চমৎকার দুই গোলে প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিল অ্যাস্টন ভিলা। বিরতির পর তারা ব্যবধান বাড়াল আরও। একপেশে লড়াইয়ে ফ্রেইবুর্ককে হারিয়ে ইউরোপা লিগে চ্যাম্পিয়ন হলো উনাই এমেরির দল।
ইস্তানবুলের বেসিকতাস পার্কে বুধবার রাতে ফাইনালে ৩-০ গোলে জিতেছে ভিলা। ইউরি টিয়েলেমান্স দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর, ব্যবধান বাড়ান এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া। তৃতীয় গোলটি করেন মর্গ্যান রজার্স।
প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি এর আগে সবশেষ শিরোপা জিতেছিল ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে, ইংলিশ লিগ কাপ। ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় তাদের আগের সাফলের গল্প তো আরও পুরনো; সেই ১৯৮১-৮২ মৌসুমে ওই সময়ের ইউরোপিয়ান কাপ জিতেছিল ক্লাবটি।
উনাই এমেরির ছোঁয়ায় সব খরা এক দিনেই দূর হলো।
ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের দ্বিতীয় সেরা এই প্রতিযোগিতায় কোচ হিসেবে সবচেয়ে বেশি শিরোপা জয়ের রেকর্ড আগে থেকেই এমেরির দখলে। পঞ্চমবার জিতে সেটাই আরও পোক্ত করলেন এই স্প্যানিয়ার্ড; সেভিয়ার হয়ে টানা তিনবার জয়ের পর, সবশেষ ২০২০-২১ আসরে আবার এই ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন তিনি ভিয়ারিয়ালের হয়ে।
প্রতিযোগিতাটি মোট ছয়বার ফাইনালে উঠে পাঁচবারই সফল এমেরি। কেবল একবার জিততে পারেননি আর্সেনালের ডাগআউটে থেকে, ২০১৮-১৯ মৌসুমে।
স্বপ্ন পূরণের মিশনে নেমে ৪১তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ভিলা। বাঁ দিক থেকে ডি-বক্সে ফাঁকা জায়গায় দারুণ ক্রস বাড়ান মর্গ্যান রজার্স, ছুটে গিয়ে দুর্দান্ত ভলিতে ঠিকানা খুঁজে নেন বেলজিয়ান মিডফিল্ডার টিয়েলেমান্স।
এগিয়ে যাওয়ার আনন্দের মাঝেই বিরতির আগমুহূর্তে আরেকটি চমৎকার গোল করেন বুয়েন্দিয়া। ডি-বক্সের বাইরে সতীর্থের পাস পেয়ে, একটু আড়াআড়ি এগিয়ে শট নেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার, বল হাওয়ায় একটু বাঁক নিয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়।
৫৮তম মিনিটে জয়ের পথে আরও এগিয়ে যায় ভিলা। বাঁ দিকে একজনকে কাটিয়ে গোলমুখে পাস দেন বুয়েন্দিয়া, আর সঙ্গে লেগে থাকা একজনের চ্যালেঞ্জ সামলে ছোট্ট টোকায় বল জালে পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার রজার্স।
১২ মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়তে পারতো, তবে আমাদু ওনানার হেড পোস্টে বাধা পায়। অবশ্য আরেকটি গোল হজম করা থেকে বেঁচে গেলেও, লড়াইয়ে ফেরার মতো তেমন কিছুই করতে পারেনি ফ্রেইবুর্ক।
গত শুক্রবার প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলকে ৪-২ গোলে হারিয়ে আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা পাকা করে ভিলা। দাপুটে পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরল তারা।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে আজ ৪ উইকেটে হারিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। এর ফলে প্লে-অফের আশাও বাঁচিয়ে রাখল কেকেআর। কেকেআরের কাছে হার মেনে আরও একবার নিজেদের ব্যর্থতার চিত্রটা প্রকট করল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। অনেক আগেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হতাশার তালিকায় যোগ হল আরও একটি পরাজয়ের লজ্জা। টস জিতে আজ প্রথমে মুম্বাইকে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে। শুরু থেকেই মুম্বাইয়ের ব্যাটিংয়ে দেখা যায় চরম অনিশ্চয়তা। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। অভিজ্ঞ ওপেনার রোহিত শর্মা মাত্র ১৫ রান করে ফিরে যান। অপর ওপেনার রিয়াল রিকেলটন করেন মাত্র ৬ রান। মিডল অর্ডারেও কেউ সেভাবে লড়াই গড়ে তুলতে পারেননি। মুম্বাইয়ের হয়ে একমাত্র কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন করবিন বশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রান করেন তিনি। তবে কেকেআরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয় মুম্বাই। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন সৌরভ দুবে, ক্যামেরন গ্রিন এবং কার্তিক ত্যাগী। প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট তুলে নেন। এছাড়াও অভিজ্ঞ স্পিনার সুুনিল নারা্ইন একটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট শিকার করেন। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও শুরুটা ভালো হয়নি কেকেআরের। ভয়ঙ্কর মেজাজে থাকা ফিন অ্যালেন মাত্র ৮ রান করে ফিরে যান। অধিনায়ক রাহানে করেন ২১ রান। ক্যামেরন গ্রিন ব্যাট হাতেও ব্যর্থ হয়ে ফেরেন মাত্র ৪ রানে। ৫৪ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় নাইট শিবির। সেই সময় দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মণীষ পাণ্ডে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা ব্যাটার রভম্যান পাওয়েল। দু’জনে মিলে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। মণীষ পাণ্ডে ৪৫ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। তবে এই জুটি ভাঙেন মুম্বইয়ের তারকা পেসার জশপ্রীত বুমরাহ। এর কিছুক্ষণ পরেই ম্যাচে দেখা যায় অসাধারণ এক মুহূর্ত। পাওয়েলের দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে রীতিমতো চমকে দেন করবিন বশ। তার সেই ফিল্ডিং মুহূর্ত অনেকেরই মনে করিয়ে দেয় কিংবদন্তি ফিল্ডার জন্টি রোডসকে। আউট হওয়ার আগে পাওয়েল করেন গুরুত্বপূর্ণ ৪০ রান। ১২৪ রানে পাঁচ উইকেট হারানোর পরে তেজস্বী সিং ডাগ আউটে ফেরেন মাত্র ১১ রান করে। রিঙ্কু ও অনুকূল রায় জয় এনে দেন কেকেআরকে। এই জয়ের ফলে প্লে-অফে ওঠার আশা এখনও জিইয়ে রাখল কলকাতা। তবে তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে বাকিদের দিকে।
১৯৮৬ সালে প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল ইরাক। দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও বৈশ্বিক আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ২০২৬ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ৩৪ সদস্যের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে ইরাক। বিশ্বকাপ স্কোয়াডে মিডফিল্ডার আমির আল আমারি, উইঙ্গার আলী জসিমের সঙ্গে জায়গা পেয়েছেন বলিভিয়ার বিপক্ষে আন্তঃমহাদেশীয় প্লে অফের জয়সূচক গোলদাতা আইমেন হুসেইন। ইনজুরির কারণে ওই ম্যাচ খেলতে না পারা অধিনায়ক জালাল হাসান দলে ফিরেছেন। চমক হিসেবে দলে আছেন তিন নবাগত ফুটবলার। ফুলব্যাক দারিও নামো, জুসেফ নাসরাওয়ে ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার আহমেদ কাসেম যথাক্রমে ফিনল্যান্ড, জার্মানি ও সুইডেনের যুব দলে খেললেও ইরাকের এই দলে ডাক পেয়েছেন। বিশ্বকাপে বেশ কঠিন গ্রুপেই পড়েছে ইরাক। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ছাড়াও নরওয়ে ও সেনেগালের সঙ্গে লড়াই করবে তারা। আগামী ১৬ জুন বোস্টন স্টেডিয়ামে নরওয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে ইরাক। ২২ ও ২৬ জুন ফ্রান্স ও সেনেগালের বিপক্ষে তাদের পরের গ্রুপ ম্যাচ। ইরাকের বিশ্বকাপ স্কোয়াড- গোলরক্ষক: আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, কুমেল সাদি, ফাহাদ তালিব। ডিফেন্ডার: হুসেইন আলি, মারচাস দস্কি, আকাম হাশেম, মাইথাম জব্বার, আহমেদ মাকনজি, দারিও নামো, ফ্রান্স পুত্রোস, মুস্তাফা সাদুন, রেবিন সুলাকা, জাইদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহিয়া, মানাফ ইউনিস। মিডফিল্ডার: হাসান আব্দুলকারিম, আমির আল আমারি, ইউসেফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মারকো ফারজি, পিটার গোয়ারগিস, জিদানে ইকবাল, জাইদ ইসমাইল, আলী জসিম, কারার নাবিল, জুসেফ নাসরাওয়ে, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকুব। ফরোয়ার্ড: মোহানাদ আলী, আইমেন হুসেইন, আলী আল হামাদি, আলী ইউসেফ।
বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলে কে না খেলতে চায়? এই যেমন নেইমার কঠিন পরীক্ষা দিয়ে বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়ে কেঁদেই দিলেন। স্পেনের তারকা লামিনে ইয়ামাল ছোটবেলা থেকে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতেন। প্রথমবার বিশ্বমঞ্চে নামার দোরগোড়ায় ১৮ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। ব্রাজিল-স্পেনের তারকাদের জন্যই যেখানে বিশ্বকাপে খেলা বহুল আকাঙ্ক্ষিত বিষয়, তখন তিউনিসিয়ার মতো একটি দলের খেলোয়াড়দের জন্য এই সুযোগ কত বড় হতে পারে! কিন্তু তাদের এক স্ট্রাইকারের বিষয়টি ভিন্ন। বাবার আপত্তির কারণে চূড়ান্ত স্কোয়াড থেকে বাদ দিতে হলো তাকে। তিউনিসিয়ার ফুটবল আকাশের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র মনে করা হচ্ছিল লুয়ি বেন ফারহাতকে। কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে যাচ্ছে। বিশ্বকাপের আগে কোচ লামুচির প্রাথমিক স্কোয়াডে নিয়মিত হয়ে উঠছিলেন ১৯ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। বিশ্ব মঞ্চে নিশ্চিতভাবে মূল একাদশে থাকতে পারতেন। কিন্তু ২৬ জনের স্কোয়াড ঘোষণার দিন তার নামই উচ্চারণ করা হলো না! তিউনিসিয়ার চূড়ান্ত স্কোয়াডে বেশ কিছু চমক ছিল, তবে সবচেয়ে বড় চমক বেন ফারহাতের অনুপস্থিতি। দল ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে কোচের উদ্দেশ্যে শুরুর দিকে প্রশ্ন ছিল তার না থাকা নিয়ে। উত্তর ছিল বিস্ময়কর। কোচ বললেন, ‘আজ সকালে তার বাবার কাছ থেকে ফোন কল পেলাম। তিনি আমাকে বললেন, তাকে দলে ডাকা বড্ড তাড়াতাড়ি হয়ে গেছে। তাকে দলে রাখার সময় এখনও হয়নি, বিশ্বকাপে খেলাতে রাজি নন তিনি। কিছুক্ষণ পর আমি লুয়িকে কল করেছিলাম, সে ফোন ধরেনি। এটা ছিল অসম্মানজনক।’ বেন ফারহাতের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, এই স্ট্রাইকার ও তার পরিবারের ভয় যে বিশ্বকাপে ভালো পারফরম্যান্স করতে না পারলে তার বাজারমূল্য কমে যাবে এবং বড় বড় ক্লাবে তার জন্য দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। তবে তিউনিসিয়ার ধারণা, এই স্ট্রাইকার জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করার কারণে ভবিষ্যতে জার্মান জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার অপেক্ষা করছেন।