খেলাধুলা

আজ থেকে বাংলাদেশি বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু

মোঃ ইমরান হোসেন নভেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

ক্রীড়াঙ্গনের মাইলফলকের দিন আজ। হকির যে কোনো বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে নামছে বাংলাদেশ। ‘এফ’ গ্রুপে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লাল-সবুজের যুবাদের স্বপ্নের বিশ্বকাপে অভিষেক হবে। অনূর্ধ্ব-২১ আসরেই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হচ্ছে।

 

আগামীকাল দক্ষিণ কোরিয়া ও ২ ডিসেম্বর ফ্রান্সের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশি যুবারা। শক্তির বিচারে গ্রুপের তিনটি ম্যাচেই হারার সম্ভাবনা বেশি থাকলেও, বিশ্বকাপে নাম লেখানোয় এটাই দেশের জন্য বড় প্রাপ্তি। হকির যেকোনো আসরে প্রথমবার অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ।

তবে এ নিয়ে ক্রীড়ামোদীদের তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। দেশের বাইরে বিশ্বকাপ হওয়ায় অনেকে হয়তো জানেন না যে বাংলাদেশ খেলছে। তবু আলোচনা হোক বা না হোক, সত্য হচ্ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ দল বিশ্বকাপে খেলছে এবং এটি গৌরবের। ভারতের চেন্নাই ও মাদুরাইয়ে এবারের যুব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা শেষ হবে ১০ ডিসেম্বর। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ আজ বিকাল ৪টায়।

বাংলাদেশের দল ১৮ নভেম্বর ভারতে পৌঁছে। সেখানে অনুশীলন এবং দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে তারা জোর বাড়িয়েছে। প্রথম ম্যাচে চিলিকে ৩-০ এবং পরের ম্যাচে সুইজারল্যান্ডকে ৫-২ গোলে হারিয়েছে। যদিও চিলি ও সুইজারল্যান্ড হকিতে খুব শক্তিশালী দল নয়, জয় পাওয়ার আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে।

অধিনায়ক মেহরাব হোসেন বলেন, ইউরোপের দলের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা ছিল না। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ আমাদের পারফরম্যান্স ও মনোবলে শক্তি যোগাবে। অস্ট্রেলিয়া বিশ্ব হকির পরাশক্তি, তবে আমরা আমাদের সেরাটা দিতে চেষ্টা করব। তিনটি ম্যাচই কাছাকাছি সময়ে, তাই সতর্ক থাকতে হবে এবং ইনজুরি এড়িয়ে চলতে হবে।

সহকারী কোচ মশিউর রহমান বলেন, তিন প্রতিপক্ষই আমাদের চেয়ে শক্তিশালী। তবে আমরা সেরাটা প্রদর্শন করতে প্রস্তুত। প্রথম বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতে চাই। সবাই সুস্থ এবং কোনো সমস্যা নেই। এখন শুধু মাঠে নামার অপেক্ষা।

 

গত বছর ওমানের মাসকাটে অনুষ্ঠিত জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে পঞ্চম হওয়ার সুবাদে এই সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। দুই প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াও জুনিয়র দলের পাঁচ খেলোয়াড় জাতীয় দলের হয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে প্লে-অফ ম্যাচ খেলেছেন। তাই বিশ্বকাপে মাঠে নামার আগে দলের প্রস্তুতি এবং অভিজ্ঞতা ইতোমধ্যেই শক্তিশালী হয়েছে।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
টানা দুই জয়ে বিশ্বকাপ শেষ আফগানিস্তানের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচেই টানা হার মানে আফগানিস্তান। এরপরই গ্রুপ পর্ব থেকে প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের বিদায়। তবে পরের দুই ম্যাচেই টানা জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। কিন্তু তাতেও কোন লাভ হয়নি। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচেও আজ কানাডাকে ৮২ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। ব্যাট হাতে ইবরাহিম জাদরানের হার না মানা ৯৫ রানের ইনিংসের পর মোহাম্মদ নবীর ঘূর্ণি জাদুতে চড়ে হেসেখেলে জিতেছে আফগানরা। ফলে শেষ দুই ম্যাচে টানা জয় নিয়েই এবারের বিশ্বকাপ শেষ হল আফগানিস্তানের। চেন্নাইয়ের চিপকের মা চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় কানাডা। দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ এবং ইবরাহিম জাদরানের ব্যাটে ভর করে ভালো শুরু পায় আফগানিস্তান। শুরু থেকেই চালিয়ে খেলেছেন দুজন। ওপেনিং জুটিতে এসেছে ৪৭ রান। ২০ বলে ৩০ রান করে বিদায় নেন গুরবাজ। একই ওভারে বিদায় নেন তিনে নামা গুলবাদিন নাইবও। ২ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে ৪৯ রান তোলে আফগানিস্তান। এরপর ক্রিজে জুটি বাঁধেন টিকে থাকা ওপেনার ইবরাহিম জাদরান এবং চারে নামা সেদিকউল্লাহ আতাল। সময়ের সাথে সাথে ক্রিজে জমে যান দুজন। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন। দলের বোর্ডে রান তুলেছেন, নিজেরাও ছুটেছেন ফিফটির দিকে। ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন ইবরাহিম। কাছাকাছি গিয়ে থেমেছেন আতাল। ৩২ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে দলের ১৪৪ রানের মাথাতে বিদায় নেন আতাল। ইবরাহিমের উইলোবাজি চলছিলই। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে কানাডার বোলারদের পিটিয়ে তক্তা বানাচ্ছিলেন ইবরাহিম। আপন গতিতে ছুটেছেন সেঞ্চুরির দিকে। শেষ দিকে নেমে ৭ বলে ১৩ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ৪ বলে ৪ রান করে টিকে ছিলেন ডারউইশ রাসুলি। কানাডার বোলারদের কচুকাটা করে ২০০ ছুঁয়ে থেমেছে আফগানিস্তান। ইবরাহিম সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও সেঞ্চুরিটা ছুঁতে পারেননি। ৫৬ বলে ৯৫ রানের অনবদ্য এক ইনিংস খেলে টিকে ছিলেন ইবরাহিম। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় আফগানিস্তান। কানাডার হয়ে ৩ উইকেট নেন জাসকারান সিং। ১ উইকেট তুলেছেন ডিলন হেয়লিগার। জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই আফগান বোলারদের বোলিং তোপে চাপে ছিল কানাডা। ওপেনিং জুটি থেমেছে ২৫ রানে। ওপেনার দিলপ্রিত বাজওয়া ৭ বলে ১৩ রান করে বিদায় নেন, তাকে ফিরিয়েছেন মুজিব উর রহমান। পরের ওভারে ডাক মেরে ফিরেছেন নাভনীত ঢালিওয়াল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটায় রানের খাতা খুলতে পারলেন না তিনি। পাওয়ারপ্লের মধ্যে ১৪ বলে ১৭ রান করা যুবরাজ সামরাকেও হারিয়ে ফেলে কানাডা। ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৪ রান তুলেছে কানাডিয়ানরা। পাওয়ারপ্লের পরেও নিয়মিত বিরতিতে একের পর এক উইকেট হারিয়েছে কানাডা। সুবিধা করতে পারেননি তেমন কেউই। মাঝে লড়াই চালিয়েছেন হার্শ ঠাকের। ২৪ বলে ৩০ রান করেছেন তিনি। শেষ দিকে ২৬ বলে ২৮ রান করেছেন সাদ বিন জাফর। একের পর এক উইকেটের পতনে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় কানাডা। শেষ পর্যন্ত থেমেছে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১৮ রান তুলে। আফগানিস্তান পেয়েছে ৮২ রানের বড় জয়। এবারের বিশ্বকাপে আফগানদের দ্বিতীয় জয়। যদিও গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে আগেই। আফগানদের হয়ে মাত্র ৭ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ নবী। ২ উইকেট তোলেন রশিদ খান। ১টি করে উইকেট নেন মুজিব উর রহমান এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
কক্সবাজারে দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর । ছবি : সংগৃহীত

কক্সবাজারে দুর্ঘটনার কবলে ওজিলের গাড়িবহর

সংগৃহীত ছবি

ম্যান সিটি-আতলেতিকোর পর ইন্টারকে হারিয়ে ইতিহাসের পথে নরওয়ের অখ্যাত ক্লাব

ফাইল ছবি

বিশ্বকাপে সুপার এইটের সম্পূর্ণ সূচি, কবে কে কার মুখোমুখি

ছবি : সংগৃহীত
শিরোপার দৌড়ে ফের হোঁচট খেল আর্সেনাল

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দুই গোলের লিড নিয়েও শেষ পর্যন্ত জয় ধরে রাখতে পারেনি শীর্ষে থাকা আর্সেনাল। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে উলভের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে মিকেল আর্তেতার দল। ২৭ ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থাকলেও, এক ম্যাচ কম খেলা ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে ব্যবধান এখন মাত্র পাঁচ পয়েন্ট। সিটি পরের ম্যাচ জিতলে সেই ব্যবধান কমে দাঁড়াবে তিনে।   উলভসের মাঠ মোলিনাক্সে বুধবার রাতে প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় আর্সেনাল। বিরতির আগে ১-০ লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে আরও একটি গোল করে তারা ব্যবধান বাড়ায়। তবে এরপর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। স্বাগতিকরা দুটি গোল শোধ করে সমতায় ফেরে। যোগ করা সময়ে আর্সেনাল ডিফেন্ডারের আত্মঘাতী গোলেই ২-২ সমতা আসে এবং পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে বাধ্য হয় গানাররা।   আর্সেনালের হয়ে গোল করেন বুকায়ো সাকা ও পিয়েরো ইনকাপিয়ে। অন্যদিকে উলভসের হয়ে একটি গোল করেন হুগো বুয়েনো, আর সমতার গোলটি আসে রিকার্দো কালাফিওরির আত্মঘাতী প্রচেষ্টায়।   টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট হারানোয় শিরোপা দৌড়ে চাপে পড়েছে আর্সেনাল। ম্যাচ শেষে হতাশা প্রকাশ করে সাকা বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয়ার্ধে দলের খেলায় স্পষ্ট পার্থক্য ছিল। নিজেদের মান ধরে রাখতে না পারার কারণেই পয়েন্ট খোয়াতে হয়েছে। তিনি আরও জানান, এখন নিজেদের পারফরম্যান্সে উন্নতি করাই প্রধান লক্ষ্য।   একসময় লিগে নয় পয়েন্টে এগিয়ে ছিল আর্সেনাল। কিন্তু পরপর দুটি ড্র তাদের শিরোপা স্বপ্নে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। অথচ টেবিলের তলানিতে থাকা উলভস এ মৌসুমে মাত্র একটি ম্যাচ জিতেছিল।   ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা আর্সেনাল পঞ্চম মিনিটে সাকার হেডে এগিয়ে যায়। ৫৬ মিনিটে ইনকাপিয়ে দারুণ এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই দূরপাল্লার বাঁকানো শটে গোল করে ব্যবধান কমান বুয়েনো। শেষদিকে টম এডোজির শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে তা কালাফিওরির গায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়, আর তাতেই নিশ্চিত হয় ড্র।

মো: দেলোয়ার হোসাইন ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

অপরাজিত থেকেই সুপার এইটে ভারত

ছবি : সংগৃহীত

২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপে লজ্জার রেকর্ড এখন ভারতীয় এই ওপেনারের

আমিনুল হক। ছবি : সংগৃহীত
প্রথম দিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচি

মঙ্গলবার বিকেলে নতুন সরকারের মন্ত্রীগণ শপথ গ্রহণ করেছেন। আজই প্রথম সচিবালয়ে অফিস করেছেন তারা। প্রথম দিনে সাধারণত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মত বিনিময় বা কুশলাদি হয়ে থাকে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নিজের প্রথম কার্য দিবসে মন্ত্রণালয় থেকে নয়টি কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কোন প্রতিষ্ঠান কোনটা বাস্তবায়ন করবে সেই তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।   সাবেক জাতীয় ফুটবলার আমিনুল হক গত দেড় বছর থেকেই ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে তার স্বপ্নের কথা বলে আসছিলেন। তার দল বিএনপির ইশতেহারেও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিফলন ছিল। আজ প্রথম কর্ম দিবসেই তিনি তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আছে চারটি ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ক্রীড়া পরিদপ্তর, বিকেএসপি, ক্রীড়া কল্যাণসেবী ফাউন্ডেশন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নয়টি কর্মসূচি এই চার অধীনস্থ সম্বলিতভাবে বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক সূচি প্রকাশ করেছে। ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে দেশের অন্য সকল খেলোয়াড়রা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না। এজন্য তিনি জাতীয় দলে সকল খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনতে চান এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করছেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ ও ২ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি। চতুর্থ শ্রেনী থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে তদারকি করবে। খেলাধূলার জন্য প্রয়োজন সরঞ্জাম। বাংলাদেশ অধিকাংশ সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আনে। দেশে সেই সরঞ্জাম তৈরি এবং সামনে রপ্তানির পরিকল্পনা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর। খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও খেলার জন্য প্রয়োজন অর্থ দেবে। ফেডারেশনকে সরকার থেকে তেমন আর্থিক অনুদান দেয়া হয় না। পৃষ্ঠপোষকরাও সেভাবে ফেডারেশনের পাশে দাঁড়ায় না। নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানকে একেকটি খেলা কিংবা ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন। এই দায়িত্ব বাস্তবায়ন করবে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। খেলাকে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে নিতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এজন্য উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করতে হবে। ক্রীড়া পরিদপ্তর এই বিষয়টি দেখভাল করবে। ৬৪ জেলায় ইনডোর ভিলেজ স্থাপনের দায়িত্ব বর্তেছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানরে কাছে। গতকাল শপথ নেয়ার পর মিরপুর পল্লবীস্থ নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আমিনুল। সেখানে তিনি বলেছিলেন ক্রীড়া উন্নয়নে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার আগে তিনি ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে বসতে চান। কথা মোতাবেকই কাজ করেছেন। আগামী রোববার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করবেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান এই সংক্রান্ত চিঠি তিন ক্রীড়া সাংবাদিক সংগঠনকে প্রেরণ করেছেন আজ বিকেলে।

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ইনজুরির কারণে ছিটকে গেলেন পাথিরানা। ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন পাথিরানা, বিকল্প নাম ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

ছবি : সংগৃহীত

ফেভারিট দক্ষিণ আফ্রিকার চারে চার

ছবি : সংগৃহীত

হাবিবুল বাশারকে এবার প্রধান নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব

0 Comments