বিনোদন

ব্যাচেলর পয়েন্টে যে চরিত্রে দেখা দিলেন স্পর্শিয়া

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ১২, ২০২৫

নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির আলোচিত ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’ এখন অনেকটাই জমজমাট। পুরনো চরিত্র কাবিলা, হাবু, পাশা, নেহালদের সঙ্গে নতুন মুখ দেখা যাবে, এমনটা আভাস আগেই দিয়েছিলেন নির্মাতা; অবশেষে তার দেখা মিলল। 

 

মূলত, নতুন চরিত্র নিয়ে হাজির হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া; আর তার নতুন এই চরিত্রটির নাম স্পর্শ।

 

এবারের সিজনে নতুন নায়িকা কে হচ্ছেন, তা নিয়ে শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। এক মাস আগে নির্মাতা জানান, অর্চিতা স্পর্শিয়া যুক্ত হচ্ছেন এই ধারাবাহিকে। তবে কোন চরিত্রে থাকছেন- তা রাখা হয় গোপন। এতে দর্শকদের আরও কৌতূহলী করে তুলেছিলেন নির্মাতা। 

 

আবার, সিরিজের শুটিংয়ের কিছু ছবি ফাঁস হলেও মুখটি ছিল অধরা। অবশেষে ১১ ডিসেম্বর সিরিজের সপ্তম পর্ব (চ্যাপ্টার ৭) মুক্তির পর সেই রহস্যের পর্দা উঠল; আলোচিত সেই চরিত্রটিতে অভিনয় করেছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া। যিনি ‘স্পর্শ’ চরিত্রে দেখা দিয়েছেন; ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের ওপর তলার নতুন ভাড়াটিয়া।

 

স্পর্শিয়ার এই আকস্মিক উপস্থিতি নতুন উত্তেজনা ছড়িয়েছে দর্শকমহলে। সঙ্গে গল্পের নতুন রহস্য তো থাকছেই! 

 

উল্লেখ্য, অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে অর্চিতা স্পর্শিয়া এরই মধ্যে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। চরিত্র নির্বাচনে সচেতনতা এবং অভিনয়ের গভীরতার কারণে তার এই প্রত্যাবর্তনকে দর্শকরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
সকালে ফোন দেখাসহ যেসব অভ্যাসে ধ্বংস হচ্ছে মানসিক স্বাস্থ্য

শারীরিক স্বাস্থ্যের মতোই মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ, তবুও আমাদের অজান্তেই অনেক দৈনন্দিন অভ্যাস মানসিক সুস্থতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও এসব অভ্যাস প্রায়ই নিরীহ বলে মনে হয়, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এগুলো মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অবসাদ এবং আবেগগত ক্লান্তির কারণ হতে পারে।      ‘ইন্ডিয়া টিভি’র এক প্রতিবেদনে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট অনুষ্কা মোদি এমন কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কথা বলেছেন যা মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে।সেই সাথে কীভাবে সার্বিকভাবে ভালো থাকা সে কথাও উল্লেখ করেছেন। যেমন-   সকালে স্ক্রল করা ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই ফোন হাতে তুলে নিলে, দিন শুরু হওয়ার আগেই আপনার মস্তিষ্ক অতিরিক্ত উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে। অবিরাম নোটিফিকেশন, সোশ্যাল মিডিয়ার আপডেট এবং অপ্রয়োজনীয় খবর মানসিক জঞ্জাল তৈরি করতে পারে।  স্ক্রিন ব্যবহার করার আগে অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শরীরচর্চা করুন, ডায়েরি লিখুন অথবা দিনের সূচনা উপভোগ করুন।     নিজের সবচেয়ে বড় সমালোচক হওয়া  যে অভ্যাসগুলো মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে তার মধ্যে অন্যতম হলো নিজের সাথে নেতিবাচক কথা বলা। ক্রমাগত নিজের সমালোচনা করলে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে, আত্ম-সন্দেহ বাড়তে পারে এবং আপনাকে মানসিকভাবে আটকে রাখতে পারে। নিজের সাথে কঠোরভাবে কথা বলার পরিবর্তে, ধৈর্য এবং সহানুভূতি দেখান। কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাওয়া কোনো ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে আপনি যেভাবে সমর্থন করতেন, নিজের সাথেও ঠিক সেভাবেই আচরণ করুন।     একসাথে একাধিক কাজ করা  অনেকে মনে করেন, একসাথে একাধিক কাজ করলে তারা বেশি কাজ করতে পারেন, কিন্তু প্রায়ই এর ফল হয় উল্টো। একসাথে একাধিক কাজ করলে আপনার মনোযোগ কমে যেতে, কর্মদক্ষতা হ্রাস পেতে এবং মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে।  একাগ্রতা এবং মানসিক স্বচ্ছতার জন্য একবারে একটি কাজে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন।      বিরতি না নেওয়া  বিরতি না নিয়ে একটানা কাজ করলে তা অবসাদ, উদ্বেগ এবং ক্রমাগত মানসিক ক্লান্তির কারণ হতে পারে। ব্যস্ত থাকলে নিজেকে সক্রিয় মনে হলেও, আপনার মস্তিষ্কেরও বিশ্রাম এবং শক্তি সঞ্চয়ের জন্য সময়ের প্রয়োজন। সারাদিন ধরে ছোট ছোট বিরতি নিলে তা শক্তি পুনরুদ্ধার করতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।     বাইরে না যাওয়া  সারাদিন ঘরের ভেতরে কাটালে উদ্বিগ্ন, অলস এবং বিচ্ছিন্ন বোধ করতে পারেন। কয়েক মিনিটের জন্য বাইরে গেলেও মন ভালো লাগবে। যখনই সম্ভব বাইরের আলো-বাতাস গায়ে লাগান। এতে আপনার মেজাজ ভালো থাকবে। মানসিক চাপও কমবে।       অভিযোগ করা  ক্রমাগত অভিযোগ করা নেতিবাচক চিন্তাগুলিতে আরও শক্তিশালী করে । সেই সঙ্গে প্রতিবন্ধকতা থেকে এগিয়ে যাওয়াকে আরও কঠিন করে তোলে। আপনার আবেগ চেপে রাখার বা বারবার সমস্যা নিয়ে ভাবার পরিবর্তে, মনের কথা প্রকাশ করুন। এক্ষেত্রে ডায়েরি লেখা, বিশ্বস্ত কোনো বন্ধুর সাথে কথা বলা বা একজন থেরাপিস্টের সাহায্য নেওয়া স্বাস্থ্যকর উপায় হতে পারে।     সব কিছুতে হ্যাঁ বলা সবকিছুতে হ্যাঁ বলা সহায়ক বলে মনে হতে পারে, কিন্তু এই অভ্যাস মানুষকে মানসিকভাবে ক্লান্ত এবং ভারাক্রান্ত করে তোলে। অতিরিক্ত প্রতিশ্রুতি অপ্রয়োজনীয় চাপ এবং বিরক্তি তৈরি করতে পারে। মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে না বলতে শিখুন।

মারিয়া রহমান জুলাই ২২, ২০২৬
কেয়া পায়েল। ছবি - সংগৃহীত

‘জীবন তো একটাই’—নতুন ভিডিওতে আবেগঘন বার্তা কেয়া পায়েলের

অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন। ছবি: সংগৃহীত

প্রেম ভাঙার ক্ষোভে অভিনেতার ওপর হামলা অভিনেত্রীর

সংগৃহীত ছবি

মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বলিউডের একাংশের সমর্থন

শাকিব খান । ছবি: সংগৃহীত
শাকিবের নতুন চমক ‘নিঃস্ব’, থাকছে পুরোনো জুটির রসায়ন

‘বরবাদ’ সিনেমার রেকর্ড সাফল্যের পর আবারও এক হচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ তারকা শাকিব খান ও নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়। নতুন একটি সিনেমা নিয়ে তারা প্রেক্ষাগৃহে ফিরছেন বলে জানা গেছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির সম্ভাব্য নাম ‘নিঃস্ব’।   সিনেমাটিতে শাকিব খানের অভিনয় নিশ্চিত হলেও তার বিপরীতে কে নায়িকা হচ্ছেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরে সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।   সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে নতুন এই প্রজেক্টের ইঙ্গিত দেন শাকিব খান। সিনেমায় তার সঙ্গে ছিলেন নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় এবং প্রযোজক শাহরিন সুলতানা সুমি। ক্যাপশনে শাকিব লেখেন, ‘বরবাদ’ টিম আবার ফিরছে। আবারও ইতিহাস তৈরি করা যাক।   জানা গেছে, ‘বরবাদ’-এর মতো নতুন সিনেমাটিও প্রযোজনা করবে রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন। এর আগে প্রযোজক শাহরিন সুলতানা সুমি জানিয়েছিলেন, খুব শিগগির আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমাটির ঘোষণা দেওয়া হবে। এরপরই শুরু হবে শুটিং।   উল্লেখ্য, গত বছরের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘বরবাদ’ সিনেমাটি বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলে। শাকিব খান ও ইধিকা পাল অভিনীত সিনেমাটি ৭৫ কোটিরও বেশি টাকার ব্যবসা করেছে বলে দাবি করেছিলেন নির্মাতারা।

মোঃ ইমরান হোসেন জুলাই ২১, ২০২৬
তাসনিয়া ফারিণ। ছবি: সংগৃহীত

স্পেনে বিশ্বকাপ উৎসবে মাতলেন ফারিণ

ছবি: সংগৃহীত

পিঠে ব্যথা ও প্রস্রাবে জ্বালা? কিডনিতে পাথরের সতর্কবার্তা নয়তো!

ছবি: সংগৃহীত

সালমানের পর হুমকির মুখে আমির খান, তদন্তে মুম্বাই পুলিশ

পরীমনি। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
স্পেনের জয়ে থেমে গেল পরীমনির ‘বিয়ের পরিকল্পনা’

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে আবার বিয়ে করার ঘোষণা দিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তবে ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা এক পোস্টে পরীমনি লিখেছেন বিয়েটা আর করতে হলো না। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা, আবার দেখা হবে। রোববার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনাল ৯০ মিনিট গোলশূন্য শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে গোলের দেখা পায় স্পেন। বদলি হিসেবে নামা ফেরান তোরেসের দুর্দান্ত গোলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লিওনেল মেসিকে সামনে রেখে মরিয়া চেষ্টা চালিয়েও সমতায় ফিরতে পারেনি ১০ জনের আর্জেন্টিনা। খেলার মাঝখানে এনজো ফার্নান্দেজ পর পর দুই হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়ায় সংখ্যাগত সুবিধা নিয়ে অতিরিক্ত সময় শুরু করে স্পেন।  নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই ডান দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে তোলে স্পেন। পেদ্রো পোরোর ক্রস দূরের পোস্টে নিয়ন্ত্রণে নেন নিকো উইলিয়ামস। অসাধারণ দক্ষতায় বলটি নামিয়ে দেন ফেরান তোরেসের সামনে। এক মুহূর্ত দেরি না করে ডান পায়ের জোরালো ভলিতে এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। ১০৬ মিনিটের সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হন তোরেস। ২০১৪ সালে জার্মানির মারিও গ্যোৎসের পর প্রথম বদলি হিসেবে ফাইনালে গোলের কীর্তিও গড়েন তিনি।

মারিয়া রহমান জুলাই ২০, ২০২৬
কিংবদন্তি বেসিস্ট জেনিফার ফিঞ্চ।

ক্যানসারে মারা গেলেন এলসেভেন ব্যান্ডের কিংবদন্তি বেসিস্ট জেনিফার ফিঞ্চ

সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ বিরতির পর রাজের মেগা ধারাবাহিকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু

ছবি: সংগৃহীত

বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে এবার আমির খান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তা

0 Comments