বিশ্ব

দ্রুত ইউক্রেন ছাড়ুন, বিদেশি কূটনীতিকদের রাশিয়ার সতর্কবার্তা

মোঃ ইমরান হোসেন মে ০৭, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ইউক্রেনে অবস্থানরত কূটনৈতিক সংস্থাগুলোকে দ্রুত তাদের কর্মীদের সরিয়ে নিতে আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইউক্রেনে সম্ভাব্য বড় হামলা চালানোর আগে রাশিয়া এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


বুধবার টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা কূটনীতিকদের সতর্ক করেছেন। খবর আল জাজিরার।
এ সময় জাখারোভা বলেন, ‘আমরা ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ এবং সংস্থার নেতৃত্বকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এই বিবৃতিকে গ্রহণ করতে এবং কিয়েভ থেকে কূটনৈতিক ও অন্যান্য প্রতিনিধি কর্মীদের সময়মতো সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলছি। রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী প্রতিশোধমূলক হামলা চালাতে পারে।’


অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি আর্মেনিয়ায় ইউরোপিয়ান পলিটিকাল কমিউনিটির বৈঠকে বলেছেন, ‘নিরাপত্তার কারণে এবার বিজয় দিবস উদ্‌যাপনে সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করতে পারছে না তারা।’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, রাশিয়া মে মাসের সামরিক প্যারেডের প্রস্তুতিতে তার অঞ্চলের বিমান প্রতিরক্ষা পুনর্বিন্যস্ত করছে। এটি ইউক্রেনকে আরও দীর্ঘ-পরিসরের আক্রমণের সুযোগ দিচ্ছে। একই সঙ্গে উভয় দেশ উৎসবের আগে প্রতিযোগিতামূলক চুক্তি বা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। যদিও দুপক্ষই একে অপরের প্রতি অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযোগ করেছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় উল্লম্ফন, বেড়েছে ২ শতাংশের বেশি

লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান আরও জোরদার করায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দুই শতাংশের বেশি বেড়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসরায়েল সেনাদের লেবাননের আরও ভেতরে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।   সোমবার (০১ জুন) রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেল (ডব্লিউটিআই) ফিউচারের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৩৭ ডলার বা ২ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়ে ৮৯ দশমিক ৭৩ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ দশমিক ১৬ ডলার বা ২ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ২৮ ডলারে ওঠে।   বিশ্লেষকদের মতে, গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটনে ইসরায়েল-লেবানন শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এরপর আবার নতুন করে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে তেলের বাজারে সরবরাহ ঝুঁকির আশঙ্কা আবারও বেড়েছে।   ইসরায়েল-লেবানন সংঘাতকে ইরান যুদ্ধের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক বিস্তার হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ইরানের সমর্থনে ইসরায়েলের দিকে রকেট ও ড্রোন হামলা শুরু করলে সংঘাতের সূচনা হয়। এপ্রিলের মাঝামাঝি উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও সীমান্তে মাঝেমধ্যেই গোলাগুলি ও হামলা অব্যাহত রয়েছে।   এদিকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে বলেন, প্রণালিটি পুরোপুরি নিরাপদ করে পুনরায় চালু করতে সময় লাগতে পারে এবং তেলের বাজারে স্বস্তি ফিরতেও দেরি হতে পারে।   তিনি বলেন, ‘চুক্তি হলেও বাজারে হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে না।’   বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে ইরান কার্যত এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধ করে রেখেছে।   অন্যদিকে, অর্থনৈতিক তথ্য অনুযায়ী, চীনের কারখানা খাতের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। রপ্তানি হ্রাস ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির গতি কমে আসছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে সরবরাহ সংকটের উদ্বেগ অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কাকে ছাপিয়ে যাওয়ায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জুন ০১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কের সামরিক জোটে যোগ দিতে পারবে ইসরাইলও, মানতে হবে এক শর্ত

ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তা সম্মেলনে চীনকে পরোক্ষ কটাক্ষ জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের নতুন অভিযান ‘পোড়ামাটি নীতি’: নাওয়াফ সালাম

ছবি: সংগৃহীত
নরওয়ের সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিলের ঘটনায় মালয়েশিয়ার ক্ষোভ

মালয়েশিয়া রোববার নরওয়ের সঙ্গে নৌবাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি বাতিল  হওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে, এ ব্যাপারে প্রভাবশালী দেশগুলো নীরবতাকে তীব্র সমালোচনা করেছে।    দেশটির মতে, এ বিষয়ে প্রভাবশালী দেশগুলোর এমন নীরবতা আন্তর্জাতিক চুক্তির বিশ্বাসযোগ্যতা ও জবাবদিহিতা সম্পর্কে একটি ‘বিপজ্জনক বার্তা’ দিচ্ছে।   খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।   চলতি মাসে নরওয়ে কিছু প্রযুক্তি রপ্তানির অনুমোদন বাতিল করার পর, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক বিরোধ দেখা দিয়েছে।   অসলো জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ মালয়েশিয়াকে উদ্দেশ্য করে নেওয়া হয়নি। তবে কুয়ালালামপুর চুক্তির সঙ্গে জড়িত নরওয়ের কোম্পানির কাছ থেকে ২৫১ মিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করছে।   সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ফোরামে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোহাম্মদ খালেদ নর্দিন বলেন, ‘নরওয়ের একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়নি। এই চরম নীরবতা এমন বার্তা দেয় যে কিছু দেশ জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে।’   তিনি আরও বলেন, উন্নয়নশীল দেশ ও শক্তিশালী দেশ বা তাদের মিত্রদের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগে দ্বৈত মানদণ্ড রয়েছে বলে মনে করে মালয়েশিয়া।   নরওয়ে জানায়, রপ্তানি অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে কেবল দেশটির নিজস্ব রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা অনুযায়ী এবং গোপনীয় চুক্তির কারণে নির্দিষ্ট কোনো চুক্তি নিয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।   মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমও নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ‘কঠোর আপত্তি’ জানান এবং এটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে উল্লেখ করেন।   আনোয়ার সতর্ক করে বলেন, এই সিদ্ধান্ত মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি ও লিটোরাল কমব্যাট শিপ (এলসিএস) আধুনিকায়ন কর্মসূচির ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।   লিটোরাল কমব্যাট শিপ (এলসিএস) কর্মসূচি প্রথম ২০১১ সালে মালয়েশিয়ায় অনুমোদন পায়। সে সময় প্রায় ৬ বিলিয়ন রিঙ্গিত (প্রায় ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) মূল্যের প্রাথমিক চুক্তির আওতায় ছয়টি যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল।   ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগে জর্জরিত এই প্রকল্পটি সরকারি পর্যালোচনার পর ২০২৩ সালে পুনরায় চালু করা হয়। তবে তখন যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা ছয়টি থেকে কমিয়ে পাঁচটি করা হয়।   কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব এবং চলমান পুনর্গঠন কাজের কারণে প্রথম যুদ্ধজাহাজটি আগস্টে হস্তান্তরের কথা থাকলেও, তা পিছিয়ে ডিসেম্বর মাসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মে ৩১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

খসড়া প্রস্তাবে ১২শ’ কোটি ডলারের সম্পদ ছাড়ের দাবি ইরানের : রাষ্ট্রীয় টিভি

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ক্রুসেডার আমলের ঐতিহাসিক বেউফোর্ট দুর্গ দখল করে নিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। ছবি: ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী

লেবাননের ঐতিহাসিক বেউফোর্ট দুর্গ দখলের দাবি ইসরায়েলের

জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি। ছবি: সংগৃহীত

‘নতুন সামরিকবাদ’ দাবি নাকচ জাপানের, চীনের অস্ত্র বাড়ায় উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংগৃহীত ছবি
ইরান যুদ্ধে আমাদের জড়ানোই উচিত হয়নি: ট্রাম্প

অতীতের মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপগুলোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘জড়ানোই উচিত হয়নি’।  সম্প্রতি ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। ট্রাম্প বলেন, ইরাকে কী ঘটেছিল তা আপনারা দেখছেন। আমরা সেখানে অত্যন্ত বাজে পরিস্থিতি তৈরি করেছিলাম। আমরা যা করেছিলাম তা ছিল চরম বোকামি। সত্যি বলতে, শুরুতেই আমাদের সেখানে যাওয়া উচিত হয়নি।  তিনি আরও বলেন, ইরানেও আমাদের জড়ানো ঠিক হয়নি, তবে ইরানের সেই সক্ষমতা (পরমাণু অস্ত্র তৈরির) রয়েছে। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন বাহিনী যদি হামলা না চালাত, তবে ইরান এতক্ষণে পরমাণু অস্ত্রের মালিক হয়ে যেত এবং তখন পুরো দৃশ্যপটটাই বদলে যেত। তিনি বলেন, নয় মাস আগে আমরা যদি আমাদের বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর আঘাত না করতাম, তবে আজ তাদের হাতে পরমাণু অস্ত্র থাকত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র সচেতনভাবেই ইরানের সামগ্রিক সামরিক কাঠামোর বড় অংশকে লক্ষ্যবস্তু করা থেকে বিরত ছিল। তিনি বলেন, তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা এক প্রকার ছেড়েই দিয়েছি। কারণ আমাদের মনে হয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী কিছুটা হলেও চরমপন্থা এড়িয়ে চলে। তিনি আরও বলেন, আমরা মূলত (ইরানের) নেতৃত্বের বিভিন্ন পর্যায়কে স্তব্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু তাদের সামরিক বাহিনীকে আমরা স্পর্শ করিনি।  এর কারণ হিসেবে ট্রাম্প বলেন, অতীতের যুদ্ধগুলোতে এমন কিছু ভুল করা হয়েছিল যেখানে সব কিছু পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়; আর তার ফলে এমন একটা দেশের জন্ম হয় যা পরবর্তী ৪০ বছরেও আর ঘুরে দাঁড়াতে পারে না। সূত্র: মিডেল ইস্ট আই

মারিয়া রহমান মে ৩১, ২০২৬
প্রতীকী ছবি

সীমান্ত পার হওয়ার আগেই লেবাননের রকেটে বিস্ফোরণ, ইসরায়েলে সতর্কতা

সংগৃহীত ছবি

দিল্লিতে পাঁচতলা ভবন ধস: শতাধিক শিক্ষার্থী আটকা পড়ার শঙ্কা

সংগৃহীত ছবি

ইউক্রেনের নতুন যুদ্ধকৌশলে বিপাকে রাশিয়া

0 Comments