সারাদেশ

নির্বাচনী আবহে খুলনা-যশোরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

মোঃ ইমরান হোসেন ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬ 0
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ খুলনা ও যশোর সফরে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে তার এই সফরকে ঘিরে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় খুলনা নগরীর খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির আয়োজনে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই জনসভায় বৃহত্তর খুলনা জেলার ১৪ জন বিএনপি প্রার্থীকে ভোটারদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।

নেতারা আশা করছেন, খুলনা ছাড়াও বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ঘটবে।

জনসভায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা, বন্ধ মিল-কারখানা পুনরায় চালু, গ্যাস সংযোগ, সুন্দরবনভিত্তিক পর্যটন শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

খুলনার কর্মসূচি শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপটারে যশোরের উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। দুপুর দেড়টার দিকে তিনি যশোর ক্রীড়া উদ্যানে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। এটি যশোরে তার প্রথম সরাসরি জনসভা।

যশোর জেলা বিএনপি জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে শহরের বাইরে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। সমাবেশে যশোর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের দাবি, বিশেষ করে ভবদহ সমস্যার স্থায়ী সমাধানসহ বিভিন্ন স্থানীয় ইস্যু তুলে ধরা হবে।

দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, নড়াইল, মাগুরা ও যশোর জেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ সমাবেশে অংশ নেবেন।

তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা ও যশোরে মঞ্চ নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং সাংগঠনিক প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ঈদেও চালু থাকবে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম

ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘বিশেষ প্রস্তুতি’ নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ডিজেল, এলএনজি ও জেট ফুয়েল নিয়ে বন্দরে ভেড়ার কথা রয়েছে মোট সাতটি জাহাজ। এসব জাহাজ থেকে দ্রুত জ্বালানি খালাস নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস পাঁচটি বিশেষ টিম গঠন করেছে।   বন্দরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর ও এর বহির্নোঙরে অবস্থান করছে জ্বালানিবাহী চারটি জাহাজ। এসব জাহাজ থেকে লাইটার ও মাদার ট্যাংকারের মাধ্যমে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার ৭৫ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ‘প্রাচী’ এবং ২০ মার্চ ৭০ হাজার ৬৭১ মেট্রিক টন এলএনজি নিয়ে ‘সোনানগোল বেঙ্গুইলা’ নামে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভেড়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছে। এ ছাড়া ২৪ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে চারটি জাহাজ এবং প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল নিয়ে আরও একটি জাহাজ বন্দরে আসার কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বার্থিং দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বহির্নোঙরে পণ্য খালাসের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিতে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। ঈদ ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বন্দরের ট্রাফিক বিভাগের আওতাধীন সব দপ্তর এবং অপারেশনাল কর্মস্থলের জন্য বিশেষ ছুটির সময়সূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পবিত্র শবেকদর, জুমাতুল বিদা, ঈদুল ফিতর এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সময় সাধারণ ও ক্লোজড হলিডে পালন করা হবে। সবচেয়ে দীর্ঘ ছুটি থাকবে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে। ১৮ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৪ মার্চ সকাল ৮টা পর্যন্ত ছুটি চলবে। তবে ঈদের দিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বন্দরে ‘ক্লোজড হলিডে’ পালন করা হবে। এ ছাড়া ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ২৬ মার্চ সকাল ৮টা থেকে ২৭ মার্চ সকাল ৮টা পর্যন্ত সাধারণ ছুটি থাকবে। অবশ্য ছুটির মধ্যেও বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুল্ক বিভাগ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এবং অতিরিক্ত মাশুল প্রদান সাপেক্ষে ছুটির দিনগুলোতেও জাহাজ ও লাইটারে পণ্য খালাসের কাজ করা যাবে। এদিকে ঈদের ছুটিতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে ২১টি বেসরকারি অফডকে নিরবচ্ছিন্ন ডিজেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশন (বিকডা)। সংগঠনটির মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব বলেন, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও অফডকগুলোয় পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে রপ্তানি পণ্যের জাহাজীকরণ ও আমদানি পণ্য ডেলিভারি ব্যাহত হতে পারে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন কালবেলাকে বলেন, ‘ছুটির মধ্যেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিজ নিজ স্থানে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে।’ সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের সঙ্গে বন্দর, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ব্যাংক, শিপিংসহ অন্তত ২৫টি প্রতিষ্ঠান সরাসরি জড়িত। তাই ঈদের ছুটিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বন্দরের কার্যক্রম সচল রাখতে সব সংস্থার সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ জনের

ছবি : সংগৃহীত

ঈদের ছুটিতে টানা ১০ দিন বন্ধ থাকবে সোনাহাট স্থলবন্দর

ছবি: সংগৃহীত

অল্প সময়েই ৪ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি নুরুদ্দিন অপুর

ছবি: সংগৃহীত
দেশে আর দখলবাজদের জায়গা হবে না—প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশে আর কোনো দখলবাজের জায়গা হবে না। সরকারি সম্পদ, খাল-বিল, নদী ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমি দখলমুক্ত রাখতে প্রশাসনকে কঠোরভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   সোমবার (১৬ মার্চ) **গোসাইরহাট উপজেলা**র **নাগেরপাড়া ইউনিয়ন**ে ১৪ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। হুইপ অপু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের উন্নয়ন, সুশাসন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। কোনো দখলবাজ সরকারি সম্পদ বা জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট জায়গা দখল করতে পারবে না। এসব বিষয়ে সরকার শূন্য সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করবে।” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক **তাহসিনা বেগম**ের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সফিকুর রহমান কিরন, জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার একেএম নাছির উদ্দীন কালু, পুলিশ সুপার **রওনক জাহান**সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বক্তারা জানান, সরকারি সম্পদ ও খাল-বিল দখলমুক্ত রাখলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে। এ বিষয়ে সরকার দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত রাখবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

মোঃ নাহিদ হোসেন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
পাবনার হেমায়েতপুরের মন্ডলপাড়ার পদ্মকোল খনন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ফারজানা শারমিন পুতুল।

শিকড় ভুলে গেলে ৫ আগস্ট বারবার ফিরে আসবে : পুতুল

নেতাকর্মীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : সংগৃহীত

কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে : প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যরাতে উত্তাল উত্তরা, শপিং কমপ্লেক্সে ভাঙচুর

শারমীন জাহানছবি : সংগৃহীত
সাভারে জাবি ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার সাভারে ভাড়া বাসা থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ক্যাম্পাস সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।   মৃত শারমীন জাহান (২৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শারমীনের স্বামী ফাহিম আল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তিনি ঢাকা কলেজের ছাত্র।   পুলিশ জানায়, সকালে বাসা থেকে বের হয়ে যান ফাহিম। পরে বেলা দুইটার দিকে ফিরে এসে বাসার দরজা বাইরে থেকে বন্ধ দেখতে পান। ভেতরে গিয়ে তিনি শারমীনকে রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।   ভাড়া বাসার মালিক আব্দুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী জানান, পাঁচ–ছয় মাস আগে বাড়ির নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন শারমীন ও ফাহিম আল হাসান। বিকেলে ফাহিমের ডাকাডাকি শুনে তিনি ঘরে গিয়ে শারমীনকে নিথর অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।   চিকিৎসকেরা জানান, বিকেল ৪টা ২২ মিনিটের দিকে মৃত অবস্থায় শারমীন জাহানকে হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে পুলিশকে জানানো হলে তারা মরদেহ নিয়ে যায়।   জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ ঘটনায় প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ধরনের মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তি নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে।   পুলিশ জানায়, স্বামীর দেওয়া তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুতই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যরাতে মাদকবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান, আটক ১৫

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল। ছবি : সংগৃহীত

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক

সংগৃহীত ছবি

আসামি ধরতে গিয়ে ‘মবের’ শিকার ওসি!

0 Comments