জাতীয়

তফসিলের আগেই স্পষ্ট হচ্ছে একাধিক নির্বাচনি জোটের রূপরেখা

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২৫, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোট গঠনের তৎপরতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বাইরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টিসহ (এবি পার্টি) সাতটি দল নতুন একটি জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি দল যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তফসিলের আগেই নতুন নতুন জোটের আনুষ্ঠানিক আবির্ভাব ঘটতে পারে।

 

অন্যদিকে সরকার পরিবর্তনের পর শুরুতে ধারণা ছিল, বিএনপি জামায়াতকে কিছু আসন ছেড়ে দিতে পারে। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জামায়াত নতুনভাবে উত্থান ঘটিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনে থাকা মিত্র দল ছাড়াও বাম–ডান, মধ্যমপন্থী ও ইসলামপন্থি বিভিন্ন দলকে নিয়ে বৃহত্তর একটি জোট গঠনে তৎপর। জামায়াতও পৃথকভাবে ইসলামি সাতটি দলকে নিয়ে নির্বাচনি সমঝোতার পথে অগ্রসর হয়েছে। পাশাপাশি বাম ঘরানার দলগুলোর মধ্যে আরও একটি নতুন জোট গঠনের আলোচনা চলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে জোটই হবে মূল নির্ধারক শক্তি। ছোট দলগুলোর ভোটও প্রার্থীদের জয়–পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তাই কোন দল কার সঙ্গে যাবে, কারা কত আসন পাবে এসব হিসাবই এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের কেন্দ্রবিন্দু।

বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মতে, তাদের নেতৃত্বে একটি বড় জোট গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল ছাড়াও সরকারবিরোধী মনোভাবাপন্ন দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী ও গণতান্ত্রিক ধারা সব ধরনের দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দলকে এক ছাতার নিচে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

এদিকে এনসিপির সঙ্গে বিএনপির সম্ভাব্য সমঝোতা আলোচনার মধ্যেই এনসিপি ও এবি পার্টির নেতৃত্বে আরেকটি জোট গঠনের উদ্যোগ সামনে এসেছে। তবে এনসিপির একাংশ জানায়, তাদের অগ্রাধিকার থাকবে সংস্কারভিত্তিক অ্যালায়েন্স নির্বাচনে তারা পৃথকভাবেই অংশ নিতে চায়। তবুও বিএনপি এনসিপির কয়েকজন শীর্ষ নেতার সঙ্গে আসন আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

জামায়াত প্রথমদিকে এনসিপির সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সমন্বয় করলেও বর্তমানে তারা সাতটি ইসলামি দলকে নিয়ে আলাদা পথে এগোচ্ছে। নির্বাচনি সমঝোতার ভিত্তিতে ‘এক আসনে এক প্রার্থী’ নীতি অনুসরণ করে বিভিন্ন আসনে জরিপ চালানো হচ্ছে। এই সমঝোতায় আরও কিছু দল যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে এবি পার্টি, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, আপ বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দল নিয়ে নতুন একটি নির্বাচনি জোট ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে। সবকিছুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত হবে।

বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোর পাশাপাশি উদার গণতান্ত্রিক, বাম, ইসলামি ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বৃহৎ জোট করতে চায়। এজন্য বিভিন্ন সংগঠন ও ইসলামী প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

অন্যদিকে বাম গণতান্ত্রিক জোটও নিজেদের পরিধি বিস্তারের উদ্যোগ নিয়েছে। ছয়টি বাম দল ছাড়াও বিভিন্ন গণসংগঠন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠন এই জোটে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। পাশাপাশি অন্য বাম জোটগুলোর সঙ্গেও সমন্বয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

 

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএনপির নেতৃত্বে একটি বৃহত্তর জোট হবে, তবে জামায়াতের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ জোট নয়; বরং নির্দিষ্ট আসনে সমঝোতা হতে পারে। এর বাইরে এনসিপি ও কয়েকটি বাম দলের পৃথক দুটি জোট হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। যেহেতু প্রতিটি দলকে নিজস্ব প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে, তাই বড় দলগুলো আসন ছাড়–বিষয়ে আরও সময় নিতে পারে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

দেশের জনগণের কল্যাণে নিরলস পরিশ্রমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা ১৬ ঘণ্টা অফিসিয়াল কর্মকাণ্ড ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।   সকাল ৯টায় সচিবালয়ে দিনের কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। নিজ দপ্তরে এসে তিনি একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ফাইল পর্যালোচনা, উচ্চপর্যায়ের বৈঠক এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যস্ত ছিলেন। তার কর্মকাণ্ডে তীক্ষ্ণ মনোযোগ ও দৃঢ়তা লক্ষ করা গেছে।   বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের অধিবেশনে যোগ দেন। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও নীতিনির্ধারণী বিষয়ে রাত ৮টা পর্যন্ত সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।   সংসদ অধিবেশন শেষে রাত পৌনে ৯টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের বিশেষ বৈঠকে যোগ দেন। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, চলমান সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয় সেখানে। বৈঠক শেষ হয় রাত ১১টা ৩০ মিনিটের পর। এরপরও প্রধানমন্ত্রী নিজ দপ্তরে ফিরে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যান।   প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত টানা ১৬ ঘণ্টা অফিস করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দৈনিক ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা কাজ করা প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত রুটিন। তবে গতকাল তা প্রায় ১৬ ঘণ্টা ছুঁয়েছে।”   অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, “এই দীর্ঘ কর্মঘণ্টা দেশবাসীর জন্য একটি বার্তা। যখন অনেকে বিশ্রামে যান, তখনও নেতৃত্ব জেগে থাকে দেশের উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের জন্য।”

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মোটরসাইকেলে তেল আনতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণের

ছবি : সংগৃহীত

বিকল্প রুটে সৌদি থেকে চট্টগ্রামে আসছে আরও ১ লাখ টন তেল

ছবি : সংগৃহীত

সরকারি খরচ কমাতে কড়াকড়ি: নতুন গাড়ি কেনা ও বিদেশ প্রশিক্ষণ বন্ধ

ছবি : সংগৃহীত
এ মাসেই ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা, সতর্কবার্তা

চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এপ্রিলের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।   আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে তীব্র কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির পাশাপাশি কয়েক দফায় তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রিতে উঠতে পারে। সংস্থাটি বলছে, চলতি এপ্রিলে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে এই মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দু-টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এমাসে দেশে বিক্ষিপ্তভাবে ৫-৭ দিন হালকা অথবা মাঝারি ধরনের শিলাবৃষ্টিসহ অন্তত ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখীসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এপ্রিলে দেশে ২-৪টি মৃদু (৩৬-৩৭.৯° সেলসিয়াস) অথবা মাঝারি (৩৮-৩৯.৯° সেলসিয়াস) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে ১-২টি তীব্র (৪০-৪১.৯° সেলসিয়াস) তাপপ্রবাহও বয়ে যেতে পারে। আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, এ মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোয় স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে। সেই সঙ্গে চলতি মাসে দেশের দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ৩-৫ মি. মি. এবং গড় সূর্য কিরণকাল ৫.৫-৭.৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ০৩, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সংসদে আপাতত অনুমোদন পাচ্ছে না গণভোটসহ ২০ অধ্যাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

এপ্রিলে জ্বালানি তেলের ঘাটতির আশঙ্কা নেই

ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অবদানে বাংলাদেশকে বিশেষ সম্মাননা

ছবি : সংগৃহীত
হামে আরও ৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৬৮৫

বায়ুবাহিত রোগ হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নতুন ২৬ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।   গত ২৪ ঘণ্টার তথ্য নিয়ে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৮৫ জন। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭০৯ জনে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ২৬ জন। তাদের নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮৫ জনে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক ৪ জন হাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ২৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক নতুন হাম রোগী ভর্তি হয়েছে ২ হাজার ২৬৩ জন। আর এই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৯৩০ জন।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ০২, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. শাকিরুল ইসলাম

ছবি : সংগৃহীত

দেশে সরকারি পদে ৪ লাখের বেশি শূন্য, জানালেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কারের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

0 Comments