বিশ্ব

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ডিআর কঙ্গো মিশন এক বছর বাড়ানোর পক্ষে ভোট

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি ডিসেম্বর ২০, ২০২৫ 0

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ গতকাল শুক্রবার সর্বসম্মতিক্রমে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের মোতায়েনের মেয়াদ এক বছর বাড়ানোর পক্ষে ভোট দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র রুয়ান্ডা ও এম২৩ বাহিনীকে আঞ্চলিক শান্তি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

১১ হাজার ৫শ’ সেনাসদস্য কর্তৃক গঠিত এই মনুস্কো মিশন। যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনুমোদন করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে মার্কিন সরকার এই সংস্থার মোতায়েন খরচ কমানোর চেষ্টা করেছে।

এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোতে মনুস্কোর মেয়াদ ২০ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হলো। যা জানুয়ারিতে গোমা এবং ফেব্রুয়ারিতে বুকাভুর প্রধান কঙ্গোলি শহরগুলো সরকার বিরোধী এম২৩ বাহিনীর দখলে চলে যায়। 

ওয়াশিংটন বলেছে, এম২৩ গ্রুপটি রুয়ান্ডার সহায়তায় রয়েছে। ১০ ডিসেম্বর, এই গ্রুপটি উভিরা দখল করে নেয়। এই শহরে কঙ্গোর কয়েক লাখ মানুষ বসবাস করে আসছে। শহরটি দখল করার মাধ্যমে তারা বুরুন্ডির সাথে স্থলসীমা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয় এবং প্রতিবেশী দেশ থেকে কঙ্গোকে সামরিক সহায়তা পাওয়া থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

শুক্রবারের সভায় মার্কিন প্রতিনিধি জেনিফার লোসেটা বলেন, ‘একটি কার্যকর শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার জন্য রুয়ান্ডা এবং এম২৩ প্রচেষ্টার কারণে মনুস্কো মিশনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য চলমান আলোচনা আবারও বিঘ্নিত হয়েছে।’

এই মাসের শুরুতে, কঙ্গো এবং রুয়ান্ডার নেতা ওয়াশিংটনে একটি শান্তি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তবে উভিরায় সহিংসতা ঘটায় ঐ চুক্তি ভঙ্গের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বুধবার, এম২৩ ঘোষণা করেছে যে তারা শহরটি থেকে সরে যাওয়া শুরু করেছে এবং ‘মধ্যস্থকারীদের এবং অন্যান্য অংশীদারদের’ আহ্বান জানিয়েছে যাতে উভিরাকে সহিংসতা এবং প্রতিশোধ  থেকে রক্ষা করা যায়।

স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে যে সৈন্যরা শহরের উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে, এম২৩ পুলিশ এবং সাদা পোশাকধারী এজেন্টদের এখনও রাস্তায় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দেখা গেছে।

মঙ্গলবার, দুই বুরুন্ডিয়ান কর্মকর্তা অনুমান করেছেন যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কমপক্ষে ৮৫ হাজার মানুষ ডিআরসি থেকে পালিয়ে বুরুন্ডিতে আশ্রয় নিয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বলেছেন যে তারা মোট ৯০ হাজার নতুন আগমনের আশা করছেন এবং একটি ছবি প্রকাশ করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে কয়েক ডজন মানুষ গাছের নিচে ক্যাম্প করছে, তাদের থাকার জন্য কোনও অবকাঠামো নেই।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ছবি: সংগৃহীত
উত্তেজনার মধ্যেই ইউরোপের কাছে সাহায্য চাইল ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি চালু নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চাওয়ার পর এবার ইউরোপের কাছে সাহায্যের হাত পাতল ইসরায়েল। লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই করতে ইউরোপীয় দেশগুলোর সাহায্য চেয়েছে ইসরায়েল।   মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।   লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়ের ম্যাখোঁ যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হার্জোগ।   ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, লেবাননের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি সুযোগ এসেছে। তাই আলোচনা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি। এর আগে হার্জোগ ইউরোপকে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের লড়াইয়ে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই সময় ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননে স্থল অভিযান চালাচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহকে নির্মূল করতে ইউরোপের যে কোনো উদ্যোগকে এখনই সমর্থন করা উচিত’।   আলজাজিরা সোমবার জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে এই অভিযান সীমিত আকারে শুরু হয়েছে। লেবাননের খিয়াম শহরের আশপাশে হিজবুল্লাহর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে স্থল অভিযানের কথা জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।   ইরানের সঙ্গে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবে হিজবুল্লাহ রকেট হামলা চালালে পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েল। এরপর থেকে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলমান। এতে প্রায় ৮ শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ড্রোন হামলার আতঙ্ক কাটিয়ে ফের চালু দুবাইয়ের আকাশপথ

ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধ নিয়ে ভুয়া পোস্ট, ১৯ ভারতীয়কে ধরার নির্দেশ

ছবি : সংগৃহীত

আমিরাতের বড় তেলক্ষেতে ইরানের ড্রোন হামলা

ছবি : সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করবে যে দেশগুলো, মিলল বিশেষ অনুমতি

ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার ১৬তম দিনে বিশ্ব তেলের বাজারের ভূ-রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’। ইরান এই জলপথটি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করলেও, নির্দিষ্ট কিছু দেশের জন্য ‘সেফ প্যাসেজ’ বা নিরাপদ যাতায়াতের বিশেষ সুযোগ দিচ্ছে। তবে এই সংকটের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের ওপরে স্থিতিশীল রয়েছে। যাদের নিরাপদ পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে :   পাকিস্তান : রোববার পাকিস্তানের পতাকাবাহী ‘করাচি’ নামক আফরাম্যাক্স ট্যাঙ্কার সফলভাবে প্রণালিটি পার হয়েছে। ওমান উপকূলে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত হওয়ার পর এটি ছিল অবরোধের পর প্রথম অ-ইরানি জাহাজের সফল যাত্রা। ভারত : ভারতের জন্য বিশেষ ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা রেখেছে ইরান। গত শনিবার ভারতের দুটি এলপিজিবাহী ট্যাঙ্কার নিরাপদে এই পথ অতিক্রম করেছে। ভারতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ ফাতাহি জানিয়েছেন, বিশেষ বিবেচনায় ভারতীয় জাহাজগুলোকে এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। তুরস্ক : তুর্কি পরিবহন মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ১৫টি তুর্কি মালিকানাধীন জাহাজ সেখানে অপেক্ষায় ছিল। এরমধ্যে একটি জাহাজকে পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যা ইতোমধ্যেই ইরানের বন্দর ব্যবহার করেছিল। নিরাপদ যাতায়াতের জন্য দরকষাকষি করছে যারা : চীন : বেইজিং ইরানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালাচ্ছে। চীনের তেলের চাহিদার প্রায় ৪৫ শতাংশ এই প্রণালির মাধ্যমে আসে। রয়টার্স জানিয়েছে, কাতার থেকে এলএনজি এবং অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ পারাপারের জন্য বেইজিং তেহরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। ফ্রান্স ও ইতালি : ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপের এই দুই দেশ তাদের জাহাজের সুরক্ষার জন্য ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে মিত্র দেশ ছাড়া অন্যদের জন্য শর্ত বেশ কঠিন রাখা হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রভাব : গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৬৫ ডলার। কিন্তু ২ মার্চ আইআরজিসি প্রধানের উপদেষ্টা ইব্রাহীম জাবেরি প্রণালিটি বন্ধ ঘোষণা করার পর দাম দ্রুত বেড়ে যায়। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২.৫% বেড়ে ১০৫.৭০ ডলারে পৌঁছেছে, যা যুদ্ধপূর্ব পরিস্থিতির তুলনায় প্রায় ৪০% বেশি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি জানিয়েছেন, কোন দেশ পার হতে পারবে তা সম্পূর্ণ তাদের সামরিক বাহিনীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। মূলত যেসব দেশ ইরানের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে বা নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে, তাদের জন্য এই পথ শর্তসাপেক্ষে খোলা রাখা হচ্ছে। সূত্র : আল জাজিরা।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধ যতদূরই যাক, চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ইরান: আরাগচি

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের গোলাবর্ষণে ৪ বেসামরিক লোক নিহত

ছবি: সংগৃহীত

মিত্ররা হরমুজ প্রণালী খুলতে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘খুবই খারাপ’: ট্রাম্প

ছবি: সংগৃহীত
নেতানিয়াহুর নতুন ভিডিও নিয়েও সন্দেহ, বাড়ছে নিহতের গুঞ্জন

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া গুজবের মধ্যে তার একটি নতুন ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক ব্যবহারকারী দাবি করছেন, ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি করা হতে পারে। এর ফলে তার নিহতের গুঞ্জন আরও তীব্র আকার ধারণ করছে।   সোমবার (১৬ মার্চ) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নেতানিয়াহুর একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ ভিডিওতে নেতানিয়াহুর হাতে ছয়টি আঙুল দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়। এরপর থেকেই তার নিরাপত্তা ও অবস্থান নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। এরপর রোববার নেতানিয়াহুর ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিওতে তাকে জেরুজালেম হিলস এলাকার একটি ক্যাফেতে কফি অর্ডার করতে দেখা যায়। ভিডিওতে তিনি কফি হাতে নিয়ে হাস্যরস করে বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তার মৃত্যুর যে খবর ছড়িয়েছে, তা সত্য নয়। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, আমি কফির জন্য মরছি। এরপর তিনি বলেন, আপনারা তো আঙুল গুনতে চাইছিলেন, দেখুন এখানে বলে নিজের দুই হাত এগিয়ে দেন তিনি। ভিডিওটির শেষে কফি তুলে তাকে কিছু বলতেও শোনা যায়। তবে ভিডিওটি পোস্ট হওয়ার পরই এক্সের এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ দাবি করে, এটি একটি এআই-তৈরি ডিপফেক ভিডিও। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কফি শপে বসে নেতানিয়াহুর এমনভাবে ইরান বা লেবানন সংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে কথা বলার কোনো বাস্তব ঘটনা নেই। এদিকে কয়েকজন সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীও ভিডিওটির বিভিন্ন অংশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ বলেছেন, ভিডিওতে কফির কাপের ভেতরের তরলের আচরণ অস্বাভাবিক, আবার কেউ দাবি করেছেন নেতানিয়াহুর মুখের আকৃতি মাঝেমধ্যে বদলে যাচ্ছে। তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এসব গুজবকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। প্রধানমন্ত্রী সুস্থ আছেন। অন্যদিকে জেরুজালেমের ‘দ্য সাটাফ’ নামের ক্যাফেটিও ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে জানিয়েছে, সেদিন নেতানিয়াহু সেখানে কফি পান করতে এসেছিলেন। ক্যাফেটির পোস্টে লেখা হয়, আজ আমাদের এখানে প্রধানমন্ত্রী ও তার টিমকে আতিথ্য দিতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চাঁদ দেখা নিয়ে নাগরিকদের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিল সৌদি আরব

ছবি: সংগৃহীত

খামেনির ব্যবহৃত বিমান ধ্বংসের দাবি ইসরায়েলের, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

সংগৃহীত ছবি

তাইওয়ানের চারপাশে আবারও সামরিক মহড়া চীনের

0 Comments