জাতীয়

এক বছরে চারবার পরিবর্তন আনা হলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে

আক্তারুজ্জামান অক্টোবর ১২, ২০২৫ 0

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন গত এক বছরে চারবার সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের দাবি, আইনটি সময়োপযোগী করতেই এসব সংশোধনী আনা হয়েছে।

 

প্রথম সংশোধনী আনা হয় ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর। আগে শুধুমাত্র বাংলাদেশের ভেতরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করার সুযোগ ছিল ট্রাইব্যুনালের হাতে। সংশোধনের পর বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধও এখন ট্রাইব্যুনালে আমলে নেওয়া যাবে। এছাড়া, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ যে কোনো বাহিনীর সদস্যদের বিচার করার বিধান যুক্ত হয়।

 

এ সংশোধনীর মাধ্যমে গুম, যৌনদাসী, জোরপূর্বক গর্ভধারণ, নিপীড়ন, আক্রমণ ও জোরপূর্বক বন্ধ্যকরণ– এসবকেও মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে ট্রাইব্যুনালকে ভার্চুয়াল শুনানির অনুমতি এবং বিদেশি আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

 

দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয় ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি। এতে আত্মপক্ষ সমর্থনের সময়সীমা ছয় সপ্তাহ থেকে কমিয়ে তিন সপ্তাহ করা হয়, যাতে দ্রুত বিচার সম্পন্ন হয়। এছাড়া, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য অভিযুক্তের সম্পদ জব্দ ও বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ক্ষমতাও ট্রাইব্যুনালকে দেওয়া হয়।

 

তৃতীয় সংশোধনী আসে ২০২৫ সালের ১০ মে, যেখানে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট সংগঠন বা ব্যক্তিগোষ্ঠীকেও বিচারের আওতায় আনার বিধান যুক্ত করা হয়।

 

সবশেষ চতুর্থ সংশোধনী জারি হয় ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর রাতে, যার মাধ্যমে আইনে নতুন ধারা ২০(সি) যোগ করা হয়। এতে বলা হয়, কারও বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলেই তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা কোনো জনপ্রতিনিধি পদে থাকার অযোগ্য হবেন।

 

এই ধারার ফলে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হারান।

 

সংশোধনীর গেজেটে উল্লেখ করা হয়, আইনের কার্যকারিতা ভূতাপেক্ষ (retroactive) হবে—অর্থাৎ আইন কার্যকর হওয়ার আগের ঘটনাও এর আওতায় আসবে।

 

২০১০ সালের ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধের বিচার করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল। গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানের পর একই ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচার শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার।

 

আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল তখন ঘোষণা দিয়েছিলেন, “জুলাই গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ীই হবে।”

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
সৌদিতে বাংলাদেশিদের হজ বিধিমালা মেনে চলার অনুরোধ

অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তায় সৌদি আরব যে হজ বিধিমালা জারি করেছে, তা মেনে চলতে বাংলাদেশিদের অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদিতে বসবাসকারী ও ভিজিটরদের জন্য দাপ্তরিক অনুমতিবিহীন হজের উদ্যোগের বিষয়ে কঠিন শাস্তির বিধান যুক্ত করেছে সৌদি সরকার। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানায়, আসন্ন ১৪৪৭ হিজরি সালের হজকে সামনে রেখে সৌদি সরকারের এই বিধিমালায় কঠোর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আভাস মিলেছে। এ বিধান ভঙ্গকারী বিদেশি বাসিন্দাদেরকে দেশত্যাগ এবং ১০ বছর পর্যন্ত পুনরায় সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হতে পারে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈধ অনুমতি ছাড়া হজ পালনের উদ্যোগে আটক ব্যক্তিদেরকে ২০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুণতে হতে পারে।  অবৈধ হজযাত্রী ছাড়াও যেসব ব্যক্তি অবৈধ হজযাত্রী পরিবহন, আবাসন কিংবা অন্য কোনো সহায়তা দেবে, তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সৌদি সরকার। এ ক্ষেত্রে এক লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এমনকি এ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন আইনানুগভাবে বাজেয়াপ্ত করার কথা বলেছে সেদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশোধিত বিধির আওতায় দাপ্তরিকভাবে হজের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাই কেবল মক্কা ও অন্যান্য পবিত্র স্থানসমূহে প্রবেশ করতে পারবে। এটি সকল হজযাত্রী ও সৌদি আরবে বসবাসরতদের জন্য প্রযোজ্য হবে।

মারিয়া রহমান মে ০৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকায় আসছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আলোচনায় মাদক ও সন্ত্রাস দমন

ছবি : সংগৃহীত

শাপলা চত্বরের মামলায় দীপু মনি, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে হাজিরের নির্দেশ

ছবি : সংগৃহীত

অফিস ঈদুল আজহায় সাত দিনের ছুটি ঘোষণা

১ হাজার ৮৮০টি অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও নম্বর বণ্টন প্রকাশ

ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির আওতাভুক্ত ১০টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অফিসার (সাধারণ) পদে নিয়োগের জন্য প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) ও লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি এবং নম্বর বণ্টন প্রকাশ করা হয়েছে।   এ নিয়োগের মাধ্যমে মোট এক হাজার ৮৮০টি শূন্যপদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।   পরীক্ষার সময়সূচি ১. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (এমসিকিউ): ১৬ মে ২০২৬ (শনিবার), বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ২. লিখিত পরীক্ষা: ৬ জুন ২০২৬ (শনিবার), বেলা ৩টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। লিখিত পরীক্ষা মোট ২০০ নম্বরের ওপর অনুষ্ঠিত হবে।   পরীক্ষার ধরন ও নম্বর বিভাজন ১. প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ): মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়গুলো হলো- বাংলা (২৫ নম্বর), ইংরেজি (২৫ নম্বর), সাধারণ গণিত ও কোয়ান্টিটিভ স্কিলস (২০ নম্বর), সাধারণ জ্ঞান (২০ নম্বর), বেসিক কম্পিউটার নলেজ (১০ নম্বর)।   প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা হবে।

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ০৭, ২০২৬ 0

জেলেদের তালিকা পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী নুরের

হাওড়ের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা প্রদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

১০ প্রস্তাব অনুমোদন করল ক্রয় কমিটি

ছবি: সংগৃহীত
‘বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় দেশ’

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় দেশ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত।  জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লে। আলোচনা শেষে তিনি এ কথা বলেন। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় দেশ। শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বৃহৎ ভোক্তা বাজারের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি বাংলাদেশে ফরাসি বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরও সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। বৈঠকে উভয়পক্ষ ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বিনিয়োগবান্ধব ও প্রতিযোগিতামূলক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।  খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, অনুমোদন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজেশন এবং সেবাগুলোকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ উন্নয়নে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে ব্যবসা নিবন্ধন, অনুমোদন ও সেবা প্রদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সময়োপযোগী করার কাজ চলছে। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আব্দুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।

মারিয়া রহমান মে ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

আরো তিন কার্গো এলএনজি আমদানি করছে সরকার

ছবি : সংগৃহীত

আয়কর রসিদেই জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে : তিতুমীর

ছবি : সংগৃহীত

সিলেটের পাথর কোয়ারি ইজারা প্রদানে কমিটি গঠিত

0 Comments