বিশ্ব

সংঘাতে ইরানই জয়ী হয়েছে, দাবি সাবেক ইসরায়েলি কর্মকর্তার

মারিয়া রহমান মে ২৪, ২০২৬
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গিওরা আইল্যান্ড। ছবি : সংগৃহীত
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গিওরা আইল্যান্ড। ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গিওরা আইল্যান্ড দাবি করেছেন, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানই জয়ী হয়েছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান কিছু পয়েন্টের ব্যবধানে হলেও পরিষ্কারভাবে যুদ্ধ জিতেছে।

তার মতে, যুদ্ধের ফলাফল এখন স্পষ্ট এবং ইরান এ ফল নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট হতে পারে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতিতে রয়েছে, আর এতে ইসরায়েল আরও বড় সমস্যায় পড়েছে।

গিওরা আইল্যান্ড বলেন, হামলার পরও ইরানের শাসনব্যবস্থা অটুট রয়েছে এবং দেশটি শক্ত অবস্থান দেখাতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এখন চায় হরমুজ প্রণালিতে আগের পরিস্থিতি ফিরে আসুক এবং ইরানের ওপর নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হোক।

তার দাবি, আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র এবং আঞ্চলিক মিত্রদের নিয়েও আলোচনা চাইত। কিন্তু এখন তারা শুধু সংঘাত বন্ধ করার দিকেই মনোযোগ দিচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। পরে পাল্টা জবাব দেয় ইরান। এরপর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

লেবানন সীমান্তবর্তী উত্তর ইসরায়েলের রামিম রিজ এলাকায় বিস্ফোরণস্থল। ছবি: সংগৃহীত
উত্তর ইসরায়েলে বিস্ফোরণে অন্তত ২০ জন আহত, প্রধানমন্ত্রীর সফর বাতিল

লেবানন সীমান্তসংলগ্ন উত্তর ইসরায়েলে বিস্ফোরণে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আগে থেকে পড়ে থাকা অবিস্ফোরিত গোলাবারুদ থেকেই এ বিস্ফোরণের সূত্রপাত। ঘটনার পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে নির্ধারিত সফর বাতিল করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।     সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে মানারা ও ইফতাহ বসতির মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নে’ওত মর্দেখাই সম্প্রদায়ের বসতির কাছাকাছি বিস্ফোরণটি ঘটে।       খবর পেয়ে ইসরায়েলের জাতীয় জরুরি চিকিৎসাসেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম (এমডিএ) ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স পাঠায়। সংস্থাটির চিকিৎসাকর্মীরা জানান, আহতদের মধ্যে অন্তত আটজনের অবস্থা গুরুতর। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তুলনামূলক কম আঘাত পাওয়া আরও বেশ কয়েকজনকে ঘটনাস্থলেই প্রাথমিক সেবা দেওয়া হয়েছে।       বিস্ফোরণের পর কিরিয়াত শমোনা জেলার পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করে দেন। বিস্ফোরণের উৎস শনাক্ত করতে কাজ করছেন বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের বিশেষজ্ঞরা।     অধিকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে আল-জাজিরার সাংবাদিক নূর ওদেহ জানিয়েছেন, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।     তার ভাষ্য, ‘তবে ঘটনাটি আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল বিশেষ করে লেবানন সীমান্তে এখনো সামরিক অভিযান চলমান। সেখানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। গত তিন বছরে ওই এলাকায় হাজার হাজার গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়েছে।’       বিস্ফোরণের পর রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট মহলেও তৎপরতা দেখা যায়। নেতানিয়াহুর পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভিরও তার নির্ধারিত রাজনৈতিক কর্মসূচি বাতিল করেছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।       ২০২৩ সালে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালাতে শুরু করে। সংঘাতের কারণে ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার বাসিন্দা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন।       এরপর মার্চে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। একপর্যায়ে দক্ষিণ লেবাননের কিছু এলাকা দখলে নেয় ইসরায়েলি বাহিনী। উত্তর ইসরায়েলের ওই অঞ্চল থেকেই লেবাননে হামলা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহও সীমান্তের ওপার থেকে মাঝেমধ্যে রকেট নিক্ষেপ করছে।       ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে সেনাসদস্য ও হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। নূর ওদেহের মতে, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে উত্তর ইসরায়েলের অনেক বাসিন্দা এখনো নিজেদের এলাকায় ফিরে যাননি। তাদের একাংশের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সরকারের সক্ষমতা নিয়ে আস্থার সংকট রয়েছে।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ১৩, ২০২৬

কাশ্মীরে নির্বাচনে সহিংসতায় ৯০ জন নিহত: মানবাধিকার সংগঠনের রিপোর্ট

কাশ্মীরে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে লস্করের শীর্ষ কমান্ডারসহ চারজন নিহত

দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকার মূল্যায়ন নেই : শামা ওবায়েদ

এবার এয়ারলাইনসগুলোকে সৌদি আকাশসীমা এড়িয়ে চলার হুঁশিয়ারি হুতিদের

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ছাড়া অন্যান্য বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দিয়েছিল। এবার সেই হুমকি পরিণত হয়েছে হুঁশিয়ারিতে।   হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি এবার জাহাজীকরণ প্রতিষ্ঠান, এয়ারলাইনস এবং এসব প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা; এমনকি, সৌদি আরবে কাজ করতে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের পাশাপাশি পর্যটকদের উদ্দেশে সরাসরি বার্তা দিয়েছেন।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় ইয়াহিয়া সারি বলেন, সৌদি আকাশসীমা ও বিমানবন্দর ব্যবহার করলে আপনারা ‘আমাদের বাহিনীর সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবেন।’   আজ সোমবার লন্ডনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা গেছে।   সারি জানান, হুতি যোদ্ধারা গত শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে বেশ কয়েকটি সামরিক অভিযান চালিয়েছে। এতে ‘ওই বিমানবন্দরের ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে এবং এটি এখন পুরোপুরি বন্ধ আছে।’   গতকাল রোববার টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে ইয়াহিয়া সারি গত শনিবারের হামলার দায় স্বীকার করেছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অক্টোবর ১২, ২০২৬

রাশিয়া-ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা বন্ধে ট্রাম্পের আহ্বানে বার্নহামের সমর্থন

জাপানে ঘাঁটি স্থাপন করবে ফরাসি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা থ্যালেস

ফুসফুসের টিউমার অপসারণে অস্ত্রোপচার করাবেন পোপ চতুর্দশ লিও

ছবি: সংগৃহীত
সৌদি আরব ভ্রমণে নাগরিকদের ‘চরম সতর্কতা’ যুক্তরাষ্ট্রের

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে নতুন করে হামলার খবরের পর দেশটিতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। সম্ভাব্য হামলা, ফ্লাইট বাতিল এবং আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।   সোমবার (১২ অক্টোবর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের আনুষ্ঠানিক এক্স অ্যাকাউন্টে এ সতর্কতার কথা জানায়। দপ্তরটি জানিয়েছে, সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অতিরিক্ত হামলার বিষয়ে তারা অবগত রয়েছে।   বিমানবন্দর ব্যবহারে বিশেষ নির্দেশনা মার্কিন সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়াও জেদ্দা ও দাম্মামের বিমানবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে দেশটির প্রধান বিমানবন্দরগুলো ব্যবহার করার সময় মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে যাত্রাপথে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।   ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের শঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর নাগরিকদের সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা এবং ভ্রমণসূচিতে বিঘ্ন ঘটার বিষয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে। ফলে সৌদি আরব যাতায়াতের পরিকল্পনা করা যাত্রীদের যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থার কাছ থেকে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বিমান চলাচলে পরিবর্তন এলে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনাও প্রভাবিত হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন অক্টোবর ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পুনরায় যুদ্ধ শুরু হলে মার্কিন ডেটা সেন্টার ও এআই স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের

সংগৃহীত ছবি

তুরস্কে বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭

সংগৃহীত ছবি

২০৪৭ সালে উন্নত দেশ হতে ভারতের লক্ষ্য মাথাপিছু ১০ হাজার ডলার

0 Comments