বিনোদন

‘সুইজারল্যান্ড প্রবাসী’ ফেসবুক পেজের স্যাটায়ার পোস্ট নিয়ে গবেষণাপত্র প্রকাশ!

মারিয়া রহমান মে ১৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক ও রসাত্মক কনটেন্টের মাধ্যমে সমসাময়িক নানা বিষয় ফুটিয়ে তুলে ব্যাপক জনপ্রিয় ‘সুইজারল্যান্ড প্রবাসী’ (Switzerland Probashi) পেজ। তবে এবার কেবল বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণার খোরাক জোগাল ফেসবুকের এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি। পেজটির ফলোয়ারদের মধ্য থেকে একজন গবেষক ‘সুইজারল্যান্ড প্রবাসী’র কনটেন্ট তৈরিতে ভাষার চাতুর্য ও ব্যঙ্গাত্মক কৌশল নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

গবেষণাপত্রটিতে প্রখ্যাত ভাষাবিদ এইচ. পি. গ্রাইসের (H. P. Grice) বিখ্যাত ‘ফোর ম্যাক্সিমস’ বা চার নীতি— কোয়ালিটি (Quality), কোয়ান্টিটি (Quantity), রিলেশন (Relation) এবং ম্যানার (Manner)—কীভাবে এই পেজের ব্যঙ্গাত্মক কৌশলে সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

ভাষাবিজ্ঞানের আলোয় ‘সুইজারল্যান্ড প্রবাসী’

সাধারণত মানুষের স্বাভাবিক কথোপকথন ও যোগাযোগের নিয়ম ব্যাখ্যা করতে ভাষাবিজ্ঞানে গ্রাইসের এই চার নীতি ব্যবহার করা হয়। তবে গবেষণায় দেখানো হয়েছে, কীভাবে ‘সুইজারল্যান্ড প্রবাসী’ পেজটি সচেতনভাবে এই নিয়মগুলো ভেঙে চমৎকার হিউমার বা রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করে।

কোয়ালিটি (সত্যনিষ্ঠা): তথ্যের সত্যতা বজায় রেখেও কীভাবে প্রচ্ছন্ন ব্যঙ্গ করা যায়।
কোয়ান্টিটি (তথ্যপরিমাণ): যতটুকু দরকার তার চেয়ে কম বা বেশি তথ্য দিয়ে অদ্ভুতুড়ে পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলা।
রিলেশন (প্রাসঙ্গিকতা): আপাতদৃষ্টিতে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে ভেতরের আসল সত্য বা রূপক অর্থ প্রকাশ করা।
ম্যানার (প্রকাশভঙ্গি): সোজাসাপ্টা না বলে দ্ব্যর্থবোধক ও চাতুর্যপূর্ণ ভাষায় বক্তব্য উপস্থাপন।

সামাজিক মাধ্যমে নতুন দিগন্ত

কোনো ফেসবুক পেজের কনটেন্ট নিয়ে হুবহু ভাষাবিজ্ঞান বা প্র্যাগমেটিক্সের (Pragmatics) এমন তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং তা আন্তর্জাতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক জার্নালে গবেষণাপত্র হিসেবে প্রকাশ পাওয়া বেশ বিরল। গবেষকের এই কাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট তৈরিতে লিন্ডুইস্টিক বা ভাষাগত কৌশলের গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।

এই অর্জন প্রসঙ্গে ‘সুইজারল্যান্ড প্রবাসী’ পেজ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ফলোয়ারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, নিজেদের তৈরি কনটেন্ট যখন কারোর গবেষণার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে, তা সত্যিই দারুণ অনুপ্রেরণার। ভবিষ্যতে আরও মানসম্মত ও বুদ্ধিদীপ্ত ব্যঙ্গাত্মক কনটেন্ট উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
এই মানুষগুলা জীবনে কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিল না: ফারুকী

অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা নির্মাতা ও সাবেক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ঘিরে স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। তিনি আর দেশে ফিরবেন না বলেও অনেকে দাবি করছেন। এবার স্যোশাল মিডিয়ায় এসব সমালোচনার জবাব দিলেন ফারুকী।   রোববার (৭ জুন) সকালে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন নির্মাতা।   পোস্টে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী জানান, তাদের নিয়ে যারা কথা বলছেন তারা কখনোই সিলেবাসে ছিল না।   ফারুকীর ভাষায়, ‘প্রত্যেকটা ভালো কাজের একটা কাফফারা দিতে হয় এটা জেনেই সরকারে ঢোকার ঝুঁকি নিই। কিন্তু সেটা যে এইরকম ভয়াবহ হবে এটা ভাবি নাই।’   তিনি লেখেন, ‘আমাদেরকে নিয়া এমনসব মানুষজন কথা বলতেছে, এদের উত্তর দিলেও আমাদের ইজ্জত থাকেনা। উইথ অল রেসপেক্ট টু দেম, এই মানুষগুলা জীবনে কোনোদিন আমাদের সিলেবাসে ছিলো না। এদের নিয়া কথা বলা তো দুরের কথা, এদের নামও আমাদের আড্ডায় কেউ কোনোদিন একবারও উচ্চারণ করে নাই। এরা এতোটাই অপ্রাসঙ্গিক ছিল। আর এখন সাংবাদিক ভাই-বোনরা ফোন করে জিজ্ঞেস করে, ভাই, অমুক আপনার সম্পর্কে এই কথা বলছে, আপনার প্রতিক্রিয়া কী?’   তিনি আরও লেখেন, ‘বুঝেন অবস্থা! এখন এদের কথার উত্তর দিতে হইবো আমার? এটাই কাফফারা। যাই হোক, এদের মিথ্যাচার এবং সম্মিলিত প্রোপাগান্ডা বলে দেয় আমি আমার কাজটা ঠিকমত করতে পারছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম। জুলাইতেও আমি মানুষের পক্ষেই ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।’

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ০৭, ২০২৬

বিরতি ভেঙে নতুন গান নিয়ে ফিরছেন মেহরাব

ছবি : সংগৃহীত

বুবলীর মা হওয়ার খবর নিয়ে কড়া সমালোচনা স্মিতার

ছবি : সংগৃহীত

রহস্যময় পোস্টে ফের আলোচনায় ঐশ্বরিয়া

ছবি : সংগৃহীত
‘আহত ফুলের গল্প’ নিয়ে মুগ্ধ রিয়া ও তন্ময়

প্রেমের গভীরতা নাকি বিচ্ছেদের তীব্রতা, কোনটি মানুষকে বেশি পুড়িয়ে ছারখার করে? এমন এক আবেগঘন ও মন ছুঁয়ে যাওয়া সমীকরণ নিয়ে এবার দর্শকের হৃদয়ে ঝড় তুলেছে নতুন নাটক ‘আহত ফুলের গল্প’। মুক্তির পর থেকেই ইউটিউবসহ বিভিন্ন বিনোদন প্ল্যাটফর্মে নাটকটি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা, যা রীতিমতো দর্শকের মাঝে এক অন্যরকম আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। নাটকটির মূল আকর্ষণ এর প্রধান দুই চরিত্র রিয়া বর্মন এবং তন্ময় বিশ্বাস। পর্দায় তাদের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন, অব্যক্ত ভালোবাসা আর বিচ্ছেদের বেদনা এত নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে যে, দর্শক নিজেদের আটকে রাখতে পারেননি। রিয়া বর্মনের আবেগী অভিব্যক্তি এবং তন্ময় বিশ্বাসের সাবলীল অভিনয় নাটকটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এই জুটির অন-স্ক্রিন রসায়ন যেন এক টুকরো বাস্তব জীবনের গল্প। একটি ভালো গল্পের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা থাকে পরিচালকের। ‘আহত ফুলের গল্প’ নাটকটি পরিচালনা করেছেন গুণী নির্মাতা রুবেল অনুশ। প্রতিটি দৃশ্য নির্মাণে তার চেনা ছক-ভাঙা মুন্সিয়ানা এবং ফ্রেমে ফ্রেমে আবেগের মেলবন্ধন নাটকটিকে সাধারণ প্রেমের গল্পের চেয়ে আলাদা করেছে। রুবেল অনুশের দুর্দান্ত নির্মাণশৈলীই নাটকটিকে দর্শকের কাছে এতটা গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। ইউটিউবে মুক্তির পর থেকেই নাটকটির ভিউজ এবং পজিটিভ কমেন্টের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। শুধু বিনোদন হিসেবেই নয়, গল্প ও নির্মাণের দিক থেকে ‘আহত ফুলের গল্প’ বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে প্রশংসিত হচ্ছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ০৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

গান-কবিতার মেলবন্ধনে ছায়ানটে 'নজরুল উৎসব'

ছবি : সংগৃহীত

নতুন পরিচয়ে শাকিব খান, কন্যাসন্তানের বাবা

ছবি: সংগৃহীত

‘রকস্টার’-এর সাফল্যের মাঝেই নতুন ঘোষণা, আসছে শাকিব খানের ‘সোলজার’

ছবি: সংগৃহীত
শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন বাপ্পারাজ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা বাপ্পারাজ। নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন অভিনেতা নিজেই।   বুধবার (৩ জুন) এ সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন তিনি। জানা যায়, ব্যক্তিগত কিছু কারণে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বাপ্পারাজ।এর আগে, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচনে অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তির সঙ্গে প্যানেল গঠন করবেন বলে জানিয়েছিলেন বাপ্পারাজ।   এ ব্যাপারে মুক্তি জানান, বাপ্পারাজ সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার বিষয়টি একটি ক্ষুদেবার্তায় তাকে জানিয়েছেন। তাই তিনি এখন নতুন সভাপতি প্রার্থী খুঁজছেন।   এদিকে নির্বাচন না করার বিষয়ে বাপ্পারাজ বলেন, ‘শিল্পী সমিতি আমার নিজের সংগঠন। সবসময় শিল্পীদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব। তবে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কিছু কারণে এবার নির্বাচনে অংশ নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সবার জন্য শুভকামনা রইল।’   উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল কার্যনির্বাহী পরিষদের (২০২৪-২৬) মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন অর্থাৎ ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।   এ নির্বাচনকে সামনে রেখে এফডিসিপাড়ায় নির্বাচনী উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুন ০৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ফোর্বসের ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০’ তালিকায় জায়গা পেলেন হানিয়া আমির

ছবি: সংগৃহীত

আরিয়ান খানের সঙ্গে যোগাযোগের কারণ জানালেন রিয়া চক্রবর্তী

ছবি : সংগৃহীত

পোশাক নিয়ে হেনস্তার অভিযোগে নায়লা নাঈমের ক্ষোভ

0 Comments