খেলাধুলা

দর্শকখরার মধ্যেই নাগোয়া এশিয়ান গেমসের উদ্বোধন

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

জাপানের আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে। তবে জমকালো আয়োজনের প্রত্যাশা থাকলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিশেষ করে ৩০ হাজার আসনের স্টেডিয়ামের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আসন ফাঁকা থাকায় নজরে এসেছে দর্শক উপস্থিতির ঘাটতি।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাপান সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় ২০তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাত ৮টার কিছু আগে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রায় ৪৫ মিনিটজুড়ে ছিল বিভিন্ন দেশের অ্যাথলেটদের মার্চ পাস্ট। তবে এ অংশেও কিছু ব্যতিক্রম দেখা যায়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ইংরেজি বর্ণানুক্রমে দেশগুলোর প্রবেশের কথা থাকলেও এবার কয়েকটি ক্ষেত্রে সেই ধারাবাহিকতায় পরিবর্তন দেখা গেছে। এমনকি একটি দেশের নাম একাধিকবার ঘোষণার ঘটনাও ঘটে।

 

অন্যান্য আসরে মার্চ পাস্টের সময় ক্রীড়াবিদদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেলেও এবার অংশগ্রহণকারীদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

 

জাপান প্রযুক্তিনির্ভর দেশ হওয়ায় উদ্বোধনী আয়োজনে বিশেষ প্রযুক্তি প্রদর্শনের প্রত্যাশা ছিল। এর আগে হাংঝু এশিয়ান গেমসে চীনের লেজার শো ও প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজন দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। তবে নাগোয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সে ধরনের বড় কোনো প্রযুক্তি প্রদর্শনী দেখা যায়নি।

 

বাংলাদেশের পতাকা বহন করেন শুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকী ও কারাতেকা হুমায়রা আক্তার অন্তরা। পরদিন যেসব বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদের প্রতিযোগিতা রয়েছে, তাদের মধ্যে নারী ক্রিকেট, হকি ও ব্যাডমিন্টন দলের সদস্যদের মার্চ পাস্টে রাখা হয়নি। কোচ, কর্মকর্তা ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) স্টাফসহ বাংলাদেশের প্রায় ৫০ জন প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।

 

মার্চ পাস্ট শেষে জাপান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার সভাপতি বক্তব্য দেন। তারা এশিয়ান গেমসের মাধ্যমে এ অঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গনের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান। জাপান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি টোকিও অলিম্পিক ও সাম্প্রতিক এশিয়ান গেমসের ধারাবাহিকতায় নাগোয়া আসরও সফলভাবে আয়োজনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সভাপতি কভেন্ট্রিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জাপানের সম্রাট, সম্রাজ্ঞী ও প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

 

আনুষ্ঠানিকভাবে গেমস উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়ার পর জাপানের একজন হাই জাম্প অ্যাথলেট অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের পক্ষে শপথ পাঠ করেন। পরে জাপানের অলিম্পিক ও এশিয়ান গেমসে স্বর্ণজয়ী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণে প্রজ্জ্বলিত করা হয় গেমসের মশাল।

 

উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি গান ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ছিল। তবে সামগ্রিক আয়োজন দর্শকদের প্রত্যাশা অনুযায়ী খুব বেশি বর্ণিল বা প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে ওঠেনি বলে অনুষ্ঠানে উপস্থিতদের অনেকে মনে করেছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় বললেন ইয়ামাল

কোনো ব্যক্তিগত পুরস্কার না পেলেও সর্বশেষ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে লিওনেল মেসিকেই বেছে নিয়েছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।   যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে দারুণ পারফর্ম করেন মেসি। ফাইনাল ছাড়া দলটির প্রতিটি ম্যাচেই তার সরাসরি অবদান ছিল। পুরো আসরে আট ম্যাচ খেলে মেসি করেন আট গোল, সঙ্গে ছিল চারটি অ্যাসিস্ট। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিকও করেন তিনি।   সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুটি গোলেই সহায়তা করেন মেসি। তবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও শেষ পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতা হয়নি তার।   বিশ্বকাপে ১০ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে। অন্যদিকে চ্যাম্পিয়ন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি পান সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গোল্ডেন বল।   তবে পুরস্কারের হিসাবের বাইরে মেসির পারফরম্যান্সকে এগিয়ে রাখছেন ইয়ামাল। স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা বলেন, মেসি ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়দের একজন হলেও বিশ্বকাপে তিনি যে ধরনের পারফরম্যান্স করেছেন, তা ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি।   ইয়ামালের ভাষায়, আর্জেন্টিনা দলে অনেক ভালো খেলোয়াড় থাকলেও মেসি সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন। তার কাছে ওই বিশ্বকাপে মেসিই ছিলেন সেরা খেলোয়াড়।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

দর্শকখরার মধ্যেই নাগোয়া এশিয়ান গেমসের উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত

হেটমায়ারের সেঞ্চুরির পরও হার, সিপিএল থেকে গায়ানার বিদায়

ছবি: সংগৃহীত

জিদানের প্রথম ফ্রান্স দলে ৫ নতুন মুখ

ছবি: সংগৃহীত
স্ট্যান্সনি নাকি লিভাকোভিচ, গার্সিয়ার বিকল্প কে

আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতির আগে শেষ ম্যাচে দলের মূল গোলরক্ষককে পাচ্ছে না বার্সেলোনা। হাঁটুর চোটে শনিবার সেভিয়ার বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচে খেলতে পারবেন না জোয়ান গার্সিয়া। তার জায়গায় ভয়চেখ স্ট্যান্সনি নাকি দমিনিক লিভাকোভিচকে খেলানো হবে, তা নিয়ে রয়েছে কৌতূহল।   লিগে গত বুধবার রেসিং সান্তানদেরের বিপক্ষে বার্সেলোনার ৭-২ গোলে জয়ের ম্যাচের প্রথমার্ধে চোট পান গার্সিয়া। তার জায়গায় দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে খেলেন স্ট্যান্সনি। এই পোলিশ গোলরক্ষকের বড় একটি ভুলে গোল হজম করতে হয় দলকে। সমর্থকদের অনেকে তাই লিভাকোভিচকে খেলানোর দাবি তুলেছেন।   সেভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিকের কাছে জানতে চাওয়া হয়, গার্সিয়ার জায়গায় কাকে খেলানো হবে। জার্মান কোচ তুলে ধরেন তার ভাবনা।   “ম্যাচের পরই আমি বলেছিলাম, আমাদের সবারই ভুল হয় এবং টেক (স্ট্যান্সনি) সেটা জানে। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। প্রথম বল স্পর্শ করার মুহূর্তেই বুঝেছিলাম, সে কিছুটা সমস্যায় পড়েছে; আশা করি এমনটা আর হবে না।   “টেক আমাদের খেলার দর্শন ও ধরন সম্পর্কে জানে। দমিনিক মাত্রই দলে এসেছে এবং আমাদের খেলার ধরনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সে খেলার জন্য প্রস্তুত কি না, সেটা আমাদের ভেবে দেখতে হবে। দলের জন্য যা সেরা, সবসময় সেটাই বিবেচনা করা হয়। আমরা সবসময় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করি এবং কী করলে দলের ভালো হবে, সেটা চিন্তা করি।”   পোস্টে বিকল্প বাড়াতে গত অগাস্টে চার বছরের চুক্তিতে ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক লিভাকোভিচকে দলে নেয় বার্সেলোনা। “এই পজিশনে মানসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দমিনিককে নিয়ে আমরা শীর্ষমানের একজন গোলরক্ষক পেয়েছি। আর টেকের কথা যদি বলি- অতীতের দিকে তাকালে, বিশেষ করে প্রথম মৌসুমে যখন আমরা তার হাত ধরে লিগ জিতেছিলাম এবং সেই সাফল্যের পেছনে তার বড় ভূমিকা ছিল। আমার মতে মানসম্পন্ন ও অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।” ফ্লিকের কথায় ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, আপাতত স্ট্যান্সনিই বিকল্প গোলরক্ষক হিসেবে থাকবেন, বিশেষ করে লিভাকোভিচ যতক্ষণ না দলের খেলার ধরনের সঙ্গে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারেন। শুরুর একাদশে খেলার মাধ্যমে স্ট্যান্সনি নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুত করার সুযোগ পাবেন এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল এড়ানোর দিকেই তার পূর্ণ মনোযোগ থাকবে। এবারের লা লিগায় প্রথম ছয় ম্যাচের সবকটি জিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে আছে গত দুইবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা।

মো: দেলোয়ার হোসাইন সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ বিশ্বকাপকে শেষ বলা সেই রোনালদোকে রেখেই পর্তুগালের দল ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে আবারও ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
সূর্যবংশীকে পুরো সিরিজে খেলানো হয়নি, কারণ জানালেন গম্ভীর

মাত্র ১৫ বছর বয়সে প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে ভারতীয় জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়া বৈভব সূর্যবংশীকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পুরো টি-টোয়েন্টি সিরিজেই একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর জানিয়েছেন, দলের অভিজ্ঞ ও ধারাবাহিক পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের অগ্রাধিকার দেওয়াই এর মূল কারণ।   ইংল্যান্ড সফরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর প্রত্যাশামতো শুরু করতে পারেননি সূর্যবংশী। তিন ম্যাচেই তার ইনিংস থেমেছে ১৩ থেকে ১৫ রানের মধ্যে। এরপর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে দুটি অর্ধশতক তুলে নিজের সামর্থ্যের জানান দেন বাঁহাতি এই ওপেনার।   তবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে ভারতের হয়ে অভিষেক শর্মার সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করেছেন সঞ্জু স্যামসন। সিরিজে দুটি ম্যাচে ফিফটি করে জায়গাটির দাবিও জোরালো করেছেন তিনি। ফলে সূর্যবংশীকে একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টির পর গম্ভীর বলেন, সূর্যবংশীকে আপাতত সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হবে। তার মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো করা ক্রিকেটাররা স্বাভাবিকভাবেই দলে অগ্রাধিকার পাবেন।   গম্ভীর বলেন, সূর্যবংশীকে নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার—তাকে সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তার প্রতিভা সম্পর্কে দলের ধারণা রয়েছে এবং সে কী করতে পারে, সেটিও তারা জানেন।   ভারতের কোচ আরও বলেন, যারা দীর্ঘ সময় ধরে অসাধারণ পারফর্ম করছে, তারা দলে থাকা অন্য ক্রিকেটারদের তুলনায় অগ্রাধিকার পাওয়ার অবস্থানে থাকবে। সুযোগ এলে সূর্যবংশীরও আরও বেশি সময় খেলার সম্ভাবনা তৈরি হবে।   গম্ভীরের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ক্রিকেটে দলে জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা থাকা গুরুত্বপূর্ণ। বয়স এখানে মূল বিষয় নয়; ১৫ বছর বয়সী কিংবা ৩০ বছর বয়সী—যে-ই হোক, সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।   এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত ছয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন বৈভব সূর্যবংশী। এসব ম্যাচে ১৮৯ স্ট্রাইকরেট ও ৩২.১৬ গড় নিয়ে তার সংগ্রহ ১৯৩ রান।

আক্তারুজ্জামান সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

শিরোপা জয়ের রাতেও মেসি-গারবারের উত্তপ্ত মুহূর্ত

ছবি: সংগৃহীত

কেইন-এমবাপ্পেদের পেছনে ফেলে মেসিকেই ব্যালনের দাবিদার মনে করেন বেকহ্যাম

অভিষেক শর্মার বিশ্বরেকর্ড

0 Comments