হয়নি। দুই এজেন্সির অদৃশ্য এক টানাপোড়েনে এই তরুণ উইঙ্গারের দলবদলটাও এখন ঝুলে গেছে। বুন্দেসলিগা ক্লাব আরবি লাইপজিগের ১৯ বছর বয়সী আইভরিয়ান উইঙ্গার দিয়োমান্দেকে নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ প্রায় সবকিছুই গুছিয়ে এনেছিল। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস ও দেফেনসা সেন্ত্রালরনর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অঙ্কের এই চুক্তির জন্য রিয়াল দর–কষাকষি করেছিল র্যাপার জে-জির মালিকানাধীন এজেন্সি রক নেশনের সঙ্গে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও এনদ্রিকের মতো তারকাদেরও প্রতিনিধিত্ব করে এই এজেন্সি। কিন্তু সাবেক আইভরি কোস্ট ফুটবলার ম্যাক্স গ্রাদেলের এজেন্সি ম্যাক্সিদেল ম্যানেজমেন্ট দাবি করছে, গত বছর লেগানেস থেকে লাইপজিগে দিয়োমান্দের দলবদলটা তারাই আয়োজন করেছিল। সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী লাইপজিগ ছাড়ার আগপর্যন্ত খেলোয়াড়ের ওপর তাদের অধিকার বহাল থাকার কথা। এই দাবিতে ম্যাক্সিদেল ফিফার কাছে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ দাখিল করেছে। আইভরিয়ান সাংবাদিক মালিক ত্রাওরে দেফেনসা সেন্ত্রালকে বলেছেন, পুরো ব্যাপারটি গোপন করায় রক নেশনের প্রতিনিধিদের ওপর ক্ষুব্ধ রিয়াল মাদ্রিদ। এএসের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রিয়াল পুরো বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানত না। তবে রক নেশন বসে নেই। প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট মাইকেল ইয়োরমার্ক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া বিবৃতি দিয়ে স্প্যানিশ প্রতিবেদনগুলোকে ‘ভুয়া খবর’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, দায়িত্বজ্ঞানহীন গণমাধ্যম মনোযোগ কাড়ার জন্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। ব্যাপারটা স্রেফ দুই এজেন্সির বিবাদ হলে রিয়ালের এত মাথাব্যথা থাকত না। কিন্তু ফিফার এজেন্ট-সংক্রান্ত নিয়ম বলছে, প্রতিনিধিত্ব নিয়ে চলমান বিরোধ থাকলে তা সরাসরি খেলোয়াড়ের নিবন্ধনপ্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। ভুল এজেন্টকে কমিশন দিয়ে ফেললে ফিফার কড়া শাস্তির মুখেও পড়তে পারে ক্লাব। চরম ক্ষেত্রে, বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফিফা দিয়োমান্দের আন্তর্জাতিক স্থানান্তর সনদ (আইটিসি) প্রক্রিয়াকরণই আটকে দিতে পারে। তবে ফিফা সাধারণত খেলোয়াড়ের খেলার অধিকারকে অগ্রাধিকার দেয়। তাই লড়াই চলাকালে একটি সাময়িক নিবন্ধন অনুমতিও মিলতে পারে রিয়ালের, যাতে দিওমান্দের দলবদল একেবারে থমকে না যায়। আপাতত বলটা ফিফার কোর্টেই। ম্যাক্সিদেলের অভিযোগ তারা হাতে পেয়েছে এবং খতিয়ে দেখছে। রিয়াল মাদ্রিদের তাই অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। ওদিকে দিওমান্দে ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে অস্ট্রিয়ায় লাইপজিগের প্রাক্–মৌসুম প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেননি। বোঝাই যাচ্ছে, তিনিও অপেক্ষা করছেন কোনো একটা সুসংবাদের জন্য।
গেল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা স্কোয়াডে থাকলেও দলে তেমন একটা সুযোগ পাননি ভালেন্তিন বার্কো। সেই তাকে দলে ভেড়াল চেলসি। আরসি স্ত্রাসবুর থেকে তাকে ৭ বছরের চুক্তিতে দলে ভিড়িয়েছে ইংলিশ এই ক্লাব। এই চুক্তির খবর প্রথম এপ্রিল মাসে জানা গিয়েছিল। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করতে প্রায় চার মাস সময় লেগে গেল। বোকা জুনিয়র্স থেকে চেলসি পর্যন্ত বার্কোর যাত্রাটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন ২০২৩ সালে প্রায় ১০ মিলিয়ন ইউরোতে তাকে দলে নিয়েছিল। এরপর তাকে ধারে পাঠানো হয় সেভিয়ায়। তার পরের মৌসুমে ধারে যান স্ত্রাসবুর। গত দেড় বছরে বার্কো স্ত্রাসবুরর একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠেছিলেন। এই সময়ে তিনি আর্জেন্টিনার জার্সিতে পাঁচটা ম্যাচও খেলেছেন। বিশ্বকাপেও তিনি দলের সঙ্গে ছিলেন। যদিও খেলেছেন মাত্র একটা ম্যাচ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচে তার অতিরিক্ত উদযাপনের জন্যই বেশি মনে রাখা হয় তাকে। ম্যাচ শেষে জুড বেলিংহাম তার কানে হালকা চড় মেরেছিলেন। বিষয়টি নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। মূলত মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হলেও বার্কো লেফট ফ্ল্যাঙ্কে অনেকবার খেলেছেন। তিনি লেফট ব্যাক থেকে লেফট উইঙ্গার পর্যন্ত বিভিন্ন পজিশনে খেলেছেন। চেলসিতে এনজো ফের্নান্দেজকে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা নিয়ে আছে ধোঁয়াশা। তবে এরই মধ্যে এল বার্কোকে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা।
গত তিন বছরে ফুটবলে ব্রাজিলিয়ানদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। যদিও জনসংখ্যার বেশিরভাগই ফুটবলকে অনুসরণ করেন। ডাটাফোলহার জরিপে উঠে এসেছে, ১৬ বছর বা তার ঊর্ধ্বের ৬৪ শতাংশ ব্রাজিলিয়ান বলেছেন, ফুটবলে তাদের অনেক (২৮ শতাংশ) বা কিছু আগ্রহ (৩৫ শতাংশ) আছে। বাকি ৩৬ শতাংশ বলেছেন, তারা ফুটবল দেখেনই না। এই বিষয়ে আগের জরিপের সঙ্গে তুলনা করা যাক। ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত জরিপে ৭২ শতাংশ উত্তর প্রদানকারী বলেছিলেন, তারা ফুটবল অনুসরণ করেন, ২৮% বলেছিলেন তাদের কোনো আগ্রহ নেই। মানে এবার ফুটবলে অনাগ্রহীর সংখ্যা ৮% কমেছে। এই গবেষণায় উঠে এসেছে, আরেকটি বড় ধরনের পার্থক্য। পুরুষদের মধ্যে ৭৭% বলেছেন, তারা ফুটবল অনুসরণ করেন। নারীদের মধ্যে এই হার ৫২%। ব্রাজিল ফুটবলে আগ্রহ হারানোর অন্যতম কারণ হচ্ছে, নিকট অতীতে তাদের তেমন কোনো সাফল্য নেই। ২০১৯ সালে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। ২০০২ সালে জিতেছিল শেষ বিশ্বকাপ। তারপর সেরা সাফল্য তারা পেয়েছিল ২০১৪ সালে সেমিফাইনালে উঠে। আর শেষ আসরে ১৯৯০ সালের পর প্রথমবার শেষ ষোলোতেই থেমে গিয়েছিল তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা। তাছাড়া দলের পারফরম্যান্সেও মন্ত্রমুগ্ধ হওয়ার মতো কিছু চোখে পড়ে না। ছন্দহীন তাদের খেলার ধরন। ব্রাজিল কি ফিরে পাবে তাদের নান্দনিক ফুটবল খেলার ধরন, তাহলেই হয়তো ব্রাজিলিয়ানদের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ আবার ফিরবে!