সারাদেশ

চট্টগ্রামে এলপিজি সিলিন্ডার নেই এখনো ঊর্ধ্বমুখী দাম

মোঃ ইমরান হোসেন জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামের খুচরা বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের তীব্র সংকট এখনো চলছেই। সরকারের কর ও ভ্যাট হ্রাস এবং ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের পরও সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি ফেরেনি। শুক্রবার সকাল থেকে শহরের অধিকাংশ খুচরা দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছিল না, তবে সীমিত সংখ্যক সিলিন্ডার কিছু দোকানে বিক্রি হচ্ছিল সরকার নির্ধারিত মূল্যের ৫০০-৬০০ টাকা বেশি

 

সংকটের কারণে হোটেল-রেস্টুরেন্ট, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও স্বল্প আয়ের মানুষদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। রান্না ও ব্যবসার খরচ বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

নগরের কোতোয়ালি, বাকলিয়া, লালদিঘি, কল্পলোক আবাসিক, বায়েজিদ, পতেঙ্গাসহ অন্যান্য এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, অধিকাংশ খুচরা দোকানে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছেনা। খুচরা দোকানিরা অভিযোগ করেছেন, ডিলাররা সরবরাহ কমাচ্ছে বা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।

ডিলারদের দাবি, সরকার নির্ধারিত দাম কার্যকর হতে দু-এক দিন সময় লাগে। নতুন সিলিন্ডার সরবরাহ হলে দাম স্বাভাবিক হয়ে যাবে। অন্যদিকে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, সরবরাহে কোনো সমস্যা নেই, তারা সরকার নির্ধারিত মূল্যে ডিলারদের কাছে বিক্রি করছেন।

বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিকের ব্যবসায়ী শওকত হোসেন জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার ১,৩০০ টাকায় কিনেছিলেন। পরে নতুন সরবরাহ না থাকায় ১,৫৫০ টাকায় কিনতে বাধ্য হয়েছেন।

ভোক্তা ইসমাইল সিকদার জানিয়েছেন, অনেক দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছিল না; শেষ পর্যন্ত তুলাতলী থেকে ১,৮০০ টাকায় একটি সিলিন্ডার কিনতে হয়েছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শাহীন বলেন, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

চট্টগ্রাম কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন অভিযোগ করেছেন, এলপিজি ব্যবসায়ীরা জনমানুষকে জিম্মি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। সরকারের নজরদারি ও বাজার মনিটরিং কার্যক্রমে কালোবাজারি সিন্ডিকেট ভেঙে গেছে, তবে কিছু অসাধু ডিলার এখনও দামে কৃত্রিম উত্থান ঘটাচ্ছে।

চট্টগ্রাম মিরসরাই জোনের এলপিজির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিজবী আহমেদ জানিয়েছেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে এবং চাহিদা অনুযায়ী কোনো সমস্যা নেই।

সরকার এলপিজি সংকট ও মূল্য অস্থিরতা মোকাবিলায় আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট ও কর কমিয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে আমদানি করা এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫% থেকে ১০% করা হয়েছে। স্থানীয় উৎপাদিত এলপিজির ভ্যাট নামানো হয়েছে ৭.৫%-এ। এছাড়া ব্যাংক ঋণ ও এলসি খোলার প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
মুকুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত
অনলাইন জুয়ার ‘হোতা’ মুকুল গ্রেপ্তার

মেহেরপুরে সাইবার সুরক্ষা আইনে দায়ের হওয়া মামলার অন্যতম আসামি মুকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তিনি জেলাজুড়ে অনলাইন ক্যাসিনো কারবার ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগেও অভিযুক্ত। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী। ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, সম্প্রতি কার্যকর হওয়া সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৫ এর আওতায় মেহেরপুর জেলায় দায়ের হওয়া প্রথম মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন মুকুল ইসলাম। ওই মামলায় মোট ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছিল। মেহেরপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী সংবাদমাধ্যম কালবেলাকে বলেন, সাইবার আইনে দায়ের হওয়া মামলার পলাতক আসামি হিসেবেই মূলত মুকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা মোবাইল পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনলাইন জুয়া বা অবৈধ লেনদেনের কোনো ট্রেস পাওয়া গেলে নতুন আরেকটি মামলা দায়ের করা হবে। অন্যথায় বিদ্যমান মামলাতেই তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। সাইবার মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মুজিবনগর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৫-এর ২০(২), ২৪(২) ও ২৭(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। নথিতে উল্লেখ করা হয়, চক্রটি মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়াসহ আশপাশের এলাকায় অনলাইন জুয়া ও অবৈধ ই-লেনদেনের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল। আন্তর্জাতিক অনলাইন ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তারা দেশি-বিদেশি অর্থপাচারে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায় অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কোটি টাকার লেনদেনের পাশাপাশি ফেসবুক ও টেলিগ্রাম গ্রুপে দ্রুত আয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলার অভিযোগও রয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, মেহেরপুর জেলায় অনলাইন জুয়া ছড়িয়ে পড়ার পেছনে যাদের নাম আলোচিত, মুকুল ইসলাম তাদের অন্যতম। শুধু মেহেরপুর নয়, বাংলাদেশে অনলাইন ক্যাসিনোর শুরুর দিকেই গুটিকয়েক ব্যক্তির মধ্যে তিনিও একজন এজেন্ট হিসেবে যুক্ত হন। আরও জানা গেছে, নুরুল মাস্টার ও জামান মাস্টারের অর্থায়ন ও এজেন্ট সিম ব্যবহার করে মুকুল ইসলাম এবং ওয়াসিম হালদার মেহেরপুর জেলায় প্রথম অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্টশিপ পরিচালনা শুরু করেছিলেন। পরে মুকুল নিজেই জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়লে নুরুল ও জামান তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন। এরপর বিভিন্ন ব্যক্তিকে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট চ্যানেল দেওয়ার নামে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। প্রতারণার অর্থ দিয়ে জুয়া খেলতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি তার অবৈধ উপার্জনে অর্জিত সম্পদ বিক্রি করলেও এখনো অনলাইন জুয়ার চক্র থেকে বের হতে পারেননি। এ বিষয়ে মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিনুর রহমান খান কালবেলাকে বলেন, অনলাইন ক্যাসিনো এজেন্টদের বিষয়ে মেহেরপুর জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। চিহ্নিত অপরাধীদের ধরতে জেলাব্যাপী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মারিয়া রহমান ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
বিস্ফোরণের পর বাসার চিত্র। ছবি : সংগৃহীত

চট্টগ্রামে বিস্ফোরণ : মায়ের পর মারা গেলেন ছেলেও

ছবি : সংগৃহীত

নড়াইলে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে ৩ নিহত

প্রতীকী ছবি : সংগৃহীত

আজ ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

ডিএমপির উপকমিশনার মাসুদ আলম। ছবি : সংগৃহীত
ধানমণ্ডি ৩২–এর পার্কে পুলিশের অভিযান

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকার একটি পার্কে অভিযান পরিচালনা করেছে পুলিশ। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের বিষয়ে ডিএমপির উপকমিশনার মাসুদ আলম বলেন, উঠতি বয়সী কিছু ছেলে এই এলাকায় এসে মাদক সেবন করে এবং সামান্য বিষয় নিয়ে বিবাদে জড়ায়। এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং কিশোরদের মাদক থেকে বিরত রাখতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, পার্ক হলো বিনোদনের জায়গা। এখানে মানুষজন নিরাপদে হাঁটাচলা করবেন। কিন্তু এখানে যাতে কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য না থাকে সেজন্য আমরা কাজ করছি। আজ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করব। প্রয়োজনে তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলব। এরপর আইনি ব্যবস্থা নেব।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে বিষের বোতল হাতে অনশনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী

সংগৃহীত ছবি

ওসিকে হুমকির অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আটক, মহাসড়ক অবরোধ

রাজধানীর শাপলা চত্বর। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

রাজধানীর আধাবর থানা ঘেরাও করেছেন এলাকাবাসী শ্রমিকরা। ছবি : সংগৃহীত
মোহাম্মদপুরে থানা ঘেরাও করে জনতার বিক্ষোভ

চাঁদাবাজি ও গণছিনতাই রোধের দাবিতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আদাবর থানা ঘেরাও করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টায় চাঁদাবাজি ও গণছিনতাইয়ের প্রতিকার চেয়ে থানা ঘেরাওয়ের পাশাপাশি সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে নামেন তারা। জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার পর আদাবরে চাঁদার জন্য এমব্রয়ডারি মালিক ও শ্রমিকদের কুপিয়ে আহত করে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার বিচার চাওয়ার পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও গণছিনতাই প্রতিরোধের দাবিতে ভুক্তভোগীসহ স্থানীয়রা রাতে আদাবর থানা ঘেরাও করেন। এ ঘটনায় রাত ১টার দিকেও ব্যবসায়ী ও জনতার থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিল। এ সময় নানা স্লোগান দিতেও দেখা যায় তাদের। মোহাম্মদপুরের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আবির এমব্রয়ডারি ফ্যাক্টরিতে আজ বেতন দিচ্ছিল, সে সময় ১০-১২ সদস্যের একটি সশস্ত্র গ্রুপ চাপাতি নিয়ে ঐ ফ্যাক্টরিতে হামলা চালায় মোবাইল ও টাকা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে। ঐ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি যখন অন্নান্য ফ্যাক্টরিতেও ছড়িয়ে পরে তখন শ্রমিকরা ছিনতাইকারীদের লিডার রাসেলের বাড়ি ঘেরাও করেন। রাসেলকে না পেয়ে শ্রমিকরা তার বাবাকে অবরোধ করে। কমিশনার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাসেলের বাবা পুলিশকে খবর দিলে আমরা তাকে হেফাজতে থানায় নিয়ে আসি। তখনি উত্তেজিত জনতা থানার সামনে এসে জড় হয়। তিনি আরও বলেন, আবির এমব্রয়ডারি ফ্যাক্টরির মালিক বাদি হয়ে একটা মামলা করেছে, মামলার প্রক্রিয়া চলছে। শ্রমিকদের কুপিয়ে আহত করার ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। অপরাধী যে হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। ছবি : সংগৃহীত

বাংলা ভাষার সঙ্গে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না : বিদ্যুৎমন্ত্রী

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির উদ্দেশে যে বার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জে ওসির অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

0 Comments