জাতীয়

শেরপুরে ১৩শ বোতল মদসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

শেরপুর জেলায় অভিযান চালিয়ে ১৩শ বোতল বিদেশি মদসহ একটি ট্রাক ও তিন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব)।

গতকাল শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে শেরপুর সদর উপজেলার শেরপুর-জামালপুর মহাসড়কের মোকসেদপুর, নয়াপাড়া এলাকায় চেক পোস্ট স্থাপন করে এই অভিযান চালানো হয়। আজ দুপুরে র‌্যাব-১৪, জামালপুর ক্যাম্প থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে শেরপুর সদরের মোকসেদপুর নয়াপাড়া এলাকায় চেকপোস্ট বসালে বিদেশি মদ বহন করা ট্রাক সিগন্যাল দেয়। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারি মো. মিনাল মিয়া (৩২), মো. রিয়াদ হোসেন (২৮)ও মো. নুরুল আমিন (৩৪) পালানোর চেষ্টা করে।  

এসময় তাদের আটকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তারা ট্রাকে অবৈধ বিদেশি মদ থাকার কথা স্বীকার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ট্রাকের মধ্যে বিশেষ কৌশলে রাখা ১৩শ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মদের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা। আটককৃত সবাই ঝিনাইগাতী উপজেলার বাসিন্দা।

র‌্যাব-১৪ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর আসিফ আল-রাজেক জানান, গ্রেপ্তার হওয়া মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য তাদের শেরপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
তেলের সংকটে ভোগান্তি, সরবরাহ বাড়াল সরকার—তবুও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির একদিন পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোগান্তি ও দীর্ঘ লাইনের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় আজ থেকে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রলের সরবরাহ ১০–২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা সত্ত্বেও বাজারে তেমন স্বস্তি ফেরেনি বলে জানা গেছে।   রাজধানীর বিজয় সরণিসহ বিভিন্ন এলাকায় ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে আজও শত শত যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। তীব্র গরমের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক চালক পর্যাপ্ত জ্বালানি পাচ্ছেন না।   সরবরাহ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত: জ্বালানি বিভাগ গতরাতে এক নির্দেশনায় জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অধীন বিতরণকারী কোম্পানিগুলো ২০ এপ্রিল থেকে প্রতিদিন— ডিজেল: ১৩,০৪৮ টন অকটেন: ১,৪২২ টন পেট্রল: ১,৫১১ টন সরবরাহ করবে। এতে ডিজেল ও পেট্রলের সরবরাহ ১০ শতাংশ এবং অকটেন ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।   দাম বাড়ার পরও সংকট: এর আগে সরকার প্রতি লিটার অকটেনে ২০ টাকা, পেট্রলে ১৯ টাকা এবং ডিজেলে ১৫ টাকা করে দাম বৃদ্ধি করে। তবে দাম বাড়ার পরও সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন, সীমিত বরাদ্দ এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ার অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। অনেক জায়গায় চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।   সরকারের অবস্থান: জ্বালানি মন্ত্রী দাবি করেছেন, দেশে কোনো প্রকৃত জ্বালানি সংকট নেই, বরং প্যানিক বায়িং ও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। তবে মাঠ পর্যায়ের চিত্র ভিন্ন বলে অভিযোগ করছেন ভোক্তা ও পাম্প মালিকরা।   সমালোচনা ও উদ্বেগ: ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর মতে, সরকারের নীতিগত দুর্বলতা ও সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সরবরাহ ব্যবস্থায় দ্রুত সমন্বয় না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।   সারাদেশে প্রভাব: ঢাকার পাশাপাশি সাভার, বগুড়া, বরিশাল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বিভিন্ন জেলায়ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে। অনেক পাম্পে অকটেন ও পেট্রল প্রায় শেষ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

দাম বাড়লেও দেশের বিভিন্ন জেলায় জ্বালানি সংকট, ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ব্যাংক ঋণ প্রায় ১.৫ লাখ কোটি টাকা, বকেয়াও ছাড়াল অর্ধলাখ কোটি

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে মোবাইল নেটওয়ার্কে বড় ধরনের বিঘ্নের আশঙ্কা

ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১

টাঙ্গাইল-এর ঘাটাইল উপজেলা-এ যাত্রীবাহী বাস ও বালুভর্তি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের হামিদপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।   নিহতরা হলেন, গোপালপুর উপজেলার মনতলা গ্রামের লাল মামুদের ছেলে বাসের সুপারভাইজার আতিকুল ইসলাম (৪০) এবং একই উপজেলার পাকুয়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে বাসের হেলপার মজন মিয়া (৪৩)।   ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোকছেদুর রহমান জানান, গোপালপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই বাসের সুপারভাইজার ও হেলপার নিহত হন।   তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়ার সময় স্থানীয় বিদ্যুৎ নামে এক যুবক মাথায় আঘাত পেয়ে আহত হন।   খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম চালায়। দুর্ঘটনার কারণে সাময়িকভাবে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।   আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ১ কোটি ৫৩ লাখ ভিডিও সরালো টিকটক, এআই নজরদারি আরও শক্তিশালী

ছবি: সংগৃহীত

পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত

মাগুরা সদর হাসপাতালে শিশু বিভাগে বেড সংকট, মেঝেতে চলছে চিকিৎসা

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালীতে ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানকে নির্দেশনা

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   আন্তালিয়া-তে অনুষ্ঠিত আন্তালিয়া ফোরামের সাইডলাইনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ-এর মধ্যে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত আসে।   সোমবার (২০ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বাংলাদেশি জাহাজটির নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে ইরানের সহযোগিতা কামনা করেন এবং এ বিষয়ে মধ্যস্থতার অনুরোধ জানান।   তিনি আরও বলেন, ইরান যখন হরমুজ পারাপারের জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত ছয়টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করে, তখন বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল।   বৈঠকের পর ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি দ্রুত গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করেন এবং রোববার রাতে বাংলাদেশকে জানান যে, বর্তমান পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।   এ সময় উভয় পক্ষ উপসাগরীয় অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান পরিস্থিতিতে দেশের ভারসাম্যপূর্ণ ও কূটনৈতিক অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং সব পক্ষকে সংযম, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানান।   অন্যদিকে, ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে সুবিধাজনক সময়ে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম সরকারি সফরে বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি : সংগৃহীত

হামের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে বাড়বে যেসব ব্যয়

0 Comments