সারাদেশ

সিলেটের ওসমানীনগরে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১৭, ২০২৬

সিলেটের ওসমানীনগরে তিনটি বাসের ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে ওসমানীনগর উপজেলার দয়াময়ীর এলাকায় ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।


হাইওয়ে পুলিশ সিলেট রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, সকালে সিলেট থেকে ঢাকাগামী এনা পরিবহন ও ইউনিক পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে গাইবান্ধা থেকে সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শ্যামলী পরিবহনের হেলপার ও সুপারভাইজার নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন আহত হন।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। আহতদের মধ্যে একজন চালক গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনায়েম মিয়া কালবেলাকে জানান, দুর্ঘটনায় নিহত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


এ বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, তিনটি বাসের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসগুলো আমাদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সকালে কুপিয়ে ছিনতাই, বিকেলে অভিযানে যাওয়া পুলিশকে কুপিয়ে জখম

রাজধানীর আদাবরে বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় অপরাধীদের ধরতে অভিযানের সময় পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে; এসময় পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি।   ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এডিসি ফজলুর রহমান বলছেন, মঙ্গলবার বিকেলে আসামি ধরতে গিয়ে ঢাকা উদ্যানের কাছে তাদের একটি দল আক্রান্ত হয়। “আসামিরা পুলিশ দেখে ওসি ও একজন এসআইয়ের ওপর হামলা চালান। এতে তারা আহত হন। পুলিশ জানায়, ছিনতাইকারীদের চাপাতির আঘাতে আদাবর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম এবং এস আই তরুণ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে রুবেল, কাশেম, আমির ও জয় নামের চারজনকে। তাদের মধ্যে আমির ও রুবেল পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন। এর আগে বেলা ১১টার দিকে শেখেরটেক ৭ নম্বর সড়কের মাথায় এক ‘বিকাশ’ এজেন্টকে কুপিয়ে সাড়ে তিন লাখ টাকা লুট করে ছিনতাইকারীরা। মোবাইলে আর্থিক সেবার কোম্পানি ‘বিকাশ’ এর এজেন্ট শফিকুল ইসলাম (৩৯) বর্তমানে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) বা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শফিকুলের বরাতে তার বড় ভাই মুসলিম হোসেন বলেন, “দুইজন যুবক আমার ভাইয়ের দোকানে এসে দোকানের ক্যাশে হাত দিয়ে জোর করে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করলে ভাই প্রথমে বাধা দেয়। তখন তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে ক্যাশে থাকা সব টাকা নিয়ে যায়।” ক্যাশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা ছিল বলে শফিকুলের কাছ থেকে জেনেছেন তার ভাই মুসলিম। তিনি বলেন, দুর্বৃত্তরা চাপাতি দিয়ে শফিকুলের বাম হাত, মাথায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপ দেয়। বর্তমানে তার অপারেশন চলছে। ঘটনার পর আদাবর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাফিজুর রহমান বলেছিলেন, দুর্বৃত্তরা টাকাসহ মোবাইল ফোনও নিয়ে গেছে। আশেপাশের সিসি ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে। অপরাধীদের প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ১৬, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দৌলতপুরে সাপের ছোবলে ৮ জন আক্রান্ত, বাঁচানো গেল না শিশুকে

সংগৃহীত ছবি

নরসিংদীতে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে যুবক নিহত

অভিযুক্ত পুলিশ পরিদর্শন খোরশেদ আলম

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ: পুলিশ পরিদর্শকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি

ছবি: সংগৃহীত
বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা রুখে দিল বিজিবি ও স্থানীয়রা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা রাধানগর ইউনিয়নের রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে আবারও এক নারীকে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় ওই নারীকে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয় বিএসএফ। সোমবার (১৫ জুন) রাতে  নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২৫/৩-আর এর পাশ দিয়ে এ অপচেষ্টা চালায় বিএসএফ।   ভারতের ৮৮ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের আর কে ওয়াদা ক্যাম্পের সদস্যরা মাছ ধরা জেলেদের সহায়তায় নৌকা যোগে ওই নারীকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে।  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল আরিফুল ইসলাম মাসুম। তিনি জানান, বিজিবি ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে পুশইন প্রতিহত করা হয়। এ সময় ওই মহিলাকে পুশব্যাক করা হয়। তিনি সীমান্তের শূন্য লাইন বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল। সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এর আগে একই সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১৩ জুন ভোরে ১৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে। সে চেষ্টা ব্যর্থ করে দেয় বিজিবি সদস্যরা। পরে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিএসএফ।

মারিয়া রহমান জুন ১৬, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

মহাখালী-তেজগাঁও সড়কে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অবরোধ

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরছে শহরের বাইরে, কোথায় যাচ্ছে কোনটি?

নিম্নাঞ্চল প্লাবিত। ছবি : সংগৃহীত

তিন জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা

নিখোঁজ মফিজ ও আরিফ। ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ায় যুদ্ধ করতে গিয়ে সন্ধান মিলছে না ২ বাংলাদেশির

জীবিকার তাগিদে রাশিয়ায় গিয়ে ১৭ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার দুই যুবক। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তাকে কেন্দ্র করে ড্রোন হামলায় তাদের নিহত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।   নিখোঁজ দুই যুবক হলেন- উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের চরগুজামানিকা চাইলেনিপাড়া গ্রামের বানু মিয়ার ছেলে মাফুল ওরফে মফিজ (২৩) এবং সিধুলী ইউনিয়নের রায়েরছড়া গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে আরিফ হোসাইন (৩০)।   সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৭ মে কাজের উদ্দেশে রাশিয়ায় যান মাফুল ও আরিফ। মাফুলকে চাঁদপুরের এবং আরিফকে স্থানীয় দুই দালালের মাধ্যমে সেখানে পাঠানো হয়। তাদের রাজমিস্ত্রি ও ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর প্রতারণার মাধ্যমে তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয় বলে পরিবারের সদস্যদের কাছে অভিযোগ করেন তারা।   স্বজনদের দাবি, অর্থের বিনিময়ে দালাল চক্র তাদের রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। বিদেশে যাওয়ার পর মাফুল ও আরিফ ফোনে পরিবারকে জানিয়েছিলেন, প্রতিশ্রুত কাজ না দিয়ে তাদের যুদ্ধের এলাকায় নেওয়া হয়েছে।   পরিবারের সদস্যরা জানান, সর্বশেষ গত ২৯ মে তাদের সঙ্গে কথা হয়। এরপর থেকে দুইজনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং আর কোনো যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও বার্তার মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, ড্রোন হামলায় ওই দুই যুবক নিহত হয়েছেন বলে খবর রয়েছে।   মাফুলের মা মাহফুজা বেগম বলেন, আমার ছেলে কাজের জন্য বিদেশে গিয়েছিল। এখন শুনছি সে আর বেঁচে নেই। আমি আমার ছেলের মরদেহ দেশে ফেরত চাই। যারা তাকে বিদেশে নিয়ে গেছে, তাদের বিচার চাই।   মাফুলের বোন কণিকা বলেন, আমার ভাইকে রাজমিস্ত্রির কাজ দেওয়ার কথা বলে রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। পরে জানতে পারি, তাদের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফোনে কাঁদতে কাঁদতে সে আমাদের বাঁচানোর আকুতি জানিয়েছিল। এখন তার মৃত্যুর খবর শুনছি।   মাফুলের চাচা শাহ মনি সেলিম বলেন, যে এজেন্সির মাধ্যমে মফিজকে পাঠানো হয়েছিল, তারা রাজমিস্ত্রির কাজের আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু পরে জানতে পারি তাকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। বিদেশে যাওয়ার পর সে নিজেই বিষয়টি আমাদের জানিয়েছিল।   এদিকে আরিফের পরিবারও একই ধরনের অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, কাজের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে নেওয়ার পর আরিফেরও কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।   আরিফের বাবা তারা মিয়া বলেন, ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করানোর কথা বলে আরিফকে রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় দালাল আমিনুর ইসলাম সুজার মাধ্যমে ১৬ লাখ টাকা দিয়ে তাকে পাঠানো হয়েছিল। গত ২৯ মে থেকে তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।   আরিফের চাচাতো ভাই আনন্দ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পেরেছি, আরিফ রাশিয়ায় ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছে। গত ২৯ মে থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। আমরা তার সন্ধান চাই।   মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছি। দূতাবাসের (এম্বাসির) মাধ্যমে না গিয়ে স্থানীয় দালাল চক্রের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া মোটেও ঠিক হয়নি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত আবেদন করলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।

মোঃ ইমরান হোসেন জুন ১৫, ২০২৬
প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম। ছবি : সংগৃহীত

মানহানির অভিযোগে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করলেন প্রতিমন্ত্রী

নিহত শিশু রাকা। ছবি : সংগৃহীত

মেয়েকে মারধরের প্রতিশোধ নিতেই ৬ বছরের শিশুকে হত্যা

ছবি : সংগৃহীত

ভালুকায় তুলার গোডাউনে ভয়াবহ আগুন

0 Comments