সারাদেশ

খুলনায় তারেক রহমানের সমাবেশে উপচে পড়া ভিড়

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬ 0

দীর্ঘ ২২ বছর পর খুলনায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নগরীর খালিশপুরের প্রভাতী স্কুলমাঠে সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। তবে ভোর থেকেই সেখানে জড়ো হতে শুরু করেন দলের নেতাকর্মীরা।


তাদের অনেকের হাতে ধানের শীষ, কারও হাতে তারেক রহমানের ছবি ও কারও হাতে জাতীয় পতাকা। বেলা ১১টার মধ্যেই কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে সমাবেশস্থল।
খুলনা মহানগর বিএনপির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার বেলা ১১টায় হেলিকপ্টারে করে ঢাকা থেকে খুলনায় আসবেন তারেক রহমান। সেখানে সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ সংলগ্ন প্রভাতী স্কুলমাঠে দুপুর ১২টায় সমাবেশে যোগ দেবেন। এরপর দুপুর ১টায় খুলনা থেকে হেলিকপ্টারে যশোরের উদ্দেশে রওনা হবেন তিনি। দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে নতুন উপশহরে বিরামপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। ২টা ৪০ মিনিটে আবার হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই জনসভায় বৃহত্তর খুলনা জেলার ১৪ জন বিএনপি প্রার্থীকে ভোটারদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
নেতারা আশা করছেন, খুলনা ছাড়াও বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পার্শ্ববর্তী জেলা কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, নড়াইল, মাগুরা ও যশোর জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ সমাবেশে অংশ নেবেন।

তারেক রহমানের খুলনা আগমনকে ঘিরে অনেকটা উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে। সমাবেশে যোগ দিতে দূর-দূরান্ত থেকে নেতাকর্মীরা বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস নিয়ে জনসভায় আসছেন।

আয়োজকদের প্রত্যাশা- তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই জনসমাবেশকে দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ নির্বাচনী সমাবেশে রূপ নেবে৷ অন্তত ৫ লাখ মানুষের উপস্থিতি টার্গেট নিয়ে তারা গত কয়েকদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়েছেন।


খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, জনসভায় চেয়ারম্যান তিন জেলাসহ মহানগীর ধানের শীষের সব প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন এবং খুলনাসহ অত্র অঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলবেন। তারেক রহমানের উপস্থিতি খুলনা বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকে নতুন করে সক্রিয় করবে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর। ছবি : সংগৃহীত
‘ধর্ষণে’ অন্তঃসত্ত্বা ১১ বছরের ছাত্রী : সেই মাদ্রাসাশিক্ষক কারাগারে

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১১) ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহসিনা ইসলাম তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আখতারুজ্জামান আসামির সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন। তবে বুধবার আদালতে পাঠাতে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় রিমান্ড আবেদনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হয়নি। আদালত আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এর আগে বুধবার ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র‌্যাব-১৪-এর একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে। দুপুরে ময়মনসিংহে র‌্যাবের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব তাকে মদন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় ‘হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার’ পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন। ১১ বছরের ওই মাদ্রাসাছাত্রীর মা গত ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় শিক্ষক সাগরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষকের লালসার শিকার হয়ে শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মামলাটি তদন্ত করছি।

মারিয়া রহমান মে ০৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

শাহজালাল (র.) মাজারে প্রধানমন্ত্রীর গিলাফ, ওরসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

সংগৃহীত ছবি

সুন্দরবনে জলদস্যুর তাণ্ডব: ২২ জেলে অপহরণ, ১৭ জন এখনো জিম্মি

ছবি : সংগৃহীত

শ্বশুরবাড়িতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ছবি : সংগৃহীত
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি ঘোষণা

বরাবরের মতো এবারও শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রেলওয়ের ওয়েবসাইটে টিকিট কেনা যাবে। ৫ জোড়া ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলবে। রেলওয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১৩ মে থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারের জন্য ৪টি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে ঈদ উপলক্ষে কেনা টিকিট ফেরত (রিফান্ড) নেয়া হবে না। কোরবানির পশু পরিবহনের লক্ষ্যে ২২ ও ২৩ মে ঢাকা-জামালপুর পরিচালিত হবে দুইটি ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে বিশেষ কিছু নিয়ম কার্যকর থাকবে: অনলাইনে কেনাকাটা: অগ্রিম ও ফেরত যাত্রার সব টিকিট কেবল অনলাইনে রেলওয়ের পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। টিকিট সীমা: একজন যাত্রী একবারই টিকিট কেনার সুযোগ পাবেন এবং সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট নিতে পারবেন। স্ট্যান্ডিং টিকিট: যাত্রার দিন স্ট্যান্ডিং বা আসনবিহীন টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এটি মোট আসনের (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দেওয়া হবে। রিফান্ড: ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কেনা টিকিট ফেরত বা টাকা রিফান্ড করা যাবে না। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার স্বার্থে এবং কালোবাজারি রুখতে এনআইডি যাচাইয়ের মাধ্যমে টিকিট ইস্যু করা হচ্ছে। যাত্রীদের সঠিক তথ্য দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদযাত্রা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৬, ২০২৬ 0
সোমবার ভেড়ামারা থানার হলরুমে সাংবাদিকদের চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।

৫০ হাজার টাকা চুক্তিতে বিএনপি কর্মী হত্যার চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত লিমন

সংগৃহীত ছবি

মাছ খাওয়ার বাহানা করে মাকে বাজারে পাঠিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহনন

ছবি : সংগৃহীত
২৩ ঘণ্টা পর আবারও বন্ধ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

২৩ ঘণ্টা সচল থাকার পর আবারও বন্ধ হয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ নং ইউনিট। ফলে আবারও পুরোপুরি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে ৫২৫ মেগাওয়াটের এই কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। ১২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ১ নং ইউনিটটি মেরামত করে শুক্রবার (১ মে) রাত সাড়ে ৮টা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যায়। ২৩ ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদনে থাকার পর শনিবার (২ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার কিছু আগে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়ে আবারও বন্ধ হয়ে যায়। বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বয়লারের টিউবে ত্রুটির কারণে চলমান ১ নং ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধের আগে ১ নং ইউনিট থেকে ৬০ থেকে ৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে জাতীয় গ্রিডে যোগ হচ্ছিল। উল্লেখ্য, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে উত্তোলিত কয়লার ব্যবহার নিশ্চিত করতে ২০০৬ সালে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্মাণ করা হয়। প্রথমে ১ নং ও ২ নং পৃথক দুইটি ইউনিট নির্মিত হয়। ইউনিট দুটির প্রতিটির উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে। পরে ২০১৭ সালে ২৭৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ৩ নং ইউনিট নির্মাণ করা হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু হওয়ার পর থেকে কখনোই পূর্ণ ক্ষমতায় অব্যাহতভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি।

মারিয়া রহমান মে ০৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

সুনামগঞ্জে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা,অটোরিকশা চালকসহ ৫ জন নিহত

ছবি: সংগৃহীত

মাগুরা জেলা যুবদলের সভাপতিকে চোরাচালানের অভিযোগে শোকজ

ছবি: সংগৃহীত

কাল থেকে বাজারে আসছে সাতক্ষীরার আম

0 Comments