সারাদেশ

প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ফের হামলার ভয়ে পরিবারসহ বাড়ি ছাড়া গৃহকর্তা

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0


ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার দক্ষিণ জাহাঙ্গীরপুর গ্রামে গরুর বাছুরে ভুট্টা খেত নষ্ট হওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে প্রবাস ফেরত মো. ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। পুনরায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ায় তিনি দুই ছেলেসহ পরিবার নিয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পাশের কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার হারেঞ্চা গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তি গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে এবং রবিবার (১৮ জানুয়ারি) গভীর রাতে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালায়।

ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী মোছা. জহুরা খাতুন জানান, শনিবার তাদের গরুর একটি বাছুর পল্লী চিকিৎসক জয়নাল মিয়ার ভুট্টা খেত নষ্ট করলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ শুরু হয়।


ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি থাকলেও জয়নাল উত্তেজিত হয়ে ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
এরপর বিকেল দিকে হারেঞ্চা গ্রামের ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিন ও ওমর আলীর নেতৃত্বে ২০–৩০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং গোয়ালঘর থেকে ১২টি গরু, একটি মোটরসাইকেল, আলমারি ভেঙে চার লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়।


ফ্রিজ নিতে না পেরে সেটি ভেঙে ফেলা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় ইসমাইল হোসেনের ভগ্নিপতি জেসমিন আক্তার (৩০) জানান, হামলার খবর পেয়ে বাড়িতে গেলে সেখানে কাউকে না পেয়ে অবস্থান করেন। কিন্তু রবিবার গভীর রাতে দা ও বল্লম হাতে কয়েকজন ব্যক্তি ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে তাকে ও তার শিশু কন্যাকে মারধর করে এবং তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে পাশের মাদরাসা থেকে লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।


স্থানীয় সূত্র জানায়, ইসমাইল হোসেনের বাড়ির পাশে অবস্থিত রাহমানিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীরা হামলা ও লুটপাটের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন। তাদের দাবি, হামলাকারীরা জোর করে গরুগুলো নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য কামাল উদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি কোনো হামলার নেতৃত্ব দেননি। ইসমাইল হোসেনের লোকজনই আগে তার ভাতিজা জয়নালকে মারধর করেছে। তবে বাড়িতে লুটপাট ও ভাঙচুরের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেন তিনি।


নান্দাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রাসেল মিয়া বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ হলো

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত থেকে সারা দেশে ৭২ ঘণ্টার জন্য মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিএ সংস্থাপন শাখার উপসচিব আল-আমীন মো. নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (৭২ ঘণ্টা) মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। একইসঙ্গে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক; জরুরি সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন; ঔষধ, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত যানবাহন; সংবাদপত্র পরিবহনকারী যানবাহন এবং বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে ফেরা যাত্রী ও তাদের স্বজনদের ব্যবহৃত যানবাহনের ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য হবে (টিকিট বা প্রাসঙ্গিক প্রমাণ সাপেক্ষে)। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর জন্য একটি এবং তার নির্বাচনী এজেন্টের জন্য একটি ছোট যানবাহন রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে চলাচলের অনুমতি পাবে। সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক ও জরুরি কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলাচল করতে পারবে। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন নিয়ে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন এবং জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর, আন্তঃজেলা ও মহানগর সংযোগ সড়কগুলোতেও প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে। এ ছাড়া উল্লিখিত যানবাহন ব্যতীত অন্যান্য যানবাহনের চলাচলের ওপর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে প্রদান করা হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
সাউন্ড বক্সের মাধ্যমে এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন সেনা সদস্যরা

ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে যেতে সেনাবাহিনীর মাইকিং

বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও নাজাতের জন্য দোয়া মাহফিল ।

আমাদের পুত্রবধূ বেগম জিয়াকে মানুষ কখনো ভুলতে পারবে না : হেলালুজ্জামান

নওগাঁর সাপাহার উপজেলোর শাহবাজপুর সাঁওতাল পল্লীতে। মঙ্গলবার তোলা।

হুজুগে নয়, বুঝেশুনে ভোট দিতে চান সাঁওতালরা

ছবি : সংগৃহীত
আগুনরাঙা শিমুলে রঙিন তাহিরপুর: বসন্তের আনন্দে ভিড় করছে পর্যটকরা

বসন্ত আসতে এখনো কিছুটা সময় বাকি থাকলেও আগুনরাঙা সৌন্দর্যে রঙিন হয়ে উঠেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শিমুল বাগান। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই বাগানের প্রতিটি ডালে ফুটেছে লাল টকটকে শিমুল ফুল। চারদিকে যেন আগুন জ্বলছে—এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন স্থানীয় ও দূরদূরান্ত থেকে আসা প্রকৃতিপ্রেমী পর্যটকরা। তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের মানিগাঁও এলাকায় অবস্থিত এই বাগানটি প্রায় ১০০ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা। ছোট-বড় মিলিয়ে তিন হাজারেরও বেশি শিমুল গাছ এখানে আছে। ২০০৩ সালে প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ জয়নাল আবেদিন বাণিজ্যিক উদ্যোগ হিসেবে বাগানটি গড়ে তোলেন। বাগানের ফুল ফোটা শুরু হওয়ার পর এটি দ্রুতই স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। একপর্যায়ে এটি এশিয়ার সর্ববৃহৎ শিমুল বাগান হিসেবে পরিচিতি পায়। বসন্ত মৌসুমে, বিশেষ করে পহেলা ফাল্গুন ও ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে বাগানটিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বাগানের মালিক আফতাব উদ্দিন জানান, এবার শিমুল ফুল তুলনামূলকভাবে একটু আগে ফুটেছে। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দর্শনার্থীদের আনাগোনা বেড়েছে। তিনি আশা করছেন, জাতীয় নির্বাচনের কারণে কিছুটা ভিড় কমলেও ভোটের আগে ও পরে পর্যটকরা বাগান উপভোগ করতে আসবেন। স্থানীয়রা বলছেন, শিমুল বাগান এই এলাকার অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ। ফুলের মৌসুমে মানুষের ঢল পড়ে এবং এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হন। পর্যটকরা বাগানের সৌন্দর্য ও ছবি তোলার জন্য এখানে আসেন। তাহিরপুর থানার ওসি জানান, নির্বাচনের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার থাকবে। ভোট শেষে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পর্যটকরা নিশ্চিন্তে বাগান ঘুরে দেখতেও পারবেন। সব মিলিয়ে, বসন্তের আগুনরাঙা শিমুল বাগান এখন প্রকৃতিপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ। যদিও ভোটের দিন কিছুটা শঙ্কা রয়েছে, নির্বাচন শেষে আবারও পর্যটকদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠবে—এটাই প্রত্যাশা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ভোট দিতে ঢাকা ছাড়ছেন মানুষ, মহাসড়কে বাড়ছে চাপ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আমানউল্লাহ আমান

ভোটকেন্দ্র দখল ও সহিংসতার ষড়যন্ত্র চলছে : আমানউল্লাহ

চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বন্দরে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা

প্রতীকী ছবি।
রাজধানীর মেস থেকে জবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর পুরান ঢাকার কলতাবাজার পানির পাম্প এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থীর নাম রাকিবা সুলতানা (২০)। তিনি জবি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।   রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান। ওসি মশিউর রহমান জানান, রাতে খবর পেয়ে কলতাবাজার এলাকার ওই বাসায় পুলিশ যায়। সারাদিন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। রাত আনুমানিক ৯টার দিকে রাকিবার এক বান্ধবী মেসে এসে দরজায় ধাক্কা দিলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে বাড়ির মালিকের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রাকিবাকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় উড়না পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। নিহত রাকিবা সুলতানার গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলায়। তিনি কলতাবাজার এলাকায় একটি ভাড়া মেসে বসবাস করতেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬ 0
প্রপোজ ডে। ছবি : সংগৃহীত

আজ প্রপোজ ডে, মনের কথা জানাবেন যেভাবে

ছবি: সংগৃহীত

যেসব এলাকায় আজ সকাল থেকে বিদ্যুৎ থাকবে না

গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সিপন ভূঁইয়া। ছবি : সংগৃহীত

স্বতন্ত্র প্রার্থীকে লক্ষ্য করে গুলি

0 Comments