দীর্ঘ দুই যুগ পর নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল রংপুর সফরে যাচ্ছেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো রংপুর বিভাগজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ ও সাজ সাজ রব। একই সঙ্গে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে নগরীর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তারেক রহমান। সমাবেশকে সফল করতে এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভক্তি ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। যারা মনোনয়ন পাননি, তারাও অভিমান ভুলে এক কাতারে দাঁড়িয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেল ৪টায় তারেক রহমান রংপুরের পীরগঞ্জে জুলাই বিপ্লবে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেবেন তিনি।
রংপুর বিভাগে মোট ছয়টি সংসদীয় আসন রয়েছে। মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার আগে প্রতিটি আসনে চার থেকে পাঁচজন করে প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। চূড়ান্ত মনোনয়নের পর মনোনয়ন বঞ্চিতদের মধ্যে কিছুটা মান-অভিমান দেখা দিলেও তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে সেই দূরত্ব ঘুচেছে। প্রচারণায় অংশ না নেওয়ায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের একাধিক নেতাকে শোকজ করা হলেও বর্তমানে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছেন।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে জনগণের দ্বারে দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
তারেক রহমানের সফর উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর চেম্বার ভবনের মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিএনপি। এতে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু এবং রংপুর বিভাগের ছয়টি সংসদীয় আসনের বিএনপি প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুর অঞ্চলে বিএনপির পক্ষে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রতিফলন জনসভায় দেখা যাবে।”
তিনি জানান, বিভাগের ৩৩টি আসন থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জনসভায় অংশ নেবেন।
তিনি আরও বলেন, বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার। বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন ও বৈষম্য দূরীকরণে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বিমানবন্দর চালু, শিল্পকারখানা স্থাপন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নসহ নানা দাবি তারেক রহমানের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, জনসভাকে সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
অন্যদিকে রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও রংপুর-৩ আসনের (সদর ও আংশিক সিটি) প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু বলেন, দলের প্রধানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিকে তারেক রহমানের জনসভাকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে মহানগর পুলিশ। সভামঞ্চ, আশপাশের ভবন এবং পুরো এলাকায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকধারী পুলিশও দায়িত্ব পালন করবে। নগরীর বিভিন্ন তল্লাশি চৌকিতে নিরাপত্তা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।
মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী বলেন, জনসভাস্থল ও চলাচলের রাস্তাগুলো নিরাপদ রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। ইউনিফর্মধারী ফোর্সের পাশাপাশি রুফটপে নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রশ্নই আসে না। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করি। সততা ও নীতির প্রশ্নে কোনো আপস নেই। সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। ভূমিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ৪৬ বছর পর রাজশাহী সদর আসন থেকে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়াটা পুরো রাজশাহীবাসীর সম্মানের। এটি কোনো একক ব্যক্তির অর্জন নয়, বরং সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের ফল। তিনি বলেন, প্রায় ২০ বছর পর রাজশাহীর জন্য নতুনভাবে পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় নিজের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বড় কোনো পরিকল্পনা ঘোষণা না করলেও শিগগিরই রাজশাহীর উন্নয়নে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে বলে ইঙ্গিত দেন ভূমিমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশীদ, রাজশাহী ডিআইজি ড. মোহাম্মদ শাহজাহান, রাজশাহী জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরে সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন ভূমিমন্ত্রী। সভায় রাজশাহীর সার্বিক উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়। এর আগে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, ডিআইজি ও পুলিশ কমিশনারের পক্ষ থেকে ভূমিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
ময়মনসিংহ-১১ ভালুকা আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর হাতে নিজের ১২দফা নির্বাচনি ইশতেহার তুলে দিয়েছেন সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পরাজিত ১১ দলীয় জোট মনোনীত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী ডা. জাহিদুল ইসলাম। এ ঘটনা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাংসদ ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু এনসিপি ভালুকা উপজেলা কার্যালয়ে এনসিপি, জাতীয় যুবশক্তি, জাতীয় শ্রমিক শক্তি ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। ওই সময় এনসিপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। ওই সময় নবনির্বাচিত এমপির হাতে নিজের ১২ দফার ইশতেহার তুলে দিয়ে আগামীর সমৃদ্ধ ভালুকা বিনির্মাণে যেকোনো উন্নয়নমূলক উদ্যোগে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এনসিপি ভালুকা উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন মাস্টার বলেন,‘বিজয়ীর হাতে বিজিতের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে দেয়া স্থানীয় রাজনীতিতে একটি বিরল ঘটনা।’ নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু রাজনীতিতে বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন বলে জানান এবং ওই ইশতেহার পর্যালোচনা করে যেগুলো বাস্তবায়ন যোগ্য সেগুলো বাস্তবায়ন করবেন বলে উল্লেখ করেন।
আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বই মেলা। এ ঘোষণা দিয়েছেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা নিতাই রায় চৌধুরী । বুধবার সন্ধ্যায় মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি ও প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা নিতাই রায় চৌধুরী সন্ধ্যায় বাংলা একাডেমিতে পৌঁছান। এর একদিন আগে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন মন্ত্রীরা শপথ নেন। সন্ধ্যা ৭টায় বৈঠক শুরু হয়। সেখানে প্রকাশকরা তাদের দাবি তুলে ধরেন। পরে নিতাই রায় চৌধুরী ঘোষণা দেন, ‘অংশগ্রহণকারী সব প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্টল ভাড়া শতভাগ মওকুফ করা হলো।’ তিনি সবাইকে মেলায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্টলের জন্য আবেদন করা যাবে। একই দিন পরে লটারির মাধ্যমে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হবে।