আন্তর্জাতিক

প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ মহড়া আয়োজন করছে চীন-রাশিয়া

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। পূর্ব চীনের উপকূলবর্তী কিংদাও এলাকার জলসীমা ও আকাশসীমায় এ সপ্তাহে বার্ষিক মহড়াটি হবে।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, কিংদাও বন্দরের কাছে অনুষ্ঠিত এই মহড়া শেষে দুই দেশের নৌবাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করবে। খবর আল-জাজিরার।

 

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ এরই মধ্যে কিংদাওয়ে পৌঁছেছে। মহড়া সোমবার শুরু হয়ে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

 

অন্যদিকে, চীনের নর্দার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে দুটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট, একটি সাবমেরিন, একটি সরবরাহ জাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ মহড়ায় অংশ নেবে।

 

মহড়ায় গোয়েন্দা নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুশীলন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

 

প্রায় দুই মাস আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের পর এই যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওই সফরে পুতিন দুই দেশের সম্পর্ককে ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশের অংশীদারত্বকে ‘অটুট’ বলে উল্লেখ করেন।

 

উল্লেখ্য, চীন ও রাশিয়া ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত ‘জয়েন্ট সি’ নামে যৌথ নৌ-মহড়া আয়োজন করে আসছে। গত বছরের মহড়া রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তকের কাছে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এরপর দুই দেশ প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ টহল পরিচালনা করে।

 

ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের পরও চীন প্রকাশ্যে রাশিয়ার সমালোচনা করেনি। যদিও বেইজিং নিজেদের নিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং নিয়মিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ মহড়া আয়োজন করছে চীন-রাশিয়া

চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনী যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। পূর্ব চীনের উপকূলবর্তী কিংদাও এলাকার জলসীমা ও আকাশসীমায় এ সপ্তাহে বার্ষিক মহড়াটি হবে।   বিবৃতিতে বলা হয়, কিংদাও বন্দরের কাছে অনুষ্ঠিত এই মহড়া শেষে দুই দেশের নৌবাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করবে। খবর আল-জাজিরার।   রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মহড়ায় অংশ নিতে রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের একটি ক্রুজার, একটি করভেট, একটি ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ এরই মধ্যে কিংদাওয়ে পৌঁছেছে। মহড়া সোমবার শুরু হয়ে আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলবে।   অন্যদিকে, চীনের নর্দার্ন থিয়েটার কমান্ড জানিয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে দুটি ডেস্ট্রয়ার, একটি ফ্রিগেট, একটি সাবমেরিন, একটি সরবরাহ জাহাজ এবং একটি উদ্ধারকারী জাহাজ মহড়ায় অংশ নেবে।   মহড়ায় গোয়েন্দা নজরদারি, আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুশীলন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।   প্রায় দুই মাস আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের পর এই যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওই সফরে পুতিন দুই দেশের সম্পর্ককে ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দুই দেশের অংশীদারত্বকে ‘অটুট’ বলে উল্লেখ করেন।   উল্লেখ্য, চীন ও রাশিয়া ২০১২ সাল থেকে নিয়মিত ‘জয়েন্ট সি’ নামে যৌথ নৌ-মহড়া আয়োজন করে আসছে। গত বছরের মহড়া রাশিয়ার ভ্লাদিভস্তকের কাছে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এরপর দুই দেশ প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ টহল পরিচালনা করে।   ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযানের পরও চীন প্রকাশ্যে রাশিয়ার সমালোচনা করেনি। যদিও বেইজিং নিজেদের নিরপেক্ষ বলে দাবি করে এবং নিয়মিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানিয়ে আসছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি ইরানের ‘পারমাণবিক অস্ত্র’: দাবি দিমিত্রি মেদভেদেভের

আলি খামেনির হত্যার প্রতিশোধের দাবিতে তেহরানে ইরানিদের বিক্ষোভ। ছবি : সংগৃহীত

খামেনির হত্যার প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল তেহরান

ছবি: সংগৃহীত

লোহিত সাগরে কার্গো জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা

ছবি: সংগৃহীত
হরমুজের বাইরে ইরানের আরও ‘বিকল্প অস্ত্র’ আছে: মেদভেদেভের সতর্কবার্তা

রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, হরমুজ প্রণালি যেমন ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ, তেমনি বাব আল-মান্দেব প্রণালিও দেশটির ‘বিকল্প অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।   কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে অবস্থানরত মেদভেদেভ বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ইরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্রের সমতুল্য একটি কৌশলগত সম্পদ।’   তিনি আরও বলেন, ইয়েমেন, জিবুতি ও ইরিত্রিয়ার মধ্যবর্তী বাব আল-মান্দেব প্রণালি ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প কৌশলগত হাতিয়ার হতে পারে। এই প্রণালি এডেন উপসাগরকে লোহিত সাগর ও সুয়েজ খালের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। মেদভেদেভ সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।   তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি পরিস্থিতি সেদিকে গড়াবে না। তবে যারা এ অঞ্চলে সংঘাত উসকে দিতে চায়, তাদের এই বাস্তবতা মনে রাখা উচিত।’ এর আগে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। গত ৮ জুন তারা লোহিত সাগরে ইসরাইলি জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার কথাও জানায়।

মোঃ নাহিদ হোসেন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এরদোয়ানকে ‘খুশি’ করতে ৪০টি যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

‘ভেবেছিলাম খামেনিকে মানুষ ঘৃণা করে’: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের নৌবাহিনীতে প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতা ভেস্তে দিতে চায় ইসরায়েল: এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারক নস্যাৎ করতে ইসরায়েল চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, যুদ্ধে আসক্ত ইসরায়েলি সরকারকে মধ্যপ্রাচ্যকে আবারও সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে দেওয়া যাবে না।   শনিবার ইস্তাম্বুলে এক অনুষ্ঠানে এরদোয়ান বলেন, ইসরায়েলি প্রশাসন কীভাবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছে, তা তুরস্ক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, ‘বর্তমান ইসরায়েলি সরকার যুদ্ধে আসক্ত। তাদের এই অঞ্চলে আবারও রক্তপাত ও অস্থিরতা ছড়াতে দেওয়া যাবে না।’ এরদোয়ান মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আঞ্চলিক দেশগুলোর ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপরও জোর দেন। এর আগেও তিনি একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা নস্যাৎ করার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি গাজা, লেবানন ও সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানেরও সমালোচনা করেন তিনি। সম্প্রতি কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া সমঝোতা স্মারকে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে সমঝোতার পরও দুই দেশ গত সপ্তাহে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।   তথ্যসূত্র: আলজাজিরা

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

প্রাণহানি ৩ হাজার উদ্ধার অভিযান গুটিয়ে নিচ্ছে ভেনেজুয়েলা

অনেক পরিবার এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বজনদের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩ হাজার

ছবি: সংগৃহীত

খরায় বিপর্যস্ত ইউরোপের ধান উৎপাদন, ফসল বাঁচাতে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

0 Comments