বিশ্ব

স্বর্ণের বিশাল মজুতের সন্ধান ইরানে

মোঃ ইমরান হোসেন ডিসেম্বর ০২, ২০২৫

ইরানের একটি পুরোনো স্বর্ণখনিতে বিশাল স্বর্ণের মজুতের সন্ধান মিলেছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) স্থানীয় সূত্র উদ্ধৃত করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানায়।

 

কুর্দিস্তান টুয়েন্টিফোর এবং ফার্স নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের অন্যতম স্বর্ণখনি শাদান–এ নতুন এই মজুত পাওয়া গেছে। বর্তমানে ইরানে মোট ১৫টি স্বর্ণখনি রয়েছে। এর মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জারশোরান খনি সবচেয়ে বড়। অর্থনীতির দিক থেকেও শাদানের গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য।

দক্ষিণ খোরাসান প্রদেশে অবস্থিত শাদান খনি বেসরকারি মালিকানাধীন। তবে সেখানে ঠিক কতটুকু স্বর্ণ পাওয়া যেতে পারে—এ তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে ইরানের অর্থনীতি। পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর অভিযোগ এবং ইসরাইল-ইরান উত্তেজনার ফলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে। এমন সময় নতুন স্বর্ণের সন্ধান দেশটির জন্য আশার বার্তা হয়ে এসেছে।

এদিকে গত মাসে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হরিপুর জেলার তারবেলা এলাকাতেও বিশাল স্বর্ণের ভান্ডার আবিষ্কারের দাবি উঠে। পাকিস্তান ফেডারেশন অব চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফপিসিসিআই) সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি ও এয়ার করাচির চেয়ারম্যান হানিফ গওহর এ দাবি করেন।

পাকিস্তানি দৈনিক দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানায়, গত ৩ নভেম্বর করাচি প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান—আবিষ্কৃত স্বর্ণভান্ডারের মূল্য প্রায় ৬৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দিয়ে পাকিস্তানের সব বিদেশি ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব।

 

হানিফ গওহর আরও জানান, খনন প্রস্তুতির জন্য অস্ট্রেলিয়া ও কানাডার দুটি ড্রিলিং কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পেলেই তারবেলায় স্বর্ণ উত্তোলনের কাজ শুরু হবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি। ছবি : সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধকে ‘বিপর্যয়’ বললেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ একটি ‘বিপর্যয়’ এবং এটি ঘোষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এই যুদ্ধের জন্য জাতিসংঘের কোনো অনুমোদনও নেই।   ফরাসি দৈনিক ‘লে মন্ড’-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে আল বুসাইদি লেখেন, ‘এই যুদ্ধ একটি বিপর্যয়।’ মঙ্গলবার নিবন্ধের সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে আলজাজিরা।   তিনি আরও বলেন, “যদিও এই যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলে ‘কনটেইনমেন্ট’ নীতির দীর্ঘদিনের ধারণার অবসান ঘটাতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে একটি আরও ন্যায়সংগত, বাস্তবসম্মত ও কার্যকর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার পথ তৈরি হতে পারে। এতে প্রায় অর্ধশতাব্দীর কৌশলগত ভুল সংশোধনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।”   ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুতর হুমকি তেহরান থেকে নয়; বরং তেল আবিব থেকে আসছে।   ওমান দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে আল বুসাইদির এই মন্তব্যের বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ইরানি বিমান ঠেকাতে রানওয়ে ধ্বংস করল ইয়েমেন

সংগৃহীত ছবি

পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তে, আটক সাবেক মার্কিন নৌসেনা

ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের সময় মার্কিন সেনাদের ওপর যেভাবে নজর রেখেছে ইরান

আহমেদ আল শারা ও এরদোয়ান।
সিরিয়া সফরে তুর্কি নৌপ্রধান, লাতাকিয়া বন্দরে নোঙর করল যুদ্ধজাহাজ

তুর্কি নৌবাহিনীর অধীনস্থ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ সিরিয়ার লাতাকিয়া বন্দরে সৌজন্য সফর করেছে। সোমবারের এ সফরের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন সিরিয়ায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত নুহ ইয়িলমাজ। তিনি বলেছেন, তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে নৌ খাতে সহযোগিতা ও সংহতি আরও বিস্তৃত হচ্ছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।   মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, সিরিয়ার নৌবাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আল সাউদের আমন্ত্রণে তুরস্কের নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগলুর নেতৃত্বে একটি সামরিক প্রতিনিধি দল লাতাকিয়া বন্দরে সফর করেছে। সেখানে তুরস্কের নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজও নোঙর করা ছিল।   নুহ ইয়িলমাজ বলেন, তুরস্ক ও সিরিয়ার মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতি এখন নৌ খাতেও উন্নয়নের পথে রয়েছে। তিনি এ অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।   সফরের সময় অ্যাডমিরাল এরজুমেন্ট তাতলিওগলুর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল সিরিয়ার নৌবাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আল-সাউদের সঙ্গে বৈঠকও করেন।   রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আমাদের সামরিক প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা গর্বিত। লাতাকিয়ায় উপস্থিত টিসিজি ইস্তানবুল আমাদের গর্বিত করেছে।   এর আগে তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তুর্কি নৌবাহিনীর অধীনস্থ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ সোমবার সিরিয়ার লাতাকিয়া বন্দরে সৌজন্য সফর করেছে।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

জোড়া ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনেজুয়েলা, প্রাণহানি বেড়ে সাড়ে চার হাজার

ইউলিয়া স্ভিরিডেনকো। ছবি: সংগৃহীত

এক বছর পর ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, ক্যাবিনেটে বড় রদবদল

হরমুজ প্রণালিতে পাহারা দিচ্ছে আইআরজিসির নৌ-বাহিনী। ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন হামলার জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণ, উত্তপ্ত হরমুজ প্রণালি

ছবি : সংগৃহীত
শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে ভারতের জবাব: ‘প্রত্যর্পণ একটি আইনি বিষয়’

সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন বলে বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। তার এই ‘ফেরা’ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রশ্ন করেছিলেন এক সাংবাদিক।   জবাবে রণধীর বলেছেন, “এই বিষয়ে আমাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। যে কোনো প্রত্যার্পণ একটি আইনি বিষয়। আর এ ক্ষেত্রেও (শেখ হাসিনাকে প্রত্যার্পণ) আইনিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”     গণঅভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর থেকে ভারতেই আছেন তিনি। তার বর্তমান অবস্থান দেশটির রাজধানী নয়াদিল্লি।   কয়েকদিন আগে রয়টার্সকে তিনি বলেন, পলাতক অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দেশে এসে তিনি আত্মসমর্পণ করবেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধে ইতিমধ্যে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।   ২৪-এ যে মন্তব্য পতন ডেকে আনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার চীন সফর সংক্ষিপ্ত করে ২০২৪ সালের ১১ জুলাই রাতে দেশে ফেরেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তখন দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল। ৩ দিন পর ১৪ জুলাই প্রকাশ পায় সরকারি চাকরিতে কোটা বহালের পক্ষে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়। সেদিন বিকেলে গণভবনে আয়োজন করা হয়েছিল শেখ হাসিনার চীন সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন।     সেখানে এটিএন নিউজের সাংবাদিক প্রভাষ আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পরোক্ষভাবে ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলেন। তার এই মন্তব্যে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে বারুদ জ্বলে ওঠে। কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া অহিংস আন্দোলন রূপ নেয় এক সর্বাত্মক গণ-আন্দোলনে, যার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে। সেদিন শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান হয় এবং স্বৈরাচার শেখ হাসিনা পালিয়ে যান পাশের দেশ ভারতে।

মারিয়া রহমান জুলাই ১৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে হামলা ও অবরোধ দুটোই প্রয়োগ করছেন ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে অনেকটাই প্রস্তরযুগে নিয়ে যাওয়া হয়েছে: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে হুতিদের ওপর হামলা চালালেন সৌদি যুবরাজ

0 Comments