জাতীয়

রাজধানীতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন : জামায়াত কর্মীসহ ৫ জনের কারাদণ্ড

আক্তারুজ্জামান ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাঘাত ঘটানোর দায়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।

 

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার পৃথক তিনটি স্থানে এই অভিযান ও বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

 

পুলিশ জানায়, বুধবার রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকায় ভোটারদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণের প্রস্তুতিকালে হাবিবুর রহমান নামে এক জামায়াত কর্মীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় লালবাগ বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান ঘটনাস্থলেই আদালত পরিচালনা করে তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেন।

 

সাজাপ্রাপ্ত হাবিবুরের কাছ থেকে ১২টি খাম জব্দ করা হয়েছে, যার প্রতিটিতে ৫০০ টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা ছিল। জব্দ করা টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

এদিকে ওয়ারী বিভাগে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাদের অপরাধ আমলে নিয়ে একজনকে এক মাস ও অন্যজনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

 

অন্যদিকে, মতিঝিল বিভাগের মুগদা এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে আপত্তিকর ও নেতিবাচক মন্তব্য করায় দুই ব্যক্তিকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি অর্ডিন্যান্সের ৭৫ ধারায় স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিদুর রহমান এ রায় দেন।

 

ডিএমপি সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ সুশৃঙ্খল রাখতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ ধরনের তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি : সংগৃহীত
ঈদের ছুটি শেষে ঢাকাতে ফিরছেন নগরবাসী

পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ছুটি শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ ও নগরবাসী। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ তুলনামূলক কম থাকায় সড়ক, রেল ও নৌপথে যাত্রীরা স্বস্তিতেই রাজধানীতে ফিরছেন।   রোববার (৩১ মে) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথ, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের আনাগোনা দেখা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা যাত্রীদের দুর্ভোগের চিত্র চোখে পড়েনি। পরিবহন ব্যবস্থাও ছিল স্বাভাবিক। দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় ফিরেছেন অনেক যাত্রী। সদরঘাটে আসা যাত্রীরা জানান, নদীপথে যাত্রা ছিল নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক। লঞ্চে যাত্রী থাকলেও অতিরিক্ত ভিড় ছিল না এবং বেশিরভাগ নৌযান নির্ধারিত সময়েই গন্তব্যে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বাসগুলোতেও যাত্রীর চাপ ছিল স্বাভাবিক। বাস কাউন্টারগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়নি। যাত্রীরা সহজেই বাস থেকে নেমে নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে পেরেছেন। যাত্রীচাপ কম থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া যায়নি। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির কারণে সবাই একদিনে রাজধানীতে ফিরছেন না। অনেকেই ধাপে ধাপে ফিরছেন, ফলে কয়েক দিনে যাত্রীচাপ ছড়িয়ে পড়েছে। শেরপুর থেকে আসা একটি বাসের হেলপার রবিউল ইসলাম বলেন, ফিরতি চাপ এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি। যাত্রী আছে, তবে আগের বছরের মতো হুড়োহুড়ি বা ভিড় নেই। এদিকে ঈদের সময় বিভিন্ন কারণে বাড়ি যেতে না পারা অনেকে এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন। ফলে রাজধানীর পরিবহন কেন্দ্রগুলোতে দেখা যাচ্ছে দুইমুখী যাত্রার চিত্র। একদিকে ঢাকামুখী যাত্রী, অন্যদিকে গ্রামমুখী যাত্রী- দুই পক্ষের চলাচলে কিছুটা ব্যস্ততা থাকলেও কোথাও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়নি। কমলাপুর রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও লঞ্চঘাটে দুই দিকের যাত্রীর উপস্থিতি থাকলেও পরিবহন ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, যাত্রীদের চাপ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় পরিবহন পরিচালনা সহজ হয়েছে এবং ভোগান্তিও কমেছে। যাত্রীরা বলছেন, ফাঁকা সড়ক, স্বাভাবিক যান চলাচল এবং পর্যাপ্ত পরিবহন সুবিধার কারণে এবারের ঢাকা ফেরা অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক। তবে ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদানের আগে বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে রাজধানীমুখী মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করছেন। ছুটি শেষে আগামীকাল থেকে অফিস-আদালত, ব্যাংকসহ অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান খুলবে। ফলে দিনের শেষভাগে রাজধানীতে ফেরার চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ৩১, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা সিটির আরও ৬ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বমঞ্চে প্রশংসায় ভাসছেন প্রধানমন্ত্রী

শহর পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব, বললেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আমরা একটা রাজনৈতিক সামাজিক সম্প্রীতির পরিবেশ চাই - প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তার জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।   শনিবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা বিএনপির আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক মতভেদ থাকলেও জাতীয় স্বার্থে ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি করা গেলে উন্নয়ন আরও দ্রুত সম্ভব হবে।   তিনি আরও বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি ঘর দখল, জমি দখল বা চাঁদাবাজির মতো কর্মকাণ্ডে জড়ায়, তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।   প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্থানীয় পর্যায়ের সাম্প্রতিক কিছু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উদাহরণ টেনে বলেন, এলাকায় শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখা জরুরি এবং কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে তা নিজ দায়িত্বেই বিপদ ডেকে আনবে।   তিনি আরও মন্তব্য করেন, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিভিন্ন দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় ইস্যুতে ঐক্য থাকা প্রয়োজন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাজনৈতিক পরিসরে সবাইকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।   সভায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করেন এবং তার আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান।

আক্তারুজ্জামান মে ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আধুনিক ও নিরাপদ পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে জাফলং: মন্ত্রী আরিফুল হক

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে চা-বাগান ভ্রমণে গিয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত

ছবি: সংগৃহীত

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত কয়েকজন

ছবি: সংগৃহীত
ভোলায় ধর্ষণের, আত্মরক্ষায় অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন ভুক্তভোগী

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম সর্দার (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ অনুযায়ী, আত্মরক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে ভুক্তভোগী নারী ধারালো অস্ত্র দিয়ে অভিযুক্তকে গুরুতর আহত করেন।   শনিবার (৩০ মে) ভোরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের চর কলমি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।   গ্রেপ্তার হওয়া ইমাম সর্দার একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান।   পুলিশ ও মামলার তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে ভুক্তভোগী নারী নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে আত্মরক্ষার জন্য নারী তার হাতের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করলে অভিযুক্ত আহত হয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।   পরে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে এবং চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে পুলিশি পাহারায় তার চিকিৎসা চলছে।   এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে দক্ষিণ আইচা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্বপরিচিত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত ও কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।   দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবির জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।   তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত ও অন্যান্য আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আক্তারুজ্জামান মে ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দুর্নীতির সঙ্গে জড়ালে জেলে যেতে হবে - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

ঈদের ছুটিতে পর্যটকের ভিড়ে প্রাণ ফিরে পেল রাঙামাটি

ছবি : সংগৃহীত

জিয়াউর রহমানের ২০ ঐতিহাসিক মাইলফলক তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

0 Comments