খেলাধুলা

এবার আইরিশদের তাণ্ডব দেখল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
এবারের আসরে প্রথম জয় পেল আয়ারল্যান্ড। ছবি : ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড
এবারের আসরে প্রথম জয় পেল আয়ারল্যান্ড। ছবি : ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড

আরও একবার সুযোগ পেয়েও টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা হলো না লোরকান টাকারের। তবে টাকার আফসোস নিয়ে মাঠ ছাড়লেও আয়ারল্যান্ড জিতেছে দাপট দেখিয়েই। ওমানকে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটা তাদের প্রথম জয়। এই সংস্করণে রানের হিসেবে এটা আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়।

 

ওমানের বোলারদের বিপক্ষে রীতিমতো তাণ্ডবই চালিয়েছে আইরিশ ব্যাটাররা। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করে আয়ারল্যান্ড। এই সংস্করণে এটা আইরিশদের সর্বোচ্চ পুঁজি। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এখন পর্যন্ত এটা দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ভারত-অস্ট্রেলিয়‍া কিংবা নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা যা করে দেখাতে পারেনি এবার তাই উপহার দিল আইরিশ ব্যাটাররা।

আয়ারল্যান্ডকে এই সংগ্রহ এনে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান টাকারের। ৫১ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো তাঁর ১৮৪ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি। এর আগেও একবার ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন টাকার; ২০২৩ সালের জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাচাইপর্বের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে। কাকতালীয়ভাবে সেবারও ৫১ বল খেলেছিলেন তিনি। সেবারের মতো আরও একদফা সেঞ্চুরির অপেক্ষা বাড়ল টাকারের।

আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩০ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন গ্যারেথ ডেলানি। ৩৮৮ স্ট্রাইকরেটে ৩৫ রান এনে দেন জর্জ ডকরেল। তাঁর ৯ বলের ইনিংসটি সাজানো ৫ ছক্কায়। ওমানের হয়ে ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন শাকিল আহমেদ।

জবাব দিতে নেমে ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। তৃতীয় উইকেটে ৭৩ রান যোগ করেন আমির কলিম ও হাম্মাদ মির্জা। বাকি সময় যাতায়াতের মিছিলে সামিল ছিল ওমানের ব্যাটাররা। ব্যারি ম্যাকার্থির বলে ম্যাথু হামফ্রিসের হাতে ধরার পড়ার আগে ৫০ রান করেন কলিম। ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর ২৯ বলের ইনিংস। হাম্মাদের অবদান ৪৬ রান। বাকিরা থেমেছেন টেলিফোন ডিজিটে। ওমানকে অলআউট করার কাজটা সামনে থেকেই করেন জশুয়া লিটল। ১৬ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন এই পেসার। হামফ্রিস এবং ম্যাকার্থির শিকার দুটি করে উইকেট।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
এবারের আসরে প্রথম জয় পেল আয়ারল্যান্ড। ছবি : ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড
এবার আইরিশদের তাণ্ডব দেখল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

আরও একবার সুযোগ পেয়েও টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি করা হলো না লোরকান টাকারের। তবে টাকার আফসোস নিয়ে মাঠ ছাড়লেও আয়ারল্যান্ড জিতেছে দাপট দেখিয়েই। ওমানকে ৯৬ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটা তাদের প্রথম জয়। এই সংস্করণে রানের হিসেবে এটা আয়ারল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়।   ওমানের বোলারদের বিপক্ষে রীতিমতো তাণ্ডবই চালিয়েছে আইরিশ ব্যাটাররা। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান করে আয়ারল্যান্ড। এই সংস্করণে এটা আইরিশদের সর্বোচ্চ পুঁজি। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এখন পর্যন্ত এটা দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। ভারত-অস্ট্রেলিয়‍া কিংবা নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা যা করে দেখাতে পারেনি এবার তাই উপহার দিল আইরিশ ব্যাটাররা। আয়ারল্যান্ডকে এই সংগ্রহ এনে দিতে সবচেয়ে বড় অবদান টাকারের। ৫১ বলে ৯৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১০ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো তাঁর ১৮৪ স্ট্রাইকরেটের ইনিংসটি। এর আগেও একবার ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলেন টাকার; ২০২৩ সালের জুলাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাচাইপর্বের ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে। কাকতালীয়ভাবে সেবারও ৫১ বল খেলেছিলেন তিনি। সেবারের মতো আরও একদফা সেঞ্চুরির অপেক্ষা বাড়ল টাকারের। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩০ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন গ্যারেথ ডেলানি। ৩৮৮ স্ট্রাইকরেটে ৩৫ রান এনে দেন জর্জ ডকরেল। তাঁর ৯ বলের ইনিংসটি সাজানো ৫ ছক্কায়। ওমানের হয়ে ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন শাকিল আহমেদ। জবাব দিতে নেমে ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় ওমান। তৃতীয় উইকেটে ৭৩ রান যোগ করেন আমির কলিম ও হাম্মাদ মির্জা। বাকি সময় যাতায়াতের মিছিলে সামিল ছিল ওমানের ব্যাটাররা। ব্যারি ম্যাকার্থির বলে ম্যাথু হামফ্রিসের হাতে ধরার পড়ার আগে ৫০ রান করেন কলিম। ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো তাঁর ২৯ বলের ইনিংস। হাম্মাদের অবদান ৪৬ রান। বাকিরা থেমেছেন টেলিফোন ডিজিটে। ওমানকে অলআউট করার কাজটা সামনে থেকেই করেন জশুয়া লিটল। ১৬ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট নেন এই পেসার। হামফ্রিস এবং ম্যাকার্থির শিকার দুটি করে উইকেট।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
উইকেট লাভের পর উচ্ছ্বাসিত বাংলাদেশ শিবির। ছবি : এসিসি

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভসূচনা

বান্ধবী মাহিকা শর্মার সঙ্গে হার্দিক পান্ডিয়া। ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তান ম্যাচের আগে বান্ধবীর সঙ্গে একান্তে টিম হোটেলে হার্দিক, নেট দুনিয়ায় তোলপাড়!

ছবি : সংগৃহীত

আইসিসির আমন্ত্রণ, বুলবুলের ‘না’

ছবি : সংগৃহীত
মোস্তাফিজ-রিশাদদের পিএসএলের ৮ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড

আগামী ২৬ মার্চ থেকে মাঠে গড়াবে মোস্তাফিজ-রিশাদদের পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) একাদশ আসর। আসন্ন আসরকে সামনে রেখে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে পিএসএলের নিলাম। এবারের পিএসএল নিলামে দল পেয়েছেন মোট ১০৩ ক্রিকেটার। তবে রিটেইন ও সরাসরি চুক্তিসহ এবার দল পেয়েছেন মোট ১৪১ জন ক্রিকেটার।   এবার পিএসএল নিলামের আগে সরাসরি চুক্তিতে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্স। এরপর নিলামে বাংলাদেশিদের মধ্যে দল পেয়েছেন রিশাদ হোসেন, নাহিদ রানা ও পারভেজ হোসেন ইমন। রিশাদ রাওয়ালপিন্ডি, নাহিদ রানা পেশোয়ার জালমি ও ইমন খেলবেন লাহোরের জার্সিতে।   এক নজরে দেখে নিন পিএসএলের ৮ দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড :   ইসলামাবাদ ইউনাইটেড :  শাদাব খান, সালমান ইরশাদ, আন্দ্রিস গুস, ডেভন কনওয়, ফাহিম আশরাফ, মেহরান মুমতাজ, ম্যাক্স ব্রায়ান্ট, মার্ক চ্যাপম্যান, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, মীর হামজা সাজ্জাদ, সামির মিনহাস, সামিন গুল, শামার জোসেফ, ইমাদ ওয়াসিম, রিচার্ড গ্লেসন, হায়দার আলী, মোহাম্মদ হাসনাইন, দীপেন্দ্র সিং আইরে।   শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্স :  স্টিভ স্মিথ, মোহাম্মদ নাওয়াজ, সালমান মির্জা, আহমেদ দানিয়াল, সাদ মাসুদ, শাহিবজাদা ফারহান, স্টিভ স্মিথ, জাহানজাইব সুলতান, অ্যাস্টন টার্নার, পিটার সিডল, তাবরাইজ শামসি, লাচলান শো, ডিলানো পটগিটার, জশ ফিপিপ, শান মাসুদ, মমিন কুমার, আওয়াইস জাফর।   করাচি কিংস :  মঈন আলী, খুশদিল শাহ, হাসান আলী, সাদ বেগ, আব্বাস আফ্রিদি, মঈন আলী, আজম খান, ডেভিড ওয়ার্নার, সালমান আলী আঘা, শহীদ আজিজ, মীর হামজা, অ্যাডাম জাম্পা, মোহাম্মদ হামজা, আকিব ইলিয়াস, খুজাইমা বিন তানভির, জনসন চার্লস, মোহাম্মদ ওয়াসিম, ইহসানউল্লাহ, রিজওয়ানউল্লাহ।   কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স : আবরার আহমেদ, উসমান তারিক, হাসান নাওয়াজ, শ্যামল হোসেন, স্পেন্সার জনসন, রাইলি রুশো, ফয়সাল আকরাম, আরাফাত মিনহাস, জাহানদাদ খান, খাজা নাফে, ওয়াসিম আকরাম জুনিয়র, খান জেব, বিসমিল্লাহ খান, সাকিব খান, ব্রেট হ্যাম্পটন, স্যামুয়েল হার্পার, বেভন জ্যাকবস, সাউদ শাকিল, বেন ম্যাকডারমট, টম কারান।   লাহোর কালান্দার্স :  মুস্তাফিজুর রহমান, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সিকান্দার রাজা, আব্দুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ নাইম, হারিস রউফ, উসামা মীর, ফখর জামান, উবাইদ শাহ, হাসিবউল্লাহ খান, মোহাম্মদ ফারুক, দাসুন শানাকা, পারভেজ হোসেন ইমন, আসিফ আলী, হুসাইন তালাত, তৈয়ব তাহির, গুড়াকেশ মোতি।   পেশাওয়ার জালমি :  অ্যারন হার্ডি, বাবর আজম, সুফিয়ান মুকিম, আব্দুল সামাদ, আলী রাজা, আমের জামাল, খুররাম শাহজাদ, মোহাম্মদ হারিস, খালিদ উসমান, আব্দুস সুবহান, জেমস ভিন্স, মাইকেল ব্রেসওয়েল, কুশাল মেন্ডিস, ইফতিখার আহমেদ, নাহিদ রানা, মির্জা তাহির বেগ।   হায়দরাবাদ কিংসম্যান :  সাইম আইয়ুব, উসমান খান, আকিফ জাভেদ, মাজ সাদাকাত, মার্নাস ল্যাবুশেন, মোহাম্মদ আলী, কুশাল পেরেরা, ইরফান খান নিয়াজি, হাসান খান, শায়ান জাহাঙ্গীর, ওটেনিল বার্টম্যান, হাম্মাদ আজম, রাইলি মেরিডিথ, শারজিল খান, আসিফ মাহমুদ, হুনাইন শাহ, রিজওয়ান মেহমুদ, সাদ আলী, তৈয়ব আরিফ।   রাওয়ালপিন্ডি :  মোহাম্মদ রিজওয়ান, জামান খান, ইয়াসির খান, স্যাম বিলিংস, নাসিম শাহ, রিশাদ হোসেন, ড্যারিল মিচেল, মোহাম্মদ আমির, আব্দুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, ডিয়ান ফরেস্টার, লরি ইভান্স, আসিফ আফ্রিদি, কামরান গুলাম, ফাওয়াদ আলী, মোহাম্মদ আমির খান, শাহজাইব খান।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মাঝপথেই বড় দুঃসংবাদ পেলেন দুই তারকা ক্রিকেটার

ছবি : সংগৃহীত

ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে চুক্তি নবায়ন করলেন থমাস টাচেল

ব্রাজিলের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করতে যাচ্ছেন কার্লো আনচেলত্তি

সংগৃহীত ছবি
‘আইসিসির এখন নেতৃত্ব দেখানোর সময়, শুধু বক্তব্য নয়’

আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের বৈঠকের পর সরকারিভাবে এ ঘোষণা আসে। সিদ্ধান্তটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত–পাকিস্তান গ্রুপ ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। তবে বয়কটের ঘোষণার পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আফ্রিদি ক্রিকেটকে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখার নিজের পুরোনো বিশ্বাসের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনীতি যেখানে সম্পর্কের দরজা বন্ধ করে দেয়, ক্রিকেট সেখানে সংযোগের নতুন পথ তৈরি করতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রতি কড়া বার্তাও দেন। আফ্রিদির ভাষায়, এখন সংস্থাটির উচিত কথার বদলে বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে ন্যায্যতার প্রমাণ দেওয়া। গতকাল রবিবার পাকিস্তান সরকার নিশ্চিত করে, দল টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে না। এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য আইসিসির ওপর আর্থিক ও কূটনৈতিক চাপ তৈরি করা বলেই মনে করা হচ্ছে। এর আগে নাকভি আইসিসির বিরুদ্ধে ‘দ্বৈত মানদণ্ড’ অনুসরণের অভিযোগ তোলেন এবং দাবি করেন, সংস্থাটি ভারতের বোর্ড বিসিসিআই–এর প্রভাবের বাইরে থাকতে পারছে না। পাকিস্তানের এই অবস্থানের পেছনে আরেকটি বিতর্কও রয়েছে। ২০ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনার সময় আইসিসি বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বা বিসিবি নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে খেলতে অনীহা জানায়। সম্প্রতি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে ছেড়ে দেয়, যা পরিস্থিতিকে আরো সংবেদনশীল করে তোলে। এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশও ভারতে অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলো নিয়ে আপত্তি তোলে। সব মিলিয়ে, রাজনৈতিক টানাপোড়েন, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত—এই তিনের জটিল সমীকরণেই এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ম্যাচটি এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে চমক দেখাল জিম্বাবুয়ে

ছবি : সংগৃহীত

বয়কট নাটকের পর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে এবার নতুন শঙ্কা!

ছবি : সংগৃহীত

নারী এশিয়ান কাপে ‘নতুন ইতিহাস’ গড়ার লক্ষ্য জাপানের

0 Comments