আন্তর্জাতিক

লাগোসের মাকোকো বস্তি হলেও এটি আফ্রিকার ভেনিস হিসেবে পরিচিত

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

নাইজেরিয়ার লাগোসে লেকের ওপর গড়ে ওঠা মাকোকো বসতিকে ঘিরে নতুন করে নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা সামনে এসেছে। বহু বছর ধরে এটিকে উচ্ছেদ ও পুনর্বাসন নিয়ে বিতর্ক চলছে। এই এলাকাকে এবার ‘লাগোস ওয়াটার সিটি’ মডেলের আওতায় উন্নয়নের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


মাকোকোতে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগর পরিকল্পনায় সহানুভূতি ও দায়িত্ব দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দ্রুত বর্ধনশীল লাগোস শহরের জন্য মাকোকো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে নগরায়ণ, পরিবেশ ঝুঁকি ও জলবায়ু সহনশীলতা একসঙ্গে বিবেচনায় আনতে হচ্ছে।


মাকোকোকে প্রায়ই ‘আফ্রিকার ভেনিস’ বলা হয়। এখানে বহু পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মাছ ধরা, নৌকা তৈরি ও জলপথ পরিবহনকেন্দ্রিক অর্থনীতির ওপর নির্ভর করে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বসতির অনানুষ্ঠানিক চরিত্র মূলত আবাসন সংকট ও পরিকল্পনাহীন নগরায়ণের ফল।


২০১২ সালে নিরাপত্তা ও পরিবেশগত কারণ দেখিয়ে মাকোকো উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলে তা সমালোচনার মুখে পড়ে। পরবর্তীতে ২০১৩ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে উচ্ছেদের বদলে উন্নয়নভিত্তিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। নিরাপদ খুঁটির ওপর ঘর, উন্নত স্যানিটেশন ও পরিকল্পিত জলপথ উন্নয়নের প্রস্তাব এলেও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন হয়নি।


২০২১ সালের পর থেকে লাগোস সরকার ‘ওয়াটার সিটি’ মডেলের আওতায় জলপথ বসতিগুলোকে পরিকল্পিত ও জলবায়ু সহনশীল নগর এলাকায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়। এ মডেলে নিরাপদ বাসস্থান, উন্নত স্যানিটেশন, জলপথ পরিবহন ও জলভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিকল্পনাটি সফল হলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমবে, পরিবেশ রক্ষা পাবে এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানে যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি মাছ ধরা, নৌকা তৈরি ও পর্যটন খাতে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।


তবে বাসিন্দাদের পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও জীবিকার নিশ্চয়তা ছাড়া কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম সফল হবে না বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা নিশ্চিত করা গেলে মাকোকো আফ্রিকায় জলভিত্তিক নগর উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেছেন। বাবার দাফন শেষ হওয়ার পর শনিবার (১১ জুলাই) দেওয়া প্রথম বার্তায় তিনি বলেন, এই প্রতিশোধ শুধু তার পরিবারের সিদ্ধান্ত নয়, পুরো ইরানি জাতির ইচ্ছা ও দাবি।   ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যুদ্ধের প্রথম দিনে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। বাবার আকস্মিক মৃত্যুর পর এই প্রথম বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি জানাজায় লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতির জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি এই বিশাল জনসমাগমকে ‘শত্রু-বিধ্বংসী এবং ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন।   বাবার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে মোজতবা খামেনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তেহরান এই হত্যাকাণ্ডকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নেবে না। জাতীয় আকাঙ্ক্ষা অনুসারে এর যথাযথ ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে।   সূত্র: আল-জাজিরা

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেনে রুশ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত ৬

ছবি: সংগৃহীত

এআই দিয়ে ভুয়া স্মোক ডিটেক্টরের ছবি বানিয়ে ধরা খেলেন বাড়িওয়ালা

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন চাপে লেবাননে সামরিক অভিযান স্থগিত করল ইসরাইল

ছবি: সংগৃহীত
তুরস্কের পর এবার মিশরেও ‘সমকামী’ যাত্রী বহনকারী জাহাজে নিষেধাজ্ঞা

তুরস্কের বন্দরগুলোতে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করার মাত্র কয়েকদিন পরই প্রায় ২০০০ সমকামী পুরুষ যাত্রী বহনকারী একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীকে বন্দরে ভিড়তে দেয়নি মিশর। এলজিবিটিকিউ প্লাস ভ্রমণ সংস্থা ‘অ্যাটলান্টিস ইভেন্টস’ এর ভাড়া করা এবং ভার্জিন ভয়েজেস পরিচালিত ‘স্কারলেট লেডি’ নামের এই জাহাজটিকে আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে প্রবেশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মিশরীয় কর্তৃপক্ষ।   তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনে আনুষ্ঠানিক কোনো কারণ দেখায়নি কায়রো।   ১০ দিনের এই প্রমোদ ভ্রমণটি গ্রিসের এথেন্স থেকে ইতালির ভেনিস পর্যন্ত যাওয়ার কথা ছিল। প্রমোদতরীটির যাত্রীরা বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকালে ঘুম থেকে উঠে তাদের কেবিনের দরজার নিচে একটি জরুরি চিঠি পান। চিঠিতে জানানো হয়, জাহাজটিকে মিশরীয় জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী এটি আর আলেকজান্দ্রিয়ায় থামবে না।   এই ঘোষণার পর জাহাজের ক্রু সদস্যরা অবিলম্বে একটি বিকল্প বন্দরের সন্ধান শুরু করেছেন।   মার্কিন সমকামী অধিকার বিষয়ক সংবাদমাধ্যম 'অ্যাডভোকেট'-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, চিঠিতে অ্যাটলান্টিস ইভেন্টস-এর সিইও রিচ ক্যাম্পবেল বলেন, মিশরের এই সিদ্ধান্তে কম্পানিটি পুরোপুরি বিস্মিত। কারণ, গত বছরও তারা কোনো সমস্যা ছাড়াই একই ধরণের একটি ক্রুজ ভ্রমণসূচী সফলভাবে পরিচালনা করেছিলেন। এবারের সফরটি সফল করতে অ্যাটলান্টিস ও ভার্জিন ভয়েজেস কঠোর পরিশ্রম করলেও শেষ মুহূর্তে মিশরের এই নিষেধাজ্ঞা তাদের কাছে অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও হতাশাজনক ছিল।   এর আগে তুর্কি কর্তৃপক্ষ ‘নৈতিক মূল্যবোধ’ ও ‘জনসাধারণের উদ্বেগ’-এর কারণ দেখিয়ে জাহাজটিকে ইস্তাম্বুল ও কুসাদাসি বন্দরে ভিড়তে দেয়নি। যার ফলে প্রমোদতরীটির ভ্রমণসূচী ইতিমধ্যেই একবার পরিবর্তন করতে হয়েছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম 'দ্য গার্ডিয়ান' জানিয়েছে, তুর্কি কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছিল— এই ক্রুজটি এমন কিছু গোষ্ঠী ভাড়া করেছে যাদের আচরণ দেশটির সমাজের কাঠামো ও নৈতিক মূল্যবোধের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তুরস্কে সমকামিতা আইনিভাবে বৈধ হলেও দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সরকারের অধীনে এলজিবিটিকিউ প্লাস অধিকারের ওপর ব্যাপক দমনপীড়ন চলছে। গত কয়েক বছর ধরে সেখানে কোনো প্রাইড মার্চের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না এবং অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিতে চাওয়া অনেককে পুলিশ আটকও করেছে।   পূর্বনির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী, প্রমোদতরীটির বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় থাকার কথা ছিল। তবে এই নিষেধাজ্ঞার পর, নতুন সূচী অনুযায়ী প্রমোদতরীটি শনিবার (১১ জুলাই) গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

জন্মহার বাড়াতে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত

ভিয়েতনামের ফু কুওক দ্বীপে নৌকাডুবি, নিহত ১৫ ভারতীয় পর্যটক

ছবি: সংগৃহীত

স্যাটেলাইট চিত্রে ইরানের পরমাণু স্থাপনায় পুনর্নির্মাণের ইঙ্গিত, নতুন প্রশ্ন চুক্তি মানা নিয়ে

ছবি: সংগৃহীত
২০২৮ সালের মধ্যে সুদমুক্ত ব্যাংকিংয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান, বিদেশি ব্যাংকের জন্য থাকছে বিশেষ ছাড়

পাকিস্তান সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সুদভিত্তিক (রিবা) ব্যাংকিং ধাপে ধাপে বিলুপ্ত করার লক্ষ্যে একটি নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে। তবে রূপান্তর প্রক্রিয়ায় বিদেশি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে প্রচলিত ও ইসলামিক—উভয় ধরনের ব্যাংকিং সেবা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।   সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সাল থেকে নতুন অর্থায়ন ও ঋণ কার্যক্রম শরিয়াহসম্মত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। তবে এর আগে সম্পাদিত ঋণ ও আর্থিক চুক্তিগুলো মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগের নিয়মেই বহাল থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে আইনি জটিলতা ও আর্থিক অস্থিরতা এড়ানো সম্ভব হবে।   পাকিস্তানের ফেডারেল শরিয়ত কোর্ট ২০২২ সালে সুদভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা বিলুপ্ত করার নির্দেশ দেয়। পরবর্তীতে সংবিধানের ২৬তম সংশোধনীর মাধ্যমে ২০২৮ সালকে চূড়ান্ত সময়সীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।   নতুন রোডম্যাপে ইসলামিক অর্থায়ন সম্প্রসারণে নিয়মিত সুকুক (ইসলামিক বন্ড) ইস্যুর পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে সম্পদভিত্তিক অর্থায়ন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।   তবে বিদেশি ব্যাংককে দ্বৈত ব্যাংকিং সুবিধা দেওয়া হলেও দেশীয় ব্যাংকের ক্ষেত্রে একই নীতি না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, প্রতিযোগিতা ও গ্রাহকের পছন্দকে গুরুত্ব দিলে ইসলামিক ও প্রচলিত ব্যাংকিং কিছু সময় পাশাপাশি চলতে দেওয়াই অধিক কার্যকর হতে পারে।   সূত্র: ডন ও নিক্কেই এশিয়া।

আক্তারুজ্জামান জুলাই ১১, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

রুশ ড্রোন ও বোমা হামলায় কাঁপছে জাপোরিঝঝিয়া

ছবি: সংগৃহীত

ভিসা ইস্যুতে বাংলাদেশসহ ৭ দেশের জন্য সুখবর সৌদি আরবের

হরমুজ প্রণালী

হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানকে কাতারের আহ্বান

0 Comments