বিনোদন

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিতর্ক: নির্মাতার বিরুদ্ধে ওমর সানি-মৌসুমীর ক্ষোভ

আক্তারুজ্জামান মে ০৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

নাটক হিসেবে নির্মিত একটি কাজকে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে মুক্তির উদ্যোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ঢাকাই চলচ্চিত্র অঙ্গনে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে আপত্তি জানিয়েছেন জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ওমর সানি ও মৌসুমী।

 

নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ শিরোনামের একটি প্রজেক্ট ঘিরে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে তীব্র প্রতিবাদ জানান তারা।

 

ওমর সানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ধারণ করা এই কাজটি মূলত একটি নাটক ছিল, যা পরে টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচারের কথা ছিল। কিন্তু সেটিকে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে সেন্সর ছাড়পত্র নেওয়ার ঘটনায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

 

তার ভাষায়, “মৌসুমীর লিখিত সম্মতি বা কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়া এটি কীভাবে সিনেমা হিসেবে মুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়, তা বোধগম্য নয়। একজন পেশাদার শিল্পীর কাজ নিয়ে এমন আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছি এবং সিনেমা হিসেবে মুক্তি বন্ধের দাবি জানাচ্ছি।”

 

ভিডিওতে মৌসুমীর একটি বক্তব্যও তুলে ধরা হয়। সেখানে তিনি জানান, কাজটি ছিল প্রায় এক ঘণ্টার নাটক। নির্মাতার অনুরোধে তিনি অতিরিক্ত সময় দিয়ে শুটিং শেষ করেছিলেন এবং টেলিফিল্ম হিসেবে প্রচারের বিষয়ে মৌখিক সম্মতি দিয়েছিলেন।

 

মৌসুমীর অভিযোগ, সিনেমা হিসেবে মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় ডাবিংসহ কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হয়নি। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের জন্য যে পারিশ্রমিক পাওয়ার কথা, সেটিও তিনি পাননি। একটি নাটককে জোরপূর্বক সিনেমায় রূপ দেওয়ার এই উদ্যোগকে তিনি শিল্পের জন্য নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
প্রথমবারের মতো অভিনয়ে এলেন জামাল ভূঁইয়া

  বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনার আবহে দর্শকদের জন্য বিশেষ আয়োজন নিয়ে এসেছে চ্যানেল আই। সম্প্রচার শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’, যেখানে জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে দেখা যাচ্ছে অভিনয়ে।   যদিও এর আগে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছেন জামাল ভূঁইয়া, তবে কোনো নাটক বা ফিকশনধর্মী প্রযোজনায় এটিই তার প্রথম অভিনয়। শুরুতে অভিনয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেও পরে পরিচালক তারিক মুহাম্মদ হাসানের অনুরোধে রাজি হন তিনি।   জামাল নিজেও জানিয়েছেন, বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলেও নাটকে অভিনয় তার জন্য একেবারেই নতুন এবং চ্যালেঞ্জিং অভিজ্ঞতা।   নাটকে জামাল ভূঁইয়ার স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাসনুভা তিশা। নাটকটির গল্প, কাহিনি ও পরিচালনায় রয়েছেন তারিক মুহাম্মদ হাসান।   ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’-এর কাহিনি আবর্তিত হয়েছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থকদের আবেগ, মান-অভিমান, ঝগড়া, হাস্যরস ও নানা নাটকীয় ঘটনাকে ঘিরে। ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দুই শিবিরের চিরচেনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বিনোদনমূলক আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে ধারাবাহিকটিতে।   এতে আরও অভিনয় করেছেন ইশতিয়াক আহমেদ রুমেল, শহিদ উন নবী, আনোয়ার, জাবেদ গাজী, অপু, আশিক, তানভীরসহ আরও অনেকে।   ধারাবাহিক নাটক ‘ব্রাজেন্টিনা ক্লাব’ প্রতি শনি ও রোববার রাত ১০টা ১০ মিনিটে চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হচ্ছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি জুলাই ১৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

কিডনি ক্যানসারের লড়াই শেষ, ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন সংগীতশিল্পী ইবরার টিপু

ছবি: সংগৃহীত

টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’ বিক্রি ১০০ ডলারে, ভক্তদের হুড়োহুড়ি

সংগৃহীত ছবি

আমার সম্মান নৈতিকতা ও চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে : পরীমনি

সংগৃহীত ছবি
‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর নতুন চমক নেপালি অভিনেত্রী

তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর নতুন মৌসুমে যোগ হলো এক নতুন আন্তর্জাতিক চমক। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’-তে সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর ‘চ্যাপ্টার ১৩’-তে যুক্ত হয়েছেন নেপালি মডেল ও অভিনেত্রী রাজেশ্রী থাপা।    গত বৃহস্পতিবার একযোগে এই সিরিজের ৯৭ থেকে ১০০ নম্বর পর্যন্ত মোট চারটি নতুন পর্ব অবমুক্ত করা হয়েছে। এরপর থেকেই দর্শক মহলে নতুন এই নারী চরিত্রটিকে নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।    জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকের নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি নিশ্চিত করেছেন যে, নাটকে এই নেপালি অভিনেত্রীর চরিত্রের নাম রাখা হয়েছে ‘কিরান’।   নির্মাতা অমি তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে রাজশ্রীর একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করে দর্শকদের এই নতুন চমকের কথা জানান। ছবিটির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ব্যাচেলর পয়েন্ট-এর নতুন আগুন, কিরান। কিরানকে দেখতে চোখ রাখুন বঙ্গ-তে। পরিচালকের সেই পোস্টে নেপালি এই অভিনেত্রী নিজেও মন্তব্য করে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।    শুধু তাই নয়, রাজেশ্রী থাপা তার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টেও একটি বিশেষ ছবি প্রকাশ করে বাংলাদেশের দর্শকদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন, যা দুই দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই বেশ সাড়া ফেলেছে।   জানা গেছে, এই বিশেষ পর্বগুলোর দৃশ্যধারণের জন্য মারজুক রাসেল, চাষি আলম, জিয়াউল হক পলাশ এবং শামীম হাসান সরকারসহ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ এর পুরো টিমকে নিয়ে নেপালে গিয়েছিলেন অমি। নেপালের মনোরম লোকেশনে গল্পের নতুন মোড় এবং রাজশ্রীর অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি দর্শকদের জন্য এবার থাকছে আরও একটি বড় আকর্ষণ। এবারের পর্বগুলোতে যুক্ত করা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের তুমুল উন্মাদনা। যেখানে ব্যাচেলর পয়েন্টের চিরচেনা ও জনপ্রিয় চরিত্রগুলোকে চিরাচরিত আমেজে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে জড়িয়ে মাঠ কাঁপাতে ও তর্কে জড়াতে দেখা যাবে।    সব মিলিয়ে নতুন এই চ্যাপ্টারটি দর্শকদের বিনোদনের পারদ আরও বাড়িয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১২, ২০২৬
অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

নতুন সিনেমার প্রচারে কলকাতায় ব্যস্ত জয়া আহসান

সংগৃহীত ছবি

২০ ঘণ্টা পানির নিচে শুটিং, অভিজ্ঞতা জানালেন রাশমিকা

সিফাত নুসরাত। ছবি - সংগৃহীত

‘নীহারিকা সেন’-এর টিজারে প্রশংসায় ভাসছেন সিফাত নুসরাত

অভিনেত্রী গওহর খান (বাঁয়ে) ও লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত
মেসিকে ‘বাজে অভিনেতা’ বললেন অভিনেত্রী

আর্জেন্টিনা ও মিশরের মধ্যকার বিশ্বকাপের বিতর্কিত ম্যাচে লিওনেল মেসির পারফরম্যান্স নিয়ে কটাক্ষ করেছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ও মডেল গওহর খান। মেসির বিরুদ্ধে অভিনয়ের অভিযোগ ও তাকে ‘লুজার’ বলে মন্তব্যের পর একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও শেয়ার করে আলোচনায় এসেছেন গওহর।   গওহর খান নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে এক ব্যক্তিকে মেসির মতো অভিনয় করতে দেখা যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই ব্যক্তি তৃতীয় একজনকে তুলে ধরছেন, আর তিনি হাত দিয়ে বল জালে পাঠাচ্ছেন।   আরেকটি দৃশ্যে ওই ব্যক্তিকে ভুল পাস করার অভিনয় করতে দেখা যায়। পরে তিনি আবার হাত দিয়ে বল তুলে নেন। এমনকি ভিডিওতে দেখানো হয়, খেলোয়াড় গোলপোস্টের বাইরে থেকে বল মারলেও রেফারি সেটিকে গোল হিসেবে ঘোষণা করছেন।   ভিডিওটি শেয়ার করে গওহর লেখেন, ‘হাহাহাহাহা! একদম ঠিক জায়গায় আঘাত করেছে।’ এর একদিন আগে মেসির সমালোচনা করে গওহর লিখেছিলেন, ‘কী এক লুজার, মেসি নয় যেন একটা জগাখিচুড়ি। একদম বাজে অভিনেতা।’   উল্লেখ্য, আর্জেন্টিনা ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিলেও মিশরের বিপক্ষে ম্যাচটি এখনো আলোচনায় রয়েছে। এর কারণ মেসির পেনাল্টি মিস, বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত। ম্যাচের প্রথমার্ধেই বিতর্কের শুরু হয়। ঐতিহাসিক জয়ের আশায় মাঠে নামা মিশরের বিপক্ষে শুরুতে চাপের মুখে পড়ে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে পেনাল্টি পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি মেসি।   আর্জেন্টিনার কাছে হারের কয়েক ঘণ্টা পর মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে এবং তার দলের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে বলে জানা গেছে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ম্যাচে নেওয়া রেফারিং সিদ্ধান্ত এবং ভিএআর ব্যবহারে ব্যর্থতার বিষয়ে তারা নীরব থাকতে পারে না।   বিবৃতিতে বলা হয়, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে দেখা রেফারিং সিদ্ধান্ত এবং ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ব্যবস্থার যথাযথ ব্যবহার না করার বিষয়ে মিশর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নীরব থাকতে পারে না।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ১০, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

মেসিই দেখালেন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নের হৃদস্পন্দন: পূর্ণিমা

ছবি : সংগৃহীত

তারকাদের প্রভাবে কি পরকীয়া স্বাভাবিক হয়ে উঠছে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

সালমান খানের আসন্ন ‘‘মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস’’ চলচ্চিত্রের পোস্টার। ছবি : সংগৃহীত

নতুন লুকে চমক দিলেন সালমান খান, মুগ্ধ ভক্তরা

0 Comments