জাতীয়

জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট কখনও আদর্শভিত্তিক ছিল না— বলছেন বিশ্লেষকরা

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ১৭, ২০২৬

ভোটের মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট কখনও আদর্শভিত্তিক ছিল না। বরং ইসলামকে উপজীব্য করে নির্বাচনী আসন সমঝোতার প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় ১১ দলীয় জোট ভেঙে ১০ দলের জোটে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ভোটের মাঠে এর কোনো ভূমিকা নেই। জোটের একক নেতৃত্ব না থাকায় ভাঙনের শঙ্কা-ও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা।

 

মূলত, জামায়াতে ইসলামের সাথে অন্য ধর্মভিত্তিক দলগুলোর টানাপোড়েন বরাবরই ছিলো। ২৪'র গনঅভ্যুত্থানের পর সেই দূরত্ব কমাতে সক্রিয় হন নেতারা। 'ওয়ান বক্স পলিসি' অর্থাৎ ইসলামী দলগুলোর ভোট এক বাক্সে, এই স্লোগান নিয়ে জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসসহ আটটি সমমনা দল মোর্চা গঠন করে জুলাই সনদ ও সংস্কার বাস্তবায়ন সহ ৫ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামে। নির্বাচনের তফসিলের পর আন্দোলন থেকে সরে এসে তারা তৎপর হয় আসন ভাগাভাগিতে।

 

আসন সমঝোতার আলোচনার মধ্যেই ধর্মভিত্তিক দলের বাইরে এনসিপি, এবি পার্টি ও এলডিপি আসন ভাগাভাগিতে যোগ দেয়। আসন বন্টন রূপ নেয় ১১ দলীয় ঐক্যে। এই ৩টি দলকে অন্তর্ভুক্ত করায় ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ একমত হয়নি। এতে আসন ভাগাভাগিতেও প্রভাব পড়ে। জোটের অন্যতম প্রধান দল ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ ১০০ আসন থেকে ৫০ এ নামলেও জামায়াতের সাথে আপোসরফা হয়নি শেষ পর্যন্ত।

 

এরই জেরে জোট বর্জন করে চরমোনাই পীরের দল। ইসলাম পন্থার কথা বলে যে জোট গঠন হয়েছিলো, আদতে সেটি ক্ষমতায় যাওয়ার মাধ্যম ছিল কিনা, সেও প্রশ্নও তুলছেন অনেকে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, ভোটে জিতে সরকার গঠন করলে মন্ত্রিপরিষদে কার অবস্থান কী হবে, কে প্রধানমন্ত্রী হবে বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবে— এটি নিয়ে তাদের মধ্যে 'উইন-উইন সিচুয়েশন' রয়েছে। এই ১০ দলীয় জোট যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতে পারে দীর্ঘসময়, তাহলে তারা রাজনৈতিক ফ্যাক্ট হতে পারে। অপরদিকে, কয়েকদিন পরপরই যদি ঐক্য ভাঙার পরিস্থিতি তৈরি হয়; তাহলে স্বাভাবিকভাবেই মানুষও তাদেরকে আর আস্থায় রাখবে না— এমন শঙ্কাও রয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, পূর্বে যাদের রাষ্ট্র চালানোর অভিজ্ঞতা নেই বা ক্ষমতার চর্চা কম; তাদের মধ্যে সরকারে থাকা কিংবা প্রধান বিরোধী দল হওয়া, দুই প্রেক্ষাপটেই জোটের দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অন্তর্দ্বন্দ্বও দৃশ্যমান হতে পারে। 

 

বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের মাঠে জামায়াত ছাড়া অন্য দলগুলোর প্রভাব নেই ঠিকই। কিন্তু, ঐক্যবদ্ধ থাকলে, কোনো একটি দল স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠবে না। জোটে ভাঙন হতে থাকলে, জনমনে আস্থাহীনতা বাড়বে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহবুব কায়সারের মতে, ভারসাম্যপূর্ণ সংসদের জন্য একটি দল বা মোর্চা শক্তিশালী না হয়ে বরং একটি বাইনারি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থাকা প্রয়োজন। হয় দুইটি দল অথবা জোট, দুটিই শক্তিশালী হওয়া ভালো। এতে সংসদ ভালো ও প্রাণবন্ত হবার পাশাপাশি কেউ ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠবে না।  

 

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০শে জানুয়ারি। এর আগেই সব দল ও জোটকে তাদের আসন সমঝোতার প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। যে অবিশ্বাস- ফাটল তৈরি হয়েছে ,জোট টিকে গেলেও সেই ঐক্যে আস্থা কতটা থাকবে সন্দেহ বিশ্লেষকদের।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিলেন বিমানমন্ত্রী

দেশের চলমান বিমান ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান।   তিনি বলেন, চলমান প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ করতে না পারলে শুধু প্রশাসনিক ব্যয়ই বাড়ে না, বরং সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তিও বহুগুণে বেড়ে যায়। তাই প্রতিটি প্রকল্পকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে শেষ করা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।   মন্ত্রী আরও জানান, দেশের বিমান খাতকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকার একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবন্দর সম্প্রসারণ, আধুনিক টার্মিনাল নির্মাণ, রানওয়ে উন্নয়ন এবং যাত্রীসেবা ডিজিটালাইজেশন প্রকল্প। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে দেশের বিমান চলাচল আরও দ্রুত, নিরাপদ ও সুবিধাজনক হবে।   তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “কোনো ধরনের গাফিলতি, বিলম্ব বা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়। কাজের গুণগত মান বজায় রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।” একইসঙ্গে তিনি নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করার নির্দেশ দেন।   সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা বিভিন্ন চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি উপস্থাপন করেন এবং কিছু প্রকল্পে ভূমি জটিলতা, সরবরাহ বিলম্ব ও কারিগরি সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এ বিষয়ে মন্ত্রী দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।   তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীচাপ দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আধুনিক অবকাঠামো ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ হলে শুধু সেবা উন্নত হবে না, দেশের পর্যটন খাত ও বৈদেশিক আয়ও বৃদ্ধি পাবে।   মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সকলের আন্তরিকতা, দায়িত্বশীলতা এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করা সম্ভব হবে, যা দেশের বিমান খাতে নতুন এক অগ্রযাত্রার সূচনা করবে।

মোঃ নাহিদ হোসেন মে ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ডিএমটিসিএলের কর্মীদের বেতন বিল ডিজিটাল হাজিরাসহ পাঠানোর নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

ঈদযাত্রার শুরুতেই ৫ জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

ঈদযাত্রা সহজ করতে আব্দুল্লাহপুরে ১৬০ মিটার রিজিড পেভমেন্ট চালু

ছবি: সংগৃহীত
এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যার বিচার সম্পন্নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুত নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় নজরুল পুরস্কার-২০২৫ও প্রদান করা হয়।   প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করে আগামী এক মাসের মধ্যে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।   তিনি আরও বলেন, “এই ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে কেউ শিশু বা নারীর বিরুদ্ধে এমন নৃশংস অপরাধ করার সাহস পাবে না।”   অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আক্তারুজ্জামান মে ২৩, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ মিলল লিফটের গর্তে

ছবি: সংগৃহীত

সীমান্ত পথে বাড়ছে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ, উদ্বিগ্ন খামারিরা

আসামি সোহেল রানা। ছবি: সংগৃহীত

রামিসা হত্যা: ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন, রোববারের মধ্যেই চার্জশিট

‘আইনগত সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ দায়িত্ব ও বাস্তবায়ন কৌশল’ শীর্ষক মতবিনিময় কর্মশালায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
পল্লবীতে শিশু হত্যার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত পাওয়া গেলে ঈদের পরই মামলার বিচারকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‌‘আমরা এমনভাবে এই মামলাটির বিচার অগ্রাধিকারভিত্তিতে শুরু করতে চাই যাতে কোনো প্রশ্ন না থাকে।’  আইনমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের মামলায় ডিএনএ রিপোর্ট অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ৭২ ঘণ্টার বেশি ডিএনএ রিপোর্ট তৈরি করতে সময় লাগার কথা নয়। সেক্ষেত্রে দ্রুত সময়ের মধ্যে ডিএনএ রিপোর্ট পাওয়া যাবে বলে আশা করেন তিনি।  শনিবার রাজধানীর মহাখালী ব্রাক সেন্টার অডিটরিয়ামে ‘আইনগত সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ দায়িত্ব ও বাস্তবায়ন কৌশল’ শীর্ষক মতবিনিময় কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি। পাশাপাশি নেত্রকোনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্তার বিষয়টি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে তিনি জানান।  বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তর এবং ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি এ কর্মশালার আয়োজন করে। বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মনজুরুল হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আইন সচিব খাদেম উল কায়েস, লিগ্যাল এইডের উপ-পরিচালক মাসুদা ইয়াসমিন, সহকারী পরিচালক শাশ্বতী বিপ্লব প্রমুখ। মুক্ত আলোচনায় ব্লাস্ট, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, আইন সালিশ কেন্দ্র, ইউএনডিপিসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারি আইনগত সহায়তা কেন্দ্রকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। আমাদের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক ও অভিন্ন। গরিব, অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে হবে।  তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আইন নিয়ে কোনো বৈষম্য থাকলে সেটাকে আমরা বাদ দেওয়ার চেষ্টা করব। আমরা সমান্তরালভাবে কাজ করতে চাই। 

মারিয়া রহমান মে ২৩, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে শিশুর বিরুদ্ধে নৃশংসতার বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিল ইউনিসেফ

ছবি: সংগৃহীত

এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ

ছবি : সংগৃহীত

পে স্কেল নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, জানা গেল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

0 Comments