আন্তর্জাতিক

থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ক্রেন ভেঙে পড়ে নিহত ২২

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৪, ২০২৬

থাইল্যান্ডের নাখোন রাচাসিমা প্রদেশে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়লো ক্রেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি নিউজে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। 

 

ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় আরও ৭৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রেনের ভেতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে কাজ করছে।

 

ভেঙে পড়া ক্রেনটি লাওস সীমান্ত থেকে ব্যাংকক পর্যন্ত একটি দ্রুতগতির রেললাইন নির্মাণকাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল। শুরুতে পুলিশের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ১২ জন নিহত হওয়ার খবর দেয়। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ে।

 

পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১২টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি বগিতে আগুন ধরে যাওয়ার পর সেখানে থাকা আরও সাতজন যাত্রীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নাখোন রাচাসিমার পুলিশ সুপার থাচাপোন চিন্নাওয়ং বিবিসিকে জানান, নির্মাণ কাজ চলাকালীন একটি ক্রেন ব্যাংকক থেকে ছেড়ে আসা চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ে।

 

থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থার তথ্যমতে, ট্রেনটিতে মোট ১৯৫ জন যাত্রী থাকার কথা ছিল, যদিও প্রকৃত সংখ্যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

 

থাইল্যান্ডের পরিবহনমন্ত্রী ফিপাত রাতচাকিতপ্রাকর্ন দুর্ঘটনার কারণ জানতে একটি 'পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের' নির্দেশ দিয়েছেন।

 

এই রেললাইনটি মূলত থাইল্যান্ডের অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে। যদিও এতে চীনা প্রযুক্তি ও রোলিং স্টক ব্যবহার করা হবে।

 

চীন এই রেলপথকে ইউনান প্রদেশের সঙ্গে থাইল্যান্ডের উপসাগরীয় অঞ্চল সংযুক্ত করার একটি কৌশলগত মাধ্যম হিসেবে দেখছে। তবে প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিলম্বের মুখে রয়েছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, থাইল্যান্ড এই প্রকল্প বাস্তবায়নে খুব একটা তাড়াহুড়ো করছে না, কারণ এটি লাভজনক হবে কি না, তা নিয়ে দেশটির সংশয় রয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
নেতানিয়াহুকে লাঠি-পাথর মেরে তাড়ানোর আহ্বান সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নেতানিয়াহু যদি আসন্ন সাধারণ নির্বাচন বানচাল বা ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করেন, তবে প্রয়োজনে ‘লাঠি ও পাথর’ দিয়ে তাকে ক্ষমতা থেকে টেনে হিঁচড়ে অপসারণ করতে হবে।    রোববার (১৪ জুন) ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘কান’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন।  ১৯৯৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা এহুদ বারাক আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নেতানিয়াহু খুব সহজেই নির্বাচনকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করতে পারেন। আর তিনি এমন কিছু করলে ইসরাইলের জনগণের সামনে লাঠি-পাথর হাতে রাস্তায় নামা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না। এহুদ বারাক দাবি করেন, লেবাননে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করার মাধ্যমে নেতানিয়াহু এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারেন, যার ফলে হিজবুল্লাহ ও ইরান পাল্টা আঘাত হানার সুযোগ পাবে।  তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নেতানিয়াহু আসলে একটি অন্তহীন ও চিরস্থায়ী যুদ্ধ চান, কারণ তিনি ভালো করেই বোঝেন যে যুদ্ধ শেষ হলেই তার বিরুদ্ধে চলমান দুর্নীতি মামলার বিচার প্রক্রিয়া গতি পাবে। ঠিক যেভাবে তিনি হামাসের সাথে বন্দি বিনিময় চুক্তি আটকে দিয়েছিলেন, একইভাবে তিনি লেবাননের সাথে শান্তি অগ্রগতির পথও রুদ্ধ করে রেখেছেন।  উল্লেখ্য, ৭৬ বছর বয়সি নেতানিয়াহু ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ইসরাইলের ক্ষমতায় আছেন, যাকে দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে উগ্র ডানপন্থী সরকার বলা হয়। আগামী সেপ্টেম্বর বা অক্টোবরের মধ্যে ইসরাইলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নেতানিয়াহু বর্তমানে ইসরাইলের আদালতে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারাধীন রয়েছেন এবং গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সাল থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে রেখেছে।  সাক্ষাৎকারে এহুদ বারাক যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সম্ভাব্য শান্তি চুক্তিরও তীব্র সমালোচনা করেন। এক শব্দে এটিকে ‘খারাপ’ এবং দুই শব্দে ‘খুব খারাপ’ বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর অহংকার ও দূরদর্শিতার অভাবের কারণেই আজ ইসরাইলকে এই মূল্য চকাতে হচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর কোনো লক্ষ্যই ইসরাইল অর্জন করতে পারেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন। এহুদ বারাকের এমন মন্তব্য সামনে আসার পরপরই নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক মিত্রদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টির আইনপ্রণেতা এবং নেসেটের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান বোয়াজ বিসমুথ প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সহিংসতাকে উসকে দেওয়ার অভিযোগে এহুদ বারাকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে বিসমুথ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বারাককে প্রথমে একজন মানসিক ডাক্তারের কাছে পাঠানো উচিত, আর তিনি যদি মানসিকভাবে সুস্থ প্রমাণিত হন, তবে তার বিরুদ্ধে অবিলম্বে ফৌজদারি তদন্ত শুরু করা দরকার।   সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি মানতে বাধ্য নয় ইসরায়েল: বেন-গভির

ছবি: সংগৃহীত

ভারতে বিক্ষোভে হামলার শিকার ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা

বাঁ থেকে- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ফাইল ছবি

আমেরিকা-ইরান সমঝোতায় মধ্যস্থতা, প্রশংসায় ভাসছে পাকিস্তান

ফাইল ছবি
হরমুজ প্রণালি ব্যবহারে ‘সেবা ফি’ নেবে ইরান

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাঘাই জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।   এক সংবাদ সম্মেলনে ইসমাঈল বাঘাই বলেন, “হরমুজ প্রণালী আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্বার্থ রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে আমরা কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।”   তিনি বলেন, “এই জলপথে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আলোচনা করতে আমাদের কিছু সময় প্রয়োজন হবে।”   হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ফি আরোপের বিষয়ে তিনি বলেন, “ফি নেওয়া হবে।”   ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, এটি শুধু কোনও ধরনের চার্জ নয়; বরং জাহাজ চলাচলের জন্য বিভিন্ন ধরনের পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়ার অংশ হিসেবে এই অর্থ নেওয়া হবে।   তিনি বলেন, “পরিবেশ সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হবে। ইরান ও ওমানের পক্ষ থেকে আরও অনেক ধরনের সেবা দেওয়া হবে, আর এসব সেবার জন্য অর্থ ব্যয় হবে। সেই অনুযায়ী ফি থাকবে এবং বিষয়টি পরিষ্কার।”   বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই নৌপথের কৌশলগত গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।   ইরান ও ওমানের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল, জ্বালানি পরিবহন ব্যয় এবং বৈশ্বিক তেল বাজারে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।  সূত্র: আল-জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ রাত থেকেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, ঘোষণা ইরানের

ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তির কারণে ক্ষুব্ধ ইসরায়েলি ডানপন্থিরা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির খবরে কমল তেলের দাম

ছবি: সংগৃহীত
আরব সাগরে আটকে পড়া ১৪ ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র

আরব সাগরে আটকে পড়া ১৪ জন ভারতীয় নাবিককে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।   সেন্টকম জানায়, উদ্ধার হওয়া সব নাবিক বর্তমানে সুস্থ আছেন এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে উদ্ধার অভিযান কীভাবে পরিচালিত হয়েছে, কোন জাহাজ থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়েছে বা তারা কী পরিস্থিতিতে আটকে পড়েছিলেন, এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।   এর আগে চলতি সপ্তাহে ওমান উপসাগরে এম/টি সেত্তেবেলো নামের একটি তেলবাহী জাহাজে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।   ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজের বিরুদ্ধে এমন প্রাণঘাতী পদক্ষেপ গ্রহণ করা গ্রহণযোগ্য নয়।   অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরানি তেল পরিবহন ঠেকাতে যে অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন বাহিনীর নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত, ১৯ জুন স্বাক্ষর

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প–পুতিন ফোনালাপ: আলোচনায় ইরান চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের শান্তি উদ্যোগকে ‘আত্মসমর্পণ দলিল’ বলছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা

0 Comments