জাতীয়

জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২৪, ২০২৫ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রকাশিত রায়ে বলা হয়, জীবনরক্ষাকারী ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে সরকার, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নয়।

 

২০১৮ সালে জীবনরক্ষাকারী ১১৭টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রেখে অন্যান্য ওষুধের মূল্য নির্ধারণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার সার্কুলারের বিরুদ্ধে জনস্বার্থে একটি রিট করা হয়। রিট আবেদনকারীদের মতে, ওষুধ মানুষকে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা করার মৌলিক উপাদান এবং এটি নাগরিকের বেঁচে থাকার অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই সরকারের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নাগরিক অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে।

রিটের শুনানি শেষে চলতি বছরের ২৫ আগস্ট হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট সার্কুলারকে অবৈধ ঘোষণা করে। রায়ে বলা হয়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের মূল্য সরকার নির্ধারণ করবে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নির্ধারিত মূল্য গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে।

 

উল্লেখ্য, ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮২ এর ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে সরকার ৭৩৯টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে এই ক্ষমতা সীমিত করে মাত্র ১১৭টি ওষুধের মূল্য নির্ধারণের ক্ষমতা সরকারের হাতে রাখা হয় এবং অন্যান্য সব ওষুধের মূল্য নির্ধারণ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে ন্যস্ত করা হয়।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি : সংগৃহীত
দাবি না মানলে কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইন্টার্ন চিকিৎসকদের

চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনায় যে ৪ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে তা না মানলে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।   শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন শেষে এ ঘোষণা দেন তারা।   গত বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয়ে কয়েকজন কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হাসপাতাল এলাকায় একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং মবের অভিযোগ ওঠে।   ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। একই সঙ্গে ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির উদ্যোগে ঢামেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেন।   কর্মবিরতি শেষে আজ শনিবার চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়।   বিক্ষোভ শেষে তদন্ত কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইন্টার্ন ডক্টরস সোসাইটির চার দফা দাবির অধিকাংশই তাদের সুপারিশমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।   চিকিৎসকরা সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, দ্রুত দোষীদের সনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে নাম-পরিচয় প্রকাশসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।   চিকিৎসকরা আরও জানান, একই দিনে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা সারাদেশে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।   তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণ না হলে দেশব্যাপী সব ইন্টার্ন চিকিৎসকরা কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সংরক্ষিত নারী আসনে আন্দোলনকর্মী ও যোগ্যদেরই প্রাধান্য দেবে বিএনপি: রিজভী

ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট

ছবি : সংগৃহীত

চৈত্রের কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে দেড় ঘণ্টা ফেরি বন্ধ, পরে স্বাভাবিক চলাচল

ছবি : সংগৃহীত
মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৫৩২ জনের, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বাড়তি ঝুঁকি

গত মার্চ মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৫৭৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৫৩২ জন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ হাজার ২২১ জন। নিহতদের মধ্যে ৬৬ জন নারী এবং ৯৮ জন শিশু রয়েছে।   শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি জানায়, জাতীয় ও আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে।   একই সময়ে ১৪টি নৌ-দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত, ২৭ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ৪৮টি রেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৬৭ জনের এবং আহত হয়েছেন ২২৪ জন।   যানবাহনভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছেন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী—২০৪ জন। এছাড়া বাসযাত্রী ৪৫ জন, ট্রাক ও পিকআপে ২৮ জন, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে ৪৬ জন এবং তিন চাকার যানবাহনে ৯৪ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনে ২৩ জন এবং সাইকেল আরোহী ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।   দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৬৬টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৩১টি নিয়ন্ত্রণ হারানো, ৮৬টি পথচারী চাপা এবং ৮২টি পেছন থেকে ধাক্কার ঘটনা রয়েছে।   স্থানভিত্তিক পরিসংখ্যানে জাতীয় মহাসড়কে সবচেয়ে বেশি ১৭১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আঞ্চলিক সড়কে ২৬৪টি, গ্রামীণ সড়কে ৭০টি এবং শহরের সড়কে ৬২টি দুর্ঘটনা ঘটে।   বিভাগভিত্তিক হিসেবে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ১২৬টি দুর্ঘটনায় ১৩৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ২৭টি দুর্ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৪৬টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত ও ৬৯ জন আহত হয়েছেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে প্রতিদিন গড়ে নিহতের সংখ্যা ছিল ১৫ দশমিক ৪২ জন, যা মার্চে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ১৬ জনে। অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি বেড়েছে প্রায় ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ।   রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের মতে, অধিকাংশ দুর্ঘটনার পেছনে রয়েছে অতিরিক্ত গতি, চালকদের বেপরোয়া মনোভাব, অদক্ষতা, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন এবং খারাপ সড়কব্যবস্থা। সংস্থাটি গতি নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং চালকদের প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিয়েছে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

ইরান সংলাপ ঘিরে ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধি দল, নেতৃত্বে ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স

নবম ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট কাটবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

বাসাবাড়িতে জ্বালানি মজুত: বাড়ছে অগ্নিঝুঁকি

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। সংগৃহীত ছবি
দুই দিনের সফরে তিন জেলায় যাচ্ছেন পাট প্রতিমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম দুই দিনের সরকারি সফরে রাজশাহী, দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলায় যাচ্ছেন। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজশাহীতে পৌঁছে এ সফরের কার্যক্রম শুরু হবে।   সফরের উদ্দেশ্য নিয়ে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় রাজশাহীর তথা দেশের ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পের বিকাশ এবং বস্ত্র ও পাট শিল্পের উন্নয়নে কাজ করছে বর্তমান সরকার।  দারিদ্র্য হ্রাস ও অর্থনীতি সমৃদ্ধ করা সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি। এ শিল্পের উন্নয়ন হলে গ্রামীণ কর্মসংস্থানের উন্নতি আসবে, অর্থনীতির জন্য ভালো হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ২৫ মার্চ সচিবালয়ে দেশের রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকের সঙ্গে সভা করেন ও এর লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিভিন্ন কর্মকৌশল ও দিকনির্দেশনা দেন। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী রাজশাহীতে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও রাজশাহী সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ উন্নত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সংশ্লিষ্টদের সাথে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড এর তত্ত্বাবধান করবে। পরদিন রোববার সকালে দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল এবং নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল ও ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস লি. এর কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম। এ সময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
আকবর হোসেন। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যে প্রেস মিনিস্টার পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আকবর হোসেন

ছবি : সংগৃহীত।

সংসদের চলতি অধিবেশনে মোট ৯১ বিল পাস

সংগৃহীত ছবি

সব শেষ করে দেওয়ার অপকৌশল নিয়েছে সরকারি দল : বিরোধীদলীয় নেতা

0 Comments