জাতীয়

ভোটের সব তথ্য মিলবে এক ক্লিকেই, স্মার্ট হচ্ছে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা

আক্তারুজ্জামান ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটারদের জন্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন থেকে ভোটাররা ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে তাদের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র ও প্রার্থী সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য নিমিষেই জানতে পারবেন।

 

ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে এই স্মার্ট সেবার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

অ্যাপের নাম ও প্রাপ্তিস্থান:

 

ইসি জানায়, অ্যাপটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘Smart Election Management BD’। ভোটারদের সুবিধার্থে অ্যাপটি ইতোমধ্যে গুগল প্লে স্টোর (Android) এবং অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে (iOS) অবমুক্ত করা হয়েছে।

 

অ্যাপ থেকে যেসব সুবিধা পাবেন ভোটাররা:

অ্যাপটি ব্যবহারের মাধ্যমে একজন ভোটার নিচের সেবাগুলো গ্রহণ করতে পারবেন—

ভোটকেন্দ্র শনাক্তকরণ : জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর ও জন্মতারিখ ব্যবহার করে সহজেই নিজের নির্ধারিত ভোটকেন্দ্র খুঁজে পাওয়া যাবে।

 

ম্যাপ ও লোকেশন : কেন্দ্রের নাম ও ঠিকানার পাশাপাশি এতে রয়েছে জিও-লোকেশন (Geo-location) সুবিধা। এর মাধ্যমে ভোটার তার বর্তমান অবস্থান থেকে কেন্দ্রের দূরত্ব এবং যাওয়ার সঠিক পথ ম্যাপে দেখতে পাবেন।

 

প্রার্থীর হলফনামা : নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অ্যাপটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য যুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থীর শিক্ষা, সম্পদ ও হলফনামা সরাসরি দেখার সুযোগ থাকায় ভোটাররা সচেতনভাবে সঠিক প্রার্থী বেছে নিতে পারবেন।

 

লাইভ ফলাফল : নির্বাচনের দিন এবং পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রের ফলাফল এই অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি আপডেট করা হবে। ফলে ফলাফল নিয়ে কোনো বিভ্রান্তির সুযোগ থাকবে না।

 

স্বচ্ছতা ও আগ্রহ বৃদ্ধি:

ইসি আশা করছে, এই ডিজিটাল উদ্যোগের ফলে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তথ্য খুঁজতে হবে না। নতুন এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভোটের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলবে। প্রার্থীর যোগ্যতা ও সম্পদ সম্পর্কে ভোটাররা সরাসরি তথ্য পাওয়ায় নির্বাচনে স্বচ্ছতা আরও সুসংহত হবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের কার্যক্রম চালু থাকবে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংকটে পড়া পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।   মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে গভর্নরের কার্যালয়ে একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।   বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলোর বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা, একীভূতকরণ-পরবর্তী কার্যক্রম এবং গ্রাহকসেবা স্বাভাবিক রাখার বিষয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হয়।   বৈঠকে গভর্নর জানান, ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হবে। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বহাল থাকবে এবং পাঁচ ব্যাংকের আওতাধীন সচল কারখানাগুলোর উৎপাদন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এসব কারখানার কোনো বিদেশি বকেয়া থাকলে তা পরিশোধের বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।   গভর্নরের এই অবস্থানের ফলে পাঁচ ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা দূর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এর আগে গত রোববার ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতেও একই বার্তা দেন তিনি।   তিনি স্পষ্ট করেন, ব্যাংক খাতের চলমান সংস্কার অব্যাহত থাকবে এবং কোনো রাজনৈতিক চাপের কাছে তিনি নতিস্বীকার করবেন না। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেন গভর্নর।   উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়া এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ইউনিয়ন ব্যাংক লিমিটেড ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড-কে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতা নয়, সেবাই মূল দায়িত্ব: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর সাথে ভারতের হাইকমিশনার Pranay Verma-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আটকে পড়া বাংলাদেশীদের ফিরিয়ে আনতে ঢাকা–দুবাই রুটে দু’টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা

  ঢাকা | ৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে যাচ্ছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আটকে পড়া বাংলাদেশীদের দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ঢাকা–দুবাই–ঢাকা রুটে দু’টি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা। আজ ৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, প্রথম ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করবে। একই ফ্লাইট দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে। আগামীকাল ৫ মার্চ ২০২৬, বৃহস্পতিবার, অপর বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করবে। একই ফ্লাইট দুবাই থেকে স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে। ৪৩৬ আসনবিশিষ্ট এয়ারবাস এ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজের মাধ্যমে বিশেষ দু’টি ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ঢাকা–দুবাই ফ্লাইট নম্বর: বিএস-৩৪১ এবং দুবাই-ঢাকা ফ্লাইট নম্বর বিএস-৩৪২। দুবাই এয়ারপোর্ট অথরিটি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স, এমিরেটস, এয়ার ইন্ডিয়া সহ কয়েকটি এয়ারলাইন্সকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি প্রদান করেছে। যেসব বাংলাদেশী যাত্রীদের ভিসার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে অথবা শিগগিরই শেষ হতে যাচ্ছে, তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্রমণের সুযোগ প্রদান করা হবে। টিকেট বুকিং সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের যেকোনো সেলস সেন্টার অথবা নিকটস্থ ট্রাভেল এজেন্সিতে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।  বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন: হটলাইন ১৩৬০৫, মোবাইল ০১৭৭৭৭৭৭৮০০–৮০৬ ধন্যবাদান্তে,  ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পক্ষে মোঃ কামরুল ইসলাম মহাব্যবস্থাপক – জনসংযোগ

মারিয়া রহমান মার্চ ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ ইসির

ছবি: সংগৃহীত

গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান এনসিপির

ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার ও কৃষি মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব

আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব

  জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে বিএফআইইউর পক্ষ থেকে দেশের ৫৬টি তফসিলি ব্যাংক ও অন্যান্য নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে এ তলবনামা পাঠানো হয়। ব্যাংকগুলোতে পাঠানো চিঠিতে আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে আসিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের সব তথ্য নথিভুক্ত করে বিএফআইইউতে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ছিলেন আসিফ মাহমুদ। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়কদের মধ্যে তিনি অন্যতম। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পান আসিফ। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও দেওয়া হয় তাকে। উপদেষ্টা থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগে একাধিকবার সমালোচনার জন্ম দেন আসিফ মাহমুদ। কুমিল্লার মুরাদনগরের সন্তান আসিফ নিজ এলাকা থেকে নির্বাচন করতে উপদেষ্টার ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ওই এলাকায় বারবার আন্দোলন-বিক্ষোভও হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। গুঞ্জন ওঠে, ঢাকা-১০ আসন থেকে প্রার্থী হবেন তিনি। সে লক্ষ্যে কিছুদিন ওই এলাকায় তৎপরতা চালালেও শেষপর্যন্ত তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে এনসিপির মুখপাত্র হিসেবে দলটির নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নেন।

মারিয়া রহমান মার্চ ০৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বয়স্ক, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও শিক্ষার্থীরা রেলে ২৫% ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবে : রেলমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

অমর একুশে বইমেলা’র ৬ষ্ঠ দিনে নতুন বই এসেছে ৬৫টি

ছবি: সংগৃহীত

১২ মার্চ অন্তর্বর্তী সরকার গৃহিত অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

0 Comments