প্রবাসী

মালদ্বীপে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী

আক্তারুজ্জামান জুন ২২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপের শিক্ষা খাতে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ আহমেদ মুত্তাকী।

 

শনিবার (২১ জুন) রাজধানী মালের ইমাজউদ্দিন স্কুল অডিটোরিয়ামে মিয়ানজু কলেজের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

 

শিক্ষা সম্প্রসারণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের ভূমিকার জন্য তাকে এ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। আয়োজকরা জানান, মালদ্বীপের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও উচ্চশিক্ষার প্রসারে তার অবদান বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি সাজিদা মোহাম্মদ। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

 

বক্তব্যে ফার্স্ট লেডি বলেন, মিয়ানজু কলেজ স্বল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। একটি জ্ঞানভিত্তিক, দক্ষ ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম গঠনে প্রতিষ্ঠানটির অবদান দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

 

সম্মাননা গ্রহণের পর অনুভূতি প্রকাশ করে আহমেদ মুত্তাকী বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি মালদ্বীপে কর্মরত সমগ্র বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের জন্যও গর্বের বিষয়। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একজন বাংলাদেশি হিসেবে এমন সম্মান পেয়ে আমি আনন্দিত ও সম্মানিত।”

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, আহমেদ মুত্তাকীর এ অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের দক্ষতা, সুনাম ও সক্ষমতার ইতিবাচক প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
খলিফা আল-থানির ইন্তেকালে অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম কমিউনিটির শোক প্রকাশ

কাতারের আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম রূপকার এবং দেশটির সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম কমিউনিটি শোক প্রকাশ করেছে।   ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত আমির হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি কাতারকে শিক্ষা, অবকাঠামো, জ্বালানি, কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবিক সহায়তা, পুনর্গঠন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তার নেতৃত্ব আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।   এই প্রেক্ষাপটে তার মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানাতে সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অবস্থিত কাতার দূতাবাস পরিদর্শন করেছে অস্ট্রেলিয়ান মুসলিম কমিউনিটির একটি প্রতিনিধি দল।   প্রতিনিধি দলটি কাতারের রাষ্ট্রদূত আলী সাদ মোহাম্মদ হাবাব আল-হাজরির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনুষ্ঠানিকভাবে সমবেদনা জানায়। এ সময় রাষ্ট্রদূত আল-হাজরি প্রতিনিধি দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, কাতার ও লেবাননের মধ্যে দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।   তিনি স্মরণ করেন, ২০০৬ সালে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের পর দক্ষিণ লেবাননের বহু শহর ও গ্রাম পুনর্গঠনে কাতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। প্রয়াত শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির নেতৃত্বে পরিচালিত সেই মানবিক সহায়তা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে। রাষ্ট্রদূত অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত লেবানিজ ও মুসলিম কমিউনিটির প্রতিও শুভেচ্ছা জানান।   প্রতিনিধি দলে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ রিয়াদ আল-রিফাই, লেবানিজ দারুল ইফতার প্রতিনিধি শাইখ মালিক জিদানে, শাইখ হাসান জিদানে, কায়সার তারাদ এবং ফাওয়াদ আল-আশৌহ।   প্রতিনিধি দলের পক্ষে শাইখ রিয়াদ আল-রিফাই ও শাইখ মালিক জিদানে কাতার সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, লেবাননের সংকটময় সময়ে কাতারের ধারাবাহিক মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠন কার্যক্রম দেশটির জনগণের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।   এদিকে একই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূতও কাতার দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে পৃথকভাবে শোক ও সমবেদনা জানান।   অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার মুসলিমদের শীর্ষ সংগঠন অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন অব ইসলামিক কাউন্সিলস (এএফআইসি) শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।   বুধবার (১৫ জুলাই) সংগঠনটির সভাপতি ড. রাতেব জোনাইদ এক শোকবার্তায় কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি, আল-থানি পরিবার, কাতার সরকার ও দেশটির জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।   ড. রাতেব বলেন, শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানি ছিলেন একজন দূরদর্শী ও রূপান্তরমূলক নেতা, যার নেতৃত্বে কাতার আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।   তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটি দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম কাতারি কমিউনিটির শোকের এই সময়ে তাদের পাশে রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি মরহুমের মাগফিরাত, জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব এবং তার পরিবার ও কাতারের জনগণের জন্য ধৈর্য ও শক্তি কামনা করেন।   কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ক্যানবেরায় কাতার দূতাবাসে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও মুসলিম কমিউনিটির নেতাদের উপস্থিতি শুধু একজন প্রভাবশালী রাষ্ট্রনেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনই নয়, বরং কাতার, লেবানন, তুরস্ক এবং অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটির মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্য, পারস্পরিক সম্মান ও মানবিক সম্পর্কেরও প্রতিফলন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালিত

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতে অবৈধ ভবনে অভিযান, আবাসন সংকটে বাংলাদেশিসহ প্রবাসীরা

ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপে বিএনপির কর্মী সমাবেশ, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব

ছবি: সংগৃহীত
কুয়েতে উচ্ছেদ অভিযান: আশ্রয়শিবিরে বাংলাদেশিদের খোঁজ নিল দূতাবাস

কুয়েতে ঝুঁকিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ ভবন খালি করার সরকারি অভিযানে উচ্ছেদ হওয়া বাংলাদেশি প্রবাসীদের খোঁজখবর নিতে আশ্রয়শিবির পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল।   দূতাবাস জানায়, হাসাবিয়া ও আব্বাসিয়া এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে বাংলাদেশিসহ ভারত, পাকিস্তান, মিসর, নেপাল ও ফিলিপিন্সের নাগরিকদের সরিয়ে একটি সরকারি স্কুলে স্থাপিত অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।   দূতাবাসের কাউন্সেলর ও চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং কাউন্সেলর (শ্রম) শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেয়। পাশাপাশি কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তারা মতবিনিময় করেন।   জানা গেছে, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের জন্য কুয়েত সরকার খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় পানি এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রিত পরিবেশের ব্যবস্থা করেছে।   কুয়েত সরকার জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশের আরও বিভিন্ন এলাকায় একই ধরনের অভিযান চালানো হতে পারে।   কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, যেসব বিদেশি নাগরিকের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে, যাচাই-বাছাই শেষে তাদের আশ্রয়কেন্দ্র ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে বৈধ নথিপত্র না থাকলে তাদের ডিপোর্টেশন সেন্টারের মাধ্যমে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হবে।   এদিকে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি ও পরিবারগুলো বৈধ অবস্থানের প্রমাণ দেখাতে পারলে সাময়িকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে পারবেন। তবে সেখানে অবস্থানকালে কর্মস্থল বা অন্য কোনো কারণে বাইরে যাওয়ার অনুমতি থাকবে না।   চলমান অভিযানের প্রেক্ষাপটে কুয়েতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবাসনের বৈধতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। একই সঙ্গে বাইরে চলাচলের সময় সিভিল আইডি বা অন্য বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

গুয়াংজুতে ‘স্টাডি সার্কেল চীন’-এর সম্মেলন, প্রবাসীদের সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা

ছবি: সংগৃহীত

দুবাই ভিসার মেয়াদ বাড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আবহা বিমানবন্দরে হামলার প্রভাব, সৌদিতে বাতিল হচ্ছে একের পর এক ফ্লাইট

সৌদি প্রবাসীদের সরকারি লোগো ব্যবহারে সতর্ক করল জেদ্দা কনস্যুলেটের

সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশিদের সরকারি লোগোযুক্ত কনস্যুলেটের বিজ্ঞপ্তি ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল বা বিভিন্ন গ্রুপে কপি করে প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দা।   এক সতর্কবার্তায় কনস্যুলেট জানায়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া রাষ্ট্রীয় লোগো ব্যবহার আইনসম্মত নয়। তাই সরকারি লোগোসংবলিত কোনো বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড করে ব্যক্তিগত বা বেসরকারি প্ল্যাটফর্মে পুনঃপ্রকাশ থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।   কনস্যুলেটের ভাষ্য, প্রবাসীদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন নির্দেশনা ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। তবে অনেকেই সেসব বিজ্ঞপ্তি হুবহু নিজেদের নামে বা ব্যক্তিগত প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করছেন, যা বিভ্রান্তির পাশাপাশি আইনি জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে।   এ কারণে সরকারি বিজ্ঞপ্তির ছবি বা কপি পুনঃপ্রকাশ না করে সংশ্লিষ্ট অফিসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করার পরামর্শ দিয়েছে কনস্যুলেট।   কর্তৃপক্ষের মতে, অফিসিয়াল সূত্রের লিংক শেয়ার করলে প্রবাসীরা নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য পাবেন, একই সঙ্গে গুজব বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর ঝুঁকিও কমবে।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১৬, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সৌদির কারখানায় মেশিন দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল বাংলাদেশি কর্মীর

ছবি: সংগৃহীত

দেশে ফেরা হলো না ইতালিপ্রবাসী ফখরুলের, বিমানে অসুস্থ হয়ে জর্জিয়ায় মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশি দুই ভাই

0 Comments