সারাদেশ

ধূমপান করতে নিষেধ করায় হত্যা, সেই আরিফ গ্রেপ্তার

মারিয়া রহমান জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
গ্রেপ্তার আরিফ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তার আরিফ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রকাশ্যে ধূমপান করতে নিষেধ করায় মো. কবির হোসেন (৩৮) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করে আরিফ হোসেন (২০) নামে এক তরুণ। এ ঘটনার দুই মাস পর র‌্যাব-১৪’র একটি দল গতকাল রবিবার মধ্যরাতে গাজীপুর জেলার পোড়াবাড়ি এলাকা থেকে অভিযুক্ত আরিফকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। ঘটনাটি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আছিম ইউনিয়নের পলাশতলী গ্রামের।

 

সোমবার (১২ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪’র কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃত মো. আরিফ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার আছিম ইউনিয়নের পলাশতলী গ্রামের মো. খোকা মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব জানায়, উপজেলার আছিম ইউনিয়নের পলাশতলী গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে কবির হোসেন ও খোকা মিয়া একই এলাকার বাসিন্দা। তাদের মাঝে দীর্ঘদিন বিভিন্ন কারণে বিরোধ চলে আসছিল। গত ১২ নভেম্বর মো. আরিফ হোসেন নামে এক তরুণ প্রকাশ্যে ধূমপান করেন।

 

বিষয়টি দেখে কবির হোসেন তাকে ধূমপান করতে নিষেধ করেন এবং আরিফের বাবা খোকা মিয়ার কাছে নালিশ করেন। এতে মো. আরিফ মিয়া ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওই দিন সন্ধ্যার পর কবির হোসেনের বাড়ির পাশে ফিসারির পাড়ে গিয়ে কবির হোসেনকে গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় কবির গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আরিফ উত্তেজিত হয়ে বাঁশ দিয়ে কবিরের মাথায় আঘাত করে। কবির হোসেন পুকুরে পড়ে গেলে আরিফসহ তার সঙ্গে আসা লোকজন ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

 

পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে কবিরকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নেওয়ার পথে কবির মারা যায়।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ র‌্যাব-১৪’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আরিফের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
জাল মেরামত ও নৌকা সংস্কারে ব্যস্ত জেলেরা
নদীতে ফিরছে জীবন: নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ শিকারে নামছেন ৫০ হাজার জেলে

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যরাতে। এতে দীর্ঘদিন কর্মহীন থাকা জেলেরা আবারও ইলিশ ধরার আশায় নদীতে নামতে প্রস্তুত। জেলাজুড়ে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি জেলে এ রাতে নদীতে নামবেন বলে জানা গেছে। জেলেপাড়াগুলোতে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মেঘনা নদীর ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর ছিল। মতলব উত্তর উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে ৯ হাজারের বেশি নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যারা এই সময়ে নদীতে নামতে পারেননি। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ষাটনল, বাবুবাজার, মোহনপুর, এখলাশপুর, জহিরাবাদ ও আমিরাবাদ এলাকার জেলেপাড়ায় সরেজমিনে দেখা যায়, জেলেরা জাল মেরামত, নৌকা সংস্কার ও নদীতে নামার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। দুই মাস পর নদীতে ফেরার অপেক্ষায় অনেকের মধ্যেই উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বাবুবাজার মালোপাড়া এলাকার জেলে টিটু বর্মন বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চললেও সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়েছে। এখন আবার জাল-নৌকা প্রস্তুত করেছি, নদীতে নামার অপেক্ষায় আছি। মোহনপুর গ্রামের জেলে আবুল হোসেন বলেন, নৌকা ও জাল মেরামতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিতে হয়েছে। এখন ইলিশ পেলে ঋণ শোধ করা সম্ভব হবে, না হলে বিপদে পড়তে হবে। ফতোয়াকান্দি গ্রামের মাসুদ মিয়া বলেন, ইলিশের আশায় ঋণ করে নৌকা প্রস্তুত করেছি। আমার নৌকায় সাতজন কাজ করে। মাছ না পেলে কিস্তির চাপ সামলানো কঠিন হয়ে যাবে। সরকারি সহায়তা দিয়ে পুরো সংসার চলে না। মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জানান, জাটকা রক্ষা অভিযানে মোট ৬০টি মামলা, ৭টি প্রসিকিউশন এবং ১৬৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ১ কোটি ৬৫ লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল, ১২০০ মিটার অন্যান্য জাল জব্দ করা হয়। এছাড়া ৪২টি নৌকা, ৭টি বাল্কহেড আটক এবং ১৭৩৫ কেজি মাছ জব্দ করা হয়েছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে ৩৫টি ঝোঁপ/ছোপ অপসারণ করা হয়েছে। মতলব উত্তর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিজয় কুমার দাস বলেন, জাটকা সংরক্ষণে দুই মাসে ১১০টি অভিযান ও ১৩টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ৬৫ জনকে কারাদণ্ড, ৩৬টি নৌকা জব্দ এবং ৫২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ৩ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ২৫টি বেহুন্দী জাল ধ্বংস এবং প্রায় ৩ টন জাটকা জব্দ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রমসহ মতলব উত্তরের ষাটনল থেকে আমিরাবাদ পর্যন্ত নদীপথে দিন-রাত অভিযান পরিচালনার ফলে জাটকা সংরক্ষণ সম্ভব হয়েছে, যা ভবিষ্যতে ইলিশ উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে। মতলব উত্তর উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, জাটকা রক্ষায় সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা যাতে নিয়ম মেনে মাছ আহরণ করে, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ৩০, ২০২৬ 0
ঝড়ের সময় বজ্রপাত। ছবি: সংগৃহীত

কালবৈশাখীর বজ্রপাতে ৯ জেলায় ১৫ জন নিহত, নিখোঁজ এক জেলে

উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের একটি বিলে ধান কাটছেন নারী শ্রমিকরা।

খুলনায় ত্রিমুখী সংকটে কৃষক, বাম্পার ফলনেও দুশ্চিন্তা

ছবি : সংগৃহীত

হবিগঞ্জে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড, বিদ্যুৎ বিপর্যয় চরমে

ছবি : সংগৃহীত
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য অব্যবস্থাপনা: পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে বড় হুমকি

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনার কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী ও নাফ নদী সংলগ্ন এলাকায় দূষণের মাত্রা উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই ক্যাম্পে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা, প্লাস্টিক ও পয়ঃবর্জ্য পানির সঙ্গে ভেসে খাল-বিল হয়ে নাফ নদীতে মিশছে। এতে আশপাশের ফসলি জমিও দূষিত হচ্ছে। গত দুই দিনের মাঝারি বৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বালুখালী ছড়া ও থাইংখালী খাল দিয়ে এসব বর্জ্য লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পানি দূষিত হয়ে পড়ছে, জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং মাছের উৎপাদন কমে যাচ্ছে। দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনজীবন। উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেচান উল্লাহ সিকদার জানান, এ ধরনের দূষণের কারণে ডায়রিয়া, টাইফয়েডসহ পানিবাহিত রোগ এবং ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি দূষিত পানির মাছ খাওয়ার ফলে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ সমস্যা পরিবেশের পাশাপাশি কৃষি ও অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বর্জ্যের কারণে মাছের ঘের ও ফসলি জমিতে ক্ষতি হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, এনজিওগুলোর সমন্বয়হীনতা ও নজরদারির ঘাটতির কারণে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা, খাল-নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধে কঠোর নজরদারি বাড়ানো, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ২৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎহীনতায় অন্ধকারে হাসপাতাল, মোবাইলের আলোয় চলছে চিকিৎসা

ছবি : সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল ৩ জনের

ঘুমন্ত অবস্থায় চোরের হাত খাটের বাইরে। ছবি : সংগৃহীত

চুরি করতে গিয়ে খাটের নিচে ঘুমিয়ে পড়লেন চোর!

ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামে বৃষ্টির মধ্যেই ট্রেনের দুই পরিত্যক্ত বগিতে আগুন

টানা বৃষ্টির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে বাংলাবাজার এলাকায় ট্রেনের দুটি পরিত্যক্ত বগিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।   মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে নগরীর বাংলাবাজার পানির টাংকির কাছে পড়ে থাকা এই পরিত্যক্ত বগিগুলোতে আগুন লাগে। ঘটনাটি ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।   পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।   ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, বাংলাবাজার এলাকায় রেললাইনে বেশ কিছু পরিত্যক্ত বগি রাখা ছিল। আগুন লাগা দুটি বগির ভেতরে কোনো আসবাবপত্র ছিল না, তবে আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।   ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত নয়, তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।   স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, ওই পরিত্যক্ত বগিগুলোতে মাঝে মাঝে মাদকসেবীদের আড্ডা ছিল।   এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ২৮, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে তলিয়ে গেল কুমিল্লা, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

ছবি : সংগৃহীত

টানা বর্ষণে ডুবল চট্টগ্রাম, চরম ভোগান্তিতে নগরবাসী

ছবি : সংগৃহীত

মা-বোনদের কষ্ট লাঘবে এলপিজি কার্ড দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী

0 Comments