২০২৫-২০২৬ অর্থবছর থেকে বাংলাদেশের কর ব্যবস্থায় সূচিত হয়েছে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। সরকারের ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ব্যক্তিশ্রেণির সকল করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। এই উদ্যোগটি কেবল একটি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং করদাতাদের হয়রানি মুক্ত করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।
২০২৫-২৬ করবর্ষের বিশেষ সময়সীমা বৃদ্ধি:
চলতি ২০২৫-২০২৬ করবর্ষে করদাতাদের ব্যাপক সাড়া এবং প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির সুবিধার্থে এনবিআর কয়েক দফায় সময় বৃদ্ধি করেছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। মূলত জাতীয় নির্বাচন ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে করদাতাদের অভ্যস্ত হওয়ার সুযোগ দিতেই সরকার এই স্বস্তিদায়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ফলে করদাতারা কোনো প্রকার জরিমানা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের বার্ষিক আয়ের বিবরণী জমা দিতে পারছেন।
২০২৬-২৭ করবর্ষের আগাম প্রস্তুতি:
আগামী ২০২৬-২৭ করবর্ষে অনলাইন রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়া আরও সহজ ও স্মার্ট করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে এনবিআর। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কর হিসাবের সুবিধা যুক্ত হবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য রিটার্ন দাখিলকে একটি সহজ মোবাইল গেমিংয়ের মতো আনন্দদায়ক করে তুলবে।
কেন এই অনলাইন পদ্ধতি এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ?
অনলাইন ট্যাক্স সাবমিশন বা ই-রিটার্ন ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ এখন নানাবিধ সুবিধা ভোগ করছেন:
পরিসংখ্যান ও বর্তমান পরিস্থিতি:
এনবিআর-এর তথ্যমতে, বাংলাদেশে বর্তমানে টিআইএন (TIN) ধারীর সংখ্যা ১ কোটির কাছাকাছি হলেও নিয়মিত রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সাধারণ মানুষের সহায়তায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম:
অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হওয়ায় অনেক করদাতার মাঝে প্রাথমিক দ্বিধা ছিল। এই দ্বিধা কাটাতে ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন তথ্যমূলক পেজ ও গ্রুপ করদাতাদের বিনামূল্যে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।
এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো 'My Lawyer, Income Tax Solution BD' ফেসবুক পেজটি। এই প্ল্যাটফর্মটি সাধারণ করদাতাদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য বাতিঘর হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে।
My Lawyer, Income Tax Solution BD পেজটি নিয়মিত লাইভ সেশন, টিউটোরিয়াল ভিডিও এবং সহজবোধ্য পোস্টের মাধ্যমে কীভাবে ঘরে বসে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে হয়, তা সাধারণ মানুষকে শেখাচ্ছে। এমনকি জটিল আইনি বিষয়গুলোও তারা খুব সহজে ব্যাখ্যা করছে, যা হাজার হাজার মানুষের করভীতি দূর করতে সাহায্য করেছে।
এছাড়াও বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল এবং ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ জানতে পারছেন বিনিয়োগ রেয়াত, ট্যাক্স রিবেট এবং সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি।
উপসংহার ও আহ্বান:
সরকার ও এনবিআর-এর এই ডিজিটাল উদ্যোগ বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি নাগরিকের দেওয়া করই দেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি। অনলাইন রিটার্ন দাখিল এখন নাগরিকের অধিকার ও সম্মানের প্রতীক।তাই বিলম্ব না করে বর্ধিত সময়সীমা অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আপনার আয়কর রিটার্ন জমা দিন। নিজে স্মার্ট হোন এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অংশীদার হোন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণায় করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR) তহবিল থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অনুদান দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) জানিয়েছে, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-কে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি-কে ২০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। মোট ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা দেওয়া হয়, যা সামাজিক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দ ছিল। এবিবি চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী এই অর্থ দেওয়া হয়েছে এবং এটি ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার ও নির্বাচনী বিতর্ক আয়োজনের জন্য ব্যবহার হওয়ার কথা ছিল। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, সিএসআর তহবিল রাজনৈতিক বা গণভোটের প্রচারণায় ব্যবহার করা কতটা যৌক্তিক। এদিকে একই তহবিল থেকে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারের জন্য ২০ কোটি টাকা চেয়েছিল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। তবে তারা নিবন্ধিত সংগঠন না হওয়ায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার পরই এই অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব আসে বলে জানা গেছে, তবে পরে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি ওঠে এবং তা আর এগোয়নি।এ ঘটনায় এখন বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি নিয়ে অডিট তদন্ত শুরু করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, সিএসআর তহবিল সাধারণত দারিদ্র্য ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ব্যবহৃত হওয়ার কথা, রাজনৈতিক বা ভোট প্রচারণায় নয়। তারা বলছেন, এই ধরনের অর্থ ব্যবহারের প্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য স্বচ্ছ হওয়া উচিত।
রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং অডিট প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৭২ হাজার ৩৪১টি আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর। এনবিআর জানায়, রিস্ক বেইজড অডিট ক্রাইটেরিয়ার ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেটেড পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ করবর্ষের জন্য দ্বিতীয় পর্যায়ে এসব রিটার্ন নির্বাচন করা হয়েছে। এর আগে প্রথম পর্যায়ে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে র্যান্ডম সিলেকশন পদ্ধতিতে ১৫ হাজার ৪৯৪টি রিটার্ন অডিটের জন্য বাছাই করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত কয়েকটি সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রতিটি সার্কেলের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ এবং সর্বনিম্ন ২০ জন করদাতাকে অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ না থাকায় অডিট নির্বাচন পুরোপুরি স্বচ্ছ হয়েছে, যা করদাতা ও সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছে। এনবিআর আরও জানায়, স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় অডিটের জন্য নির্বাচিত টিআইএন নম্বরের তালিকা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটি মনে করছে, এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি একদিকে যেমন স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবে, তেমনি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) ৩০ বছর ব্যবসা পরিচালনা পূর্ণ করার পর বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এক্সপেরিয়েন্স ক্লদিং কোম্পানি লিমিটেড। নতুন চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি আরও ৩০ বছর ঢাকা ইপিজেডে কার্যক্রম চালাবে। আজ সোমবার বেপজার নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং এক্সপেরিয়েন্স ক্লদিং কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক জুলফিকার মাকসুদ চুক্তিতে সই করেন। বেপজার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত বিনিয়োগ ১ কোটি ৫১ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার (১৫ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার)। কোম্পানিটিতে ২ হাজার ৪৮৫ জন বাংলাদেশি কর্মরত আছেন। চুক্তি নবায়নকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশের ওপর আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে বেপজা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এ নবায়ন দেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাতে বিদেশি বিনিয়োগ ধরে রাখা ও সম্প্রসারণে ইতিবাচক বার্তা দেবে। অনুষ্ঠানে বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কোম্পানিটির কনসালট্যান্ট এবং বেপজার সাবেক সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) জিল্লুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। বেপজা সূত্রে জানা গেছে, ইপিজেডগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ টিকিয়ে রাখতে নীতিগত সহায়তা ও অবকাঠামোগত সুবিধা জোরদারে কাজ চলছে। এ ধরনের চুক্তি নবায়ন সেই প্রচেষ্টারই অংশ।