আন্তর্জাতিক

ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেপে উঠলো ইরান

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর বন্দর আব্বাসে শনিবার একটি ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতাহতের কোনো তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। খবরটি জানানো হয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণটি ঘটেছে মোয়াল্লেম বুলেভার্ড এলাকায় অবস্থিত আটতলা ভবনে। এতে ভবনের দুটি তলা সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। পাশাপাশি আশপাশের কয়েকটি যানবাহন ও দোকানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছেছে ইরানের উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। তারা ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিতদের উদ্ধারের জন্য তৎপরতা চালাচ্ছেন।
আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে যে এই বিস্ফোরণ ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনীর এক কমান্ডারকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।


ইরানের সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে দমন-পীড়নের অভিযোগ উঠে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক দিন ধরে ইরানের ক্ষমতাসীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর হুমকি দিয়েছেন। ইতিমধ্যে ইরানের আশপাশে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি তৈরি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
এই পরিস্থিতির মধ্যে বন্দর আব্বাসে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। উদ্ধারকারী দল এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা টেড টার্নার আর নেই

সিএনএনের প্রতিষ্ঠাতা ‘মার্কিন মিডিয়া মুঘল’ হিসেবে পরিচিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব টেড টার্নার মারা গেছেন।   তার প্রতিষ্ঠিত টার্নার এন্টারপ্রাইজেসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, বুধবার পরিবারের সান্নিধ্যে ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ ৮৭ বছর বয়সে তিনি প্রয়াত হন।   সিএনএন চ্যানেল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনিই প্রথম আধুনিক ২৪ ঘণ্টার সংবাদ পরিবেশন সংস্কৃতির পথ দেখান।   যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে জন্ম নেওয়া টেড টার্নার ‘দ্য মাউথ অব দ্য সাউথ’ নামেও পরিচিত ছিলেন। গণমাধ্যম ব্যবসায়ী টার্নার এমন এক গণমাধ্যম সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল বিশ্বের প্রথম ক্যাবল প্রথম সুপারস্টেশন, চলচ্চিত্র ও কার্টুনের জনপ্রিয় চ্যানেল এবং ‘আটলান্টা ব্রেভসের’ মত পেশাদার ক্রীড়া দল।   তার মৃত্যুতে সিএনএনের সিইও ও চেয়ারম্যান মার্ক থম্পসন এক বিবৃতিতে বলেন, “টেড টার্নার ছিলেন অত্যন্ত নিবেদিতপ্রাণ এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নেতা। তিনি ছিলেন নির্ভীক, অকুতোভয় এবং সবসময় নিজের অন্তর্দৃষ্টির ওপর ভরসা রেখে ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত থাকতেন।   তিনি ছিলেন সিএনএনের প্রাণপুরুষ এবং সবসময় তাই থাকবেন। তিনি সেই মহান ব্যক্তিত্ব যার কাঁধে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। আজ সবাই তার জীবন এবং এই বিশ্ব ও আমাদের জীবনে তার প্রভাবকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।   বিবিসি লিখেছে, প্রতিষ্ঠার শুরুতে সিএনএন বেশ লড়াই করলেও ১৯৮১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানকে হত্যার চেষ্টা এবং ১৯৮৬ সালে চ্যালেঞ্জার স্পেস শাটল বিপর্যয়ের মত ঘটনাগুলো টেড টার্নারের নেতৃত্বে দ্রুত এবং নিরবচ্ছিন্ন কভারেজ দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি নিজেদের প্রমাণ করে।   ১৯৯০-৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় বিরতিহীন খবরের মাধ্যমে সিএনএন প্রকৃত অর্থে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়।   টার্নারের ব্যবসায়িক জগৎ কেবল সিএনএন এ সীমাবদ্ধ ছিল না। বাবার মৃত্যুর পর মাত্র ২৪ বছর বয়সে পারিবারিক ‘বিলবোর্ড’ কোম্পানির দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়। এরপর তিনি জর্জিয়ার আটলান্টায় একটি রেডিও স্টেশন কেনেন।   এক দশকের মধ্যে সেই রেডিও স্টেশনটিই ‘টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম-টিবিএস’ এর ভিত্তি হয়ে ওঠে এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম মিডিয়া মুঘলে পরিণত হন।   ১৯৯১ সালে তিনি টাইম ম্যাগাজিনের ‘বর্ষসেরা ব্যক্তিত্ব’ নির্বাচিত হন।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

চুক্তি হলে যুদ্ধ ও অবরোধ শেষ হতে পারে: ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ জয়ে বিজেপিকে বিএনপির অভিনন্দন

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের বেইজিং সফর নিয়ে যোগাযোগ অব্যাহত: চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত
তৃণমূলের ‘পুঁজিতে’ থাবা, মুসলিম অধ্যুষিত আসনেও বড় সাফল্য বিজেপির

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর ফলাফল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনগুলোতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), যা আগে তৃণমূল কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচিত ছিল।   পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে মুসলিম ভোটারের হার ২৫ শতাংশের বেশি—এমন ১৪৬টি আসনের মধ্যে এবার তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৭৩টি আসন। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই সংখ্যা ছিল ১২৯। অন্যদিকে, একই আসনগুলোর মধ্যে বিজেপি জয় পেয়েছে ৬৬টিতে, যেখানে আগের নির্বাচনে তাদের আসন ছিল মাত্র ১৬টি।   এছাড়া মুসলিম ভোটারের হার ৪০ শতাংশের বেশি—এমন ১৭টি আসনেও জয় পেয়েছে বিজেপি, যা আগের নির্বাচনে ছিল মাত্র ২টি। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাতেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছে দলটি।   রাজ্যের মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসনের প্রায় অর্ধেকেই দীর্ঘদিন ধরে সংখ্যালঘু ভোট ছিল নির্ধারক। তবে এবারের নির্বাচনে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। একদিকে মুসলিম ভোটের বিভাজন, অন্যদিকে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের ঐক্যবদ্ধতা—এই দুইয়ের প্রভাব পড়েছে নির্বাচনের ফলাফলে।   মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরসহ বিভিন্ন জেলায় যেখানে আগে তৃণমূলের শক্ত অবস্থান ছিল, সেখানে এবার বিজেপি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। মালদহে ১০টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত আসনের মধ্যে ৬টিতে তৃণমূল এবং ৪টিতে বিজেপি জয় পেয়েছে। মুর্শিদাবাদে তৃণমূল ৯টি ও বিজেপি ৮টি আসনে জয়ী হয়েছে।   এছাড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও বীরভূমসহ অন্যান্য জেলাতেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তৃণমূলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও এবার বিজেপি চারটি আসনে জয় পেয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ সিপিএম, কংগ্রেস, আইএসএফসহ অন্যান্য দলের দিকে সরে যাওয়ায় তৃণমূলের ভোটব্যাংকে প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের উচ্চমাত্রার মেরুকরণ বিজেপির সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।   উল্লেখ্য, ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২৭ শতাংশ। দীর্ঘদিন ধরে এই ভোটব্যাংক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত হলেও এবারের নির্বাচনে সেই সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

আক্তারুজ্জামান মে ০৬, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

কথা বলতে চেয়ে অনুরোধ করেছেন ইরানি প্রেসিডেন্ট: ম্যাক্রোঁ

ছবি : সংগৃহীত

আমিরাতের উপকূল নিয়ে ইরানের নিয়ন্ত্রণ দাবি

ছবি : সংগৃহীত

আমিরাতে হামলার জন্য ‘মার্কিন সামরিক দুঃসাহসিকতা’ দায়ী

ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান জানাল পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন, গতরাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক অবকাঠামোতে চালানো মিসাইল ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।   গতকাল সোমবার একাধিক ইরানি মিসাইল ও ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আরব আমিরাত। এসব হামলায় দেশটির একটি তেল বন্দরও আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।   মঙ্গলবার (০৫) মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শরীফ বলেন, এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করতে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং সেটির প্রতি সম্মান দেখানো অত্যন্ত জরুরি   এছাড়া পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন জোট সরকারের একটি অংশ পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের নিউজডে প্রোগ্রামে বলেন, উভয় পক্ষের উচিত উত্তেজনা বৃদ্ধি এড়িয়ে চলা এবং কূটনীতির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি বজায় রাখা।   পাকিস্তান এখনো তথ্য আদান-প্রদান করছে এবং আস্থা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে জারদারি বলেন, তবে গতকালের হামলার মতো ঘটনাগুলো শান্তি প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মে ০৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মমতার বিপুল হারের কারণ কী, বিজেপি কেন এগিয়ে গেল

ছবি: সংগৃহীত

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে জল্পনা নাকচ করল ইরান

ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালিতে নতুন সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ এলাকা ঘোষণা ইরানের

0 Comments