সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না রেয়াল মাদ্রিদের, সেটা মাঠের ভেতরে হোক কিংবা বাইরে। বিশেষ করে ড্রেসিং রুমে অহেলিয়া চুয়ামেনি ও ফেদে ভালভের্দের ‘মারামারিতে’ জড়িয়ে পরার ঘটনা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা এখন তুঙ্গে। তবে এসব নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী নন বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক। শুধু নিজেদের খেলায় মনোযোগ দেওয়ার কথা বললেন তিনি।
মৌসুমের শেষ ক্লাসিকোয় রোববার ঘরের মাঠে রেয়ালের মুখোমুখি হবে বার্সেলোনা। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে হার এড়াতে পারলেই লা লিগা শিরোপা ধরে রাখা নিশ্চিত হয়ে যাবে কাতালান দলটির।
কিন্তু সপ্তাহজুড়ে রেয়াল মাদ্রিদে যা ঘটেছে, তাতে অনেকটা আড়ালে পড়ে গেছে ক্লাসিকোর উত্তাপ। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এসব নিয়ে প্রশ্নে গভীরে যেতে চাইলেন না ফ্লিক।
আমি রেয়াল মাদ্রিদকে নিয়ে কথা বলতে চাই না, কারণ এটা আমার কাজ নয়। এসব সারা বিশ্বেই ঘটে। আমি হয়তো কিছুটা অবাক হয়েছিলাম, কিন্তু আমাকে আমার ক্লাব ও আমার দল নিয়ে ভাবতে হবে। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না।
আমাদের যা করতে হবে, তা হলো খেলা এবং নিজেদের খেলায় মনোযোগ দেওয়া। আমরা দারুণ একটি মৌসুম কাটাচ্ছি এবং আগামীকালও তা দেখতে চাই। আমি জানি উত্তেজনা তুঙ্গে। আমরা দল হিসেবে, ইউনিট হিসেবে খেলতে চাই। আমি অন্য কোনো কিছু নিয়ে ভাবছি না।
তার নিজের দলের ড্রেসিং রুমের পরিবেশ খুব ভালো আছে বলেই জানালেন বার্সেলোনা কোচ।
আমি আগেও যেমন বলেছি, আমাদের মধ্যে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। লা মাজিয়া (বার্সেলোনার একাডেমি) এটিকে স্পেশাল করে তুলেছে, কারণ এখানে এমন খেলোয়াড়রা আছে, যারা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে আছে। খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক উন্নতি দেখতে পারা আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমি বলতে চাই না যে লকার রুমে কোনো সমস্যা হবে না, কারণ এমনটা হয়েই থাকে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমাদের মধ্যে চমৎকার যোগাযোগ রয়েছে এবং এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
সান মারিনো সফরের আগে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমের সামনে নিজের পরিকল্পনা ও ফুটবল দর্শন তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন প্রধান কোচ থমাস ডুলি। তিনি জানিয়েছেন, তার লক্ষ্য শুধু রক্ষণাত্মক ফুটবল নয়, বরং বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে আধুনিক ও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়া। শনিবার অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে ডুলি বলেন, তিনি চান তার দল বলের পেছনে ছুটে না বেড়িয়ে নিজেরাই খেলার নিয়ন্ত্রণ করুক। ডুলির ভাষায়, “আমি খেলোয়াড়দের পরিষ্কার করে বলেছি, আমি ফুটবল খেলতে চাই। শুধু বলের পেছনে দৌড়ানো নয়, বল নিজেদের দখলে রেখে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চাই। ‘৪-২-৩-১’ ছকে পজিশনভিত্তিক ফুটবল খেলানোই আমার পছন্দ।” নতুন কোচ মনে করেন, আধুনিক ফুটবলে সফল হতে হলে পাস দেওয়া, বল গ্রহণ করা এবং মাঠে সঠিক অবস্থান নেওয়ার মতো মৌলিক বিষয়গুলোতে দক্ষতা অর্জন জরুরি। এজন্য প্রতিটি খেলোয়াড়কে শতভাগ মনোযোগী থেকে নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। দলের প্রেসিং কৌশল নিয়ে ডুলি বলেন, “আধুনিক ফুটবলে প্রেসিং একটি দলগত বিষয়। একজন খেলোয়াড়ও যদি দায়িত্ব পালন না করে, তাহলে পুরো পরিকল্পনাই ভেস্তে যেতে পারে। তাই সবাইকে একই ছন্দে খেলতে হবে।” খেলোয়াড়দের ভুল বিশ্লেষণ ও উন্নতির জন্য ভিডিও প্রযুক্তির ব্যবহারও করছেন তিনি। অনুশীলনের ভিডিও দেখিয়ে খেলোয়াড়দের ভুলত্রুটি তুলে ধরা হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি না হয় এবং তারা আরও আত্মবিশ্বাসী সিদ্ধান্ত নিতে পারে। বাংলাদেশে আসার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ডুলি বলেন, তার দীর্ঘ খেলোয়াড়ি ও কোচিং অভিজ্ঞতা দিয়ে তিনি নতুন একটি দলকে এগিয়ে নিতে চান। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে সম্ভাবনা রয়েছে এবং সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে তারা আরও উন্নতি করতে সক্ষম। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া নতুন কোচ সম্পর্কে ইতিবাচক মন্তব্য করে বলেন, ডুলি নিয়মিত খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠক করছেন, ব্যক্তিগতভাবে কথা বলছেন এবং নতুন নতুন ধারণা তুলে ধরছেন। এতে দলের খেলোয়াড়রা উপকৃত হচ্ছেন। জামাল আরও জানান, নতুন কোচ বিশেষভাবে গোল হজম কমানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। একজন সাবেক ডিফেন্ডার হিসেবে রক্ষণভাগ নিয়ে ডুলির জ্ঞান ও বিশ্লেষণ দলকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বলে তিনি মনে করেন। আগামীকাল রাতে সান মারিনো সফরের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। নতুন কোচের অধীনে দলের পারফরম্যান্স কেমন হয়, সেদিকে এখন নজর ফুটবলপ্রেমীদের।
আক্রমণভাগের সামর্থ্য মালদ্বীপ ম্যাচেই দেখিয়ে দিয়েছে ভারত। দাঙ্গমেই গ্রেসি, সৌমিয়া গুগুলোথ, কাভ্যিয়া পাক্কিরিসামি উইং ধরে আক্রমণের ঝড় তুলে দ্বীপ দেশটিকে স্রেফ খড়কুঁটোর মতো উড়িয়ে দেন ১১ গোল করে। বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে এবার সামাল দিতে হবে এই ঝড়। শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র- দুই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার প্রত্যয়ী কণ্ঠে বললেন, গ্রেসি-পিয়ারি সাসাদের আটকে রাখার মতো মজবুত রক্ষণ আছে তাদের। সেই পরীক্ষায় রোববার গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে নামবে বাংলাদেশ। ‘বি’ গ্রুপের সেরা হয়ে সেমি-ফাইনালে উঠতে হলে স্বাগতিকদের বিপক্ষে জয়ের বিকল্প নেই ঋতুপর্ণা-আনিকাদের সামনে। নেহেরু স্টেডিয়ামের অদূরে ডন বস্কো গ্রাউন্ডে শনিবার সকালে প্রস্তুতি সেরেছে বাংলাদেশ। মাঠ ছেড়ে যাওয়ার আগে কোচ পিটার জেমস বাটলার জানিয়ে গেলেন, সেরা একাদশ তিনি চূড়ান্ত করবেন ম্যাচের দিন সকালে। নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে প্রস্তুতির সময় অবশ্য বাংলাদেশ কোচ ইঙ্গিত দিয়েছেন সেরা একাদশের রক্ষণে থাকছেন কারা। অভিজ্ঞ শামসুন্নাহার সিনিয়র ও কোহাতি কিসকুর সাথে সঙ্গী হতে পারেন সুরমা জান্নাত ও সুরভি আক্তার আরফিন। সেক্ষেত্রে মালদ্বীপ ম্যাচে খেলা আফঈদা খন্দকারের জায়গা হতে পারে বেঞ্চে। বুকের ব্যথা সেরে যাওয়ায় এদিন সতীর্থদের সাথে ঘাম ঝরালেও শিউলিকে নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। তবে, সুযোগ পেলে রক্ষণের জোয়াল চওড়া কাঁধে টেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন শিউলি। ভারত ম্যাচ নিয়ে চাপ অনুভব করছেন না, বললেন দলের সবচেয়ে বয়সী এই খেলোয়াড়। “মালদ্বীপ ম্যাচে আমাদের রক্ষণের ভুলগুলো নিয়ে কোচ কাজ করছেন। আশা করি, আমাদের যে জায়গাগুলোয় ভুল হয়েছে, সেগুলো শুধরে নিতে পারব। পরের ম্যাচে আশা করি, ভুলগুলো হবে না আমাদের।” না, না (চাপ নেই আমাদের ওপর), সেটা তো বললামই যে, আমাদের যে দুর্বলতা আছে, আমরা জানি এবং আমরা ওইদিকে কাল একটু বেশি সতর্ক থাকব। আমাদের দলে যেমন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে, নতুনও আছে। তো যারা নতুন, তাদের জন্য একটু চাপ কাজ করবে। তবে যারা অভিজ্ঞ, তাদের জন্য এতটা চাপ কাজ করবে না।” মালদ্বীপের বিপক্ষে চার গোল করেছিলেন ভারতের আভিকা সিং। জোড়া গোল প্রিয়াঙ্কা দেবি ও সঙ্গীতা বাসফোরের। এছাড়াও জালের দেখা পান আরও তিন জন- সাসা, দাঙ্গমেই ও কারিশমা শিরভোইকার। দুই সাফ জয়ী আরেক ডিফেন্ডার শামসুন্নাহারের মনে হচ্ছে, দুই উইংয়ের আক্রমণ রুখে দিতে পারলে ভারতকেও আটকে দেওয়া সম্ভব। “আমরা দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের সাথে খেলে আসছি। ওদের খেলার ধরন আমরা অবশ্যই একটু হলেও জানি। এত বছর ধরে ওদের বিপক্ষে খেলছি, ওরা বেশিরভাগ সময় উইং দিয়ে খেলে। আমরা চাইব যে, উইংগুলা ব্লক করতে। উইং থেকে যদি বল না আসতে পারে, তাহলে তো তাদের স্ট্রাইকার ফিনিশ করতে পারবে না। আমরা চেষ্টা করব, ওদের উইং ব্লক করে দেওয়ার।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে মাঠে নামতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য ৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে ‘জে’ গ্রুপে জায়গা পেয়েছে লিওনেল মেসির দল। অবশেষে নির্ধারিত হয়েছে আলবিসেলেস্তেদের গ্রুপপর্বের ম্যাচ সূচিও। আগামী ১১ জুন শুরু হবে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর। উদ্বোধনী ম্যাচে সহ-আয়োজক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে আর্জেন্টিনাকে মাঠে নামতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কয়েকদিন। গ্রুপপর্বে আর্জেন্টিনার তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ১৭ জুন কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়ার মুখোমুখি হবে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় পরদিন সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপপর্বের বাকি দুই ম্যাচ ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে খেলবে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ২২ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া। আর ২৮ জুন বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ ক্যাম্প করার পরিকল্পনা করেছে আর্জেন্টিনা। মূল স্কোয়াডের বাইরে অতিরিক্ত সাতজন খেলোয়াড়কে নিয়ে এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ৬ জুন হন্ডুরাস এবং ৯ জুন আইসল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে দলটি। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী দলের ১৭ জন সদস্যকে রেখেই শিরোপা ধরে রাখার পরিকল্পনা সাজিয়েছেন তিনি। অধিনায়ক লিওনেল মেসির জন্য এটি হতে যাচ্ছে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। গ্রুপপর্ব পেরিয়ে আর্জেন্টিনা নকআউট পর্বে উঠতে পারলে ১ থেকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচ খেলবে। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আলবিসেলেস্তেরা শেষ পর্যন্ত কতদূর যেতে পারে, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।