বিনোদন

মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ে : ফারিয়া

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ২৯, ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ায় বরাবরই স্পষ্টবক্তা অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সমসাময়িক ইস্যু থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অনুভূতির কথা—সবই অকপটে শেয়ার করেন ভক্তদের সঙ্গে। এবার নির্বাচনী প্রচারণার উত্তাপের মাঝে বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের ধৈর্য দেখে নিজের প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়ে গেল এই অভিনেত্রীর। ফেসবুকে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে বাবার শান্ত স্বভাব এবং নিজের পরিবারের নারীদের ‘শাসন’ নিয়ে মজার এক স্মৃতিচারণ করেছেন তিনি।

 

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে লড়ছেন মির্জা আব্বাস। সম্প্রতি তার নির্বাচনী প্রচারণার বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। সেই ভিডিওগুলো দেখেই ফারিয়ার উপলব্ধি—তার বাবার মতোই অসীম ধৈর্য এই রাজনীতিবিদের। ফারিয়া লিখেছেন, “গত কিছুদিন নির্বাচনী প্রচারের বিভিন্ন ভিডিওতে মির্জা আব্বাস সাহেবের ধৈর্য দেখে বাবার কথা মনে পড়ছে।”

কেন মির্জা আব্বাসের ধৈর্য তাকে বাবার কথা মনে করিয়ে দিল, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ফারিয়া বেশ রসিকতার ছলে। তিনি জানান, তার বাবা ছিলেন ভীষণ ঠান্ডা স্বভাবের মানুষ, কিন্তু মা ছিলেন ঠিক তার উল্টো। দাদির কড়া শাসনে বড় হওয়া বাবার জীবন কেটেছে মা, স্ত্রী ও তিন কন্যার শাসনে।

ফারিয়া কৌতুক করে লেখেন, “আমি প্রায়ই হাসতে হাসতে বলি আমার বাবার তো জান্নাত অনেকটাই কনফার্মই। আমার বাবা এই দুনিয়ায় ৪১ বছর আমার মাকে, ৬২ বছর তার মাকে এবং পরবর্তীতে তার তিন কন্যাকে—এই ভয়ংকর ৫ মহিলাকে হাসিমুখে সহ্য করে গেছেন। তার শাস্তি তো দুনিয়াতেই শেষ, আর কী শাস্তি পাবে!”

ফারিয়ার স্ট্যাটাসটি যে নিছকই মজা করে দেওয়া এবং এর সঙ্গে রাজনীতি বা ধর্মের কোনো গভীর যোগসূত্র নেই, তা মনে করিয়ে দিতেও ভোলেননি অভিনেত্রী। পোস্টের শেষলগ্নে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তার বিশেষ অনুরোধ, “আল্লাহ ওয়াস্তে এইটা নিয়ে নিউজ করবেন না। প্লিজ। আর দয়া করে ধর্মীয় কিছু রিলেট করবেন না, এইটা কোনো সিরিয়াস স্টেটমেন্ট না।”

যদিও ফারিয়ার এই ‘নিউজ না করার’ অনুরোধই শেষ পর্যন্ত ভাইরাল নিউজে রূপ নিয়েছে। ভক্তরা তার রসবোধ এবং বাবাকে নিয়ে এমন মিষ্টি স্মৃতিচারণের প্রশংসা করছেন মন্তব্যের ঘরে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মায়ের মৃত্যুর শোকে ভেঙে পড়েছিলেন গোবিন্দ

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ—যাকে দর্শক চেনে ‘হিরো নম্বর ওয়ান’ নামে—সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মায়ের মৃত্যুর পর জীবনের এক কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করেছেন।   অভিনেতা জানান, মায়ের মৃত্যুর পর তিনি গভীর মানসিক আঘাতের মধ্যে পড়ে যান। সেই সময় নিজেকে অসহায় মনে হতো এবং জীবনের সবকিছু অর্থহীন হয়ে গেছে বলেও অনুভব করেছিলেন।   সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ বলেন, মায়ের প্রতি গভীর টান থেকেই তিনি একসময় নর্মদা নদীর তীরে গিয়েছিলেন। সেখানে দাঁড়িয়ে তার মনে হয়েছিল, প্রিয় মানুষটিকে আর কখনও ফিরে পাওয়া যাবে না—এই অনুভূতিই তাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছিল।   তিনি আরও জানান, নদীর তীরে উপস্থিত এক পুরোহিত তার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাকে পরিবার ও সন্তানদের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেন। সেই কথাগুলোই তাকে নতুনভাবে ভাবতে সাহায্য করেছিল।   গোবিন্দর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনা তার জীবনের জন্য বড় একটি শিক্ষা হয়ে আসে। কঠিন সেই সময় কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তার প্রায় দুই সপ্তাহ সময় লেগেছিল।   অভিনেতার এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি প্রকাশ্যে আসার পর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জনপ্রিয় তারকাদের হাসির আড়ালেও ব্যক্তিগত জীবনে গভীর সংগ্রাম ও মানসিক কষ্ট লুকিয়ে থাকতে পারে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ০৯, ২০২৬
প্রতীকী ছবি

সুস্থ মানুষেরও হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের অজানা ৫ ঝুঁকি

সালমান শাহ ও ডন। ছবি - সংগৃহীত

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডন

দক্ষিণী অভিনেতা ফাহাদ ফাসিল

স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকার কারণ জানালেন দক্ষিণী অভিনেতা

সংগৃহীত ছবি
১৮০ ডিগ্রি বদল কঙ্গনার, ‘নর্দমার প্রজন্ম’ থেকে এখন ‘দেশের বড় সম্পদ’

কয়েক দিন আগেই ভারতের ‌‘জেন-জি’ বিক্ষোভকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বা ‘জেনারেশন গটার’ আখ্যা দিয়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেওয়া বলিউড অভিনেত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত হঠাৎ করেই নিজের অবস্থান সম্পূর্ণ বদলে ফেলেছেন। দেশের নতুন প্রজন্মকে ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সংস্কৃতি ও পরিচয়ের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি।    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত জেন-জি তরুণদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাদের ‘দেশবিরোধী’ না বলার আহ্বান জানানোর ঠিক পরদিনই সুর বদলালেন হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনের এই বিজেপি এমপি।   শুক্রবার ভারতের সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কঙ্গনা বলেন, ‘জেন-জি তরুণরা আমাদের দেশের শক্তি এবং এক অর্থে আমাদের জাতির অনেক বড় সম্পদ। আমাদের তরুণসমাজ যেভাবে ক্রমবর্ধমান হারে দেশের সংস্কৃতি ও স্বকীয়তার প্রতিনিধি হিসেবে উঠে আসছে, তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’ এ সময় আরএসএস প্রধানের মন্তব্যের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মোহন ভাগবতজির বক্তব্য শোনার সুযোগ পেয়েছি, যাকে আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র মনে করি এবং তার প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা থেকে আমরা লাভবান হয়েছি। দেশের যুবসমাজ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এবং আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে গ্রহণ করছে, এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’   সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা করেন কঙ্গনা। দিল্লিতে যন্তর মন্তরে কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত সাম্প্রতিক বিক্ষোভ নিয়ে নিজের মন্তব্যের পর তোপের মুখে পড়লেও এদিন তিনি ঝাড়খণ্ডে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী এবং অলিম্পিক বা আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তা উৎসর্গকারী অ্যাথলেটদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।   নিজের আগের কঠোর মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এই বলিউড তারকা দাবি করেন, কতিপয় মানুষের জন্য পুরো প্রজন্মের নাম খারাপ হচ্ছে। কঙ্গনার ভাষ্যমতে, জেন-জি তো সরকারেরই অংশ। এটি তাদেরই দেওয়া জনরায়, যা আমাদের সরকার বহু বছর ধরে বাস্তবায়ন করে আসছে। জেন-জি তরুণরা চমৎকার। গালাগালি দেওয়া ওই ১০-১৫ জন লোক কিন্তু পুরো জেন-জি প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করে না। মূলত গুটি কয়েক ব্যক্তিই পুরো জেন-জি শব্দটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।   এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত স্পষ্টভাবে বলেন, দেশের তরুণরা আমাদের নিজেদেরই নতুন প্রজন্ম এবং তাদের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে। তারা যদি শান্তিপূর্ণভাবে কোনো দাবি বা প্রতিবাদের কথা তুলে ধরে, তবেই তাদের গায়ে ঢালাওভাবে ‘দেশবিরোধী’ তকমা লেপে দেওয়া যাবে না।   ভাগবতের এই ইতিবাচক বার্তার পরপরই কঙ্গনার এই ১৮০ ডিগ্রি অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এর আগে যন্তর মন্তরের জেন-জি বিক্ষোভের একটি ভিডিও প্রকাশ করে কঙ্গনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিভিন্ন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের ব্যবহৃত ভাষার সমালোচনা করে তিনি সে সময় বলেছিলেন, ‘আমি আমার জীবনে এক জায়গায় এত কদর্য রূপ আর কখনো দেখিনি। জেন-জি বিক্ষোভের এসব ভিডিও ও রিলস দেখলে বমি আসে। তারা যেভাবে কথা বলছে এবং যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে তা অত্যন্ত জঘন্য ও অশোভন। কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে?’ শুধু তাই নয়, পশ্চিমা ধাঁচে বেড়ে ওঠা এসব তরুণীকে লক্ষ্য করে সে সময় কঙ্গনা ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বা ‘জেনারেশন গটার’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন।    তবে আরএসএসপ্রধানের সাম্প্রতিক হস্তক্ষেপের পর সেই আগের কঠোর অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে আসলেন বিতর্কিত এই বিজেপি এমপি। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

মোঃ ইমরান হোসেন আগস্ট ০৯, ২০২৬
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। ফাইল ছবি

নেপালে ক্যাবল কারে উঠে আতঙ্কিত অপু বিশ্বাস

ছবি: সংগৃহীত

মাইক্রোপ্লাস্টিকের সঙ্গে হার্ট অ্যাটাকের সম্পর্ক, যা বলছে গবেষণা

ছবি: সংগৃহীত

টম-জেন্ডায়ার বিয়েতে খরচ ৬ কোটি টাকা, ছিল স্পাইডার-ম্যানের ছোঁয়া

ছবি: সংগৃহীত
‘দ্য ট্রেইটরস ২’ ট্রেলারে রহস্য, বিশ্বাসঘাতকতা ও মানসিক লড়াই

অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম প্রাইম ভিডিও প্রকাশ করেছে আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘দ্য ট্রেইটরস’-এর দ্বিতীয় সিজনের ট্রেলার। প্রথম মৌসুমের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও সঞ্চালকের ভূমিকায় ফিরেছেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক করণ জোহর।   নতুন ট্রেলারে রহস্য, ছদ্মবেশ, সন্দেহ এবং প্রতিযোগীদের পারস্পরিক অবিশ্বাসের আবহকে আরও তীব্রভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রতিযোগীদের মানসিক টানাপোড়েন, কৌশল এবং প্রতারণার দিকগুলো বিশেষভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন করণ জোহর।   এবারের সিজনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন টেলিভিশন তারকা শ্বেতা তিওয়ারি। তার পাশাপাশি অংশ নিয়েছেন মুনাওয়ার ফারুকী, মল্লিকা শেরাওয়াত এবং রিয়া চক্রবর্তী। ট্রেলারে তাদের তীক্ষ্ণ মন্তব্য, সন্দেহপ্রবণ আচরণ এবং মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ের ইঙ্গিত দর্শকদের মধ্যে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।   একটি বিলাসবহুল প্রাসাদকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই শোতে প্রতিযোগীদের মূল লক্ষ্য একে অপরকে বিভ্রান্ত করা, গোপন পরিচয় লুকিয়ে রাখা এবং কৌশলগত বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে টিকে থাকা। বিশ্বাস ও ছলনার এই খেলাই শোটির মূল আকর্ষণ।   প্রথম সিজনের জনপ্রিয়তার পর দ্বিতীয় মৌসুমে চ্যালেঞ্জ ও উত্তেজনার মাত্রা আরও বাড়ানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাইম ভিডিওতে খুব শিগগিরই ‘দ্য ট্রেইটরস ২’-এর সম্প্রচার শুরু হবে।

আক্তারুজ্জামান আগস্ট ০৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের সবচেয়ে দামি অভিনেত্রী এখন আলিয়া!

ছবি: সংগৃহীত

কোহলিকে টপকে আবারও শীর্ষে শাহরুখ

ছবি: সংগৃহীত

‘গ্ল্যাডিয়েটর’ তারকার সঙ্গে নতুন চমক নিয়ে আসছেন ‘দেশি গার্ল’

0 Comments