অনলাইন বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে অর্থ পাচারের অভিযোগে এবার ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নজরে এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী নেহা শর্মা। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করে সংস্থাটি।
ইতিমধ্যেই কংগ্রেস নেতা অজিত শর্মার মেয়ে নেহা শর্মাকে নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছিল ইডি। তদন্ত কর্মকর্তারা মূলত জানতে চান, বিতর্কিত বেটিং প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে তার সম্পর্ক কী ছিল এবং তিনি অর্থের বিনিময়ে কী ধরনের প্রচারমূলক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
সূত্র বলছে, প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্টের (পিএমএলএ) আওতায় অভিনেত্রীর বয়ান নথিভুক্ত করেছে ইডি। তদন্ত চলছে—বেটিং অ্যাপটির প্রচার ও প্রসারে তিনি কোনোভাবে ভূমিকা রেখেছিলেন কি না, এবং এর বিনিময়ে কোনো অবৈধ লেনদেন হয়েছে কি না। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি ‘ক্রুক’ খ্যাত নেহা শর্মা।
এই মামলায় শুধু নেহা শর্মাই নন, ইডির রাডারে রয়েছেন বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের আরও কয়েকজন তারকা। এর আগে সোনু সুদ, বিজয় দেবরাকোন্ডা, প্রকাশ রাজ, উর্বশী রাউতেলা, রানা দাগ্গুবাতি, ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান ও যুবরাজ সিংকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, গত আগস্টে জিজ্ঞাসাবাদের সময় দক্ষিণী অভিনেতা বিজয় দেবরাকোন্ডা দাবি করেছিলেন, তিনি ‘এ–২৩’ নামে একটি বৈধ গেমিং অ্যাপের প্রচার করেছিলেন, কোনো বেটিং অ্যাপের নয়। তার বক্তব্য—ভারতে গেমিং অ্যাপ ও বেটিং অ্যাপ আলাদা ক্যাটাগরির, এবং গেমিং অ্যাপ অনেক রাজ্যে বৈধ। তিনি তার ব্যাংক লেনদেন ও চুক্তিপত্রসহ প্রয়োজনীয় সব নথি ইডিকে সরবরাহ করেছিলেন।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
প্রেক্ষাগৃহে দারুণ সাফল্যের পর এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসছে সামান্থা রুথ প্রভুর ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’। নন্দিনী রেড্ডি পরিচালিত এবং রাজ নিদিমোরু সৃষ্ট অ্যাকশন-ড্রামা ঘরানার এই সিনেমাটি আগামী ১৭ জুলাই থেকে স্ট্রিমিং হবে জিওহটস্টার-এ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে, ‘১৭ জুলাই... দেখো কীভাবে একে একে সবাইকে জবাব দেওয়া হয়। 'মা ইন্টি বাঙ্গারাম' ১৭ জুলাই থেকে জিওহটস্টারে।’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ২৮ দিন পর ওটিটিতে আসছে সিনেমাটি। বর্তমানে তেলেগু চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে চার সপ্তাহ পর ডিজিটাল মুক্তির যে ধারা চলছে, সেটিই অনুসরণ করেছে নির্মাতারা। জিওহটস্টারের তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটি তেলেগু, তামিল, কন্নড় ও মালয়ালম ভাষায় দেখা যাবে। তবে আপাতত হিন্দি ডাব সংস্করণ মুক্তির কোনো পরিকল্পনা নেই। ঘোষণার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক দর্শক হিন্দি সংস্করণের দাবি তুললেও এ বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে নতুন কোনো ঘোষণা আসেনি। সিনেমার গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র স্বর্ণা, যার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সামান্থা রুথ প্রভু। বিয়ের দুই বছর পর প্রথমবার স্বামীর পরিবারে এসে নতুন পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে। কিন্তু অন্য পুত্রবধূর সঙ্গে বারবার তুলনা এবং অতীত থেকে ফিরে আসা করুণা নামের এক ব্যক্তির উপস্থিতি স্বর্ণার জীবনে নতুন সংকট তৈরি করে। নিজের অন্ধকার অতীত গোপন রাখতে গিয়ে তাকে আবারও সহিংসতার পথে ফিরতে হয়। সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন গুলশন দেবাইয়া, দিগন্ত মানচালে, শ্রীমুখী, গৌতমী ও মঞ্জুষা মুক্কাভিল্লি। সংগীত পরিচালনা করেছেন সন্তোষ নারায়ণন। মুক্তির পর সমালোচক ও দর্শক—উভয়ের কাছ থেকেই প্রশংসা কুড়ায় ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’। বিশ্বব্যাপী ১০০ কোটির বেশি রুপি আয় করে এটি ১০০ কোটির ক্লাবে জায়গা পাওয়া প্রথম নারীপ্রধান তেলেগু সিনেমার ইতিহাস গড়ে। এই সাফল্যের পর এক সাক্ষাৎকারে সামান্থা জানান, মুক্তির আগে এক প্রদর্শক তাকে বলেছিলেন, ‘নায়িকাকেন্দ্রিক সিনেমা দেখতে কে আসবে? বড় নায়কের ছবি হলে মানুষ আসে, কিন্তু শুধু একজন নায়িকাকে কেন্দ্র করে বানানো সিনেমা কেউ দেখবে না।’ তবে বক্স অফিসের সাফল্যের মাধ্যমে সেই ধারণাকেই ভুল প্রমাণ করেছে ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’।
বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েল অভিনয়ের ব্যস্ততার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে উড়াল দিয়েছেন নীল জলরাশির দেশ মালদ্বীপে। সেখানেই প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন অভিনেত্রী। প্রকৃতির মাঝে নিজেকে মেলে ধরছেন গ্ল্যামারাস কুইন কেয়া পায়েল। মালদ্বীপ ভ্রমণের দারুণ কিছু মুহূর্ত সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে তার ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সমুদ্রের নীল পানি, বালুময় সৈকত আর ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের সেসব মোহময়ী ছবি তার ভক্তদের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ। বিদেশের মাটিতেও বাঙালি নারীর চিরচেনা রূপ! মালদ্বীপের সাগরের বুকে কাঠের তৈরি ওয়াকওয়েতে হালকা নীল ও বেগুনি রঙের শাড়ির সঙ্গে লাল রঙের কাঁচের চুড়ি পরে পোজ দিয়েছেন কেয়া পায়েল। মালদ্বীপের সমুদ্রসৈকতে কাচের মতো স্বচ্ছ নীল জলরাশিতে জলকেলিতে মেতেছেন ওঠেন কেয়া পায়েল। ফ্লোরাল প্রিন্টের পোশাকে সাগরের পানি ছুঁয়ে ক্যামেরার বিপরীতে থাকা তার এ ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে এখন বেশ ভাইরাল। আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে, সৈকতের পাশে ক্যাফেতে বসে হালকা গোলাপি পোশাকে চুলে হাত বুলিয়ে ক্যাজুয়াল লুকে পোজ দিচ্ছেন কেয়া পায়েল। চোখে সানগ্লাস আর শান্ত প্রকৃতির মাঝে তার এই স্নিগ্ধ রূপ ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। সমুদ্রের একেবারে কোলঘেঁষে তৈরি কটেজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে সাগরের ঢেউ উপভোগ করছেন তিনি। মাথায় স্টাইলিশ হ্যাট ও সাদা সিল্কের গাউনের সঙ্গে ম্যাচিং লেস শ্রাগ জড়িয়ে তার এই ক্ল্যাসিক পোজটি বেশ প্রশংসিত হচ্ছে। সমুদ্রসৈকতে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে ব্যাকলেস ফ্লোরাল পোশাকে আর সানগ্লাস চোখে এক অন্য রকম লুকে ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী কেয়া। ব্যাকগ্রাউন্ডে রিসোর্টের ওয়াটার ভিলা আর নীল আকাশ তার এই রূপকে আরও আবেদনময়ী করে তুলেছে। মালদ্বীপের রাতের মায়াবী আবহে ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের রোমান্টিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন কেয়া পায়েল। সামনের টেবিলে সাজানো বাহারি খাবার, ড্রিংকস আর লণ্ঠনের আলো-আঁধারির মাঝে তার এই মিষ্টি হাসি নেটিজেনদের দারুণ মন কেড়েছে।
বিশ্বকাপ ফুটবলের অফিসিয়াল থিম সং নিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ব্যস্ত সময় কাটছে বাংলাদেশি-আমেরিকান সংগীত প্রযোজক, সুরকার ও শিল্পী সানজয়ের। বলিউড তারকা নোরা ফাতেহির সঙ্গে বিশ্বজুড়ে প্রচারণামূলক কনসার্টে অংশ নিয়ে ফুটবল উন্মাদনায় মাতিয়েছেন তিনি। তবে সেই বিশ্বমঞ্চের ব্যস্ততার মাঝেও দেশের মানুষের ভালোবাসার টানেই ফিরছেন বাংলাদেশে। আর দেশে ফেরার আগেই ভক্তদের জন্য নিয়ে এলেন বাংলার লোকগান ‘কার জন্য’। দেশের অন্যতম অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রতিষ্ঠান কাইনেটিক মিউজিক থেকে প্রকাশিত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী মাখন মিয়া। জুয়েল মোরশেদ ও রিয়াজ আলীর কথায় নির্মিত গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সানজয়। এতে ঐতিহ্যবাহী লোক ও বাউলসংগীতের আবহকে আধুনিক ইলেকট্রনিক সাউন্ডের সঙ্গে মিলিয়ে নতুন এক সংগীতধারা উপস্থাপন করা হয়েছে। গানটির মিউজিক ভিডিওতেও রয়েছে ভিন্নধর্মী নির্মাণ। ব্যস্ত নগরজীবনের কোলাহলের মধ্যে সংগীতের মাধ্যমে মুক্তি ও আত্মঅন্বেষণের গল্প উঠে এসেছে এতে। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ধারণ করা ভিডিওটির কোরিওগ্রাফি করেছেন রিদি শেখ। নৃত্য পরিবেশন করেছেন শানজিদা জাহান পুষ্প। কাইনেটিক মিউজিকের এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু একটি নতুন গান প্রকাশ নয়; বরং বাংলার লোকঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক সংগীতভাষায় নতুনভাবে তুলে ধরা। নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে লোকসংগীতকে আধুনিক আঙ্গিকে পৌঁছে দিতেই এই প্রয়াস। সনজয় বলেন , “সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে এসেছিলাম। তখনই গানটা করা হয়েছে। শুটিংও সেসময় করা। বিশ্বকাপ ফাইনালের দিনে দেশে কনসার্ট করছি। শুধুমাত্র এ জন্যই আসছি এবার।” তিনি জানান, আগামী ১৮ জুলাই দেশে পৌঁছাবেন। পরদিন ১৯ জুলাই রাজধানীর বনানী পূজা মাঠে আয়োজিত ফ্যানফেস্টে অনুষ্ঠিত হবে তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত হোমকামিং কনসার্ট। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে রাত ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ পরিবেশনা। এরপর উপস্থিত দর্শকরা জায়ান্ট স্ক্রিনে একসঙ্গে উপভোগ করবেন বিশ্বকাপের গ্র্যান্ড ফাইনাল। সানজয় দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক সংগীতাঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সংকে ঘিরে নোরা ফাতেহির সঙ্গে একাধিক আন্তর্জাতিক প্রচারণামূলক কনসার্টে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ এশিয়ার সংগীত ও সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরছেন। অন্যদিকে মাখন মিয়া ‘উইন্ড অব চেঞ্জ’, ‘কোক স্টুডিও বাংলা’র প্রথম মৌসুমের জনপ্রিয় গান ‘লীলাবালি’ এবং শায়ান চৌধুরী অর্ণবের সঙ্গে ‘সংস অব বেঙ্গল’ প্রকল্পের মাধ্যমে শ্রোতাদের কাছে সুপরিচিত। ‘কার জন্য’ গানে মাখন মিয়ার মাটির ঘ্রাণমাখা কণ্ঠ এবং সানজয়ের আধুনিক সংগীতায়োজনের মেলবন্ধন ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মধ্যে একটি নতুন সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। একদিকে বিশ্বকাপের আন্তর্জাতিক মঞ্চ, অন্যদিকে বাংলার লোকসংগীতের শেকড়—দুই ভুবনকে এক সুতোয় গেঁথে দেশে ফিরছেন সানজয়। আর সেই ফেরাটা কেবল একটি কনসার্টের জন্য নয়, নিজের মাটি, নিজের ভাষা ও নিজের সংগীতের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ তৈরিরও এক উপলক্ষ।