খেলাধুলা

ইতালীয় ভাস্করের হাতে গড়া বিশ্বকাপ ট্রফি, কীভাবে হলো ফুটবলের আইকন?

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুলাই ১৮, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ চার বছর পর পর বিশ্বকাপ আসে। আগামীকাল রোববার অনুষ্ঠিত হবে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা এবং স্পেন। ম্যাচ শেষে বিজয়ী দলের অধিনায়কের হাতে উঠবে ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ট্রফি - বিশ্বকাপ। কিন্তু এই সোনালি, ঝকঝকে, আকর্ষণীয় ট্রফির উৎস, ইতিহাস বা ব্যাকগ্রাউন্ড কখনও জানার চেষ্টা করেছেন? গত ৯৬ বছর ধরে এই ট্রফি বিশ্বকাপজয়ী দলের হাতে উঠছে। এই ট্রফির নকশার নেপথ্যে রয়েছে এক ইতালীয় ভাস্করের অনন্য সৃষ্টিশীলতা এবং এক দীর্ঘ ইতিহাস। এই ট্রফির মধ্যে ক্রীড়াক্ষেত্রে তিন আবেগকে ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছিলেন ভাস্কর - ফুটবলারদের সংগ্রাম, সমর্থকদের উচ্ছ্বাস এবং জয়ের মুহূর্ত।

 

মিলানের ব্রেরা এলাকার নিজের স্টুডিয়োতেই বিশ্বকাপ ট্রফির নকশা তৈরি করেছিলেন ইতালীয় ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগা। ১৯৭০ সালে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জিতে ব্রাজিল চিরস্থায়ীভাবে আগের ট্রফি নিজেদের দখলে করে নেওয়ার পর নতুন ট্রফির নকশার জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ফিফা। সেই প্রতিযোগিতায় গাজ্জানিগার নকশাই শেষপর্যন্ত নির্বাচিত হয়। তার নকশায় দেখা যায়, দুটি মানবমূর্তি সর্পিলভাবে উঠে গিয়ে পৃথিবীর মতো গোলাকার একটি জিনিসকে ধরে আছে। গাজ্জানিগার ছেলে জর্জিওর কথায়, তার বাবা অসংখ্য স্কেচ তৈরি করার পর এমন একটি নকশার কথা ভাবেন, যেখানে পৃথিবী এবং ডিএনএ-র মতো দুটি রেখা একসঙ্গে ফুটে উঠবে।

 

সিলভিও গাজ্জানিগা ২০১৬ সালে প্রয়াত হন। তিনি জিডিই বের্তোনি সংস্থায় কাজ করতেন। শুধু বিশ্বকাপ নয়, উয়েফা কাপ এবং ইউরোপিয়ান সুপার কাপের মতো একাধিক মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিরও সৃষ্টিকর্তা তিনি। বিশ্বকাপের আগের ট্রফির ইতিহাসও কম রোমাঞ্চকর নয়। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপের জন্য তৈরি সেই ট্রফিতে গ্রিক দেবী নাইকির প্রতিকৃতি ছিল। বিশ্বকাপের প্রতিষ্ঠাতা জুলে রিমের নামে ট্রফিটির নাম ছিল 'জুলে রিমে ট্রফি'। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে প্রদর্শনীর সময় ট্রফি চুরি হয়ে যায়। পরে 'পিকলস' নামে একটি কুকুর দক্ষিণ লন্ডনের একটি ঝোপের নীচে ট্রফিটি খুঁজে পায়। তবে ১৯৮৩ সালে ব্রাজিলের ফুটবল ফেডারেশনের সদর দফতর থেকে দ্বিতীয়বার চুরি যাওয়ার পর ট্রফিটি আর উদ্ধার হয়নি। ধারণা করা হয়, ট্রফি গলিয়ে ফেলা হয়েছে।

 

গাজ্জানিগার নকশায় ফুটে উঠেছে জয়। ৫০টিরও বেশি নকশা জমা পড়লেও একমাত্র গাজ্জানিগাই পূর্ণাঙ্গ মডেল তৈরি করেছিলেন। তার ছেলে জর্জিও জানান, ‘ট্রফির নকশায় পৃথিবীকে সব কিছুর ঊর্ধ্বে রাখা হয়েছে। ফুটবলারদের শরীরের রুক্ষতা, পরিশ্রম, সংগ্রাম এবং জয়ের জন্য লড়াই ফুটে উঠেছে সেই ভাস্কর্যে। আর হাতগুলো একইসঙ্গে বিজয়ের প্রতীক এবং সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকে তুলে ধরেছে।’ বর্তমান বিশ্বকাপ ট্রফি ৩৬ সেন্টিমিটার উঁচু এবং ১৮ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি। এর নীচের অংশে সবুজ ম্যালাকাইটের দুটি বলয় রয়েছে, যা ফুটবল মাঠের প্রতীক। তবে বিজয়ী দল আসল ট্রফিটি চিরস্থায়ীভাবে নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। ফাইনালের পর ট্রফিটি ফিফার সুইজারল্যান্ডের সদর দফতরে ফিরে যায়। বিজয়ী দলকে দেওয়া হয় বিশ্বকাপ ট্রফির একটি রেপ্লিকা।

 

ব্রাজিল তিনবার বিশ্বকাপ জেতার পর আগের ট্রফি পাকাপাকিভাবে নিজেদের করে নিয়েছিল। তবে ফিফা এখন আর তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের আসল ট্রফি দিয়ে দেয় না। ২০২৬ বিশ্বকাপ সহ এখনও পর্যন্ত ১৪টি বিশ্বকাপে গাজ্জানিগার নকশার ট্রফিই ব্যবহার করা হয়েছে। ফিফা অন্তত ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই ট্রফি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৯৭৪ সালে পশ্চিম জার্মানি এবং নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ ফাইনাল টেলিভিশনে পরিবারের সঙ্গে দেখেছিলেন জর্জিও গাজ্জানিগা। সেটাই ছিল তার বাবার তৈরি ট্রফি বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার তুলে ধরার মুহূর্ত। তবে তার মতে, আসল বিস্ফোরণ ঘটেছিল যখন মিউনিখে জার্মান দল ট্রফিটি তুলে ধরে এবং গোটা স্টেডিয়াম আনন্দে ফেটে পড়ে। তাঁর কথায়, ‘সেই মুহূর্তেই একটি বস্তু আইকনে পরিণত হয়।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
৯ বছরের ছোট ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ম্রুণালের

ভারতীয় জাতীয় দলের উদীয়মান তারকা ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়ালের সঙ্গে নিজের প্রেমের চটকদার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর। মুম্বাইয়ের একই রেস্তোরাঁ থেকে দুজনকে বের হতে দেখার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রেমের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। তবে এসব ভুয়া খবর ও গুজবে ক্ষোভ প্রকাশ করে নেটিজেন ও সংবাদমাধ্যমকে কড়া জবাব দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।   ঘটনার সূত্রপাত মুম্বাইয়ের বান্দ্রা ওয়েস্টের একটি ক্যাফেতে। দুজনকে প্রায় একই সময়ে সেই ক্যাফে থেকে বের হতে দেখা গেলে ইন্টারনেটে মুহূর্তের মধ্যে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই ভক্তদের একাংশ দাবি করতে থাকেন যে ম্রুণাল ও ২৪ বছর বয়সী বাঁহাতি ব্যাটার যশস্বী প্রেম করছেন। ইন্টারনেটে ছড়ানো একটি পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘ম্রুণাল ঠাকুর কি তার চেয়ে ৯ বছরের ছোট ক্রিকেটার যশস্বী জয়সওয়ালকে ডেটিং করছেন?’   এই ধরনের মনগড়া খবরে চরম বিরক্তি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মন্তব্য ঘরে সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান ম্রুণাল ঠাকুর। ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘ভাই, একটু শান্ত হন! আমরা কোথায় একসঙ্গে ছিলাম? আপনারা এত পড়াশোনা করা মানুষ হয়েও কীভাবে এমন একটা ভুয়া খবরকে সত্যি বলে বিশ্বাস করছেন?’   নিজের মন্তব্যে থামেননি ম্রুণাল। দেশজুড়ে চলা গুরুতর বিষয়গুলোর প্রতি নজর দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের দেশে কত কিছু ঘটছে। জেন-জি (নতুন প্রজন্ম) থেকে কিছু শিখুন আর আসল বিষয়গুলো নিয়ে ভিডিও বানান, তাতে ভিউ আরও অনেক বেশি পাবেন।’   প্রিয় অভিনেত্রীর এমন স্পষ্ট ও সাহসী জবাবে সায় দিয়েছেন তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরাও। কমেন্ট সেকশনে ম্রুণালের সমর্থনে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘কেন এই ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে?’ অন্য একজন প্রশ্ন তুলে লেখেন, ‘একই দিনে দুইজন মানুষ কি একটি রেস্তোরাঁতে যেতেও পারেন না?’ আর এক নেটিজেন রসিকতা করে মন্তব্য করেন, ‘এই খবরটা যে রটেছে, তা কি ম্রুণাল ঠাকুর নিজে জানেন?’   উল্লেখ্য, তারকাদের সঙ্গে ম্রুণাল ঠাকুরের প্রেমের জল্পনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে দক্ষিণী অভিনেতা ধানুশের সঙ্গেও তার সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল এবং ২০২৬ সালে তারা বিয়ে করছেন বলেও খবর প্রকাশিত হয়। তবে পরবর্তীতে দুই শিল্পীই সেই খবর পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।   অন্যদিকে, ২৪ বছর বয়সী যশস্বী জয়সওয়াল বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম উজ্জ্বল ও প্রতিভাবান তরুণ তারকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর থেকেই ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন এই তারকা।   সূত্র: এনডিটিভি

মো: দেলোয়ার হোসাইন আগস্ট ০৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার পরবর্তী কোচ: প্ল্যান এ, বি, সি- সব পরিকল্পনাতেই স্কালোনি

ছবি: সংগৃহীত

সাকিব-হৃদয়দের হারিয়ে এলপিএল চ্যাম্পিয়ন শানাকার দল

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে সরাসরি আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য এখন ভারতের হাতে

সংগৃহীত ছবি
ফ্লাইট জটিলতায় ইতালিতে আটকা বাংলাদেশি ফুটবলার

কানাডা থেকে দেশে আসার পথে ইতালির রোমে ফ্লাইট জটিলতায় পড়েছেন বাংলাদেশের ফুটবলার কাজেম শাহ। কাজেমের সাথে তার বাবা সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ, মা এবং বোনও রয়েছেন।     ইতালির রোম থেকে কাজেমের বাবা হালিম শাহ বলেন, টরেন্টো থেকে বাংলাদেশ বিমানে রোমে আসার পর বিমানে আট ঘণ্টা বসে থাকতে হয়েছে। বিমানের জটিলতার কারণে পরবর্তীতে আমাদের হোটেলে স্থানান্তর করেছে।   তিনি বলেন, কানাডিয়ান পাসপোর্ট থাকায় আমরা হোটেল পেয়েছি। যাদের সেনজেন ভিসা নেই কিংবা কানাডা, আমেরিকার পাসপোর্ট নেই জানি না তাদের কি অবস্থা এখনো। রোম থেকে ঢাকায় কখন পৌঁছাতে পারব জানি না।

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৮, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বিপাকে ফিফা প্রধান

মায়ামির হয়ে ম্যাচের এক মুহূর্তে কাসেমিরো। ছবি : রয়টার্স

জার্সিতে ভুল নাম, কেন সেই বানান বদলাননি কাসেমিরো?

ছবি: সংগৃহীত

‘সম্ভবত এটাই ছিল আমার শেষ বিশ্বকাপ’ — তালিয়াফিকোর বিদায়ের ইঙ্গিত

ছবি: সংগৃহীত
রদ্রিকে কিনতে বার্সেলোনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল ম্যানচেস্টার সিটি

ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে কথা হচ্ছিল রিয়াল মাদ্রিদের। রদ্রিকে চায় রিয়াল।     বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল তাদের আলোচনা। তবে হুট করে তাদের আলোচনায় ঢুকে পড়ে বার্সেলোনা। রদ্রিকে চাই বার্সারও। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে যেকোনো এক দলকে বেছে নিতে হবে স্পেনের মিডফিল্ডারকে।     রিয়ালকে ‘না’ করে দিয়ে বার্সেলোনাকে বেছে নেন ৩০ বছর বয়সী রদ্রি। এই সিদ্ধান্ত নিতে সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বলে শোনা যাচ্ছে।  তবে বার্সায় যেতে রাজি হলেও রদ্রির জন্য যাওয়াটা সহজ হচ্ছে না। কেননা দরদামে বনছে না সিটি-বার্সার।     বিশ্বকাপজয়ী রদ্রিকে পেতে ৩৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের প্রস্তাব দিয়েছিল বার্সা। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৪০ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। তাতে রাজি হয়নি ম্যানচেস্টার সিটি।        নতুন করে আলোচনায় বসেছে দুই পক্ষ। বিবিসি জানিয়েছে, ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি হলে তবেই রদ্রিকে বিক্রি করতে রাজি ম্যানসিটি।     নতুন করে কোনো অফার বার্সা দিয়েছে কিনা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।     ম্যানসিটির সঙ্গে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে রদ্রির। স্প্যানিশ মিডফিল্ডারকে নেওয়ার পেছনে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের চোট অন্যতম কারণ। নতুন মৌসুমের শুরুতে পাওয়া যাবে না ডান হাঁটুর লিগামেন্টে চোট পাওয়া নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারকে। এ ছাড়া রদ্রির সঙ্গে পেদ্রি-দানি ওলমোদের জুটিও দুর্দান্ত জমে। ইউরো ও বিশ্বকাপ তারই প্রমাণ। উভয় টুর্নামেন্টে স্পেনকে চ্যাম্পিয়ন করতে অনবদ্য অবদান রদ্রির। তার স্বীকৃতি হিসেবে জিতেছেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার।

মারিয়া রহমান আগস্ট ০৮, ২০২৬
ক্যাম্পবেলের বলে আউট হওয়ার পর শান্তর হতাশ অভিব্যক্তি। ছবি : ক্রিকইনফো

প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়, ইনিংস ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত

বার্সেলোনা ছাড়তে পারেন আরাউহো, লিভারপুলে লোনে যাওয়ার গুঞ্জন

ছবি: সংগৃহীত

সাকিবের সব রেকর্ড মুছে ফেলতে বিসিবিকে বললেন শফিকুল

0 Comments