বিনোদন

ফুরফুরে মেজাজে পরী

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১৫, ২০২৬

রূপালি পর্দার ঝলমলে আলো ছাপিয়ে বাস্তব জীবনেও যিনি নিয়মিত শিরোনাম হন—তিনি ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় ও গ্ল্যামারাস নায়িকা পরীমণি। আবারও ভক্তদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছেন নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা একগুচ্ছ নতুন ছবিতে। ছুটির আমেজে মালয়েশিয়ায় সময় কাটাতে গিয়ে প্রকাশ করা এসব ছবি মুহূর্তেই নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে মুগ্ধতা।


অভিনেত্রী ছবিগুলোর ক্যাপশনে সংক্ষিপ্ত করে লিখেছেন, ‘শীত নেই’, সঙ্গে যোগ করেছেন ভালোবাসার একটি ইমোজি। প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সমুদ্রতীরবর্তী একটি হোটেলের ব্যালকনিতে ফুরফুরে মেজাজে ধরা দিয়েছেন পরীমণি। তার পরনে ছোট প্যান্ট ও স্লিভলেস টপস, চোখে রোদচশমা—সব মিলিয়ে একেবারেই ছুটির আমেজে উচ্ছ্বসিত পরী।
সমুদ্রের নীল জলরাশিকে পেছনে রেখে পরীমণির এই স্বচ্ছন্দ ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি মুহূর্তেই নজর কেড়েছে ভক্তদের। মন্তব্যের ঘরে প্রশংসা আর ভালোবাসার জোয়ার বইছে।
উল্লেখ্য, শুটিংয়ের ব্যস্ততা ও কাজের চাপ থেকে খানিকটা স্বস্তি পেতেই বর্তমানে দেশের বাইরে সময় কাটাচ্ছেন এই চিত্রনায়িকা। তবে দূরে থাকলেও ভক্তদের কাছ থেকে একটুও দূরে যাননি তিনি। রূপালি পর্দায় ফেরার প্রস্তুতির ফাঁকেই নিয়মিত ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে ভক্তদের আগ্রহ ও কৌতূহল জিইয়ে রাখছেন পরীমণি।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ত্রিধা চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি
রণবীর সিংয়ের নায়িকা হতে চান ত্রিধা

ওয়েব সিরিজ ‘আশ্রম’ এ অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসা অভিনেত্রী ত্রিধা চৌধুরী এবার বড় পর্দায় নিজের স্বপ্নের চরিত্র নিয়ে মুখ খুলেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, লেখক অমীশ ত্রিপাঠীর জনপ্রিয় ‘শিবা ট্রিলজি’ অবলম্বনে যদি সিনেমা নির্মিত হয়, তাহলে সেই প্রজেক্টের অংশ হতে চান তিনি। বিশেষ করে অভিনেতা রণবীর সিংয়ের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন ত্রিধা।   সাক্ষাৎকারে ত্রিধা বলেন,‘‘আমি ভগবান শিবের খুব বড় ভক্ত। আর রণবীর সিংও আমার অত্যন্ত পছন্দের অভিনেতা। তাই যদি কখনও ‘শিবা ট্রিলজি’ নিয়ে ছবি তৈরি হয় এবং সেখানে রণবীর অভিনয় করেন, তাহলে আমি সেই প্রোজেক্টের অংশ হতে চাইব।’’ ত্রিধার মতে, অমীশ ত্রিপাঠীর বইগুলোর মধ্যে একধরনের আধ্যাত্মিকতা ও মহাকাব্যিক আবহ রয়েছে, যা বড় পর্দায় দারুণভাবে ফুটে উঠতে পারে। তিনি জানান, বই পড়ার প্রতি তার আলাদা আগ্রহ রয়েছে এবং ‘শিবা ট্রিলজি’ তার অন্যতম প্রিয় সিরিজ। অভিনেত্রী আরও জানান, পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক ঘরানার চরিত্রে অভিনয়ের ইচ্ছা তার দীর্ঘদিনের। এ ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য শুধু অভিনয় দক্ষতা নয়, মানসিক প্রস্তুতি ও চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করার ক্ষমতাও প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। ত্রিধার ভাষায়, ‘আমি এমন চরিত্র করতে চাই, যা শুধু গ্ল্যামার নির্ভর নয়, দর্শকদের মনে দীর্ঘদিন থেকে যায়।’

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৫, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

কোরবানির ঈদে আসছে বিশেষ নাটক ‘টিকটক বউ’

সৃজা । ছবি : সংগৃহীত

ঢাকার সৌন্দর্যে মুগ্ধ অভিনেত্রী সৃজা

সংগৃহীত ছবি

পরিবারজুড়ে ব্রাজিল সমর্থন, তবে খেলা খুব একটা বোঝেন না হিমি

সংগৃহীত ছবি
কানে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে আরাধ্যার অভিষেক, প্রশংসায় ভাসছে নেটদুনিয়া

বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবে বরাবরের মতোই আলো ছড়িয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে এবারের আসরে উৎসবের শেষ লগ্নে হাজির হয়ে ভক্তদের দ্বিগুণ চমক দিয়েছেন এই বলিউড কুইন। এবার আর একা নন, কানের লালগালিচায় প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক অভিষেক ঘটল তার কিশোরী কন্যা আরাধ্যা বচ্চনের।    লরিয়াল প্যারিসের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে মায়ের পাশে এসে যখন আরাধ্যা দাঁড়াল, তখন উপস্থিত আলোকচিত্রীদের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ যেন থমকে গিয়েছিল। লালগালিচায় মা ও মেয়ের এমন রাজকীয় উপস্থিতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। কান ২০২৬ উৎসবে নিজের প্রথম দিনের উপস্থিতিতে দুটি ভিন্ন ও চোখধাঁধানো লুকে ধরা দেন ঐশ্বরিয়া রাই। এর মধ্যে লরিয়াল প্যারিসের অনুষ্ঠানে তিনি সেজেছিলেন হালকা গোলাপি বা বেবি পিঙ্ক রঙের চমৎকার একটি পোশাকে। মায়ের ঠিক পাশেই গাঢ় লাল বা রুবি-রেড রঙের সাটিন গাউন পরে দাঁড়িয়েছিল আরাধ্যা বচ্চন। আরাধ্যার গাউনের সঙ্গে ম্যাচিং করা ঝিলমিলে কেপ ফ্যাশনে যুক্ত করেছিল এক অনন্য মাত্রা। ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরার মনোরম নীল জলরাশিকে ব্যাকড্রপ বা পটভূমি বানিয়ে মা-মেয়ের এই চমৎকার পোজের একাধিক ছবি ও ভিডিও এখন অন্তর্জালে প্রশংসায় ভাসছে। চুলে হালকা কার্ল আর গ্লসি মেকআপের চিরাচরিত স্টাইলে ঐশ্বরিয়াকে যেমন মোহময়ী লাগছিল, তেমনই মায়ের সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে আরাধ্যাও তার নিজস্ব আভিজাত্য ফুটিয়ে তুলেছে। উৎসবে নিজের প্রথম লুকটির জন্য ঐশ্বরিয়া বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার অমিত আগারওয়ালের ডিজাইন করা একটি ড্রামাটিক রয়্যাল ব্লু বডি কন গাউন। ‘লুমিনারা’ নামের এই বিশেষ গাউনটি মূলত গতিশীল আলোর থিম বা ‘লাইট ইন মোশন’ ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। ডিজাইনারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পোশাকটিতে আলোকে কেবল দীপ্তি হিসেবে নয়, বরং শক্তি ও রূপান্তরের প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে। গাউনটির মূল আকর্ষণ ছিল অমিত আগারওয়ালের সিগনেচার ‘ক্রিস্টাল ভেইন’ এমব্রয়ডারি টেকনিক, যা তৈরিতে কারিগরদের প্রায় ১৫০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে নিখুঁত হাতের কাজ করতে হয়েছে। হাজার হাজার ক্রিস্টালের রৈখিক অলংকরণ দিয়ে তৈরি এই গাউনটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা আলোর প্রতিফলনে বারবার নিজের রূপ পরিবর্তন করে। ফলে পরিধানকারী যখনই হাঁটেন বা নড়াচড়া করেন, পোশাকটির মধ্যে একধরনের গতিশীলতা বা কাইনেটিক আবহ তৈরি হয়। এর কাঁধের অংশ থেকে বের হওয়া ডানার মতো নিখুঁত স্ট্রাকচার পুরো পোশাকে একটি আধুনিক ও আর্কিটেকচারাল ধারালো ভাব এনে দিয়েছে। অন্যদিকে, এর গভীর নীল বা অ্যাবিস ব্লু রংটি মহাজাগতিক গভীরতা ও মহাশূন্যে আলোর অন্তহীন যাত্রাকে নির্দেশ করে।  দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কানের লালগালিচায় রাজত্ব করা ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে এই পোশাকটি তার ফ্যাশন বিবর্তনের এক নতুন অধ্যায় বলে মনে করছেন ফ্যাশনবোদ্ধারা। সূত্র: মিড-ডে

মোঃ ইমরান হোসেন মে ২৪, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

‘আই অ্যাম সাইকো’ সংলাপে আলোচনায় শুভ, অ্যাকশনে চমক মিম

জায়েদ খান ও নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র জোহরান কোয়াম মামদানি। ছবি : সংগৃহীত

ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিসে নিউইয়র্ক মেয়রের সঙ্গে জায়েদ খান

পাঞ্জাবি গায়িকা ইন্দর কৌর। ছবি : সংগৃহীত

বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর গায়িকা নিহত, তদন্ত চলছে

ভারতে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতল বাংলাদেশের সিনেমা 'মানুষের বাগান'

ভারতের দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে 'সেরা চলচ্চিত্রের' পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের সিনেমা 'মানুষের বাগান'। উৎসবের সমাপনী দিন এই পুরস্কার দেওয়া হয়।   সিনেমার পরিচালক ও পুরো টিমের পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন ভারতে বাংলাদেশের উপ হাইকমিশনার প্রীতি রহমান। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্মের পক্ষে প্রযোজক ফরিদুর রেজা সাগর এই আন্তর্জাতিক অর্জনে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।   সিনেমার পরিচালক নুরুল আলম আতিক বলেন, যে কোনো স্বীকৃতি নিঃসন্দেহে আনন্দের। বেশ আগে কাজটি করা। সবাই তাঁকে দারুণ সহায়তা করেছিলেন। সিনেমাটি শিগগিরই দেশের দর্শকরা দেখতে পারবেন।   একগুচ্ছ অভিনয়শিল্পী নিয়ে আতিক সিনেমাটি নির্মাণ ও সম্পাদনা শেষ করেন ২০১৯ সালের শেষের দিকে। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন জ্যোতিকা জ্যোতি, মনোজ প্রামাণিক, অর্চিতা স্পর্শিয়া, মাহমুদ আলম, প্রসূন আজাদ, দিপান্বিতা মার্টিন, ইকবাল আহমেদ, জয়রাজসহ অনেকে।   'মানুষের বাগান' সিনেমায় মানুষের সম্পর্কের গভীরতা এবং জীবনের জটিলতার দিক তুলে ধরেছেন নির্মাতা। চিত্রনাট্যে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের পাঁচটি গল্প নিজস্ব দর্শনে তৈরি করেছেন তিনি। সিনেমায় 'মানুষের বাগান' শিরোনামের একটি গান রয়েছে, যা করেছে চিরকুট ব্যান্ড। গানটির গীতিকার নাহিদুর রহমান আনন্দ, যিনি চিরকুটের 'যাদুর শহর' গানটির কথাও লিখেছিলেন।   দুই বছর আগে আতিকের 'পেয়ারার সুবাস' সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল, সেটিও নির্মাণের আট বছর পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেন তিনি। এর আগে আতিক নির্মাণ করেছেন 'লাল মোরগের জুটি', 'ডুব সাঁতার', 'কিত্তনখোলা' সহ বেশ কিছু সিনেমা।    

আবরার আল মামুন সাহাফ মে ২২, ২০২৬
শাকিব খান । ছবি : সংগৃহীত

রামিসা হত্যাকাণ্ডে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া অপু বিশ্বাসের

সংগৃহীত ছবি

তীব্র গরমে শরীরের যে তিন অঙ্গ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে

ছবি : সংগৃহীত

দুধের স্বাদ ঘোলে মেটালেন হিরো আলম, এবার সঙ্গী ইধিকা পাল

0 Comments