আন্তর্জাতিক

প্রাণহানি ৩ হাজার উদ্ধার অভিযান গুটিয়ে নিচ্ছে ভেনেজুয়েলা

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ হাজারে পৌঁছেছে। সর্বশেষ সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৫৪ জনে। এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

 

২৪ জুন আঘাত হানা ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের উত্তরের উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। সেখানে বহু আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে এবং হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে আশ্রয়কেন্দ্র ও খোলা জায়গায় অবস্থান করছেন।

 

ভূমিকম্পের ১০ দিন পর আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিতদের খোঁজে অভিযান গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। দুর্যোগে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা সাধারণত প্রথম ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি থাকলেও চলতি সপ্তাহেও কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

 

অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলোর সম্মানে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, দেশ এখনও গভীর শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং অনেক পরিবার প্রিয়জনদের খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

 

এদিকে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের ধীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেছেন অনেক বাসিন্দা। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত স্বজনদের উদ্ধারে তাদের নিজেদেরই ধ্বংসস্তূপে খোঁজ চালাতে হয়েছে। তবে সরকার দাবি করেছে, উদ্ধার ও ত্রাণকাজে হাজারো সেনা সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাকে মোতায়েন করা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
প্রাণহানি ৩ হাজার উদ্ধার অভিযান গুটিয়ে নিচ্ছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ হাজারে পৌঁছেছে। সর্বশেষ সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯৫৪ জনে। এখনও কয়েক হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।   ২৪ জুন আঘাত হানা ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজধানী কারাকাসের উত্তরের উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চল। সেখানে বহু আবাসিক ভবন ধসে পড়েছে এবং হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে আশ্রয়কেন্দ্র ও খোলা জায়গায় অবস্থান করছেন।   ভূমিকম্পের ১০ দিন পর আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিতদের খোঁজে অভিযান গুটিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে। দুর্যোগে জীবিত উদ্ধারের সম্ভাবনা সাধারণত প্রথম ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি থাকলেও চলতি সপ্তাহেও কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।   অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলোর সম্মানে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। তিনি বলেন, দেশ এখনও গভীর শোকের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং অনেক পরিবার প্রিয়জনদের খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।   এদিকে, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের ধীর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেছেন অনেক বাসিন্দা। তাদের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত স্বজনদের উদ্ধারে তাদের নিজেদেরই ধ্বংসস্তূপে খোঁজ চালাতে হয়েছে। তবে সরকার দাবি করেছে, উদ্ধার ও ত্রাণকাজে হাজারো সেনা সদস্য ও সরকারি কর্মকর্তাকে মোতায়েন করা হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৫, ২০২৬
অনেক পরিবার এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বজনদের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছে। ছবি: সংগৃহীত

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩ হাজার

ছবি: সংগৃহীত

খরায় বিপর্যস্ত ইউরোপের ধান উৎপাদন, ফসল বাঁচাতে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

ছবি: সংগৃহীত

১১ জুলাই পাকিস্তানে আলোচনায় মুখোমুখি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

সংগৃহীত ছবি
রাশিয়ার প্রধান তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের ভয়াবহ হামলা

রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি অন্যতম প্রধান তেল টার্মিনালে রাতভর ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই হামলার তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আক্রান্ত স্থাপনাটি রাশিয়ার যুদ্ধ তহবিলের রাজস্ব জোগানোর অন্যতম প্রধান উৎস ছিল।    একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রুশ নৌঘাঁটিতেও আঘাত হানা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী। সেন্ট পিটার্সবার্গের গভর্নর আলেকসান্ডার বেগলভ শহরে একটি ব্যাপক ড্রোন হামলার কথা স্বীকার করেছেন এবং তেল টার্মিনালে আঘাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।   ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। খবরে বলা হয়, ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর মতে, আক্রান্ত তেল টার্মিনালটি রাশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম, যেটির বার্ষিক ১২.৫ মিলিয়ন টন পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে। এর পাশাপাশি ক্রনশতাঁতে অবস্থিত রাশিয়ার বাল্টিক নৌবহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটিও এই হামলার শিকার হয়েছে বলে কিয়েভ দাবি করেছে, যদিও রাশিয়া এই নৌঘাঁটিতে হামলার বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি।    গভর্নর বেগলভ জানিয়েছেন, সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং লেনিনগ্রাদ অঞ্চলজুড়ে ৭২টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। হামলার পর তিনি শহরের পঞ্চাশ লাখের বেশি বাসিন্দাকে ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেন এবং মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে বলে সতর্ক করেন।   প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি শনিবার (৪ জুন) সকালে জানান, সেন্ট পিটার্সবার্গ ও এর আশপাশের যেসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, সেগুলো ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ৮৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। হামলার সুনির্দিষ্ট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট না হলেও, জেলেনস্কির শেয়ার করা একটি ভিডিওতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ড্রোন উড়ে যেতে এবং পরবর্তীতে ওই এলাকা থেকে বিশাল কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ফুটতে দেখা গেছে, যা পরবর্তীতে বিবিসি নিশ্চিত করেছে।   সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা জোরদার করেছে, যার ফলে রাশিয়ায় ব্যাপক জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। কিয়েভের দাবি, এই হামলার কারণে রাশিয়ার তেল শোধনাগার ক্ষমতার প্রায় ৪৩ শতাংশ অচল হয়ে পড়েছে।  গত সপ্তাহে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ইউক্রেনীয় হামলার কারণে জ্বালানি সংকটের কথা বিরলভাবে স্বীকার করেছিলেন এবং শনিবার তিনি অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি নতুন বিলে স্বাক্ষর করেছেন।   এদিকে, যুদ্ধের মাঠের আরেকটি ঘটনায় ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী পূর্ব ইউক্রেনের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর কোস্তিয়ান্তিনিভকা রাশিয়ার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সামরিক মুখপাত্র মেজর আন্দ্রি কোবালিভ জানিয়েছেন, শহরটি এখনো ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে।    তবে তিনি স্বীকার করেন যে, রুশ পদাতিক বাহিনীর ছোট ছোট দল ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা লাইনের গভীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল, যাদের চিহ্নিত করে ধ্বংস করা হচ্ছে। এর আগে পুতিন দাবি করেছিলেন, গত জুনেই কোস্তিয়ান্তিনিভকা শহরটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তবে তিনি এর পক্ষে কোনো প্রমাণ দেননি। পুতিনের এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে জেলেনস্কি তীব্র কটাক্ষ করে টেলিগ্রামে লিখেছেন, কোস্তিয়ান্তিনিভকা যদি সত্যিই রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে পুতিন নিশ্চয়ই সেখানে এসে তার সাথে দেখা করতে এবং যুদ্ধ শেষ করার কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে কোনো সমস্যা বোধ করবেন না। কিন্তু বাস্তবতা হলো পুতিন কখনোই ফ্রন্ট লাইন অতিক্রম করবেন না, কারণ সত্য পুতিনের কথার চেয়ে অনেক আলাদা।   অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের সর্বশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে যে তারা রাতভর এবং সকালে ইউক্রেনের ছোঁড়া ৫০০টিরও বেশি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। রুশ মন্ত্রণালয়ের দাবি, গত ২ জুলাই ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার চালানো ভয়াবহ ও প্রাণঘাতী হামলার ক্ষয়ক্ষতি এবং কোস্তিয়ান্তিনিভকাতে ইউক্রেনীয় বাহিনীর ‘বিপর্যয়কর ব্যর্থতা’ থেকে দেশের জনগণ ও বিদেশি দাতাদের মনোযোগ সরিয়ে নিতেই জেলেনস্কি এই হামলার নাটক করছেন। রাশিয়ার বেসামরিক স্থাপনায় ইউক্রেনের এই হামলা কখনোই অনুত্তরিত থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে মস্কো।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

জার্মানিতে ডানপন্থি দলের বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

খামেনিকে ঘিরে জনসমর্থন দেখে বিস্মিত ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির জানাজায় আঞ্চলিক শক্তির শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি

সংগৃহীত ছবি
গাজা যুদ্ধবিরতি, ইরান চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান মিসরের প্রেসিডেন্টের

গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি জোর আহ্বান জানিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গাজা ও ইরানের এই শান্তি প্রক্রিয়া ও চুক্তিকে নসাৎ করার যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা যেকোনো মূল্যে প্রতিরোধ করতে হবে।   প্রেসিডেন্ট সিসি জানান, গত অক্টোবরে শারম আল-শেখে স্বাক্ষরিত গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং সুইজারল্যান্ডে গত মাসে সম্পাদিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক—উভয়ই এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই এ দুটি চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার কোনো বিকল্প নেই। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে অর্থনৈতিকভাবে মিসর যে কতটা বিপর্যস্ত, সেই ভয়াবহ চিত্রও তিনি তুলে ধরেন।   মিসরীয় প্রেসিডেন্ট প্রকাশ করেন যে, লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে হুথি বিদ্রোহীদের উপর্যুপরি হামলার কারণে তার দেশ সুয়েজ খাল থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারিয়েছে। হুথি আক্রমণের ফলে উদ্ভূত এই অচলাবস্থায় মিসরের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ইতিমধ্যেই ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আঞ্চলিক সংঘাতের অবসান না হলে বিশ্ব বাণিজ্য এবং মিসরের অর্থনীতি আরও দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সূত্র: আল জাজিরা

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ০৫, ২০২৬
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় . ছবি: সংগৃহীত

থামাতে হলে আমাকে হত্যা করতে হবে : মমতার

‘ইমাম খামেনি: প্রতিরোধের চিরন্তন নেতা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান | ছবি: সংগৃহীত

খামেনির মহাপ্রয়াণ মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের মূল শক্তি: পেজেশকিয়ান

ছবি - সংগৃহীত

তেহরানে লাখো মানুষের ঢল, খামেনি হত্যার প্রতিশোধ চায়

0 Comments