খেলাধুলা

বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের ২১ বছর: গৌরবের সেই ইতিহাস

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ১০, ২০২৬

স্মৃতিটা রিওয়াইন্ড করে ফিরে যাওয়া যাক ২১ বছর আগে। মাস ছিল জানুয়ারি, সাল ২০০৫। আজকের এই দিনে, ১০ জানুয়ারি, চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়।


জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২২৬ রানের সেই মোহনীয় জয় ছিল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য। টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার চার বছর পর এবং ৩৫তম ম্যাচে এসে লাল বলের ক্রিকেটে প্রথম জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।
এই অবিস্মরণীয় জয়ের নায়ক ছিলেন বাঁ-হাতি স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৫ রানে ছয় উইকেট নিয়ে তিনি জিম্বাবুয়েকে গুটিয়ে দেন ১৫৪ রানে। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই আসে ঐতিহাসিক জয়, আর তিনি নির্বাচিত হন ম্যাচসেরা।

জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের। প্রথম ইনিংসে তার ৯৪ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৫ রানের হাফ সেঞ্চুরি দলকে এনে দেয় শক্ত ভিত। পাশাপাশি মোহাম্মদ রফিক ব্যাটে ৬৯ রান করার পাশাপাশি বল হাতে নেন পাঁচ উইকেট। তাদের যুগল নৈপুণ্যে প্রথম ইনিংসেই বাংলাদেশ পায় ১৭৬ রানের লিড।

এরপর এনামুলের মায়াবী ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে, আর বাংলাদেশ ক্রিকেট পায় তার টেস্ট ইতিহাসের প্রথম সোনালি অধ্যায়।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয় আসে চার বছর পর, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে। তবে ২০০৫ সালের ১০ জানুয়ারির সেই জয় আজও দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবময় মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে আছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
‘আমি জিনিয়াসও নই, স্টুপিডও নই’—সমালোচনার জবাবে আনচেলত্তি

ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিশ্বকাপে দলের পারফরম্যান্স, দল নির্বাচন এবং সমালোচনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নিজের সিদ্ধান্তের জন্য সবসময় সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়, তবে তিনি নিজেকে যেমন ‘জিনিয়াস’ মনে করেন না, তেমনি ‘স্টুপিড’ও মনে করেন না।   ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ফোলহা দে এস. পাওলো-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৬৭ বছর বয়সী এই কোচ জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে কাসেমিরোকে বদলি করে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে নামানোর সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বলেন, “যদি আমরা জাপানকে হারাতে না পারতাম, তাহলে সবাই প্রশ্ন তুলত কেন কাসেমিরোকে বদলি করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত দায়টা আমারই হতো। তাই আমি সবসময় ভারসাম্য রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করি। আমি শতভাগ নিশ্চিত, আমি জিনিয়াস নই; আবার এটাও নিশ্চিত, আমি স্টুপিডও নই।”   বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে লড়াই নিয়েও সতর্ক আনচেলত্তি। তার মতে, নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচই কঠিন এবং শুধু কৌশল নয়, মানসিক দৃঢ়তাও বড় ভূমিকা রাখে।   তিনি বলেন, “নরওয়ে খুবই শক্তিশালী দল। তাদের দলে আর্লিং হালান্ডের মতো বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার রয়েছে। ম্যাচটি সহজ হবে না। তবে আমরা আত্মবিশ্বাসী, ভালো ফুটবল খেলতে পারব।” জাপানের বিপক্ষে নেইমারকে শুরু থেকে না খেলানো নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ। তার ভাষ্য, ইনজুরি থেকে ফেরার পর নেইমারের খেলার সময় ধীরে ধীরে বাড়ানো হচ্ছে। আনচেলত্তি বলেন, “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সে এখন খেলতে পারছে। কখন এবং কতক্ষণ তাকে খেলানো হবে, সেটি ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। যখন মনে হবে দলের তাকে প্রয়োজন, তখনই তাকে মাঠে নামানো হবে।”   কাফ ইনজুরি কাটিয়ে ওঠার পর নেইমার পুরো ৯০ মিনিট খেলতে প্রস্তুত কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “হ্যাঁ, সে ৯০ মিনিট খেলতে সক্ষম।”   তবে বেঞ্চে বসে থাকতে পেরে নেইমার খুশি নন বলেও স্বীকার করেছেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, “কোনো ফুটবলারই বেঞ্চে বসে খুশি থাকে না। নেইমারও ব্যতিক্রম নয়। তবে সে দারুণ অনুশীলন করছে, সতীর্থদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখছে এবং দলের প্রতি পুরোপুরি নিবেদিত।”   দলে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এখন সবচেয়ে বড় তারকা কি না—এমন প্রশ্নে আনচেলত্তি বলেন, জাতীয় দলে ব্যক্তিকেন্দ্রিক তারকা নয়, দলগত অবদানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।   তার ভাষায়, “ভিনিসিয়ুস আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে জাতীয় দলে আমরা কোনো একক তারকা চাই না। আমরা এমন খেলোয়াড় চাই, যারা নিজেদের সামর্থ্য দিয়ে পুরো দলকে এগিয়ে নিতে পারে।”

আক্তারুজ্জামান জুলাই ০৩, ২০২৬
ইরান জাতীয় ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিশ্বকাপ বিদায় ঘিরে ফিফার বিরুদ্ধে ১০০ কোটির মামলা

ছবি : সংগৃহীত

আলজেরিয়াকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ড

ক্রোয়েশিয়ার কিংবদন্তি মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ। ছবি: এক্স

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর জাতীয় দলের জার্সি তুলে রাখলেন লুকা মদ্রিচ

আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি।
আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ, কড়া জবাব স্কালোনির

আর্জেন্টিনাকে বিশেষ সুবিধা বা ‘ফেভারিটিজম’ দেওয়ার অভিযোগ বহু পুরোনো। এতদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কানাঘুঁষা চললেও এবার প্রশ্নটা তোলা হলো ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের সংবাদ সম্মেলনেও। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, টুর্নামেন্টে আর্জেন্টিনা বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে কি না এ বিষয়ে। বেশ সোজাসাপ্টা ও কড়া জবাব দিলেন তিনি। স্কালোনি বলেন, ‘এর একমাত্র সমাধান হলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম না পড়া। সোশ্যাল মিডিয়া দেখা বন্ধ করে দিন, ব্যস। আপনি যদি না দেখেন, তবে এসব জানতেও পারবেন না।’ লাইক, কমেন্ট আর রিটুইটের এই যুগে যে কোনো ভিত্তিহীন বিষয়কেও কীভাবে তিল থেকে তাল করা হয়, তা খুব ভালো করেই জানা আছে স্কালোনির। তার মতে, মাঠের সাফল্যকে আড়াল করতে অনেকে এমন ‘সস্তা’ অপপ্রচার চালান। সংবাদ সম্মেলনে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে স্কালোনি বলেন, ‘আজকাল যে কেউ কোনো প্রমাণ ছাড়াই ইন্টারনেটে কিছু একটা পোস্ট করে দিতে পারে এবং ছোট একটা বিষয়কে বিশাল আকার দিয়ে ছড়াতে পারে। আমি মনে করি আমাদের এসব বিষয়কে বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়।’ স্কালোনি মনে করিয়ে দিলেন, তাদের সাফল্য কারও দয়া বা বিশেষ সুবিধার ফল নয়; বরং পুরো দলের পরিশ্রমের ফসল। লিওনেল মেসি থেকে শুরু করে দলের কিটম্যান মারিও দে স্তেফানো পর্যন্ত সবার অবদান রয়েছে এই সাফল্যে। সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক দিক নিয়ে আর্জেন্টিনা কোচ আরও বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এমনই। এর ভালো দিক যেমন আছে, তেমনি দুর্ভাগ্যবশত যে কেউ খারাপ অর্থেই বলছি—যা খুশি পোস্ট করতে পারে এবং তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এক সেকেন্ডের মধ্যে তা সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। আমরা এতে মোটেও কান দিচ্ছি না।’ প্রসঙ্গত, রাউন্ড অব বত্রিশের ম্যাচে আজ বাংলাদেশ সময় দিবাগত ভোর রাতে (৪টা) বিশ্বকাপের ‘সারপ্রাইজ প্যাকেজ’ কেপভার্দের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল। 

মারিয়া রহমান জুলাই ০৩, ২০২৬
ছবি-সংগৃহীত

নাটকীয় ম্যাচে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

ছবি: সংগৃহীত

ওইয়ারসাবালের জোড়া গোলে ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান, শেষ ষোলোতে স্পেন

গোলের পর স্প্যানিশ ফুটবলারদের উদযাপন। ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রিয়াকে উড়িয়ে শেষ ষোলোয় স্পেন

কঙ্গোর কোচ সেবাস্তিয়ান। ছবি : রয়টার্স
বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গের এক ঘণ্টার মাথায় শুনলেন ‘বাবাও নেই’

ইংল্যান্ডের কাছে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পরাজয় দেখেছে ডিআর কঙ্গো। সেই শোক তখনো কাটিয়ে ওঠেননি দলটির কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রে। এমন সময়ই জীবনের সবচেয়ে কঠিন দুঃসংবাদটা শুনলেন তিনি। চিরদিনের জন্য বাবাকে হারিয়েছেন সেবাস্তিয়ান। আটলান্টায় ম্যাচ শেষ হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে বাবার মৃত্যুর সংবাদ শোনেন কঙ্গোর কোচ। দুঃসংবাদটা যখন শুনলেন তখন সংবাদ সম্মেলনে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। শেষ প্রশ্ন শেষে যখন সংবাদ সম্মেলনকক্ষ ছাড়বেন ঠিক তখনি কঙ্গোর মিডিয়া অফিসার বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের প্রধান কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের বাবা প্রয়াত হয়েছেন। আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’ তাতে স্বাভাবিকভাবেই পিনপতন নীরবতা নেমে এসেছিল কক্ষটিতে।  এর আগে গতকাল ৭৪ মিনিট পর্যন্ত ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল কঙ্গো। শুরুতে গোলটি করেছিলেন কঙ্গোর ফরোয়ার্ড ব্রায়ান চিপেঙ্গা। তবে শেষ মুহূর্তে হ্যারি কেইন ম্যাজিকে জিতে যায় ইংল্যান্ড। ৭৫ মিনিটে সমতায় ফেরানোর পর ৮৬ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক শটে জয় নিশ্চিত করেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। তাতে ইংলিশরা পরের রাউন্ডে গেলেও থেমে যায় কঙ্গোর বিশ্বকাপ যাত্রা। তবে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সেবাস্তিয়ান গর্বিত। তিনি বলেছেন, ‘হতাশার চেয়ে বেশি গর্বিত। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া সত্যিই হতাশার। তবে টুর্নামেন্টে আমরা ৫ গোল করেছি। আমাদের চেয়ে অনেক ওপরের র‍্যাঙ্কিংয়ের দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলে ভালো ফল এনেছি।’

মারিয়া রহমান জুলাই ০২, ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

ইনজুরি কাটিয়ে ৯০ মিনিট খেলার জন্য প্রস্তুত ইয়ামাল: স্পেনের কোচ

ছবি : সংগৃহীত

১০ জনের দল নিয়েও শেষ ষোলোয় স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র

ছবি : সংগৃহীত

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে শেষ ষোলোতে বেলজিয়াম

0 Comments